لومړۍ 181 کرښې.
তারা সুন্দর...
কিন্তু এমন একটা জায়গায় তারা এতটা নির্ঝঞ্ঝাট কীভাবে থাকতে পারে?
মনুষ্যরা এখানে কেন?
সোশিনরা কোথায়?
এমনভাবে বলছো যেন তোমরা মনুষ্য নও।
তোমরাও কোনো দৈত্য-টৈত্য না-কি?
কী মিষ্টি।
তোমরা দুজন এসে আমাদের সাথে যোগ দাও না?
মুর্খ—
এই জঘন্য কথাগুলো বলা বন্ধ করো।
দুঃখিত।
এই জায়গা পর্যন্ত পৌঁছানো মানুষের দর্শন পাওয়া তো বিরল।
অবিশ্বাস্য।
মজাও সবে শুরু হতে যাচ্ছিলো।
এখন এরা দিলো তো মেজাজটা নষ্ট করে।
এদের হত্যা করবো।
এমন একটি দ্বীপে, কিছুই আর অদ্ভুত নয়।
এখানে কিছুর সন্ধান পেলেও অবাক হবো না।
এখানে সন্নাসীরা বাস করে কি করে না, সেটা মূল বিষয় না।
এই দ্বীপে বসবাসকারী লোকেরা বন্ধু নাকি শত্রু, সেটা মূল বিষয়।
এগুলোই মাথায় রাখতে হবে।
অনুবাদ ও সম্পাদনায় শান্ত কুমার দাস
পুষ্প এবং অঞ্জলি
দাঁড়াও!
কী?
শিশু?
ও কি মূল ভুখন্ডের মানুষ না-কি...?
গাবিমারু...
কে ওই শিশুটি?
এটা কি... বনসাই জীব?
কোনো প্রকার দৈত্য?
কী?
গাবিমারু।
ওই মেয়েটা এই দ্বীপ সম্পর্কে নিশ্চয়ই কিছু জানে।
ও আমাদের একমাত্র পাথেয় হতে পারে।
ধরতে হবে ওকে।
কিন্তু এখানে একটা দৈত্য দাঁড়ানো।
ওকে তোমরা সামলাও।
মজা করছো না-কি?
সাগিরি?
গাবিমারুকে চোখের আড়াল হতে দেয়া যাবে না।
সেন্তা-দোনো, শুভকামনা রইলো।
কী করছো?
আমার কৌশল তোমাকে বলবো না।
যেহেতু সুযোগ পেয়েছি, এমন একজন নিম্ন স্তরের শত্রুর বিপক্ষে নিজেকে পরীক্ষা করতে চাই।
জানতে হবে আমার নিনজুৎসু দৈত্যদের বিরুদ্ধে কাজ করে কি না।
তুমি এই বনকে ভালো করে জানো বলেই মনে হচ্ছে।
আমাদের কথা বলা দরকার—
কী?
গাবিমারু!
এটা কী ছিলো?
তার মতো একটা শিশুর পক্ষে এমনটা করা সম্ভব নয়।
দয়া করে দাঁড়াও।
তোমার ক্ষতি করার কোনো উদ্দেশ্য নেই আমাদের।
আমরা তোমাকে স্রেফ কয়েকটা প্রশ্ন করবো।
এই তো ভালো।
বুঝতে পেরেছো আমাদের।
এই শক্তি...
সাধারণ শক্তির থেকে আলাদা।
এক অতিপ্রাকৃত শক্তি...
এখানে আসার পর থেকে অনেক অগম্য ঘটনার সাক্ষী হয়েছি।
এই মেয়ে, দৈত্য, পাথরের মূর্তি এবং পুরো গ্রাম।
ভেবেছিলাম কাজটা সহজ হবে।
"অমৃত অনুসন্ধান"
"মুক্তি পেয়ে স্ত্রীর কাছে ফেরা।"
জানি না তুমি মানুষ কি না,
কিন্তু তোমাকে দেখতে একটা ছোট্ট মেয়ের মতো।
পারলে, তোমার প্রতি কঠোর হতে চেয়েছিলাম না।
কিন্তু আমিও মরিয়া।
হয়তো তা করতে ভুলে যাবো।
গাবিমারু!
এসব কঠিন কাজ করতে করতে ক্লান্ত হয়ে গেছি।
আমি শুধু অমৃতের সন্ধান করছি।
আর কিছু করতে বাধ্য কোরো না।
ও তো কাঁদছে।
হ্যাঁ কাঁদছে।
কী করবো?
আগে নামাও ওকে।
যাক, ওকে তো ধরেছি। এটাই যথেষ্ট।
এখন ওকে ভালো করে দেখে...
সাধারণ বাচ্চাই মনে হচ্ছে।
হেই, কী চলছে এখানে?
দেখে তো আয়েশেই আছো মনে হচ্ছে।
ওদিকে আমার অবস্থা খারাপ হয়ে গেছে।
এখন আমাদের কী পরিকল্পনা?
আমাদের অমৃত সম্পর্কে বলো।
ও কান্না থামানো পর্যন্ত আমাদের অপেক্ষা করতে হবে।
বাচ্চাদের কে ঠান্ডা করতে বেশি ভালো পারে?
দয়া করো...
এটা কি মাত্র...
কথা বলে উঠলো?
দয়া করে শিশুটিকে আমায় ফিরিয়ে দাও।
আমি তোমাদের গ্রামে নিয়ে যাবো।
অমৃতের ব্যাপারে বলবো।
ধন্যবাদ, দরকার নেই।
তুমি কথা বলতে পারো দেখে তাজ্জব বনে গেছি,
কিন্তু তুমি আমাদের ধোঁকা দেয়ার চেষ্টা করতে পারো।
ওর থেকে জানাটা বেশি নিরাপদ।
সঠিক।
গ্রামে আমাদের খাবার আছে।
আমার কাছে ঢের খাবার আছে।
স্নানের ব্যবস্থাও আছে।
স্নান, স্নান, স্নান, স্নান।
স্নান, স্নান, স্নান, স্নান।
স্নান, স্নান, স্নান,, স্নান।
স্নান, স্নান, স্নান, স্নান।
অপরিচিত কাউকে বিশ্বাস করাটা কি নিরাপদ হবে?
যেহেতু তারা অমৃত সম্পর্কে জানে, তাই সেটা এখন বিবেচনার বিষয় নয়।
যদি সে সন্দেহজনক কোনো পদক্ষেপ নেয়, আমরা তাকে মেরে ফেলব।
আমরা পৌঁছে গেছি।
এটা দেখে গ্রামের থেকে ভুতের আড্ডাখানা বেশি মনে হচ্ছে।
কী ঘন কুয়াশা।
এখানে আর কাউকে দেখতে পাচ্ছি না।
হাজার বছর আগেও, এটা এমন ছিলো না।
হাজার বছর?
আমার বাড়ি দেখাচ্ছি।
বাড়ির সাজসজ্জা কত সুন্দর!
যদিও সবগুলো পুরোনো জিনিস।
সত্যিই এখানে থাকো তুমি?
আমি মিথ্যা বলি না।
আমার কিছু প্রশ্ন আছে।
কী? ওসব বিষয়ে পরে কথা বলা যাবে।
প্রথমে, আমাকে স্নান করতে হবে।
আমাদের হাতে সময় নেই।
কী প্রশান্তির স্নান।
চমৎকার।
ওর ব্যাপারে কিছু করো।
আমার করার কিছু নেই।
তার অনেক বিনম্রও বটে।
এইতো, এইতো।
সুযোগ পেলে বিশ্রাম নিয়ে নেয়াটা বুদ্ধিমানের কাজ।
তুমি কেন—
না।
বড্ড একগুঁয়ে তুমি। সাগিরিন ঢুকছে।
রিন?
এখানে স্রেফ তোমার উপর নজর রাখতে এসেছি।
সেন্তা-দোনো এটা করতে পারবে বলে মনে হয় না।
আমরা শুধু সাময়িকভাবে ভূমিকা পরিবর্তন করছি।
আমি এখনো আমার দায়িত্ব...
ভুলিনি।
কিছু করার নেই।
আমি এতটাই ক্লান্ত যে জল থেকে দূরে থাকতে পারছি না।
জোর করে প্রবেশ করে আমাদের এখানে আরাম করা উচিত নয়।
ওহ, তোয়ালে?
ধন্যবাদ।
মনে হচ্ছে তোমাকে বাচ্চাটা পছন্দ করে।
হয়তো ও কথা বলতে পারে না।
ওদের কূপ ও বাটি দুটোই...
না।
যতক্ষণ না ওদের অভিসন্ধি বুঝতে পারছি ততক্ষণ পর্যন্ত না।
ঠিক বলেছো।
আমাদের খাবারও আছে।
যাইহোক, তাকে জলদি দ্বীপটার ব্যাপারে জিজ্ঞেস করো, আর তারপর...
যদি এতটাই খাবার জন্য মরিয়া হয়ে থাকো, খাও তাহলে।
আমার সমস্যা নেই।
এতে বিষ নেই। মেয়েটাও এগুলো খায়।
মেয়েটার সাথে তোমার কীসের সম্পর্ক?
তা বলবো না।
বুঝলাম।
সত্যি বলতে, অমৃত ছাড়া আর কোনো ব্যাপারে জানার আগ্রহও আমার নেই।
এই দ্বীপ আর অমৃতের অবস্থানের ব্যাপারে বলা শুরু করলে কেমন হয়?
বাহ, ওরা খাবার নিয়ে এসেছে।
হেই, আমাকে ছাড়াই শুরু করে দিলে।
দুঃখিত।
আমিও খাই তাহলে।
এটা...
আমরা খাবো না।
তোমরা খাবে না?
আমি এখানে খেতে আসিনি।
মনুষ্যজাতি এই জায়গাটিকে কী বলে জানি না তবে আমরা এটিকে "কোতাকু" বলি।
এটা শিনসেনকিয়ো, যেখানে দেবতাদের বাস।
আমি যে দেবতা এবং শিনসেনকিয়োর কথা শুনেছি তার থেকে এটা খুবই আলাদা।
তারা কি আধ্যাত্মিক সত্তা নন?
আমি কখনো দ্বীপ ছেড়ে যাইনি।
তাই এ বিষয়ে কিছু জানি না।
সত্যিই কি অমৃতের অস্তিত্ব আছে?
অবশ্যই আছে।
প্রাচীনকাল হতে কিংবদন্তীতে এমন কথা উল্লেখ আছে।
কিংবদন্তীতে, আমরা একে "তান" বলি।
অনন্ত জীবনের উৎস। অমৃত।
তান?
No comments yet. Be the first to leave one.