Pierwsze 200 wierszy.
• • • অনুবাদ ও সম্পাদনায় • • • সৈয়দ ফাহমিদুল ইসলাম
নিজেদের শাখা-প্রশাখা সামলে রাখুন।
এটা বোধহয় আপনার।
ধন্যবাদ।
এলিমেন্ট সিটিতে সবাইকে স্বাগত।
পরিদর্শনের জন্য আপনার কাগজপত্র তৈরি রাখুন।
পরেরজন।
আপনাদের নাম?
দারুণ। কিন্তু উচ্চারণ করব কীভাবে?
আপনাদের বার্নি আর সিন্ডার বলে ডাকলে কেমন হয়?
এলিমেন্ট সিটিতে আপনাদের স্বাগত।
গুঁড়ি নিন। গরম গরম গুঁড়ি নিন।
ঝগড়াটে মালটা...
এই, দেখে চলো, ঝলকানি বাবু!
পানি।
শুকনো পাতা।
আমি ঠিক আছি।
স্বাগত, আমার এম্বার, এই নতুন জীবনে।
নীল শিখায় আছে আমাদের ঐতিহ্য...
যা আমাদের আরো তীব্রভাবে জ্বলে উঠতে সাহায্য করে।
দেখছ আমার বডি?
১, ২, ১, ২, ১, ২।
এই দোকান আমাদের পরিবারের স্বপ্ন।
যা একদিন তোমার হবে।
- স্বাগত। - স্বাগত।
এখানে সবকিছু খাঁটি পাওয়া যায়।
আমি কয়লা-কাবাব খেতে এসেছি।
জলদি আসছে কয়লা-কাবাব।
জলদি আসছে কয়লা-কাবাব।
সাবাশ, সোনা।
এই দোকান একদিন আমার হবে।
যখন তুমি তৈরি হবে।
ডেলিভারি!
দুইটা সুগার পপ দিয়েন।
আমি দিচ্ছি, আশফা।
এই!
পানি। ওদের থেকে সাবধান থেকো।
ও'মা।
ও'মা।
ভেজালে কিনতে হবে।
উচিত শিক্ষা দিয়েছ।
আগুন নিয়ে খেলতে আসবে না।
হ্যাঁ!
দোকান কি এখন আমার?
যখন তুমি তৈরি হবে।
- সত্যি বলতে... - সে ওকে ভালোবাসে না।
আমি তোমাকে ভালোবাসি না।
জানতাম।
আশফা, কাস্টমার।
আজ নাহয় তুমিই সামলাও?
সত্যি?
কীভাবে সাহায্য করতে পারি?
এগুলো নিব...
আর ফুলঝারি কি একটার সাথে একটা ফ্রি?
- একদম। - দারুণ!
আমি শুধু ফ্রিরটা নিব।
না, আসলে...
ফ্রি পেতে হলে একটা কিনতে হবে।
কিন্তু আমি শুধু ফ্রিরটা চাই।
স্যরি, এভাবে হয় না।
কিন্তু কাস্টমার যা বলে তাই ঠিক।
এক্ষেত্রে না।
না।
না। না। না।
আমাকে ব্যস ফ্রিরটা দাও না!
এভাবে হয় না!
শুভ জন্মদিন।
কী হয়েছে? এত রেগে গেলে কেন?
জানি না। ও ঘ্যানঘ্যান করেই যাচ্ছিল, করেই যাচ্ছিল...
শান্ত হও, শান্ত হও।
কিছু ট্যাড়া কাস্টমার পাবেই।
দীর্ঘ শ্বাস নাও...
মাথা ঠান্ডা রাখো।
এমনটা করলে আর রাগ উঠবে না...
তখন এই দোকানও তোমার হবে।
এর দাম এত বেশি, তার উপর তন্দুরের তৈরি না।
- খেতেও কুড়মুড়ে না... - দীর্ঘ শ্বাস নাও।
- চাটনিও কম ছিল। - মাথা ঠান্ডা রাখো।
দীর্ঘ শ্বাস নাও। মাথা ঠান্ডা রাখো।
দীর্ঘ শ্বাস নাও। মাথা ঠান্ডা রাখো।
দীর্ঘ শ্বাস নাও। মাথা ঠান্ডা রাখো।
স্যরি। ভুল হয়ে গেছে। স্যরি, স্যরি।
ও তো দেখি রেগে একদম বেগুনি হয়ে গেছিল। আগে কাউকে এতটা রাগতে দেখিনি।
মাফ করবেন সবাই।
আমার মেয়ের কাজে কিছু মনে করবেন না।
ও অনেক তীব্র জ্বলে, মাঝেমধ্যে একটু বেশিই।
যাইহোক, টুপিটা কিন্তু দারুণ।
আপনাকে নতুন এক প্লেট বানিয়ে দিচ্ছি। একদম ফ্রি।
ঠিক আছে।
স্যরি, আশফা।
জানি না কেন মেজাজ ধরে রাখতে পারিনি।
কালকের বিগ রেড ডট সেলের জন্য টেনশনে আছ তাই।
আমরা সবাই-ই টেনশনে আছি।
হয়তো।
কিন্তু কিছু কিছু কাস্টমার মাথাটা একদম খারাপ করে দেয়...
জানি। জানি। ব্যস প্র্যাকটিস করতে থাকো।
অন্য সবকিছুতে তুমি পারদর্শী!
তা ঠিক। আমি শিখে নিব।
তুমি গিয়ে আরাম করো।
হয়ে গেছে।
তুমি ঠিক আছ?
একটু ক্লান্ত।
আমি করছি।
বার্নি, কাশির অবস্থা কিন্তু ভালো না!
ঠিক তোমার রান্নার মতো!
এম্বারকে সব দায়িত্ব বুঝিয়ে অবসর নিচ্ছ কখন?
বাইরে ওর নামের সাইনবোর্ড লাগিয়ে দাও।
ও তৈরি হলেই লেগে যাবে।
তৈরি থেকে মনে পড়লো...
আমাদের খাবার সব তৈরি...
ব্যস যদি আপনাদের অর্ডার করবার ইচ্ছে হয়।
খেপেছে!
অনেকখানি তৈরি হয়েই গেছে।
কিন্তু আমার মতো দ্রুত ডেলিভারি করতে পারবে না...
তোমার রেকর্ড ভাঙতে পারব না বলছ?
আমি তো মায়া করে এতদিন দ্রুত দিইনি...
যাতে তুমি কষ্ট না পাও, অগ্নিগোলক বাবু।
এবার খেলা শুরু।
তোমাদের জুড়ি মেলানোর আগে...
একটু এটা ছিটাবো...
যাতে প্রেমের ধোঁয়া উঠে।
আর সেই ধোঁয়ায় দেখা যাবে তোমাদের ভবিষ্যৎ।
এম্বার, আমি কাজ করছি।
স্যরি, কিছু জিনিস নেওয়া লাগবে। আজ বাবার রেকর্ড ভাঙব।
আমরা কি তবে দুজন দুজনের?
একদম টুরু লাভ।
যা আমি ওর মধ্যে কখনো দেখলাম না।
উফ, আবার একই ঘ্যানঘ্যানানি।
না, কিচ্ছু নেই।
প্রেমহীন, দুঃখে ভরা ভবিষ্যৎ।
এম্বার, চেষ্টা তো করো।
তোমার পাত্র খুঁজে পাওয়া তোমার নানীর শেষ ইচ্ছা ছিল।
কথা দাও আগুনের সাথেই...
বিয়ে করবে।
ভালো চেষ্টা ছিল, মা। এবার যাওয়া লাগবে।
- এসব বিয়ের পর। - এই।
ইয়ো, ইয়ো, ইয়ো, এম্বার।
ইয়ো, ক্লোড। তাড়ায় আছি, পরে কথা বলব।
আর বাবার হাতে আবার ধরা পোড়ো না।
কী? তোমার বাবার কি আমার সজীবতা পছন্দ না?
যাইহোক, বসন্ত উৎসব আসছে...
আর তুমি হবে আমার পার্টনার কারণ এই দেখো।
আমি বড় হয়ে গেছি।
আর সুগন্ধও ছড়াচ্ছি।
এই নাও আমার রাণী।
স্যরি, বন্ধু, এলিমেন্টরা এক হতে পারবে না।
সেরেছে। যেতে হবে।
আরে, আমার সাথে উৎসবে চলো না।
এখান থেকে তো বেরই হও না তুমি।
কারণ আমার যা দরকার সব এখানেই আছে।
তার উপর, শহরটা আগুনের লোকজনকে মাথায় রেখে বানানো হয়নি।
স্যরি, কিন্তু ঈশ্বর নিজে এসে বললেও আমি ব্রিজের ওপারে যাব না।
ঈশ্বর নিজে এসে বললেও?
আর আমি বললে?
চললাম।
যা চেয়েছিলেন।
যেতে হবে। আজ বাবার রেকর্ড ভাঙব।
সরো!
উইনার উইনার, চারকোল ডিনার...
তুমি গিয়ে শোও, আমি সব গুটিয়ে বন্ধ করব।
রেড ডট সেলের অনেক প্রস্তুতি এখনো বাকি।
বাবা, আমি সব ব্যবস্থা করে ফেলব। তুমি গিয়ে আরাম করো।
কীভাবে?
তোমার থেকেই শিখেছি।
বয়স হয়েছে। সারাজীবন তো আর এসব করতে পারব না।
এখন তো আমার রেকর্ডও ভেঙে দিয়েছ, ব্যস একটা জিনিসই বাকি।
কাল আমি নাক ডেকে ঘুমাবো...
আর তুমি সামলাবে রেড ডট সেল।
সত্যি? আমি?
যদি কাল মেজাজ না হারিয়ে সব সামলাতে পারো...
তবে বুঝে যাব তুমি এই দোকানের লায়েক হয়ে গেছ।
সামলে নিব, আশফা।
তোমাকে নিরাশ করব না, কথা দিচ্ছি। দেখে নিও।
সাবাশ।
হ্যাঁ!
নীল শিখা, প্লিজ, সব সামলে নিও।
- শুভ সকাল! - শুভ সকাল!
দীর্ঘ শ্বাস নাও।
মাথা ঠান্ডা রাখো।
শুভ সকাল, সবাইকে ফায়ারপ্লেসে স্বাগত।
সব একই। উপর থেকে নিন।
শপিংয়ের জন্য ধন্যবাদ।
সবগুলো দিয়ে দিন।
- এগুলো ভাঙবে না তো? - না, থামুন।
খাওয়ার আগে পরিশোধ করতে হবে।
তোমাদের রিটার্ন পলিসি কী?
দীর্ঘ শ্বাস নাও।
বাবা এটা ভেঙে দিয়েছে।
মাথা ঠান্ডা রাখো।
এটা একটু টেস্ট করে দেখা যাবে?
৫ মিনিটের মধ্যে আসছি।
না, না, না।
মাথামোটা রাগ। আজই আসতে হলো।
আমার হয়েছেটা কী?
এটা কী...?
কি সুখী পরিবার!
এটা কি তুমি আর তোমার বাবা?
বাবাদের ভালো লাগে আমার।
ছবিটা তোমার জন্মদিনের।
কে তুমি? এখানে কী করছ?
No comments yet. Be the first to leave one.