Pierwsze 200 wierszy.
সাবটাইটেল ক্রিয়েটরঃ →→→ মোঃ কামরুল হাসান শিমুল ←←←
সাবটাইটেল ক্রিয়েটরঃ →→→ মোঃ কামরুল হাসান শিমুল ←←←
সাবটাইটেল ক্রিয়েটরঃ →→→ মোঃ কামরুল হাসান শিমুল ←←←
সাবটাইটেল ক্রিয়েটরঃ →→→ মোঃ কামরুল হাসান শিমুল ←←←
সাবটাইটেল ক্রিয়েটরঃ →→→ মোঃ কামরুল হাসান শিমুল ←←←
সাবটাইটেল ক্রিয়েটরঃ →→→ মোঃ কামরুল হাসান শিমুল ←←←
এক! দুই!
এক, দুই, এক!
এক! এক!
এক, দুই, এক!
প্রিয় মা...
আশাকরি ভাল আছো, আর আমাকে নিয়ে অযথা দুশ্চিন্তা করছো না।
আমাদের মৃত্যু নিয়ে তুমি অযথা দুশ্চিন্তা করো না...
...আমরা সৈন্য সংগ্রহ করছি, তাই মৃত্যুর প্রশ্নই আসে না।
আজ সকালে অনেক উচ্চ পদস্থ লোকের সাথে পরিচয় হলো...
সকল রাষ্ট্রের গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সাথে পরিচিত হয়ে গর্বিত লাগছে, পূর্ব-পশ্চিম...
...এক হয়ে আজ দেশের জন্য লড়তে প্রস্তুত...
...বিপ্লবে পূর্বসূরিরা যেমন লড়েছিল।
এবার লড়বে সারা দেশ এক করার জন্য...
...পুরো দেশবাসীর জন্য, সকলের অধিকারের জন্য।
এই যুদ্ধ শুরু হওয়ার আগে...
...আমার রেজিমেন্টের অনেকেই আগে কোন নিগ্রো দেখেনি।
এখন রাস্তা-ঘাটে তাঁদের জন্য হাঁটাই যায় না।
আমরা আমাদের অনাগত সন্তান-সন্ততিদের জন্য যুদ্ধ করছি...
...যা আগামী দিনে ঈর্ষনীয় ও স্মরণীয় হয়ে থাকবে।
গতরাতে আমাদের আরও একটা পরাজয়ের খবর পেয়েছি...
...কিন্তু আমরা হতাশ হয়ে যাইনি।
এমন একটি গর্বিত পদাতিক বাহিনীর অংশ হতে পেরে গর্বিত বোধ করছি...
তাঁরা আমাকে ক্যাপ্টেন নির্বাচিত করেছে, যার কারনে আমি আরও বেশি গর্বিত।
তুমি আমাকে দেখলে অবাক হয়ে যাবে যে, শত শত লোককে অর্ডার দিতে হয়...
...যাদের বেশীর ভাগই আমার চেয়ে বয়স্ক।
এমারসনের কাব্যগ্রন্থ পাঠানোর জন্য ধন্যবাদ।
তাঁর কবিতাগুলো আমাকে বাস্তবতা শেখায়।
"একজন সাধু মানুষ রাখে বিশ্বাস, দুষ্ট লোকে করে বিবর্ণ...
...হৃদয়ের আশীর্বাদই পারে নিরাময় করতে...
...এবং ভালোবাসা পরাভূত করে সকল অন্যায়।"
আব্বুকে আমার সালাম দিবেন...
...তোমার স্নেহের, রবার্ট।
সৈন্যদল, এগিয়ে চলো!
ফায়ার!
- ফায়ার! - ফায়ার!
ফায়ার!
ধীরে ধীরে!
এগিয়ে চলো!
ফায়ার!
এগিয়ে চলো, সৈন্যরা! এগিয়ে যাও!
দোহাই লাগে, সামনে আসো!
রবার্ট, চলে আসো! বাঁচতে চাইলে শুয়ে পড়!
না, ফোর্বস!
ফোর্বস!
হামলা চালাও!
আপনি বেঁচে আছেন, ক্যাপ্টেন?
প্লিজ, আমার পা কেটো না!
প্লিজ, আমার পা কেটো না!
- ক্লোরোফর্ম কোথায় রেখেছো? - থামো!
ছাড়ো!
না, থামো!
- না! - ধরে রাখো!
শুধু গলায় কেটেছে, তাই না, ক্যাপ্টেন?
বেশ, সার্জনরা সবাই ব্যস্ত, আমিই সেলাই করে দিচ্ছি।
ব্যাথা লাগলে বলবেন আমাকে।
সামান্য কেটেছে।
- গরম খবর শুনেছেন? - কোন খবর?
আমি শুনেছি এক বন্ধুর কাছ থেকে, সে অফিস সহকারীর কাজ করে...
...সে শুনেছে তাঁর আরেক বন্ধুর কাছ থেকে, সে যুদ্ধ অফিসে স্টেশন ক্লার্কের কাজ করে।
সে জানালো, লিংকন ক্রীতদাস মুক্তির ঘোষণা দিয়েছে...
...ক্রীতদাসদের মুক্তি দিবে।
কি?
হয়তো সীমান্ত রাষ্ট্রগুলোতে নয়...
...কিন্তু, কিছু পরিমাণ ক্রীতদাস মুক্তি দিবে নিশ্চিত।
- হায় খোদা! - ইয়াহ!
কাজটা তিনি শীঘ্রই করবেন, এখন শুধু যুদ্ধ জয়ের অপেক্ষা...
...তারপর সবকিছু হয়ে যাবে।
আর কেটো না, প্লিজ!
দয়া করো!
হয়তো একটু ব্যাথা লাগবে, ক্যাপ্টেন, আমি দুঃখিত।
সুদর্শন!
- রবার্ট! - থমাস!
ক্যাপ্টেন শ, শুনে খুবই খুশি হলাম।
কিছুই করার ছিল না, সবগুলো অফিসার মারা গেলো।
- আর ফোর্বস? - অসম্ভব সাহসী।
এখানেই কোথাও আছে।
তোমার খবর বলো!
তোমার বাবার সাথে কাজ করছি, উদ্বাস্তুদের পুনর্বাসনের জন্য...
...ক্রীতদাস রিলিফ এ্যাসোসিয়েশন'র হয়ে।
বাসস্থানের খুব অভাব।
রবার্ট! তুমি কি ঠিক আছো?
হ্যাঁ, দুঃখিত।
রবার্ট, সোনামণি, কেও একজন তোমার সাথে দেখা করতে চায়।
জেনারেল হান্টার ঝোপঝাড় থেকে একদল ক্রীতদাসকে ঘিরে ধরলো...
...তাঁদেরকে "নিষিদ্ধ" নামে তিরস্কার করলো, এবং গবাদি পশুর মতো ক্যাম্পে আটকে রাখলো।
পরে যুদ্ধ বিভাগ তাঁদেরকে অস্ত্রের পরিবর্তে বর্শা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিলো।
তাঁদের সাথে আমিও মর্মাহত।
রবার্ট...
গভর্নর, আমার ছেলে রবার্টকে তো চিনো!
- তোমাকে দেখে ভালো লাগছে, রবার্ট। - গভর্নর এন্ড্রু।
রবার্ট, তোমার কি ফ্রেডরিক ডগলাসের পরিচয় আছে?
মিঃ ডগলাস!
শুনলাম তুমি নাকি এন্টিট্যামে ছিলে?
হ্যাঁ।
এক চমৎকার ও শোচনীয় দিন কেটেছে।
আমি তোমার সাহায্য চাই, রবার্ট।
গভর্নর নিগ্রো সৈন্যদের নিয়ে এক পদাতিক বাহিনী গঠনের প্রস্তাব দিয়েছে।
না, না, না। এটা আমার শুধু আমার প্রস্তাব নয়। মিঃ ডগলাস ও আমাদের কিছু...
আমরা পদোন্নতি ও মর্যাদার প্রস্তাব করছি...
...তাঁদেরকে, যাদের রয়েছে ব্যর্থতার কলঙ্ক।
নিগ্রো বাহিনী, রবার্ট। একবার ভেবে দেখো।
আমি অভিভূত!
তোমার নাম কর্নেল পদের জন্য দাখিল করেছি...
... ৫৪তম পদাতিক বাহিনীর।
ধন্যবাদ, গভর্নর, খুবই উত্তম প্রস্তাব।
আমি আসছি।
অভিনন্দন শ!
- চমৎকার কাজ। - সাবাস, রবার্ট।
কি ব্যাপার, বন্ধু? বেশী খেয়েছো নাকি?
বুঝতে পারছি, কর্নেল পদ পেয়ে থমকে গেছো...
...তাও একটা নিগ্রো বাহিনীর।
জানো কি, কতটা জনপ্রিয় হবে তুমি?
হাজার হাজার নিগ্রোর হাতে থাকবে অস্ত্র।
হেই, রবার্ট...
কি হয়েছে?
কাজটা আমি করবো।
সত্যিই তুমি করবে?
হ্যাঁ।
- তোমাকেও আমি সাথে চাই। - আমাকে?
...তোমার সাথে?
তুমি কি আমাকে বাহিনীর দায়িত্ব দিবে?
যেকোনো কিছুর দায়িত্ব দিলেই চলবে।
তুমি থাকলে আমার খুব ভালো লাগবে।
তাহলে আমি রাজি আছি।
রবার্ট, খবরটা কি সত্যি? নিগ্রো বাহিনী নাকি গঠন হবে?
এমনটাইতো শুনেছি...
তাহলে আমিই হবো তোমার প্রথম স্বেচ্ছাসেনা।
কর্নেল উপস্থিত!
আমরা কি পারবো, কর্নেল? আমরা কি যুদ্ধ করতে পারবো?
আমরা কবে পাবো ব্লু-স্যুট?
হ্যাঁ, ব্লু-স্যুট।
- বিদ্রোহীদের দমনে আমরা প্রস্তুত। - আমরা প্রস্তুত, কর্নেল!
আমরা কখন যুদ্ধ করবো?
সত্যিই আমাদেরকে যুদ্ধ করতে নিবেন?
সবাই শোনো!
- শুভ সকাল। - শুভ সকাল।
শুভ সকাল, জেন্টেলম্যান!
আমি কর্নেল রবার্ট গোল্ড শ!
আমি আপনাদের কমান্ডিং অফিসার...
আজ আপনাদের সবাইকে একত্রে পেয়ে আনন্দিত বোধ করছি।
আমি আশা করবো যে, একই সাহস...
...মনোবল ও সম্মান নিয়ে, আমরা একত্রিত থাকবো...
...এই ইউনিয়নকে আমরা পূর্বাবস্থায় ফিরিয়ে আনবো।
সৃষ্টিকর্তা আমাদের সহায় হউন!
ইয়াহ!
বাহিনী গঠনের বিষয়টা?
আমরা বাহিনী গঠনের মাধ্যমেই কাজ শুরু করবো।
বাহিনীর অফিসাররা, দায়িত্ব বুঝে নিন।
আপনারা সবাই নিজ নিজ অফিসারের নিকট রিপোর্ট করবেন...
... বাহিনীর বর্ণানুক্রমিক বিন্যাস অনুসারে...
... আপনাদের মাস্টার শীটের বাম কোণায় লেখা আছে।
- বইটা কি ভালো, ভাই? - হ্যাঁ, অবশ্যই।
আমার নাম সার্লস, থমাস সার্লস!
আমি জুপিটার শার্টস, বইটা কোন বিষয়ের?
আসলে এটা একটা প্রবন্ধ সংগ্রহ।
ফুরিয়ার, এমারসন সহ সকল অলৌকিকতাবাদীদের লেখা।
- এটার ভেতর ছবি আছে? - না।
- আমাকে শেখাবেন? - হ্যাঁ, শেখাতে আমার ভালোই লাগে!
আমি হলে বরং নিগ্রোদের বদলে শূকরবাহিনী গঠন করতাম, খিদে পেলে শূকরগুলোকে জবাই করে খেতাম!
প্রহরীদের সার্জেন্ট, প্রহরীদের পাঠিয়ে দিন।
ইয়েস, স্যার!
এদিকে!
সৈন্যরা!
ডানে ঘুরো, এগিয়ে চলো!
দাঁড়াও, বসবে না, এটা আমার জায়গা।
আমি দরজার কাছাকাছি ঘুমাই।
যদি কিছু মনে না করেন, বই পড়ার জন্য আমি একটু আলোকময় জায়গায় ঘুমাতে চাই।
বাহ, নিগ্রো দেখি সাদা চামড়াদের মতো কথা বলে।
আমি আপনাকে শেখাতে পারি, শেখাতে আমার ভালো লাগে।
হেই, দেখো মিয়া, আমি ঘরবাড়িহীন কোনো নিগ্রো থেকে শিখতে চাই না।
আমি স্বাধীন মানুষ, আমার বাবা যেমন স্বাধীন ছিলেন।
- আপনি স্বাধীন, নিগ্রো? - হ্যাঁ।
তাহলে কেন আপনার স্বাধীন পাছাটা এখান থেকে সরিয়ে নিচ্ছেন না?
- হেই, তোমরা চুপ করবে? - আপনাকে তো কিছু বলিনি, বুড়ো মশাই।
ঠিক আছে।
আমি সরে যাচ্ছি।
মাফ করবেন।
আমাদেরকে ব্লু-স্যুট কবে দিবে?
নিগ্রো সৈন্যদের কোনো ব্লু-স্যুট দিবে না, ব্লু-স্যুট শুধু সাদা চামড়াদের জন্য।
আমরাও এখন সৈন্য!
- তোমার বাড়ি কোথায়, চান্দু? - দক্ষিণ ক্যারোলিনায়।
দক্ষিণ ক্যারোলিনা? তাহলে তো তোমার ভালো জানার কথা, চান্দু।
ওই পিচ্ছি, থামবি? পিচ্ছিটারে বলেনতো ঢোল পিটানো থামাতে।
নাম কি তোমার, খোকা?
তোমার নাম কি, খোকা?
- আপনি কি দেখছেন না, সে বোবা? - সে কী?
সে বোবা।
তারমানে সে কথা বলতে পারে না?
এদিকে আসো, বাছা।
এই বোবা-কানা গুলো যে কেন আসে?
তুমি কোথা থেকে এসেছো, টাকলু? তোমার বাড়ি কোথায়?
আমি এসেছি ট্যানেসী থেকে।
১২ বছর বয়সে পালিয়ে এসেছি, আর ফিরে যাইনি।
এতোদিন আপনি কি করেছেন?
No comments yet. Be the first to leave one.