Pierwsze 125 wierszy.
• • • অনুবাদ ও সম্পাদনায় • • • সৈয়দ ফাহমিদুল ইসলাম
হাজার হাজার জাহাজ ছিল। যতদূর চোখ গেছে শুধু জাহাজই ছিল।
ওদের পৌঁছাতে একদিন লাগবে।
গোটা বাহিনী আসছে। কমসেকম ১০ হাজার লোক হবে।
তোমার লোকজন কোথায়, মারবোড?
আমার লোকেদের জন্য অপেক্ষা করা যাবে না, ওরা একদিনের দূরত্বে আছে।
তাহলে যত জলদি সম্ভব আমাদের আক্রমণ চালাতে হবে।
আর সেটা করবে কীভাবে?
সাঁতরাতে জানো?
এত বড় জাহাজ দেখেছ কখনো?
জার্মেনিকাসের কী খবর?
টিবেরিয়াস কোনো সমঝোতা করবে না।
করলেও কথা রাখবে না।
ওরা আসার আগেই ওদের শিবিরে আক্রমণ করতে হবে।
ভালো বুদ্ধি। পাখির বাসাই ভেঙে দাও।
টিবেরিয়াস সৈন্যদের এক করে নিজের অবস্থান পক্ত করছে।
যদি শিবির না থাকে তাহলে অবস্থান পক্ত করতে পারবে না...
আর পালিয়ে যাবে।
কিন্তু কীভাবে, আরি? তুমিই তো বললে আমাদের লোকবল কম।
কঁচির বেড়া, তীরন্দাজ...
শিবিরে ঢুকাও অসম্ভব মনে হচ্ছে।
আর যদি আমরা ঢুকেও পড়ি, ওদের তুলনায় আমাদের লোকবল অনেক কম।
আমরা একেকজন তিনজন রোমানের সমান।
তোমার সাহসিকতার প্রশংসা করি, থুসনেল্ডা।
তুমি দারুণ একজন যোদ্ধা, আর লড়তে চাও...
আমি লড়তে চাই না।
আমি যুদ্ধ চাইনি। আমরা কেউই যুদ্ধ চাই না, তাই নয় কি?
কিন্তু রোমানরা আমাদের বাধ্য করেছে।
আমি শান্তি রক্ষার্থে সবকিছু করতে রাজি আছি।
কিন্তু স্বাধীনতা ছাড়া শান্তি বজায় থাকতে পারে না।
আর এজন্য আমি সবকিছু করতে পারি, সবকিছু, শুধু এই স্বাধীনতার খাতিরে।
দারুণ বলেছ।
কিন্তু লড়ার মতো মানুষ আমাদের খুব কম আছে।
তাহলে লড়বার লোক বাড়াতে হবে।
বয়স্কদেরও এতে সামিল করতে হবে।
হাতিয়ার তুলতে সক্ষম যেকাউকে।
তো... সবাইকে যুদ্ধের মুখে ঠেলে দিবে?
এমনটা না করলে, পরে আমার কোনো লোকই আর বাঁচবে না।
তোমাকে আবার দেখে ভালো লাগছে।
জীবিত দেখে।
আমার গোষ্ঠীর জন্য আমি লড়তে চাই, বাবা।
নিজের প্রাণ দিতেও দ্বিধা বোধ করব না...
আমি তোমাকে আবার হারাতে চাই না।
তুমি একটা বাচ্চা।
কোনো যোদ্ধা নও।
তুমি এখনো প্রস্তুত না।
- যুদ্ধক্ষেত্র বাচ্চাদের জন্য না। - রোমানদের চোখে কেউ বাচ্চা না।
না কেউ নারী, না বুড়ো...
ওদের কাছে, আমরা সবাই বারবেরিয়ান।
আমি হয়তো লড়তে জানি না,
কিন্তু রোমানরা সেটা জানে না।
ওরা ভাববে আমি লড়তে এসেছি।
এতে কাজ হতে পারে।
হবে।
কে ওখানে? দাঁড়াও!
হামলা কোরো না। আমি একা এসেছি।
কমান্ডারের জন্য তথ্য এনেছি।
আমি সেগেস্টেস।
প্রাণ বাঁচাতে চাইলে, ওনার সাথে আমাকে কথা বলতে দাও।
গিয়ে কমান্ডারকে বলো।
যেমনটা বলেছি,
আমি রোমে আশ্রয় চাই আর সুষ্ঠ একটা জীবন কাটাতে যথেষ্ট স্বর্ণ।
কেউ ব্যস স্বর্ণের জন্য এমন কাজ করে না।
যাদের কাছে অঢেল রয়েছে তাদের এমনটা মনে হতে পারে।
হুজুর।
তোমাকে তাড়িয়ে দেওয়ার আগেই যা বলতে চাও বলে ফেলো।
ওরা জাহাজের ব্যাপারে জানে।
মারবোড ওর স্ত্রীর প্রতিশোধ নিতে সবকিছু করতে পারে।
ওরা জার্মেনিকাসের কয়েদিদের সাথে নিয়েছে।
ও একটা বলদ।
আগেও বলদ ছিল।
দুর্ভাগ্যবশত।
ওরা আক্রমণ করবে। কালকে।
ওরা আপনাকে শিয়াল বলে ডাকে।
আর শিয়াল সবসময় পালানোর জন্য দ্বিতীয় রাস্তার ব্যবস্থা করে রাখে, বা তৃতীয়।
এমনকি দরকার না পড়লেও।
বারো বছর আগে।
কার্থেজে।
ও কামারের কাজ করত।
খুবই ভালো মানুষ ছিল।
আমার মনে নেই।
আমাকে মেরে কিছুই বদলাবে না।
হয়তো সে আমি ছিলাম না।
তুমিই ছিলে।
আমার মনে আছে।
তাহলে আমার মুখ থেকে কী শুনতে চাইছ?
তুমি আমার থেকে ক্ষমা ভিক্ষে চাইবে।
এর জন্য তোমাকে...
আমার ধোন চুষতে হবে।
ওর ঠোঁট তোমার মতো হয়েছে, থুসনেল্ডা।
থুমেলিসাস...
- ওকে কোলে নিই? - আমাদের প্রস্তুতি নিতে হবে।
থুমেলিসাস।
অবশ্যই।
কী হচ্ছে?
কী হচ্ছে?!
এই, ভাই!
চুপ থাক, বিশ্বাসঘাতক!
প্রস্তুতি ভালোই এগোচ্ছে।
যদিও, আমরা জানি না ওরা কতজন আছে।
শিবির যতক্ষণ সুরক্ষিত আছে, আমাদের কিছু হবে না।
যেমন আপনি বলবেন, কমান্ডার।
বেশ।
জার্মেনিকাসের কোনো খবর?
জানা যায়নি। কিন্তু আপনি কি সত্যিই তাকে উদ্ধার করতে কোনো দল পাঠাবেন না, কমান্ডার?
ভেতর থেকে কেউ বাইরে আর বাইরে থেকে কেউ ভেতরে আসবে না।
যতক্ষণ পর্যন্ত জাহাজগুলো না পৌঁছাচ্ছে।
বোধহয় তুমি আমাকে মারতে চাও...
কিন্তু...
তুমি ভালো করেই জানো প্রতিশোধ নেয়ার চেয়ে...
আমি বেঁচে থাকলে বেশি কাজে দিব।
আমাকে উস্কিও না।
ডিডো!
ভালোমতো ঘুমিয়ো, জানেমন।
তোমাকে আমাদের প্রয়োজন বলে আজ বেঁচে গেলে।
কিন্তু কথা দিচ্ছি, কাল রাতে,
তোমার ঐ রোমান ধোন কেটে শুয়োরদের খাইয়ে দিব।
ভালোমতো ঘুমিয়ো,
জানেমন।
ডিডো!
আবার কোথাও পালিয়ে যেও না।
আগেও একবার পালিয়েছ।
কোনোকিছু না বলে। বিদায় না জানিয়ে।
কাউকে ঝামেলায় জড়াতে চাইনি। বিশেষকরে তোমাকে।
কিন্তু ব্যাপারটা এত সহজ না।
No comments yet. Be the first to leave one.