As primeiras 200 linhas.
সাবটাইটেল অনুবাদক- আদনান নাদীভ অয়ন
অনেকদিন আগে ফুটফুটে একটি রাজকন্যা ছিলো।
কিন্তু তার উপর ছিলো এক ভয়ঙ্কর অভিশাপের প্রভাব...
যা কাটানো যেতো শুধুমাত্র সত্যিকার ভালোবাসার মানুষের প্রথম চুমুতে।
তাকে বন্দী করে রাখা হয়েছিলো একটা দুর্গে...
একটা ভয়ঙ্কর আগুন্মুখো ড্রাগনের পাহারায়।
অনেক সাহসী যোদ্ধারা তাকে এই বন্দীদশা থেকে মুক্ত করার চেষ্টা করেছে,
কিন্তু কেউই সফল হয় নি।
সে অপেক্ষা করছিলো ড্রাগনের পাহারায়...
সবচেয়ে লম্বা টাওয়ারের সর্বোচ্চ ঘরটিতে...
তার সত্যিকার ভালোবাসার মানুষের প্রথম চুমুর জন্য।
যেনো সত্যিই এটা কখনো হবে!
কত্তগুলা হইছে--
আমাকে বলেছিলো কেউ, এ জগত আমাকে পিষে ফেলবে!
আমি নই সবচেয়ে উপযুক্ত!
তাকে দেখাচ্ছিলো বোকার মতো, এমনকি তার আঙ্গুলগুলোকেও!
আর তার কপাল ছিলো এল এর মতো!
বছরের পর বছর এলো, সে আসা আর থামলো না।
গুলিয়ে খেয়েছি সব নিয়মের বাধা, বেঁচে আছি এখনো এই পৃথিবীর মাটিতে।
আনন্দ ছাড়া বাঁচার নেই কোন মানে।
হয়তো মস্তিষ্ক হবে মেধাবী , কিন্তু মাথা রয়ে যাবে বোকা।
আছে অনেক কিছু করার, আছে অনেক কিছু দেখার।
তো ভিন্ন পথ বেছে নিতে দোষ কি!
না গেলে কখনোই জানবে না!
না জ্বললে কখনো আলোকিত হবে না!
এই তুমি, তুমি অলস্টার!
শুরু করো তোমার খেল!
এই তুমি, তুমি রকস্টার! গান গাও, টাকা কামাও!
চকচক করলেই সোনা হয়!
শুধু উজ্জ্বল তারাই পারে মাটি ভেদ করতে!
এটা দারুণ জায়গা,তারা বলে আরো দারুণ হচ্ছে!
তুমি এখনো পুঁচকে , কিন্তু দেখবে বড় হলে!
উল্কা মানব অস্বীকার করে...
...স্যাটেলাইট ছবিতে পাওয়া গর্ত!
বরফের পরত হয়ে আসছে সরু!
পানি হচ্ছে গরম,চাইলে পারো গোসল সারতে!
আমার দুনিয়া অস্থির! তোমারটার খবর কি?
আমার পছন্দ এমনটাই, আর আমি কখনো বিরক্ত হই না!
এই তুমি, তুমি অলস্টার!
শুরু করো তোমার খেল!
এই তুমি, তুমি রকস্টার! গান গাও, টাকা কামাও!
চকচক করলেই সোনা হয়!
শুধু উজ্জ্বল তারাই পারে মাটি ভেদ করতে!
- যাও! - যাও!
যাও, যাও, যাও!
এই তুমি, তুমি অলস্টার!
শুরু কতো তোমার খেল!
এই তুমি, তুমি রকস্টার! গান গাও, টাকা কামাও!
চকচক করলেই সোনা হয়!
শুধু উজ্জ্বল তারাই পারে মাটি ভেদ করতে!
- ওটা ওখানে আছে বলে মনে হয়? - ঠিক আছে,চলো ওটাকে ধরি!
হোয়া! দাঁড়াও, তুমি জানো, ওটা তোমাকে কি করতে পারে?
হ্যাঁ ওটা তার রুটির জন্য তোমার হাড় গুড়ো করে ফেলবে!
হ্যাঁ, আসলে ওটা দৈত্যদের কাজ!
এখন,ওগাররা-- তারা আরো খারাপ!
তারা তোমার পরিষ্কার চামড়া ছাড়িয়ে পোশাক বানাবে!
- না! - তারা তোমার লিভার কামিয়ে নেবে!
তোমার চোখের জেলি চিপে বের করবে!
- আসলে, এটা বেশ সুস্বাদু! - পেছাও! পেছাও,দানব কোথাকার!
পেছাও! আমি সাবধান করছি তোমাকে!
ঠিক আছে!
এটা সেই মুহূর্ত যখন তোমরা দৌড়ে পালাবে!
আর দূরে থাকবে!
ধরিয়ে দিন! রূপকথার প্রাণীদের!
ঠিক আছে, এটা ভরে গেছে।
নিয়ে যাও এটাকে।
- সরাও ওটা। চলো! ওঠো! - এরপর!
দাও ওটা আমাকে! তোমার উড়াউড়ির দিন শেষ!
ডাইনীর জন্য ২০টা রূপা। এরপর!
- ওঠো! চলো! - বিশ মুদ্রা।
বসো ওখানে।
চুপ থাকো!
এই খাঁচাটা খুব ছোট!
আমাকে দিয়ে দিয়ো না প্লিজ! আমি আর কখনো একগুঁয়েমি করবো না!
আমি বদলে যাবো। প্লিজ আমাকে আরেকটা সুযোগ দাও!
- ওই,চুপ থাক! ওহ! - এরপর!
- তুমি কি এনেছো? - এই ছোট্ট কাঠের পুতুল।
আমি কাঠের পুতুল নই! আমি একটা সত্যিকারের বালক!
এই ভৌতিক খেলনার জন্য পাঁচ শিলিং।
- সরিয়ে নাও এটাকে। - বাবা,প্লিজ! ওদের এটা করতে দিয়ো না।
বাঁচাও! - এরপর! তুমি কি এনেছো?
আচ্ছা, আমি এনেছি এই কথা বলা গাধা!
আচ্ছা, ঠিক আছে। এর জন্য ১০ শিলিং, যদি তুমি তা প্রমাণ করতে পারো।
বলো, ছোট্ট বন্ধু।
আচ্ছা?
ওহ, সে আসলে-- সে আসলে একটু নার্ভাস।
আসলে সে বিরাট বাঁচাল! কথা বল, বেটা অকম্মার ধাড়ী--
- ব্যাস! যথেষ্ট শুনেছি। রক্ষী! - না, না ,সে কথা বলে!
সে বলে! আমি কথা বলি! আমি কথা বলতে ভালোবাসি!
আমি তোমার দেখা শ্রেষ্ঠ বাঁচাল!
- একে সরাও আমার চোখের সামনে থেকে। - না, না!
আমি শপথ করে বলছি! ওহ! সে কথা বলতে পারে!
হেই! আমি উড়তে পারি!
- সে উড়তে পারে! - সে উড়তে পারে!
- সে কথা বলতে পারে ?! - হা-হা! সেটাই তো, বলদ কোথাকার!
আমি এখন দুরন্ত কথা বলা উড়ন্ত গাধা!
তোমরা হয়তো উড়ন্ত মাছি দেখেছো, হয়তো দেখেছো উড়ন্ত মৌমাছি!
কিন্তু আমি বাজি ধরে বলছি তোমরা কখনোই দেখো নি উড়ন্ত গাধা!
হা-হা!
আহ-ওহ!
ধরো তাকে!
তার পেছনে যাও! সে পালাচ্ছে!
ধরো তাকে! এই দিকে! ঘোরো!
এইযে তুমি, ওগার!
জ্বি?
লর্ড ফারকোয়াডের আদেশ অনুযায়ী...
আমাকে তোমাদের দুজনকে গ্রেফতার করতে হবে......
আর তোমাদের নিয়ে যেতে হবে একটি আলাদা...পুনর্বাসন স্থানে।
ও,তাই? তুমি আর কোন সৈন্যরা?
আমি তোমাকে কিছু বলতে পারি?
তুমি ওখানে আসলেই দারুণ ছিলে! পুরাই অস্থির!
তুমি কথা বলছো আমার-- সাথে? হোয়া!
হ্যাঁ, আমি তোমার সাথেই কথা বলছি। আমি কি তোমাকে বলতে পারি ,
ওখানে তুমি অস্থির ছিলে? ওই সৈন্যরা !
তারা ভেবেছিলো তারাই সব। আর তখন তুমি দেখা দিলে এবং ব্যাম!!
তারা একদম লেজ গুটিয়ে পালিয়ে গেলো।
এটা দেখে আসলেই খুব ভালো লেগেছে।
- ওহ, খুব ভালো, আসলেই। - দোস্ত, স্বাধীন হওয়া খুব আনন্দের।
তো কেনো তুমি তোমার নিজের বন্ধুদের সাথে যেয়ে স্বাধীনতা উদযাপন করছো না? হুম ?
কিন্তু...আমার কোন বন্ধু নেই।
আর আমি একা ওখানে ফিরে যাচ্ছি না।
হেই,এক মিনিট দাঁড়াও। আমি দারুণ একটা বুদ্ধি পেয়েছি। আমি তোমার সাথেই থাকবো।
তুমি একটা অস্থির,সবুজ যুদ্ধাস্ত্র!
একসাথে আমরা যেকোন মন্দ লোকের বারটা বাজাতে পারি যারা আমাদের সাথে কাবঝাব করবে!
ওহ, ওয়াও! এটা বেশ ভীতিকর ছিলো।
যদি কিছু মনে না করো তাহলে বলি, ওটা যদি কাজ না করে ,
তোমার নিঃশ্বাসেই কাজ হয়ে যাবে,
তোমার টিক-ট্যাক বা ওই জাতীয় কিছু খাওয়া উচিৎ কারণ তোমার মুখে চরম দুর্গন্ধ!
তুমি আরেকটু হলেই আমার নাকের চুলগুলো পুড়িয়ে দিয়েছিলে।
সেইবারের মতো--
যেদিন আমি কিছু পচা বেরি খেলাম আর সারাদিন আমার পশ্চাৎদেশ থেকে দুর্গন্ধময় বায়ু বেরোলো!
কেনো তুমি আমার পিছু পিছু আসছো?
আমি বলছি কেনো।
কারণ আমি খুব একা!
কেউ নেই আমার পাশে!
আমার সব সমস্যার অবসান হয়েছে।
আমাকে নিয়ে মজা করারও কেউ নেই!
কিন্তু তোমার লাগবে বন্ধু--
গান থামাও!
তোমার যে কোন বন্ধু নেই এতে অবাক হওয়ার কিছু নেই।
বাহ! একজন সত্যিকারের বন্ধুই পারে এমন সৎ সাহস দেখাতে।
দেখো ছোট্ট গাধা, তাকাও আমার দিকে। আমি কি?
আহ--
- বেশ লম্বা? - না! আমি একটা ওগার।
তুমি জানো, মশাল জ্বালো আর পিচফর্ক নাও!
এটা তোমার কাছে বিরক্তিকর নয়?
নাহ!
- সত্যি? - একদম সত্যি।
- ওহ - দোস্ত, তোমাকে আমার পছন্দ হয়েছে। নাম কি তোমার?
আহ...শ্রেক।
শ্রেক? তো শ্রেক তুমি জানো আমি তোমার কোন ব্যাপারটা পছন্দ করি?
তোমার মধ্যের এই-
যে যা বলুক আমি পাত্তা দেই না মনোভাব!
আমি এটা পছন্দ করি। আমি এটা সম্মান করি। তুমি ঠিকই আছো শ্রেক।
দেখো ওটা, এমন জায়গায় কে থাকতে চায়?
ওটা আমার ঘর।
ওহ! আর এটা বেশ মনোরম! খুবই সুন্দর!
তুমি দারুণ একজন ডেকোরেটর। তুমি স্বল্প বাজেটের মধ্যে যা সাজিয়েছো তা সত্যি দারুণ।
আমার এই পাথরটা পছন্দ হয়েছে। এটা খুব সুন্দর পাথর।
আমার মনে হয় তুমি বেশি বিনোদিত হও না?
আমি আমার প্রাইভেসি পছন্দ করি।
জানো আমিও পছন্দ করি। এটা আমাদের মধ্যে আরেকটা মিল।
যেমন ধরো কেউ তোমার আশেপাশে ঘুরঘুর করছে,
তুমি তাকে বিভিন্ন ইশারা করার পরও সে যাচ্ছে না।
সেখানে থাকছে শুধু বিব্রতকর নীরবতা!
- আমি কি তোমার সাথে থাকতে পারি? - অ্যাঁ! কি?
আমি কি তোমার সাথে থাকতে পারি প্লিজ?
- নিশ্চয়ই! - সত্যি?
- না। - দয়া কর! আমি ওখানে ফিরে যেতে চাই না!
তুমি জানো না আজব চিড়িয়া হয়ে বেঁচে থাকাটা কেমন, হয়তো তুমি জানো!
কিন্তু সে জন্যই আমাদের একসাথে থাকতে হবে! তোমার আমাকে থাকতে দেওয়া উচিৎ!
- প্লিজ! প্লিজ! - ঠিক আছে! ঠিক আছে!
- কিন্তু শুধু এক রাতের জন্য। - আহ! ধন্যবাদ!
- কি করছ তুমি...না! না! - এটা খুব মজাদার হবে!
আমরা অনেক রাত পর্যন্ত জাগতে পারি, কিছু পুরুষালী গল্প করবো,
আর সকালবেলা আমি ওয়াফলস বানাবো!
- ওহ! - আমি...ঘুমাবো কোথায়?
বাইরে!
আচ্ছা ঠিক আছে। মনে হয় সেটাই ভালো হবে।
আমি তোমাকে চিনি না, তুমি আমাকে চেনো না,
তাই বাইরেই ভালো।
যাচ্ছি আমি।
শুভ রাত্রি।
আমি বলতে চাই,আমি বাইরে পছন্দ করি। আমি একটা গাধা,
আমার জন্মই হয়েছে বাইরে।
আমার মনে হয় আমি বাইরে এখানে বসেই কাটাবো।
একাই,বাইরে।
আমি খুব একা! আমার পাশে কেউ নেই!
আমার মনে হয় আমি তোমাকে বাইরে থাকতে বলেছিলাম।
আমি তো বাইরেই আছি!
তো ভাইয়েরা,এটা ফার্ম থেকে অনেক দূরে, কিন্তু আমাদের আর কিইবা করার আছে?
এটা বাড়ি নয় তবে ভালোই চলবে।
কি চমৎকার বিছানা।
- ধরেছি! - আমি কিছু পনির খুজে পেয়েছি।
- আহ! - ব্লাহ! বিচ্ছিরি জিনিস।
- ওটা কি তুমি,গর্ডর? - তুমি কিভাবে বুঝলে?
যথেষ্ট! আমার বাড়িতে তোমরা কি করছো?
হেই!
ওহ, না-না-না!
মৃতদের টেবিলে রাখা চলবে না!
No comments yet. Be the first to leave one.