As primeiras 200 linhas.
সাবটাইটেল অনুবাদক আদনান নাদীভ অয়ন
ট্রেনটা দেরি করছে, জেসি।
ওটা চলে আসবে। কাপড় পড়ে নাও।
গ্রেডি আর অন্যরা? তাদেরও তো এতক্ষণে চলে আসার কথা।
আমার মনে হয় তারা আসছে না।
তাহলে ওরা কারা?
- হেই, বুড়ো জেসি! - হাই, গ্রেডি।
স্বাগতম, গ্রেডি।
উপরে ওটা কে? বেন, কি অবস্থা তোমার?
পুরাই অস্থির!
বালুগুলো ঝেরে ফেলি, আমিও হবো।
আমাকে একটু সাহায্য করো স্যাম।
আসো, ভিজে নাও !
দাড়িয়ে থাকো, মেয়ে। ওহে স্যাম, ওকে একটু সামলাও।
অস্থির! খুব ভালো লাগছে।
কালাহানা আর স্যাম টারনার।
আমি তাদের সম্পর্কে শুনেছি।
তারা ভালো, তরুণ। তোমার চেয়ে অনেক তরুণ, কিন্তু কাজের।
ঠিক আছে, তো জেসি এসব কি বলো তো?
জানি না, লেন বলেছে তার সাথে এই ট্রেন স্টপে দেখা করতে।
- ভালো কিছুই হবে নিশ্চয়ই। - তার না আমাদের?
তাতে কি এসে যায়? করার মতো কিছুই তো, তাই না?
জেসি, আমি ইদানীং বসে বসে হাওয়া খেতে খেতে বিরক্ত হয়ে গেছি।
- তোমারও এমন হয় নাকি? - সব সময়ই।
স্যাম? এদের খোয়াড়ে নিয়ে যাও। ছেড়ে দিয়ে এসো।
যেই ট্রেনে লেন আসছে, ওটা কখন পৌছবে জেসি?
গতকাল!!
শহরে মেয়েমানুষ আছে?
- একজন। - ভালোই, আমরা তাকে নিয়ে লড়তে পারি।
অনেকদিন হয়ে গেলো বুড়ো লেনকে দেখি না।
সে কি আগের মতই ঘাড়ত্যাড়া আছে?
সে বদলায়নি।
ভদ্রমহোদয়গণ, ইনি হচ্ছেন মিসেস লু।
- আমরা তার জন্য কাজ করছি। - আমরা করছি?
ঠিক তাই।
কি করছি?
বেন, তুমি কি মিসেস লু'কে হোটেলে পৌছে দিয়ে আসবে?
আচ্ছা, স্যার।
তো, কি বলছিলে?
বলছিলাম,"কি করছি?"
আমি ভেবেছিলাম তুমি এটা বলেছো!
এটা করলে কোন দুঃখে?
আমি বলেছিলাম দুজন বন্দুকবাজ নিয়ে আসতে যারা আদেশ পালন করবে।
ঘোড়ায় ওঠো আর ভাগো!
- আমাদের কি জানার অধিকার নেই? - না।
জেসি, খচ্চর আর জিনিসপত্রের কি খবর?
- সব তৈরি। - ভালো। ডিনামাইট?
- বেন দুই বাক্স নিয়ে এসেছে। - ওতেই কাজ হবে।
- তুমি কি করতে চাও, যুদ্ধ শুরু করবে? - দেখো লেন!
তোমরা এখনো এখানে আছো?
- ধূর! আমরা দুইদিন ধরে ঘোড়া ছুটিয়ে এখানে এসেছি। - সেটা তোমাদের সমস্যা।
তুমি আমাদের বলবে নাকি বলবেনা?
গ্রেডি, তুমি কোত্থেকে এই কাঠঠোকরা দুটোকে খুজে পেলে?
তারা তোমার সামনে দাড়িয়ে , এতেই অনেকখানি প্রমাণ হয়।
আমার তাদেরকে আমার সামনে দরকার না, আমার তাদেরকে আমার পাশে দরকার।
আমরা শুধু জানতে চাই কিজন্য আমরা এখানে এসেছি।
কোন বন্দুকবাজ যেজন্য কোথাও যায় - টাকা!
যত বেশি পাওয়া যাবে, তত সুযোগ খুজবে!
ওই মহিলার ব্যাপারে কি?
তার ব্যাপারে কি?
- সেও এর অংশ? - সে এর পুরোটাই।
তার মানে কি?
- সেটা তোমার ব্যাপার না। - লেন!
আমরা কিসে জড়াতে যাচ্ছি তা জানার অধিকার আমাদের আছে।
আমাদের সাথে এলে যতদূর পাওয়ার সম্ভাবনা - একটা কবর!
তাহলে আমরা কেনো আসবো?
তা আমি কি জানি!
যদি তোমরা মনে কর সোনার জন্য ঝুঁকি নেওয়া কম হয়ে যায়!
- সোনা? - আধ মিলিয়ন ডলার মূল্যের।
খোঁড়াই আছে?
খোঁড়াই আছে।
তুমি যা বলো!
- তোমার কি মনে হয় না এখনই সময়? - ঠিক আছে।
একটা ট্রেন ডাকাতি, বছর পাঁচেক আগে।
দশজন লোক আধ মিলিয়ন ডলার দামের সোনা লুট করে পালিয়েছিলো।
এসবের মূল হোতা যে সে ঠিক করেছিলো এগুলো কিছুদিন লুকিয়ে রাখা উচিত...
যতদিন না পরিস্থিতি ঠান্ডা হয়।
তাই সে ওই ফার্গো বক্স আর দুজন লোক নিয়ে রওনা দেয়...
আর মেক্সিকোর দক্ষিণে চলে যায়।
ফিরে আসে একাই। বলে যে, অন্য দুজন দুর্ঘটনায় মারা গেছে।
তার নাম ছিলো লু।
ওই মহিলা, সে তার বউ?
তার বিধবা, দুর্ভাগ্যবশত সে গুলি খেয়ে মারা যায়।
কিন্তু সোনাগুলো কোথায় আছে তা মরার আগে সে বউকে বলে গেছে।
- আর সে তোমাকে বলেছে? - না, সে আমাকে বিশ্বাস করে না।
সে শুধু এতটুকুই বলেছে যে সেটা এখান থেকে দক্ষিণে চারদিনের পথ।
যদি দশজন ওই ডাকাতিতে যুক্ত থাকে, তিনজন মৃত...
- তারমানে সাতজন এখনো জীবিত। - আর এখনো খুঁজছে।
তোমার কি মনে হয় তারা জানে লু মারা গেছে?
তাদের ছয়জন অন্ত্যষ্টিক্রিয়ায়ও অংশ নিয়েছিলো।
তো মহিলা তাদেরকে বলে নি কেনো?
তার স্বামীর অংশ নিয়ে বাকিটা দিয়ে দিতে পারতো না?
তার উদ্দেশ্য সেটা নয়।
সোনাগুলো পেলে সে সেগুলো ফিরিয়ে দিতে চায়।
তার স্বামীর কলঙ্ক মুছে ফেলবে।
সে কেনো তা করতে যাবে?
তাদের একটা বাচ্চা আছে, ছেলে। সে চায় না তার সন্তান বেড়ে উঠুক...
এই ভাবনা মাথায় নিয়ে যে তার বাপ ট্রেনে ডাকাতি করতো।
বেশ উঁচু মানসিকতা, তাই না?
ব্যাপারটাকে সে এভাবে দেখছে না।
তো সে কেনো রেল রোডে যেয়ে তাদের বলে দিচ্ছে না সোনাগুলো কোথায়?
আমার সাথে যখন দেখা হয় সে তাই করতে চলেছিলো। আমি তাকে ওই সিদ্ধান্ত থেকে ফিরিয়েছি।
একটা পুরস্কার আছে- ৫০,০০০ ডলার।
- ধূর! সেটা তো আধ মিলিয়ন না। - না, অন্যদিকে সেটা চুরিরও তো না।
- আমরা সকালে হতেই বেরিয়ে পড়বো। - লেন।
ওই মহিলাকে রেলরোড থেকে ফিরিয়ে আনা...
তুমি সম্ভবত ওই মহিলাকে মরতে এখানে নিয়ে এসেছো।
ওই মহিলার চিন্তা আমার ওপর ছেড়ে দাও।
ঘাড়ত্যাড়া!
সে বদলায়নি।
ভেতরে আসুন।
মিসেস লু?
নেবেন নাকি?
নিলে কিছু মনে করবেন না যেনো।
আমি খানিকটা নিয়েছি।
জ্বি, ম্যাম।
আমি নিজেকে কিসে জড়িয়েছি সে সম্পর্কে চিন্তা করতে শুরু করেছি।
আপনার মন পরিবর্তনের জন্য খুব বেশি দেরি হয়ে যায় নি।
আপনাকে ও অন্যদের একাই যেতে দেবো?
জ্বি, ম্যাম।
- আমি আপনাকে আগেও বলেছি, মি. লেন, যে... - আপনি আমাকে বিশ্বাস করেন না।
আপনাকে দোষ দেবো না।
আপনি বুঝেছেন তো যে পথিমধ্যে আমার যদি কিছু হয়...
- হবে না। - কিন্তু যদি হয়।
আমাদের কাজটাও যাবে।
আপনি আগামীকাল এগুলো পড়ার চিন্তা করছেন?
- হ্যাঁ। - পড়ুন এগুলো।
- এখনি? - এখনি।
- কিন্তু... - পড়ে ফেলুন।
আপনি ঘুরে দাড়াতে পারেন।
প্যান্টটা মন্দ না।
শার্টটা আরেকটু টাইট হওয়া প্রয়োজন।
- খুলে দিন, এটা সেদ্ধ করবো। - সেদ্ধ করবেন?
এটাকে চাপিয়ে দেবো।
আমি চাই এটা জায়গামত লেপ্টে থাকুক...
যাতে দূর-দূরান্ত থেকেও কেউ যদি আপনাকে দেখে...
কোন সন্দেহ থাকবে না যে আপনি একজন নারী।
- মি. লেন, আপনি যদি আমাকে চমকে দেবার চেষ্টা করছেন.. - আমি আপনাকে বাঁচিয়ে রাখার চেষ্টা করছি, মিসেস লু।
তারা যদি আপনাকে আমাদের সাথে দেখে তারা বুঝতে পারবে যে সোনাগুলো কোথায় আছে তা এখনো আমাদের বলেননি।
আর তারা আপনাকে জীবিত রাখার ব্যাপারে অতি সাবধান থাকবে।
অন্তত যতক্ষণ না পর্যন্ত আমরা ওগুলো হাতে পাচ্ছি।
- বুঝলাম। - না, বোঝেননি।
বুঝলে আমাদের সাথে আসতেন নাা।
কিন্তু তারা তো মাত্র সাতজন।
সেটা আমরা জানি। ওই পরিমাণ টাকার জন্য...
তারা সম্ভবত আশেপাশের সব দুই পয়সার বন্দুকবাজদের নিয়ে আসবে।
হয়তো আমার রেল রোডে ফিরে যাওয়া উচিত।
হয়তো আপনার তাই করা উচিত।
ড্রিঙ্কের জন্য ধন্যবাদ। আমি ছেলেদের জানিয়ে দেবো।
সেটা কি সকাল পর্যন্ত অপেক্ষা করতে পারে না?
কেনো করবো?
আমি হয়তো মন পরিবর্তন করতে পারি।
আবার?
আমি একজন নারী।
আর আমি আছি দুটো ট্রেন টিকেট আর পাঁচজন বন্ধুর মাঝে।
তাহলে ওসব ছেড়ে দেওয়াই যাক।
আগামীকাল এখান দিয়ে একটা ট্রেন যাবে।
ওটাতে আপনাকে তুলে দেবো।
শুভ রাত্রি, মিসেস লু।
মি. লেন।
সেদ্ধ করুন ওটা।
হ্যাঁ, আমি করে দেবো!
- ওটার সাথে থাকো, জেসি। - কাম অন, জেসি!
লেজের দিক দিয়ে ধরো।!
আমার মনে হয় ওদের সাহায্য দরকার।
ওগুলো বিস্ফোরিত হলে তাদের আরো বেশি কিছু দরকার হবে।
ওকে দেখিয়ে দাও বস কে, জেসি!
- কাম অন, আরেহ! - ধরে থাকো, স্যাম!
আরেহ, শালার পুত!
তুমি কি মনে কর না এগুলো ভদ্র কোনটার পিঠে চাপানো দরকার?
এটাই ভদ্রটা!
ধরে রাখো ওকে!
বজ্জ্বাত খচ্চর!
- সে সামলে নিয়েছে, ঠিক আছে সে। - ওকে, আমি ধরছি।
তুমি বলছো তুমি এই গাধার বাচ্চাকে বিশ্বাস করো?
অনেকদিন পিঠে বোঝা না নিলে তারা একটু বেয়াড়া হয়ে যায়।
- সে ঠিক হয়ে যাবে। - তার জন্য চিন্তা করছি না, করছি আমাদের জন্য।
সে শান্ত হয়ে যাবে।
নাও, ধরো।
অমন দুটোয় ডুব দিতে পারলে কেমন হতো?
মনে হয় তুমি শহরে বেশি যাও না, কালাহান।
এখন মন ভরে দেখে নাও। কিন্তু এরপর থেকে...
নিজের কাঁধের পেছনে নজর রাখাই ভালো হবে। যদি বাঁচতে চাও আর কি।
ঠিক আছে, জেসি, তাকে একটা ঘোড়া দাও আর দক্ষিণে মুখ করিয়ে দাও।
জ্বি, স্যার।
- ওকে খচ্চর সামলাতে সাহায্য করো। - আমরা খচ্চর চারণকারী না।
- ফিরে আসতে আসতে তাই হয়ে যাবে। - যদি ফিরে আসি।
তুমি ওই পাগলাটায় ডিনামাইট বাঁধতে দেখেছো?
যা বলা হয়েছে করো, ক্যাল।
- হ্যাঁ, কিন্তু... - কালাহান!
বস একজনই থাকবে। যাও ওকে খচ্চরগুলো নিতে সাহায্য করো।
পুরনো দিনের মতই, হ্যাঁ?
পুরাই সেরকম!
- প্রস্তুতু? - হ্যাঁ।
চলো মেক্সিকো যাই।
তুমি অন্ধকার ভয় পাও জেসি?
- আগুণ নিভে যাচ্ছে। - যেতে দাও!
- কোন সমস্যা, লেন? - মনে হলো আমি কিছু শুনতে পেলাম।
হয়তোবা কিছু না।
আমার বুড়ো হৃদয় ধুকধুক করছে!
No comments yet. Be the first to leave one.