لومړۍ 200 کرښې.
অনুবাদে শান্ত কুমার দাস | মোঃ জমির উদ্দিন খাঁন সৈয়দ ফাহমিদুল ইসলাম | তাফহিম রহমান
অনুবাদে তানজীদ আহমেদ | কে এন হাসান সুশান্ত চক্রবর্তী | সোহাগ শুভ
অনুবাদে হাবিব সিয়াম | সোহান আহম্মেদ সাগর বসাক | টিজে নুরান
অনুবাদে ওমর ফারুক | মিনহাজ আল ইসলাম রিদওয়ান তাসকীর | সুলতান খন্দকার
সম্পাদনায় ❝ শান্ত কুমার দাস ❞
💀 ⭐ ⭐ এটি আমার ❝১৭৫তম❞ পূর্ণাঙ্গ বাংলা সাবটাইটেল ⭐ ⭐ 💀
মা।
যা!
জুজু!
-মা! -জুজু!
- মা! - জুজু!
মা!
মা!
মা!
জুজু!
ভগবান!
আমাদের গ্রামে সংকট এসেছে ভগবান!
আমাদের বাঁচাও, ভগবান!
এই বিপদ থেকে আমাদের বাঁচাও, ভগবান।
যদি তুমি থেকে থাকো,
আমাদের বাঁচাতেই হবে তোমাকে।
দেখিয়ে দাও যে...
তুমি কোনো সাধারণ মূর্তি নও।
ভগবান!
- মসীহ! - মসীহ!
আমি কে?
সাবটাইটেলটি উৎসর্গ করছি বলিউড বাদশা "শাহরুখ খান" -কে
আমি যখন বড় হবো, তখন খুঁজে বের করবো…
যে আপনি কে।
এটা আমার প্রতিজ্ঞা।
- বাবু? - না।
বোমা।
শো শুরু করবো?
হ্যাঁ, সবকিছু হাতে আসুক।
খেল শুরু!
ট্রেনে উঠে পড়েছি।
ওর স্কুলে পরীক্ষার জন্য দেরী হচ্ছে না তো?
- কী হলো? - মনে হচ্ছে সামনে অ্যাক্সিডেন্ট হয়েছে।
২০মিনিট পর আমার পরীক্ষা।
মেট্রো।
চাকলার জন্য একটা টিকেট দিন।
২০ রুপি খুচরা দিন, প্লিজ।
নেই তো।
পরেরজন!
- কিন্তু-- - পরেরজন!
- প্রথমবার মেট্রোতে চড়ছো? - হ্যাঁ।
চাকলা জন্য দুটো টিকিট।
- কিন্তু-- - আসো।
তৈরি হোন, চিফ।
ক্যাপ্টেন অভিজিৎ!
কী হচ্ছে?
বুম!
মেট্রোকে আমাদের নমস্কার!
- কী হয়েছে? - এটা দেখুন, স্যার।
হ্যালো।
ক্যাপ্টেন অভিজিৎ। ক্যাপ্টেন অভিজিৎ!
যাত্রীগণ, মন দিয়ে শুনুন।
- মেট্রো নং ০০৩৮১… - বসুন!
বার্ষব থেকে ঘাটকোপরগামী ট্রেনটিকে আমরা হাইজ্যাক করে নিয়েছি।
বসুন!
ভয় পাবেন না।
আমি পুলিশ অফিসার।
- ওকে ছেড়ে দিন। - বন্দুক নামাও!
হেই!
বন্দুক নামাও নয়তো এর প্রাণ যাবে।
কী করছেন, আঙ্কেল?
আপনি বসুন।
কালা না-কি?
সামনে আসবেন না, প্লিজ!
ওখানেই দাঁড়ান।
দাঁড়া, বুড়ো!
বুড়ো?
আমি বুড়ো?
বুড়ো তোর বাপ!
আমার প্রিয় যাত্রীবৃন্দ,
আমি আপনাদের নতুন ক্যাপ্টেন।
আপনাদের সেবায় নিবেদিত।
কিন্তু আপনাদের মধ্যে যদি কেউ, এই পুলিশ দাদার মতো...
হিরো হওয়ার চেষ্টা করেন...
তাহলে…
ভগবান, এই কাশিটাও না!
…আমার ভেতরকার ভিলেন জেগে যাবে,
আর যখন আমি ভিলেন বনে যাই না,
তখন আমার সামনে কোনো হিরো টিকতে পারে না।
এই পৃথিবীতে সবচেয়ে বেশি কাকে ভালোবাসো?
আমার মাকে।
কত মিষ্টি!
মাম্মি-জান!
বয়স কত তোমার মাম্মিজানের?
৫৫।
ওর মাম্মির বয়সের কেউ আছে এখানে?
৫৫? ৫৫? নাইস।
অনেকগুলো মাম্মি!
কল্পনা করো, ওই বোরকাওয়ালী মহিলা তোমার মাম্মি!
কল্পনা করো!
আস-সালামু 'আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারকাতুহু।
স্যার!
আল্লাহ আপনাকে জান্নাত নসিব করুন!
অনিল বাবু, যদি আপনার এই ৩৭৬ জনের জানের প্রতি একটুও পরোয়া থাকে
তাহলে জলদি এমন কাউকে ডেস্কে নিয়ে আসুন....
যে সিস্টেমের তরফ থেকে আমার সাথে কথা বলে।
যার সাথে কথা বলতে সেই মজা হবে।
মুম্বাই মেট্রোতে একজন মহিলাকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে।
নির্দয়ভাবে হত্যা করার সেই ভিডিও পুরো দেশে ছড়িয়ে পড়েছে।
ফোর্স ওয়ান চিফ নর্মদা রাইকে ওই হাইজ্যাকারদের সাথে বোঝাপড়ার জন্য নিয়োগ করা হয়েছে।
নাইস।
হ্যালো, নর্মদা ম্যাডাম।
সেরা সার্ভিস!
১০ বছর, ৭টা জিম্মি পরিস্থিতি...
আর প্রতিবারই আপনি দাও মেরে দিয়েছেন।
আমার সম্পর্কে এতো জানেন, তো আপনার এবং আপনার জোটের সম্পর্কে কিছু বলুন।
জোট?
নর্মদা ম্যাডাম, আমি সংঘের জন্য কাজ করি যাদের বারবার সংঘবদ্ধ করে...
বারবার বেকুব বানানো হয়।
কোনো নাম আছে?
"ভারতীয় নাগরিক।"
মানে?
মানে কিছুই বদলায় না, ম্যাডাম।
কিছু বদলায় না।
আমি বারবার গিয়ে গিয়ে নতুন লোকেদের ভোট দিই।
প্রতিবার আশা নিয়ে থাকি,
কিন্তু কিছুই বদলায় না।
ছিঁটেফোটাও বদলায় না।
তো সবগুলো যাক নরকে!
কাউকে চাই না আমার।
যা করার দরকার আমি নিজে করবো।
আর এই হাইজ্যাক তো সূচনামাত্র।
বেশ! শান্ত হও।
এটা বলো, তোমার কী চাই?
চাইতো আলিয়া ভাটকে।
কিন্তু বয়সে ও এখনো ছোট।
- ঠিক না? - হ্যাঁ।
হ্যাঁ।
- একটা গান শোনান। - কী?!
চিৎকার চেঁচামেচি করতে করতে মেজাজ খারাপ হয়ে গেছে।
শোনান না।
"বেকারার কারকে" গানটা শোনান না।
দুইটা লাইন গেয়ে শোনান।
প্লিজ।
এক হাজার বার আমি মরতে চেয়েছি
তোমার কাছে বেঁচে থাকার কসম খেয়েছি।
নর্মদা ম্যাডাম, আপনি জানেন এই গানটা ৫মিনিট ১৪সেকেন্ডের?
গানটা শেষ হবার আগেই,
কৃষিমন্ত্রীকে আপনার পাশে দেখতে চাই।
৫মিনিটে উনাকে এখানে নিয়ে আসতে পারব না! এটা অসম্ভব!
হ্যাঁ, হ্যাঁ, উনি নিশ্চয়ই খুবই ব্যস্ত!
তবে মনে রাখবেন,
গান শেষ হওয়ার পর প্রতি মিনিটে ১জন জিম্মি,
এক হাজার বার আমি মরতে চেয়েছি
তোমার কাছে বেঁচে থাকার কসম খেয়েছি।
এক হাজার বার আমি মরতে চেয়েছি
তোমার কাছে বেঁচে থাকার কসম খেয়েছি।
বন্ধ করো। এখন কি গান শোনার সময়?
স্যার, আমাদের এই গান শেষ হওয়ার আগেই পৌঁছাতে হবে।
ব্যস সময় হিসেবের জন্য শুনছি।
আমি একজন ক্যাবিনেট মন্ত্রী!
কে আমাকে এখানে আসতে বলেছে? তুমি বলেছ?
স্যার
আমি বলেছি।
আমাকে কেন ডেকেছ?
স্যার, আপনি আমার উপর যত ইচ্ছা রাগ ঝাড়তে পারবেন,
তবে তার সাথে চেঁচামেচি করবেন না। আর মাত্র ১৪সেকেন্ড বাকি আছে।
তুমি চাচ্ছ ওই হাইজ্যাকারকে আমি "স্যার, স্যার" করে কথা বলি?
প্রয়োজন হলে "হ্যাঁ" স্যার।
আপনার কোনো কথায় যদি সে রেগে যায়,
তাহলে ওখানে জিম্মিদের যে কাউকে সে গুলি করতে পারে।
এটা যদি ঘটে,
তাহলে আগামী নির্বাচনে ভোট পাওয়া আপনার জন্য কষ্টকর হয়ে যাবে।
কী?
বেঁচে থাকার কসম খেয়েছি!
আমি কৃষিমন্ত্রী মুরালী দাস বলছি।
বলুন, আপনার জন্য কী করতে পারি?
আরে এসব ছাড়ুন, মন্ত্রী সাহেব,
আমি আপনার সাথে একটা মজার কুইজ খেলতে চাই।
উত্তর সঠিক হলে আমি জিম্মিদের জীবন বাঁচানোর সুযোগ পাবেন।
- আপনি রাজী? - দেখুন, আমি বেশি লেখাপড়া করিনি।
যা কিছু শিখেছি জনগণ থেকেই শিখেছি।
চিন্তা করবেন না।
প্রশ্ন আপনার মন্ত্রণালয় থেকে করব।
ঠিক আছে, তাহলে।
১-০-২-৮-১?
হ্যাঁ।
প্রশ্ন কী?
এটা প্রশ্ন, স্যার।
১-০-২-৮-১?
নম্বরগুলো শুনে কিছু মনে পড়ছে?
দেখুন, আমি কৃষিমন্ত্রী,
আপনার মনে হয় অর্থমন্ত্রীর সাথে কথা বলা উচিত।
কিছু মনে করবেন না।
এখন তাহলে আরেকটা গান বাজান যাতে,
আমি তাকে ততক্ষণে নিয়ে আসতে পারি।
না, যেখানে আছে ওখানে বসে থাকুন।
গত এক বছরে আপনি মন্ত্রী থাকাকালীন,
১০২৮১ জন কৃষক আত্মহত্যা করেছেন।
১০২৮১জন!
আফসোস মন্ত্রীসাহেব!
আপনি সেই সব কৃষকদের বাঁচাতে পারেননি,
তাহলে এই ৩৭৬জন জিম্মির জীবনও বাঁচাতে পারবেন না।
স্যার! প্লিজ! আরেকটা সুযোগ দিন।
ঠিক আছে, দিলাম।
No comments yet. Be the first to leave one.