As primeiras 200 linhas.
পেয়েছি!
অবিশ্বাস্য!
অবিশ্বাস্য!
- ওহ্, গড... - মাথা ঠাণ্ডা রাখো.
নাহলে সব প্ল্যান ভেস্তে যাবে.
- আমি কাজ শুরু করে দেই. - জলদি!
সিকিউরিটি, জলদি এখানে...
আমি জানি তোমরা কারা. আসলে তোমরা যেরকম ভাবছ...
মুখ বন্ধ এবং নড়াচড়া বন্ধ.
এই শিম্পাঞ্জিগুলো আক্রান্ত. ভাইরাসটা খুবই ছোঁয়াচে. এজন্যই এভাবে রাখা হয়েছে.
- কীসে আক্রান্ত? - এদের চিকিৎসা করা হচ্ছে.
কীসে আক্রান্ত?
হিংস্রতা.
- মানে কী? - সবগুলো খুলে দাও.
না! না! না!
শোন, পশুর বাচ্চা, এই অমানবিক নির্যাতন আর নয়.
শিঘ্রই তুমি স্বাধীন হবে.
এরা সবাই ছোঁয়াচে. ভাইরাসটা রক্তে এবং লালায় মিশে আছে. কামড়...
না... থামো! ওটা বন্ধ করো!
সাহায্য করো!
এটা সরাও!
- এসব কী? - তাকে মেরে ফেলো!
ওহ্ মাই গড!
- এসব কী হচ্ছে? - এক্ষুনি তাকে মারতে হবে!
ওহ্ গড...
আঠাশ দিন পর...
হ্যালো?
হ্যালো?
হ্যালো!
হ্যালো?
হ্যালো!
হ্যালো?
হ্যালো?
ফাদার?
ফাদার, আপনি ঠিক আছেন?
কাজটা ঠিক হয়নি.
একদমই ঠিক হয়নি.
এদিকে!
- আসো! - জলদি!
যাও, যাও, যাও!
দ্রুত!
- এসব কী হচ্ছে? - চুপ করো!
- এবার অপেক্ষা. - এরা কারা?
চলো! চলো!
- কী হচ্ছে এসব? - আসো!
আসো!
এক লোক সাথে জিরাফ নিয়ে বারে ঢুকে. দুজনরই মেজাজ খারাপ.
জিরাফটা পা পিছলে পড়ে যায়.
জিরাফের মালিককে চলে যেতে দেখে বারটেন্ডার বলে "ভাই, তুমি চলে গেলে তার কী হবে?"
মালিক বলে, "ভয় পেওনা, এটা সিংহ নয়. জিরাফ".
শালার কোন রসবোধ নেই.
তোমাদের দুজনের জমবে ভাল.
বলো তুমি কে?
হসপিটাল থেকে এসেছ তো?
- ডাক্তার নাকি? - সে ডাক্তার নয়. রোগী.
আমি একজন বাইক মেসেঞ্জার.
ডেলিভারি দিতে যাচ্ছিলাম তখন একটা গাড়ি এসে ধাক্কা দেয়.
তারপর আজ হসপিটালে জ্ঞান ফিরেছে. আর এখন...
হেলুসিনেশন হচ্ছে নাকি...
নাম কী?
জিম.
আমি মার্ক. ও সেলিনা.
শোন, জিম.
দুঃসংবাদটা শোন এবার.
শুরুটা হয়েছিল বিক্ষোভের মাধ্যমে, প্রথমেই বুঝেছিলাম এটা অন্যকিছু.
কারণ শুধু গ্রাম আর মফস্বল এরিয়াগুলোতেই হচ্ছিল.
তারপর শুধু টিভি স্ক্রিনে নয়,
চোখের সামনেই দেখা যাচ্ছিল. দরজা-জানালা ভেঙ্গে ঢুকছে.
ভাইরাস.
ছোঁয়াচে রোগ.
এতটুকু বোঝার জন্য ডাক্তারের প্রয়োজন হয়নি.
রক্তের দোষ.
রক্তের মধ্যেই কিছু একটা ছিল.
শহর ত্যাগ শুরু করার আগেই এটা ছড়িয়ে পড়ল.
সবাই ভাইরাসে আক্রান্ত হল.
সেনাবাহিনী পরিস্থিতির নিয়ন্ত্রণ হারাল.
তারপরেই প্রাণ রক্ষার যাত্রা শুরু হয়েছে.
স্যাটেলাইট ব্রডকাস্টিং বন্ধ হওয়ার আগের দিন দেখেছিলাম প্যারিস এবং নিউ ইয়র্কেও আক্রান্ত হয়েছে.
তারপর থেকে সবকিছু বন্ধ.
- সরকার কী করছে? - সরকার বলতে এখন কিছু নেই.
অবশ্যই সরকার আছে!
কোথাও না কোথাও আছে. কোন বাঙ্কারে অথবা প্লেনে...
কোন সরকার নেই, পুলিশ নেই, সেনাবাহিনী নেই.
টিভি, রেডিও, ইলেকট্রিসিটিও নেই.
গত 6 দিনে সুস্থ ব্যাক্তি শুধুমাত্র তোমাকেই দেখেছি.
তোমার পরিবার কোথায়?
মরে গেছে. সেলিনারও.
তোমার পরিবারও আর নেই সম্ভবত.
আমাকে তাদের কাছে যেতে হবে. তারা ডেপ্টফোর্ডে থাকে. হেঁটে যেতে পারব.
দেখা করে আবার আসবে, তাই না?
- সম্ভব নয়. - হ্যা!
কেউ ফিরে আসেনি.
প্রথম উপদেশ.
যতক্ষণ উপায় আছে ততক্ষণ একা কোথাও যাবেনা.
দ্বিতীয় উপদেশ.
শুধুমাত্র দিনের আলোতে যাত্রা করবে.
আগামীকাল তোমাকে নিয়ে যাব.
সবাই মিলে তোমার মৃত পরিবারকে খুঁজব.
খেয়ে নাও.
ক্লান্ত হয়ে গেলে তাকে বলো ধীরে হাঁটতে.
- যদি কেউ... - বুঝেছি.
- যেকেউ... - আমি বুঝেছি!
আচ্ছা.
জিম...
দাঁড়াও!
উনারা শান্তিপূর্ণভাবে মরেছেন. অন্তত কৃতজ্ঞ থাকো.
আমি কৃতজ্ঞ নই.
আমার...
বাবা-মা আর বোন, সবাই প্যাডিংটন ষ্টেশনে গিয়েছিলাম,
আশা ছিল কোন প্লেনের টিকেটের ব্যবস্থা করবো.
বাবার কাছে অনেক টাকা ছিল,
যদিও তখন টাকা ছিল স্রেফ এক টুকরো কাগজ.
সেখানে আরও 20 হাজার মানুষ একই আশায় গিয়েছিল.
উপচে পড়া ভিড়.
বোনের হাতটা ছুটে গেল.
খেয়াল করলাম পায়ের তলাটা নরম.
নিচে তাকিয়ে দেখি আমরা মানুষের উপর দাঁড়িয়ে আছি.
কার্পেটের মত. যারা পড়ে গিয়েছে...
ভিড়ের মধ্যে একজন আক্রান্ত হল. দ্রুতই সেটা ছড়িয়ে পড়ল.
কেউ পালাতে পারেনি. সবাই একে অন্যের উপর ছিল.
যে যত মানুষের উপরে উঠতে পেরেছে তার বাঁচার সম্ভাবনা তত বেশি.
আমি সবার উপরে উঠছিলাম.
নিচে তাকালে বোঝা যাচ্ছিলনা কারা আক্রান্ত আর কারা নয়.
হঠাত বাবাকে আবিষ্কার করলাম. মা'কে নয়, বোনকেও নয়.
আমার বাবাকে.
তার মুখ...
সেলিনা ঠিকই বলেছে. তোমার কৃতজ্ঞ হওয়া উচিত.
সন্ধ্যার আগে ফিরে যাওয়ার মত সময় নেই. রাতটা এখানেই কাটানো উচিত.
আমার রুম উপরে. তোমরা দুজন সেখানে ঘুমাও.
না, সবাই একসঙ্গে ঘুমাব. বেশি নিরাপদ.
জিম.
- ফিরে এসেছ. - হ্যা.
- কেমন ছিল? - ভালই.
দাও দেখি একটু খাই.
- খালি হয়ে গেছে. - হা!
নাও.
শুরু করে দেই তাহলে.
মার্ক! মার্ক!
সেলিনা! সাহায্য করো!
ঠিক আছে.
- এটা মিস্টার ব্রিজ. - কামড় লেগেছে?
আর উনার মেয়ে. আমাদের প্রতিবেশী.
- কামড় লেগেছে? - না.
মুখের ভেতর রক্ত গিয়েছে?
না.
মার্ক?
দাঁড়াও...
পরিষ্কার হয়ে নাও.
বাসায় কাপড় আছে?
হ্যা... আছে...
সেগুলো পরে নাও. আমাদের এক্ষুনি যেতে হবে.
এরা আরও আসবে. আমি আগে দেখেছি.
তুমি কীভাবে বুঝেছ? কীভাবে বুঝেছ সে আক্রান্ত হয়েছে?
- রক্ত দেখে. - রক্ত তো আমার শরীরেও ছিল.
আমাকে বুঝতে হয়নি. সে নিজেই বুঝেছিল, তার মুখে স্পষ্ট ছিল.
কেউ আক্রান্ত হওয়ার পর 10 থেকে 20 সেকেন্ড সময় থাকে.
আপন ভাই, বোন কিংবা ছোটবেলার বন্ধুও হতে পারে, কিছু আসে যায়না.
তোমাকে মারতেও আমার দ্বিধা থাকবেনা.
তার অনেক পরিকল্পনা ছিল. তোমার কোন পরিকল্পনা আছে, জিম?
রোগের চিকিৎসা বের করে সবাইকে বাঁচাতে চাও নাকি শুধু ভবঘুরে?
পরিকল্পনা করেও লাভ নেই.
বেঁচে থাকাটাই বড় ব্যাপার.
দাঁড়াও, দাঁড়াও, দাঁড়াও.
ওটা কী?
চলো.
এগুলো এখানে রাখার মানেটা কী?
কথা বন্ধ. জলদি করো.
কিছুক্ষণ বিশ্রাম নিবে?
- তুমি? - না.
একটু বিশ্রাম নেই.
কী ব্যাপার?
কিছুনা.
মাথাটা ব্যথা করছে.
- বেশি? - হ্যা, বেশি.
- আগে বলোনি কেন? - আমার ব্যথায় যে তোমার ব্যথা হবে সেটা ভাবিনি.
তোমার শরীরে কোন ফ্যাট নেই, আর খাবার বলতে শুধু সুগার খেয়েছ.
তাই এই অবস্থা.
তাই করার মত কিছুই নেই,
পেইনকিলার নিয়ে ব্যথা দমাও, আর সুগারের জন্য...
পেপসি নাকি লিল্ট?
ট্যাং আছে?
ভাগ্যবশত, ট্যাং আছে.
আস্তে! ওটা আক্রান্ত.
না, টের পেয়েছে. চলো!
দাঁড়াও, সেলিনা!
আমার জন্য দাঁড়াও!
প্লিজ, সেলিনা, প্লিজ!
- দাঁড়াও! - জলদি!
- দ্রুত! - দাঁড়াও!
দাঁড়াও আমার জন্য!
সেলিনা!
একদম শেষে. ফ্ল্যাট 157. যাও!
ধন্যবাদ. ধন্যবাদ.
দরজা খোল!
দরজা খোল!
- জলদি! - বাবা কোথায়?
কী?
- এক্ষুনি খোল! - আমার বাবা কোথায়?
তাদের ঢুকতে দাও, হ্যানা.
যাও, ভেতরে যাও!
No comments yet. Be the first to leave one.