لومړۍ 200 کرښې.
অনুবাদ ও সম্পাদনায় ❝ শান্ত কুমার দাস ❞
🦖 ⭐ এটি আমার ❝১৯০তম❞ পূর্ণাঙ্গ বাংলা সাবটাইটেল ⭐ 🦖
অনেক অনেক দুরে,
প্রতিহিংসা এবং শত্রুতার মাঝে...
একটা অটুট গভীর বন্ধুত্ব ছিলো।
কে রে? কে?
হেই, দেবা! থাক না।
- চল যাই। - বল আমাকে...
কে করেছে?
হেই, দেবা!
- ওর গায়ে হাত দিয়েছিস কেন? - দেবা, থাম!
ওহ...
ভেবেছিলাম বড় সেনাবহর নিয়ে আসবি...
কিন্তু নিয়ে এসেছিস এই পুঁচকেকে।
আমার বাবাই তোর বাবা বলে...
এই নয় যে এই নথ পড়ার অধিকার তোর আছে।
এটা অর্জন করতে হবে।
আমাকে বল কী করতে হবে।
ওই পালোয়ানকে দেখছিস?
ও আমার চ্যাম্পিয়ন পালোয়ান।
কখনো ওকে কেউ হারাতে পারেনি।
কেউ আছে চ্যালেঞ্জ করার?
কোনো পুরুষ মানুষ নেই?
ওকে হারিয়ে দেখা...
তাহলে তোকে এটা ফিরিয়ে দিবো।
এটা কীভাবে সম্ভব? ও কীভাবে ওটাকে হারাবে?
জবাব দাও, কেউ কি নেই?
কোনো চাপ নেই।
ততক্ষণ পর্যন্ত নথ আমার কাছেই থাকবে।
তুই কেটে পড়তে পারিস...
সৎ-ভাই।
রুদ্র, তুই কিন্তু ভুল করছিস।
কিন্তু ভেবেছিলাম তুই আমাকে জানিস।
কিন্তু ওকে চিনিস না।
ও একটা পাগল।
ও তোর কিছু করে না বসে, তার আগে আমার নথ ফেরত দে।
কেউ থাকলে, সামনে আসো।
ওহ, আচ্ছা!
কী করবেও?
বল!
কী হলো!
কোনো পুরুষ নেই?
কী করতে পারে ও?
যাক, একজন অন্তত পুরুষ তো আছে।
ভাগ!
হেই, দেবা!
বললাম না ভাগ!
দেবা!
আজ মরবে ও।
দেবা!
দেবা...
থাম...
দেবা...
দেবা?
দেবা!
দেবা, ওঠ! দেবা!
দেবা!
দেবা!
ও ভুপাতিত হয়েছে?
তাকে ধরো।
সরো!
ফিরিয়ে দে।
আমার কাছে দে।
ওর নথে আরেকবার হাত লাগিয়েছিস,
তাহলে পরেরবার আমার হাতে বিদ্যুতের তার না...
বিদ্যুতের খুঁটি থাকবে।
চল!
ওটা এমন জায়গা ছিলো ...
যেখানে, যুদ্ধ হারার মানে ছিলো ...
সবকিছু হারানো।
আমি ওর স্বামীকে মেরেছি।
- আমি আগে যাব। -না, আমি আগে যাবো।
- ওর বউ আমার। - আমার আগে কেউ হাত দিবি না।
হেই! ও আমার!
কিন্তু ওর স্বামীকে তো আমি মেরেছি নিজ হাতে। ও তো আমার।
হেই...
কাউকে ছাড়বো না।
সবাইকে কেটে ফেলবো।
চলে যা এখান থেকে।
ভাই, আমাদের বাধা দেবেন না।
এটা আপনার বাবার আদেশ।
কেউ তাকে অমান্য করে না।
এটা হবেই।
যদি ছেড়ে দিস,...
তাহলে তোকে আমার একটা রাজ্যক্ষেত্র দিবো।
বরদা, আরেকবার ভেবে নাও।
তোকে ভার্গট দিবো।
ভার্গট আমার!
ভার্গট আমার! ভার্গট...
- আমাদের সকল রাজ্যক্ষেত্রের মধ্যে,... - ভার্গট আমার।
... এটা সবথেকে বড় রাজ্যক্ষেত্র।
এজন্যই তো দিয়ে দিয়েছি, বাবা।
ভার্গট আমার!
কেউ যেন এ ব্যাপারে জানতে না পারে।
এখন ভাগ!
হেই, চল।
ওহ! ভার্গট আমার!
দেবা...
আমি আছি তো।
চিন্তা করিস না।
এখন এখানে থাকতে পারবি না।
এক্ষুণি বেরোতে হবে।
ওই ভয়ঙ্কর জায়গায়,
এক অটুট বন্ধুত্বকেও ...
ভাঙতে হলো।
হেই, জলদি কর।
কথা দে,
এখানে আর কখনো পা রাখবি না।
এখানে যা-ই হয়েছে, এখানেই ভুলে যাবি।
কথা দে।
দেবা, দেবা।
তোর জন্য শিকার করবো,
শিকারও হবো।
তোর জন্য বন্ধু...
তুই যখনি ডাকবি...
আমি চলে আসবো এখানে।
তোমার মনে আছে কি না জানি না...
তোমাকে একটা গল্প বলতাম...
পার্সিয়ান সাম্রাজ্যের সময়ে,
সুলতান কখনো তার সেনা পাঠাতো না, তা যত বড়ই সমস্যা হোক।
তার বদলে সে একা লড়তে যেতো।
সে একা গিয়ে সুলতান যা চাইতো এনে দিতো...
এবং সুলতানের যা পছন্দ নয় তা ধ্বংস করে দিতো।
ওকে বলা হতো...
মনে আছে, বাবা।
সালার!
ও আবার ফিরবে!
আমার সালার!
আমার সাথে আসো। মাল দেখাচ্ছি।
আচ্ছা।
- হ্যালো! - বিলাল!
আমার মেয়ে ইন্ডিয়া যাচ্ছে।
পাগল হয়ে গেছেন?
- তাকে আসতে দিয়েছেন কেন? - আমি দিইনি।
আমাকে না জানিয়ে গেছে।
যদি তারা খবর পেয়ে যায় যে ও ইন্ডিয়া যাচ্ছে...
যদি না...
গত ৭ বছর ধরে ওরা খুঁজছে।
এতক্ষনে জেনে গেছে।
রাধা রমা...
চুপচাপ এক কোণে বসে আছে মানে...
এই নয় যে ও ক্ষতিকর না।
আপনার ধারণা নেই রাধা রমা আজ কতটা শক্তিশালী।
তারপর, ওর দাসী, ওবুলাম্মা একারই...
দুই তিনটা রাজ্যের গদিতে কে বসবে তা ঠিক করার ক্ষমতা আছে।
বল।
আমরা জানতে পেরেছি মা,
কিন্তু সে নয়, তার মেয়ে এসেছে।
হেই!
কৃষ্ণকান্ত তার এবং তার মেয়ের জন্য আটটা জাল পাসপোর্ট বানিয়েছে।
এবং তার মধ্যে একটা পাসপোর্ট যুক্তরাষ্ট্র থেকে ইন্ডিয়ায় আসার একটা টিকেট বুক করতে ব্যবহার করা হয়েছে।
কাল ভোর ছয়টায়...
ওই ফ্লাইট লাল বাহাদুর শাস্ত্রী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, ভাবতপুরে অবতরণ করবে।
তাছাড়া, ওবুলাম্মার দুটো কুখ্যাত চামচা আছে।
বেদা...
কৃষ্ণকান্তের মেয়ে ইন্ডিয়া এসেছে, ভাই।
কৃষ্ণকান্তের মেয়ে?
হাজারে...
বলো, ওবুলাম্মা।
কৃষ্ণকান্তের মেয়ে ইন্ডিয়া আসছে...
যে কোনো মূল্যে ওকে চাই আমার!
- জেসি! - ভাই?
ইলেকশনের আগে আমার বের হওয়া মুশকিল।
এক্ষুণি ভাবতপুরের জন্য বেরিয়ে পর।
আচ্ছা, ভাই।
সাত বছর আগে তাদের সাথে যা করেছো...
তার বদলা তারা তোমার মেয়ের উপর নিবে।
তোমাকেই কিছু করতে হবে, বিলাল...
এখন আমি কী করবো...
ও কোথায় আছে সেটা কেবল তুমিই জানো
কিন্তু...
তোমার প্রতিশ্রুতি মনে আছে তো, বিলাল?
ভাই, মাল দেখাও।
সবাই বের হয়ে যা, যা।
মাত্র তো বললে দেখাবে!
পাগল না-কি তুমি?
প্রতিশ্রুতি পালনের সময় এসে গেছে।
আমি জানি তুমি আসতে পারবে না।
তোমার অব্ধি একজনকে পৌঁছাতে হবে।
আমাকে তুমি যা করতে বলবে...
আমি তাই করবো।
এয়ারপোর্ট পার্কিংয়ে তিনটা গাড়ি আছে।
লাগিয়ে দিয়েছি।
এয়ারপোর্টের পাশের রাস্তায়
দুটো গাড়ি আর একটা ডেলিভারি ভ্যান
চলো...চলো।
কী হচ্ছে?
হেই, হেই, তোমরা কারা?
হেই! না, না, না... না!
চলো!
যাও, যাও, যাও!
যাও, যাও, যাও!
কে আপনি?
হেই, হেই!
এসব কী হচ্ছে?
আমাকে তারা আক্রমণ করছে কেন?
নিশ্চয়ই কোনো সমস্যা হয়েছে। তাদের দেখেছেন, তারা...
তারা লোকটাকে প্রকাশ্য দিবালোকে গুলি করে মারলো...
কথা বলো।
সময় নেই। মনোযোগ দিয়ে শোনো, আদ্যা।
No comments yet. Be the first to leave one.