Pierwsze 200 wierszy.
--- সাবটাইটেল অনুবাদক --- কা
--- সাবটাইটেল অনুবাদক --- কাম
--- সাবটাইটেল অনুবাদক --- কামরু
--- সাবটাইটেল অনুবাদক --- কামরুল
--- সাবটাইটেল অনুবাদক --- কামরুল
--- সাবটাইটেল অনুবাদক --- কামরুল হা
--- সাবটাইটেল অনুবাদক --- কামরুল হাসা
--- সাবটাইটেল অনুবাদক --- কামরুল হাসান
--- সাবটাইটেল অনুবাদক --- কামরুল হাসান
--- সাবটাইটেল অনুবাদক --- কামরুল হাসান শি
--- সাবটাইটেল অনুবাদক --- কামরুল হাসান শিমু
--- সাবটাইটেল অনুবাদক --- কামরুল হাসান শিমুল
'ল স্কুলের প্রথমদিন, আমার প্রফেসর দুটো বাণী দিয়েছিলেন।
প্রথমত, "এখন থেকে, তোমার মা তোমাকে ভালোবাসার কথা বললে,"
- "দ্বিতীয় কথাটিও শুনে নেবে।" - দ্বিতীয়ত?
"ন্যায়বিচার পেতে চাইলে পতিতালয়ে যাও, মারা খেতে চাইলে যাও আদালতে।"
নাওমি!
ধরুন আপনি জানেন আপনার মক্কেল দোষী।
না, আমাদের বিচার ব্যবস্থা বা আমি, কারোই সেটা নিয়ে মাথা ঘামানোর সময় নেই।
প্রতিটা বিবাদী তার কৃতকর্ম সম্পর্কে উদাসীন,
তাঁর অধিকার রয়েছে এটর্নির দেয়া আত্মপক্ষ সমর্থনের।
- তাহলে তোমার সত্যটা কোথায় ছিল? - সত্য? মানে?
নাওমি!
জানি না এটা বোঝানোর কতগুলো উপায় আছে।
- তোমার কি ধারণা একটাই উপায়? - দেরি হয়ে গেলো।
- ওই বিষয়ে একটাই উপায়। - মার্টি, নড়বে না।
আমার মত সেটাই, যেটা বারোজন জুরির মনে সৃষ্টি করেছি।
চাইলে অন্যকিছুও বলতে পারো। বলতে পারো সত্যের বিভ্রম।
- নির্ভর করছে তোমার দৃষ্টিকোণের ওপর। - হয়েছে?
জ্যাক, আর কিছু জানা লাগবে? কাল বিকেলে এসো?
- হ্যাঁ। - ঠিক করতে সেক্রেটারিকে বলে দেবো।
ওকে।
- এটা কভার স্টোরি, তাই না? - হ্যাঁ।
হ্যাঁ, বিদায়।
সেন্ট মাইকেল গায়কদলকে ধন্যবাদ। খুবই প্রতিভাবান একটি দল।
এখন একটি সংক্ষিপ্ত ফটোসেশন হবে,
মহামান্য অতিথির সাথে গায়কদলের।
একটু পরেই ফিরে আসছি। সাথেই থাকুন আর ডেজার্ট উপভোগ করুন।
ম্যাঞ্জা, ম্যাঞ্জা।
থ্যাংকস, মার্টি! কী অপ্রত্যাশিত চমক।
আমি এসেছি বন্ধুতুল্য প্রসিকিউটরকে সাহায্য করতে।
- দেখুন তো। - কতো পড়বে?
বিকল্পটার চেয়ে কম নয়।
কাল অফিসে এসো সাড়ে নয়টায়।
- চালু আছে? হ্যাঁ, আছে তো। - দেখা হয়ে ভালো লাগলো।
এখন শুরু হচ্ছে মূল পর্ব, যে কারণে আমরা সমবেত হয়েছি।
টানা ৫ম বারের মতো আমার সুযোগ হয়েছে
শিকাগো বার এ্যাসোসিয়েশন অনুষ্ঠানের উপস্থাপনায়...
- এখানে ধূমপান নিষেধ। - এটা তো বার।
ভেবেছিলাম ইস্তফা দিয়েছ।
কমিয়ে দিয়েছি।
দারুণ দেখাচ্ছে, চুল কেটেছ?
হ্যাঁ, কয়েকমাস আগে।
নাচবে?
- মিউজিক নেই তো। - অবশ্যই বাজছে।
ধন্যবাদ, লেডিস অ্যান্ড জেন্টেলমেন...
একটু ঘুরো না।
ভেবেছিলাম না ফেরাটাই পছন্দ করবে।
যেভাবে ব্যক্তির দিকে তাকানোর দরকার হবে না।
ধুর।
তাকাও তো।
চলো, ধূমপান করার মতো বারেই যাই।
ইনভাইটের জন্য ধন্যবাদ, কিন্তু আমি একরাতের সঙ্গী হতে ইচ্ছুক নই।
কয়েকমাসই তো ছিলাম।
একরাতের মতোই ছিল, মার্টি। মাত্র ছ'মাস টিকেছিল।
আগে কখনোই দেখিনি এতজন আইনজীবী আর রাজনীতিবিদকে
একই স্থানে সমবেত হতে, আজ সকালের স্বীকারোক্তির পর।
জনগণ কোনোভাবেই মেনে নেবে না অর্থ পুরষ্কার
আরশোলাকে দেওয়া, যে কিনা ২০-টু-লাইফের যোগ্য।
সে তোমার মক্কেল হতে পারে, কিন্তু জোয়ে পিনেরোর ছিল জালিয়াতি মামলা।
- কারবারি, কালোবাজারি, অর্থ-পাচার... - তুমি কি "অভিযোগ"র কথা বললে, ইয়ান্সি?
আপনি কি "অভিযোগ"র কথাই শুনেছেন?
মি. পিনেরোকে কখনোই দোষী সাব্যস্ত করা হয়নি।
পুলিশ উনাকে রক্তাক্ত অবস্থায় তুষারের ওপর ফেলে আসে। অলৌকিকভাবে তিনি বেঁচে যান।
তারমানে আমি আপোষের বিরোধিতা করছি না।
দেড় মিলিয়ন ডলার নিয়ে সে স্টেট ছেড়ে ভাগবে।
একজন নাগরিকের পছন্দমত জায়গায় বসবাসের অধিকার আপনি খর্ব করতে পারেন না।
আইনগতভাবে এর বৈধতা নেই।
বৈধতা না থাকা বা ভদ্রলোকের আপোষই হোক না কেন,
মি. পিনেরো নিশ্চয়ই সেটা জেনে থাকবেন।
যে প্রশ্নের উত্তর খুঁজেছেন সেটা বসে বসে পাবেন না।
তোমার মক্কেলের চেয়েও তুমি বেশি অসহ্য।
- যথেষ্ট হয়েছে, এবার চুপ যাও। - ওকে দিয়েই চালাতে হবে।
৪০% কমিশন পাচ্ছ, নিশ্চয় তোমার সুপারিশও জয়ী হয়ে যাবে।
ধন্যবাদ, জন।
হায় খোদা।
- হেই, মি. ভেইল। - কেমন আছো?
বুয়েনা।
চরম গান।
- এদিকে দুটো টাকিলা। - নিয়ে আসছি, বস।
তো, কী বললো ওরা?
দেড় মিলিয়ন ডলারের অফার দিয়েছে, শনেসি নিজেই।
তুমি কী বলো?
আমি বলি নিয়ে নাও। আদালতে দু'বছর দৌড়ঝাঁপ করতে না চাইলে।
- আরে না, খতম করে দাও। - ঠিক আছে।
- ওকে। - ধন্যবাদ।
- চিয়ার্স। - চিয়ার্স।
- মিয়া? - তোমার শট।
আরেকটা ছোট শর্ত দিয়েছে।
তোমাকে স্টেট ছাড়তে হবে।
- তোমাকে গা-ঢাকা দিতে হবে। - গা-ঢাকা?
বাহ! যেই লাউ সেই কদু, তাই না?
মানে? কী বলছো?
এদের কাছ থেকেও একই অফার পেয়েছি, মার্টি।
কোন অফার?
মাস দুয়েক আগে এক পুলিশ এসে বললো,
"অ্যাল্ডারম্যান মার্টিনেজের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিলে তোমাকে জিতিয়ে দেবো, জো"
বলবে সে তোমার হয়ে কাজ করে, নিয়মিত বখরা পায়।
প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে বলেছি, "মার্টিনেজ একজন ভালো মানুষ"
তিনিই শুধু ধরে রেখেছেন
যেখানে অন্যরা সাউথ রিভারকে যুগ্নশাসন করতে চাচ্ছেন।
- আগে বলোনি কেন? - কেন?
কারণ এসব এখন নিত্যকার ঘটনা।
আমি ভাবিনি এর সাথে জড়াতে হবে।
- আরে শোনো। - এখানে আমি প্রচুর টাকা বিনিয়োগ করেছি।
- ওরা আরও বেশি করেছে। - একটা পাগলারে ধরে আনতে হবে।
এরা আমার ওপরই নির্ভরশীল।
এসব আমি পাত্তা দেই না। ক্যালিফোর্নিয়া থেকে ওদের চেকে পাঠাও।
চুচো, একটা কাজ করো, সিডিটা নিয়ে আসো।
তোমার পরামর্শের প্রতি শ্রদ্ধা আছে, মার্টি, কিন্তু সেটা করবো না।
- টাকা নেবো, কিন্তু পালাবো না। - ভুল সিদ্ধান্ত নিচ্ছ, জো।
চুচো, নিয়ে আসো। কী করবে ওরা? খুন করবে?
একবার তো চেষ্টাও করেছে।
জেগে থাকা মানুষকে কি মারা যায়?
- টাকা নিয়ে এসো। - বেশি বেশি।
তোমার পছন্দের গান, ফোর্থ কাট।
অনেক পছন্দের, ধন্যবাদ।
পুলিশ এবার নির্বিচারে ধরবে...
- ক্যাপ্টেন, আপনি কিছু বলবেন? - নিজেই তো কিছু জানি না।
ক্যাপ্টেন স্টেনার, কী হয়েছে?
এখনও কোনো আলামত দেখিনি, ভেতর ঘুরে এসে আপনাদের জানাবো।
তুমি ঘুমোতে যেতে পারো, অ্যাবেল। এসব তো প্রায়ই হচ্ছে।
ভেবে দেখবো, হার্ভি।
হায়! কী অবস্থা করেছে?
- স্যাম, আলামত দেখা হয়েছে? - লাশটা ঘোরাও।
দাঁড়াও বলছি!
চারটি আঙ্গুল ছিন্ন হয়ে গিয়েছে।
একটা সংকেত, বি-৩২.১ ৫৬, বুকে খোদাই করা হয়েছে।
শরীরের তাপমাত্রা এখনও উষ্ণ...
ক্যাপ্টেন, একজনকে দৌড়ে পালাতে দেখেছি।
একটি চলন্ত ট্রেন সন্দেহভাজনকে আলাদা করে দিয়েছে...
জানতে চাও আমি কী ঘৃণা করি?
যখন কেউ মক্ষীরানিদের ডিফেন্স এটর্নি হিসেবে জোরাজুরি করে।
আমরা খারাপ কেন জানো?
কচ্ছপের পাশে বসেও আমরা খরগোশের গতি অনুভব করি।
ওরা নিজেদের অপরাধী ভাবে, যেমনটা আমরা জানি আর কি।
কিছুই জানো না, জিজ্ঞেসও করো না, ভ্রূক্ষেপও করো না, শুধু কাজ করে যাও।
এমন নয় যে ওরা তোমার বন্ধু।
আচ্ছা, কিছু হয়ত বন্ধুসুলভ, কিন্তু...
রাষ্ট্রীয় এটর্নির চাকরি ছাড়লে কেন?
অচল চাকরি।
হয় অফিসে দৌড়াদৌড়ি করো নয়ত জাজ বিচারক হয়ে যাও।
নিজে খেলতে পারলে আম্পায়ার হতে যাবে কেন?
...সেন্ট মাইকেল আর আর্চবিশপ ম্যানশনের দিকে...
পেয়েছি! এই যে এখানে!
রহস্য উন্মোচন না হওয়া পর্যন্ত আমরা আপডেট দিয়ে যাবো।
জানা গেছে সকালে প্রায় ১১:০৪ মিনিটে...
কখন বুঝলেন যে ওদের কাবু করতে পেরেছেন?
কী? কী যেন বললে?
পিনেরো ট্রায়াল চলাকালীন কখন বুঝলেন, "ওদের কাবু করে ফেলেছেন"?
ঠিক যখন মামলা হাতে নিই।
শিকাগোর এক জনপ্রিয় যাজক মর্মান্তিকভাবে খুন হয়েছেন,
আর্চবিশপ রিচার্ড রাশম্যান, আমাদের ছেড়ে চলে গিয়েছেন।
চলে যাচ্ছি অ্যান্ডির কাছে সরাসরি সম্প্রচারে।
মাত্রই জানতে পারলাম পুলিশ ১৯ বছরের এক ছেলেকে আটক করেছে।
ক্যাপ্টেন স্টেনার জানিয়েছেন ছেলেটির নাম অ্যারন স্ট্যাম্পলার...
প্রোগ্রাম পুনরায় ঠিক করে নেবো, ওকে? আমাকে যেতে হবে।
- মার্টিন ভেইলের ল' অফিস থেকে বলছি। - খবরটা শুনেছ নাকি?
জাজ টাটারের অফিসে সুলিভানকে কল দাও।
ও যেখানেই থাকুক, অ্যালিবিতে ওকে কল করতে বলবে।
- অনেকেই এটা নিতে চাইবে। - আচ্ছা।
পুলিশ প্রথম পদক্ষেপ নিয়েছে একজনকে গ্রেফতারের মাধ্যমে।
- আপনি কি স্ট্যাম্পলারের মামলা নিচ্ছেন? - দুঃখিত, এখনও বলতে পারছি না।
- রাষ্ট্রীয় এটর্নি চলে গিয়েছেন? - হ্যাঁ, ইয়ান্সিও নেই।
- পুলিশ? - আসা-যাওয়ার মধ্যেই আছে।
লক-আপ!
- তোমার ভাইকে জানিয়ো। - হ্যাঁ, শিউর।
ওর সাথে একান্তে কথা বলতে চাচ্ছি।
- আচ্ছা, আপনাকেসহ লকে রাখতে হবে। - বুঝেছি।
আমাকে চেনো?
না, না, স্যার। চিনি না।
আমার নাম মার্টিন ভেইল। বলতে পারো নামকরা এটর্নি।
- আমার তো টাকা-পয়সা নেই। - টাকাপয়সার কথা ভেবে আসিনি।
তোমার মামলা আমি লড়বো 'পারিশ্রমিক ছাড়া'
তারমানে আমার অভিজ্ঞতা ও পরিশ্রমের কোনো মজুরি লাগবে না।
অথবা বছরে ৪০০০০ ডলারে সরকারি এটর্নি নিয়োগ দিতে পারো,
যে তোমাকে নির্ঘাত ফাঁসিতে ঝুলাবে। সিদ্ধান্ত তোমার।
না, স্যার। আপনি করলে আমি কৃতজ্ঞ হয়ে থাকবো।
ঠিক আছে।
তোমার পুরো নাম কী...?
আমার নাম... অ্যারন ল্যুক স্ট্যাম্প...
স্ট্যাম্পলার।
স্ট্যাম্পলার।
- তুমি কেনটাকি থেকে এসেছ, অ্যারন? - জ্বি, স্যার, ক্রিকসাইড থেকে।
- ওখানে কী লিখা আছে? - না।
শিকাগোতে কতো বছর যাবত আছো?
পরের মাসে বারো বছর হবে, বোধহয়।
- আগে কখনও গ্রেফতার হয়েছিলে? - না, স্যার।
আর্চবিশপকে কীভাবে চেনো?
রাস্তায় ভিক্ষা করছিলাম ওয়েকার ড্রাইভের ওপর।
No comments yet. Be the first to leave one.