Pierwsze 200 wierszy.
=== সাবটাইটেল অনুবাদক === মোঃ কামরুল হাসান শিমুল
=== সাবটাইটেল অনুবাদক === মোঃ কামরুল হাসান শিমুল
=== সাবটাইটেল অনুবাদক === মোঃ কামরুল হাসান শিমুল
=== সাবটাইটেল অনুবাদক === মোঃ কামরুল হাসান শিমুল
== নির্বাহী প্রযোজক == সানেজুমি ফুজিমোতো আকিরা কুরোসাওয়া
== চিত্রনাট্য == রায়াউজো কিকুশিমা হিদেও ওগুনি
শিনোবু হাশিমোতো আকিরা কুরোসাওয়া
== চিত্রগ্রহণ == ইচিও ইয়ামাজাকি
== সঙ্গীত == মাসারু সাতো
== শ্রেষ্ঠাংশে ==
তোশিরো মিফুনে
মিনোরু চিয়াকি কামাতারি ফুজিওয়ারা
সুসুমু ফুজিতা তাকাশি শিমুরা মিসা উয়েহারা
== পরিচালনা == আকিরা কুরোসাওয়া
দূর হয়ে যা!
তোর গায়ে মরা মানুষের গন্ধ!
চুপ কর! দুই জনের গায়েই দুর্গন্ধ।
সব তোর দোষ!
খাটাশের গন্ধে বমি আসছে।
মনে হয় গায়ে ঘু মেখেছিস।
কী কইলি?
তুই হইলি ঘুয়ের পোকা। গন্ধ শুঁকলেই বমি আসে।
তুই বলেছিলি যুদ্ধে গেলে আমাদের কপাল খুলে যাবে।
হাসলি ক্যারে, হাঁদারাম?
মজা পাইলাম রে, মাম্মা!
আমরা যুদ্ধে গেলাম দেরি করে।
ওরা ভেবেছে আমরা পরাজিত পক্ষের।
তারপর আমাদের দিয়ে লাশ কবর দিয়েছে।
কোনোমতে পালিয়ে আসলাম...
গত দু’দিন পানি ছাড়া কিছুই জোটেনি।
কিন্তু মজা লাগছে তোর বলদ মার্কা চেহারা দেখে!
চল বাড়ি যাই।
তোর কি লজ্জা-শরম নাই?
বাড়িঘর সব বিক্রি করে এসেছি।
কার বাড়ি যাবো?
তাহলে ওই মৃতদেহের কাপড় খুলে নিই।
আমি গরিব হতে পারি, কিন্তু চোর নই।
তোর যা ইচ্ছা কর, আমি গেলাম!
যা ভাগ! আমি টুপাইস কামিয়ে আসি।
তখন আবার চাইতে আসিছ না!
ধরা খেলে আবারও কবর খোঁড়াবে।
যা ভাগ! হাঁদারাম কোথাকার!
তুই চলে গেলে পুরো ভাগই আমার!
রামছাগল কোথাকার!
বসে যাও, বসে যাও! সীমান্ত অতিক্রম করা যাবে না।
সামনেই ইয়ামানা চেকপোস্ট।
একটা ইঁদুরও পার হতে পারবে না।
ধরতে পারলে জবাই করে ফেলবে।
এখন কী হবে?
কুয়াশা না পড়লে নড়তেও পারবো না।
ওখানে কী লেখা আছে?
১০ স্বর্ণমুদ্রা পুরষ্কারের বিজ্ঞপ্তি।
পড়ে শুনান তো।
“সন্ধান চাই”
আকিজুকির রাজকুমারি ইয়ুকি।
সন্ধান দিতে পারলে ১০ স্বর্ণমুদ্রা পুরষ্কার।
তিন স্বর্ণমুদ্রা...
... খোঁজ দিতে পারলে।
... আদেশক্রমে, ইয়ামানার রাজা।”
চল! জলদি চল!
গায়ে শক্তি নাই? চল!
হাঁট ব্যাটা!
- পালিয়ে যাচ্ছে! - ধর শালাকে!
আমি ওদের লোক নই।
কুয়াশা পড়েছে ঠিক আছে, কিন্তু চোখে তো কিছুই দেখতে পাচ্ছি না।
হায়াকাওয়ার পথ কোনদিকে?
চুপ করে হাঁটতে থাকো!
কীসের শব্দ?
ওখানে কে রে?
আর কবর খুঁড়বো না।
জলদি হাঁট শালারা!
মাতাশিচি নাকি!
মাতাশিচি!
ছাড় ব্যাটা!
হাঁট!
শোনো!
এই দুর্গে ২০০ খণ্ড খাঁটি সোনা লুকানো আছে।
ওগুলো খুঁজে না পেলে ইঁদুরের মতো পিষে মারবো!
খুঁড়তে থাক! পাওয়া পর্যন্ত খুঁড়তে থাক!
মাতাশিচি, কী হয়ে গেলো!
সব শেষ হয়ে গেলো!
এবার যদি মরতে হয়, একসাথে মরবো।
এদিকে!
চোর! চাল চোর!
এখন কী করবো?
রাজকুমারিকে খুঁজবো।
রাজকুমারি?
আকিজুকি বংশের একমাত্র উত্তরাধিকারি।
ধরিয়ে দিলে ১০ স্বর্ণমুদ্রা।
১০ স্বর্ণমুদ্রা?
সন্ধান দিতে পারলে ৩ স্বর্ণমুদ্রা।
৩ স্বর্ণমুদ্রা?
খুঁজে কি আর পাবো? স্বপ্নই থেকে যাবে।
লোভ করিস না। “লোভে পাপ, পাপে মৃত্যু।”
তারচেয়ে গ্রামে ফিরে গেলেই ভালো হবে।
তাহলে সীমান্ত পার হবি কীভাবে?
ধরা খেলে কাঁটাতারে ঝুলিয়ে মারবে।
চল, খেয়ে নিই।
ক্ষুধায় পেট চোঁ চোঁ করছে।
ধুর! এখনো হয়নি।
ডালগুলো পুড়ছে না।
কী ওটা?
আরে! স্বর্ণ!
ঠিক তো! স্বর্ণ!
আরে...
লাঠির ভেতরে স্বর্ণখণ্ড?
এক ধনী লোকের থামের মধ্যে স্বর্ণ লুকোনোর গল্প শুনেছি, কিন্তু...
আরে? সিল দেয়া আছে!
অর্ধচন্দ্রের মতো।
আকিজুকি বংশের সীলমোহর!
এগুলো সংরক্ষিত স্বর্ণ, যেগুলোর জন্য ওরা খুঁড়ছিলো।
তাহেই, আগুন ধরানোর জন্য কাঠগুলো কোথায় পেয়েছিস?
ভাঙতে ভাঙতে খুঁজতে হবে।
আমি এদিকে গেলাম, তুই জলাভূমির দিকে যা।
ওই, তাহেই!
একই রকম!
কী করছিস?
একটা আমার!
দুটোই আমি পেয়েছি!
- লাঠি আমি পেয়েছি। - সন্ধান আমি পেয়েছি!
স্বর্ণ আমি পেয়েছি!
মিথ্যুক! স্বর্ণ প্রথম আমিই দেখেছি।
চুপ!
চল ফিরে যাই।
ফিরে যাবি?
খুঁজলে আরও পাবো।
ওই শালায় দেখলে সব ছিনিয়ে নেবে।
আমাদের পেছনে আসছে।
সাবধান! ডাকাতও হতে পারে।
ডাকাত তো মনে হয় না। কোমরে তরবারি নেই।
বলা তো যায় না। ডাকাতের চামচাও হতে পারে।
আর আসছে না।
চল ফিরে যাই।
না, সতর্ক থাকা ভালো।
ধৈর্য্য ধরতে হবে। একরাত অপেক্ষা করাই ভালো হবে।
বড় দান পেয়েছি। ফস্কে গেলেই সব শেষ।
যেহেতু শালাকে দেখতে পাচ্ছি না, সেহেতু চিন্তার কিছু নাই।
হতে পারে করাত বা কাঠকয়লা বানায়।
তো, এবার ফয়সালা হয়ে যাক।
কীসের ফয়সালা?
ন্যাকামি করিস না। স্বর্ণ ভাগাভাগির ফয়সালা।
ন্যায্যভাবে সমান দুইভাগ করতে হবে।
রাজি তো?
- ভেবে দেখি... - রাজি হয়ে যা! রাজি? হুহ?
চল ঘুমাই।
নাকে তেল দিয়ে রাজা হওয়ার স্বপ্ন দেখবো।
ওই!
শুভ সন্ধ্যা।
ওই!
ঠাণ্ডা পড়েছে, তাই না?
পাহাড়ে কেন এসেছেন?
তোমরা কেন এসেছো?
আমরা?
সীমান্ত অতিক্রম করবো।
সীমান্ত?
- হায়াকাওয়া যেতে চাই। - হায়াকাওয়া?
পাহাড়ের পেছনেই তো ইয়ামানা।
ঠিক আছে... কিন্তু আমরা...
হায়াকাওয়া যেতে চাই...
এই যে হায়াকাওয়া।
আর এটা হচ্ছে...
... আকিজুকি, যেখানে আমরা আছি।
এই হচ্ছে...
ইয়ামানা।
আমরা আকিজুকি থেকে হায়াকাওয়া যেতে চাই।
কিন্তু ইয়ামানা সৈন্যরা সীমান্ত অবরোধ করে রেখেছে।
তাই...
প্রথমে ইয়ামানা যেতে হবে...
... তারপর হায়াকাওয়া যাবো।
দেখুন...
আকিজুকি বংশের কেউ যেতে পারবে না...
... ইয়ামানা, শত্রুপক্ষের এলাকায়।
তাই আকিজুকি আর ইয়ামানা সীমান্ত...
... টপকে যেতে হবে।
ঠিক বলেছিস।
হায়াকাওয়া-ইয়ামানা সীমান্ত পার হওয়া সহজ হবে।
তারপর আকিজুকি-হায়াকাওয়া সীমান্ত।
যাই হোক, আমরা হলাম কৃষক।
যে করেই হোক আমাদের যেতে হবে।
ঠিক আছে। আমিও ভেবেছি যাবো।
ইয়ামানা পার হয়ে যাওয়া ভালো বুদ্ধি।
তাহলে ২০০ খণ্ড স্বর্ণ অযথা নষ্ট হবে।
তিনজন মানুষ আর তিনটি ঘোড়া হলেই সব নিতে পারবো।
২০০ স্বর্ণ খণ্ড? কী বলছেন আপনি?
এই যে দেখো।
ওপরের দিকে থাকতে পারে।
পাথরে লাথি দিস না!
পা ছাড়, হারামজাদা!
কী করবি?
ওই হালায় কই?
নাই তো।
গেলো কোথায়?
ওকে বিশ্বাস করা যায় না।
এটা কোন জায়গা?
একটা লুকোনো দুর্গ আছে।
লুকোনো দুর্গ? আকিজুকির দুর্গ?
দেখ, ইয়ামানা দেখা যাচ্ছে।
কিন্তু...
এই দুর্গটি, একদম জনশূন্য মনে হচ্ছে।
কেউ আসছে!
No comments yet. Be the first to leave one.