As primeiras 200 linhas.
এ
এই
এই সা
এই সাব
এই সাবটা
এই সাবটাই
এই সাবটাইটে
এই সাবটাইটেল
এই সাবটাইটেলটি
এই সাবটাইটেলটি তৈ
এই সাবটাইটেলটি তৈরি
এই সাবটাইটেলটি তৈরি করে
এই সাবটাইটেলটি তৈরি করেছেন
এই সাবটাইটেলটি তৈরি করেছেন সা
এই সাবটাইটেলটি তৈরি করেছেন সাই
এই সাবটাইটেলটি তৈরি করেছেন সাইফ
এই সাবটাইটেলটি তৈরি করেছেন সাইফ
সাইফ
নতুন নতুন সব মুভি এর বাংলা সাবটাইটেলের জন্য ফেসবুক গ্রুপ
ফেসবুকে অনুবাদকের প্রোফাইল ★ saif...
সাবটাইটেল ভালো লাগলে রেটিং দিতে ভুলবেন না ।
এটি আমার করা প্রথম সাবটাইটেল ( ভালো করার অনেক চেষ্টা করেছি , ভুল হলে ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন )
আজাইরা পেচাল বাদ দিলাম, এখন মুভি উপভোগ করুন।
Shhh...
ঘুমিয়ে পরো।
একদা এক সময়, আমি আসার পূর্বে,
তুমি শুধু কাদতে আর কাদতে
আর সারাদিন টিভি দেখতে,
জুম্বি হওয়ার আগ পর্যন্ত,
কিন্তু এরপর আমি স্বর্গ থেকে
স্কাইলাইটের মাধ্যমে
তোমার রুমে চলে আসলাম.
হুস-ফুস!
আর আমি তোমাকে ভেতর থেকে নাড়া দিচ্ছিলাম.
বুম, বুম!
আর তারপর আমি বড় বড় চোখ করে কম্বলের উপর ঝাপিয়ে পরলাম,
আর তুমি রশিটা কেটে দিয়ে বললে, "হ্যালো, জ্যাক."
মা, আমার ৫ বছর পুর্ন হয়েছে!
- হ্যা. - আমি এখন বড় হয়েছি।
তুমি এখন অনেক বড় হয়ে গেছো।
হ্যা
গুড মর্নিং, বাতি...
গুশ মর্নিং, চারাগাছ
গুড মর্নিং, সাপের ডিম
গুড মর্নিং, কম্বল
গুড মর্নিং, ওয়্যারড্রব
গুড মর্নিং, টিভি
গুড মর্নিং, বেসিন
মর্নিং, বাথরুম
সবাইকে, গুড মর্নিং
আচ্ছা
আজকে আমার জন্মদিন, আমার এখন ৫ বছর
বুঝতে পেরেছি
ভিটামিন টা খেয়ে নাও এটাই সর্বশেষ
ভিটামিন
- দাত ব্যাথা করছে? - Mm-hmm.
কিন্তু তুমি কি জানো যে,
সবকিছুই তোমার চিন্তা-ভাবনার উপর।
তুমি যদি কিছু মনে না করো, তাহলে সেটা কিছুই না।
একদম সত্যি।
তুমি কি জানো,
আজ আমরা কি করতে যাচ্ছি?
কি?
আমরা জন্মদিনের একটা কেক বানাবো।
জন্মদিনের কেক?
উম-হুম
- টিভিতে যেমন দেখায়? - উম-হুম, কিন্তু বাস্তব।
তাই নাকি!
পেছনের দিকে।
এখন শুরু করো, এক, দুই, তিন।
চার, পাঁ... এক, দুই, তিন, চার, পাঁচ...
এই।
I love you.
ঠিকাছে, টিভি বন্ধ করো।
দৈত্য হওয়ার আগ পর্যন্ত আমি বড় হতেই থাকবো।
দেখো, মা, আমি স্যামসনের মত শক্তিশালী।
হ্যা, তাইতো।
আমি জ্যাক হবো, দৈত্য হত্যাকারী জ্যাক।
আর আলোকরশ্মি ভেদ করে মাটিতে পরবো।
আমার কুকুর লাকির সাথে,
আর সকল গ্রহে বুয়িং, বুয়িং করবো।
চলো সোজা হওয়া দিয়ে শুরু করি।
খুব ভালো. খুব ভালো।
অন্য পা, তাড়াতাড়ি।
পা পাল্টাও. হুপ।
- হ্... - আমি করছ...
- হ্যা. - আমি করছি...
লাফ, লাফ...
ব্যাঙের।
পা পিছনে নাও আর পুশ-আপ করো।
ওঠো. এখন, দৌড়ানোর সময় হয়েছে।
এখন এই দেয়াল।
ওহ, আমি এই দেয়াল বুঝিয়েছি।
আমি কি এই দেয়ালের কথা বলেছি?
আমি এই দেয়াল বুঝিয়েছি,
কিন্তু আমি আসলে, এই দেয়াল বুঝিয়েছি,
আর এইটা,
কিন্তু এটাও বুঝিয়েছি।
ইয়াহ!
উম.
ওহ, অনেক সুন্দর একটা ডিম।
অনেক সুন্দর।
এটা কি তরল?
হুম, এটা তরল।
এরসাথে আমরা কিছু মাখন যোগ করবো।
এটা কেমন?
- মাখন! - ননন!
- হো, হো! - আহ, এখন এটা মেশাবো।
ওহ, আমি বুঝতে পেরেছি!
তুমি কিছু করে দেখাচ্ছোনা কেনো?
- তুমি কি... এটা পারবে? - হ্যা
চিচিং ফাক!
এখন মোমবাতি আনো!
আমাদের কাছে কোনো মোমবাতি নেই।
আমি জানি।
তুমি একটা বাস্তব জন্মদিনের কেকের কথা বলেছিলে।
তার মানে মোমবাতিতে আগুন জ্বলবে।
জ্যাক...
মোমবাতি ছাড়াও করা যায়।
তারপরেও এটা জন্মদিনের কেক।
রবিবারের ট্রিটে তুমি মোম চাইতে পারতে,
ফালতু জিন্সের পরিবর্তে।
আমি দুঃখিত।
কিন্তু, আমি সেই জিনিসগুলো চেয়েছিলাম যেগুলো অনেক দরকার,
যেই জিনিসগুলো সে সহজেই পাবে।
কিন্তু ওল্ড নিক তো সবকিছু পায়, জাদুর মাধ্যমে।
আমরা কেক টেস্ট করে দেখছিনা কেনো?
না!
জ্যাক।
একটু খেয়ে দেখো।
আমি বলেছি, না!
এখানে আসো।
সামনের সপ্তাহে যখন আমার বয়স ৬ হবে,
তখন তুমি অবশ্যই বাস্তব মোমবাতি আনার কথা বলবে।
তুমি সামনের বছর বুঝাতে চাচ্ছো।
আর এডমন্ড ব্যাগ ছিড়ে বের হলো,
আর সাতার কাটতে কাটতে মন্টে ক্রিস্টো আইল্যান্ডে আসলো,
আর গুপ্তধন খুজে বের করলো
যেই গুপ্তধনের কথা তার বন্ধু বলেছিলো।
সে বড় একটা নৌকা কিনলো...
আর সেটায় করে ফ্রান্সের দিকে রওনা হলো,
এরপর যখন সে পৌছালো,
তখন সে আইল্যান্ডটা কেনার সিদ্ধান্ত নিলো,
আর নিজেকে "দ্যা কাউন্ট" হিসেবে পরিচয় দিলো
এরপর সে প্রতিশোধের সংকল্প করলো।
যে সব লোকের উপর তার পুরনো রাগ ছিলো।
আমি কি আরেকটু জন্মদিনের কেক খেতে পারবো?
আগামিকাল।
অল্প একটু?
আমরা দাত মেজে ফেলেছি।
আরেকটা গল্প? প্লিজ।
বাদ দাও, জ্যাক। দেরি হয়ে গেছে।
শুয়ে পরো।
গাও।
- এই নাও তার জিন্স। - ধন্যবাদ।
আঙ্গুরের অনেক দাম, তাই আমি তমার জন্য নাসপাতি এনেছি।
এটা কি? এটা কি জন্মদিনের কেক?
উম
উম. আগে বলবানা।
আমি তার জন্য একটা উপহার আনতাম।
তো, তার বয়স কত হলো? চার?
পাঁচ।
এক, দুই, তিন...
একটা রুম,
এরপর বাহিরের জগত,
সব টিভি প্লানেট নিয়ে,
তারপর স্বর্গ.
চারাগাছ বাস্তব, কিন্তু গাছপালা বাস্তব না।
মাকড়সা বাস্তব,
এবং একসময় মশা আমার রক্ত শোষন করছিলো।
কিন্তু কাঠবিড়ালি আর কুকুর শুধুমাত্র টিভিতেই দেখা যায় বাস্তবে না,
একমাত্র লাকি ছাড়া।
সে আমার কুকুর যে হয়তো একদিন আমার কাছে আসবে।
দৈত্যগুলো এত বিশাল যে, বিশ্বাস করা কঠিন,
এর সাথে সমুদ্রও।
টিভিতে যাদের দেখায় তারা সমান এবং রঙ দ্বারা তৈরি।
কিন্তু তুমি আর আমি বাস্তব।
ওল্ড নিক...
আমি জানিনা সে বাস্তব কিনা।
হয়তো অর্ধেক বাস্তব।
৪৭, ৪৮, ৪৯.
৫০, ৫১...
শুসস..
ওহ
ওটা কি?
এটা একটা নষ্ট দাত
উম-হুম
আমি কি এটা ধরতে পারবো?
ওয়াও!
তোমার কারনে সে চলে গেলো!
ওটা একটা জিবিত জিনিস ছিলো।
ওটা বাস্তব ছিলো!
সে হয়তো আমাদের খাবার চুরি করতো।
ইঁদুরকে আমি আমার খাবার দিতাম।
আমার ক্ষুধা নেই।
সে জীবাণু ছড়াতে পারে, ঘুমের মধ্যে আমাদের কামড় দিতে পারে।
ইঁদুর আমার বন্ধু,
আর তুমি তাকে মৃত্যুর মুখে ফেলে দিয়েছো।
না, আমি তা করিনি।
সে চমৎকার।
No comments yet. Be the first to leave one.