Pierwsze 200 wierszy.
এই গল্পটার নাম হচ্ছে...
নেকড়ে ও সাতটি ভেড়ার বাচ্চা!
অনেক বছর আগের কথা!
এরকমই ঘন এক জঙ্গলে...
একটা ভেড়া তার সাতটি ছোট ছোট বাচ্চাকে নিয়ে..
একটা বাড়িতে বাস করত।
একবার, সেই ভেড়াটা বাহিরে যাচ্ছিল।
সে তার বাচ্চাদের বলল...
"বাচ্চারা, যতক্ষণ না আমি বাড়িতে ফিরে আসছি..."
"অপরিচিত কাউকে ঘরে ঢুকতে দেবে না!"
কিন্তু, জানো...
এই কথাটা ঘরের বাহিরে লুকিয়ে কে শুনছিল?
কে?
এক ভয়ংকর নেকড়ে!
ভেড়াটা ঘর থেকে বের হওয়ার পর...
নেকড়েটা দরজায় ঠকঠক করল!
ঠক!
ঠক!
ঠক!
ভেড়ার বাচ্চারা জিজ্ঞেস করল, "কে?"
নেকড়েটা বলল...
"তোমাদের মা!"
"তোমাদের মা!"
কে ওখানে?
.:.:.: Bhediya (2023) :.:.:. অনুবাদ ও সম্পাদনাঃ মোহাম্মদ ইউসুফ
না!
স্যার...
স্যার...স্যার...
স্যার, ও মনে হচ্ছে রেগে আছে!
তো তুমি এত ভয় পাচ্ছো কেন?
স্যার, আমি ভয় পাচ্ছি না!
আমি আসলে কুকুর পছন্দ করি না!
কুকুর?
যদি এ তোকে কুকুর বলে তাহলে তোর কেমন লাগবে?
সরি, বস!
এখন এখানে বস কে?
সরি, বস!
ঠিক আছে!
এবার ধান্দার কথায় আসা যাক।
এই উত্তর-পূর্বাঞ্চলের যে প্রজেক্টটা...
ওটার জমি জরিপের কাজ হয়ে গেছে।
সকল কাগজপত্রও রেডি।
তোর প্রস্তুতি নেওয়া শেষ হয়েছে তো?
জ্বি, স্যার। ওখানে আমার এক লোকাল পরিচিত লোক আছে।
ইতোমধ্যেই সকল প্রকার ব্যবস্থা আমি করে রেখেছি।
উত্তর-পূর্বাঞ্চলের জঙ্গলে জমি...
অধিগ্রহণ করা এতোটা সহজ হবে না।
সহজ কাজের জন্য তো মোটা টাকা পাওয়া যায় না, স্যার!
আর, এটা তো আপনি বেশ ভালো করেই জানেন।
এটা অনেক বড়ো একটা কন্ট্রাক্ট।
এতোগুলো বড়ো বড়ো কোম্পানি কন্ট্রাক্টটা হাতানোর ধান্দায় ছিল...
কিন্তু, শেষ পর্যন্ত তোর মতো ছোট কন্ট্রাক্টর পেয়েছে কন্ট্রাক্টটা।
কেন জানিস?
কারণ, তোর স্পৃহা দেখে ভালো লেগেছে, সোনা!
আর, তোর স্পৃহাও দেখে ভালো লেগেছে, সোনা!
আমার আদরের বস...
ধন্যবাদ, বাঘা সাহেব!
ভরসা রাখুন আমার ওপর, আপনার কাজ হয়ে যাবে!
আসল ব্যাপারটা হচ্ছে...
নির্দিষ্ট সময়ের ভেতরেই কাজটা শেষ হওয়া চাই।
স্যার, আপনার সিকিউরিটি ডেপোজিটের জন্য আমার ঘর বন্ধক দিয়েছি!
একেবারে জান লাগিয়ে দেব!
কী বলেন, বস? ও কি আসলেই জান লাগিয়ে দেবে?
- ও তোমাকে অনুমতি দিয়ে দিয়েছে। - জ্বি, স্যার!
শালা ঘেউ ঘেউ করছিস কেন এত?
সরকারের বাজেট নীতিমালা সাধারণত প্রভাবিত হয়...
বিভিন্ন সক্রিয়, চিরস্থায়ী এবং ভিত্তিমূলক কারণে...
ব্যাগ গোছগাছ করেছিস, ব্যাটা?
হ্যাঁ, কখন করেছি!
ভাই, যাচ্ছিস কোথায়?
তাতে তোর কী?
আমাকে আইএএস পরীক্ষার প্রস্তুতি নিতে হবে!
না বললে তোর সাথে যাব না!
তোর তো প্রকৃতি বেশ পছন্দ, তাই না?
আমরা যেখানে যাচ্ছি সেখানে প্রকৃতি আর প্রকৃতি!
আর, ওখানকার মেয়েরাও বেশ সুন্দরী আর ভদ্র, ভাই!
তোর মা তো তোর বিয়ের কথা বলছিল!
নারে ভাই!
আগে আইএএস অফিসার হবো, তারপর বিয়েশাদী করব।
তাহলে, ভুলে যা।
হ্যাঁ, বাবা?
শুনলাম, তুই নাকি হঠাত অরুণাচল যাচ্ছিস?
হঠাত করে নয়, ওখানে আমার জরুরি কাজ আছে। যেতে হবে।
এতদূর একা একা যাবি?
একা যাচ্ছি নাতো, বাবা! জোনার্ধনও আমার সাথে যাচ্ছে!
নমস্কার!
হ্যাঁ, নমস্কার, নমস্কার!
চাচী বলছিল, ওর মৃগী ব্যারামের জন্যও হাওয়া বদলটা দরকার।
ঠিক আছে, নিয়ে যা ওকে।
বিদেশে তোকে সঙ্গ দেবে!
বিদেশে যাচ্ছি নাতো, বাবা!
- অরুণাচল প্রদেশ ভারতেই! - সে, যাইহোক...
বাবাকে ভূগোল শিখাস না!
আচ্ছা, পরে কথা হবে। এখন খেতে বসব।
হ্যালো...
আচ্ছা, অরুণাচল প্রদেশ... মানে, আমরা ইম্পাল যাচ্ছি?
ইম্পাল অবস্থিত মনিপুরে।
ওহ, হ্যাঁ, সরি!
আমাদের মেঘালয়ের টিকেট কাটা হয়েছে তো?
মেঘালয় তো একটা রাজ্য। আমরা গোহাটিতে যাচ্ছি।
ওহ, হ্যাঁ! সরি, দোস্ত!
অরুণাচল প্রদেশের রাজধানীই তো গোহাটি!
গোহাটি আসামে!
অরুণাচল প্রদেশের রাজধানীর নাম ইটানাগার!
কখন থেকে?
এখন আগে খেয়ে নেতো! শালা খালি পেটে আইএস অফিসার হবি নাকি?
এতোটুকুই ভাই? আরো ৩/৪ টা ব্যাগ নিয়ে আসতি?
নারে ভাই, গুনিজনেরা বলেছেন, "জ্ঞান বহন করো, বোঝা নয়!"
তাই, এতোটুকুই নিলাম সাথে।
এগুলো জ্ঞান?
আমার বই আছে ব্যাগে! পড়তে হবে না?
ভাস্কি!
হেই, জো!
কেমন আছিস রে?
জোশ!
- চার বছর পর দেখা হলো! - হ্যাঁ, দোস্ত!
- চুল তো ভালোই গজিয়েছিস! - তাই?
- হ্যাঁ! - তোরও তো দেখি ভালোই দাঁড়ি গজিয়েছে, হিরো!
- হ্যাঁ, হয়েছে অল্পস্বল্প! - একা একা এসেছিস নাকি?
আরে, ও হচ্ছে আমার কাজিন, জোনার্ধন!
জেডি, জেডি!
হ্যালো! জোমিন!
চাওমিন?
জোমিন!
হ্যালো, চাও...জোমিন!
- হেই, সবকিছু ঠিক আছে? - কোনরকমে চলছে!
- হেই, সবকিছু ঠিক আছে? - কোনরকমে চলছে!
- হেই, সবকিছু ঠিক আছে? - কোনরকমে চলছে!
- তোর কী অবস্থা? - হ্যাঁ, চলছে।
- হেই, সবকিছু ঠিক আছে? - কোনরকমে চলছে!
- হেই, সবকিছু ঠিক আছে? - কোনরকমে চলছে!
- সবকিছু ঠিক আছে তো? - হ্যাঁ, আছে!
- আর, তোর? - চলছে, কোনরকম!
কত সুন্দর প্রকৃতি দেখতে! কেন আচানক সব নিস্তব্ধ?
"দেখো না সূর্য ডুবছে ধীরে ধীরে!"
- হেই, সবকিছু ঠিক আছে? - কোনরকমে চলছে!
- হেই, সবকিছু ঠিক আছে? - কোনরকমে চলছে!
- হেই, সবকিছু ঠিক আছে? - কোনরকমে চলছে!
"তুই কিছু বল না, পুষ্পা?
শুধু কিলোমিটার গুণতে গুণতে আমাদের সময়টা করছি বরবাদ!
যখন পথ ধীরে ধীরে সহজ হতে শুরু করেছে..."
গাড়িটা সাইডে রাখ, ছাড়তে হবে আমাকে!
এতোটা বন্ধুর পথ ধরে ছুটে চলেছি আমরা!
বডির নাট-বল্টু খুলে পড়ছে যে বাড়া!"
এই ঘন অরণ্য সুরক্ষিত নয় মোটেও!"
প্রচুর মশা আছে এখানে আর মশার কামড়ে হয় ডেঙ্গু আর ম্যালেরিয়া!"
সুযোগ আছে , জঙ্গলের সৌন্দর্য চেখে দেখার!"
সেই সৌন্দর্যের চক্করে, বন্য নেকড়ের সাথে মোলাকাত হবার!"
যদি নেকড়ে আসে?" আমাদের সবাইকে খেয়ে ফেলে?
এমনিতে আমি শুনেছি, আজকাল নেকড়েরা নাকি কিটো ডায়েট করছে!"
- হেই, সবকিছু ঠিক আছে? - কোনরকমে চলছে!
- হেই, সবকিছু ঠিক আছে? - কোনরকমে চলছে!
- হেই, সবকিছু ঠিক আছে? - কোনরকমে চলছে!
- তোর কী অবস্থা? - লিখে দেব?
ও ভাইসাব!
কিলোমিটার গুণতে গুণতে আমাদের সময়টা করছি বরবাদ!
জীবনের ফুয়েল ফুরোতে চলেছে, নেটওয়ার্কও যেতে বসেছে!
কাটা ঘায়ে দিচ্ছিস নুনের ছিটা! তাও জিজ্ঞেস করছিস কেমন আছি?"
জীবনের হোগা মারা সারা!
জীবনের হোগা মারা সারা!
- হেই! - সাবধান!
তুই কুকুরদের এতো ভয় পাস কেন?
ভয় পাই না! কিন্তু, কুকুর আমার একদমই পছন্দ না!
ঘর তো দেখছি পুরোটাই বাঁশ দিয়ে বানানো! যদি একটা দুটা ভেঙে মাথায় পড়ে তো?
সোজা তো পাছায় ঢুকবে!
আমাদের এখানে সব বাড়ি এভাবেই বানায়।
বাহ, বাঁশ খাস, সেটা দিয়ে আবার ঘরও বানাস!
আরো অনেক কিছুই করা হয়।
ভাস্কি, আসলেই বাড়িটা বাঁশ দিয়ে বানানো!
ভেতরে এতো অন্ধকার কেনরে?
- লাইট অন কর তো? - হ্যাঁ, এক মিনিট!
সুইচ কোথায়?
এটা কোনো থাকার মতো ঘর হলো?
হিটার অন কর!
এক মিনিট, অন করছি।
কিছু আবার ভেঙে ফেলিস না। জরিমানা দেওয়া লাগবে পরে।
এক গ্লাস পানি খাওয়া না, জোমিন?
বাঁশের পানি খাবি?
শোন, মনে হয় ওখানে কিছু আছে!
- কী? - কী?
- কী? - কিছু একটা নড়ছে!
কোথায়?
মনে হয়, এটা একটা বাদুড়!
ছিহ!
দেখতে কী বিশ্রী!
হ, কিউট দেখতে!
স্যুপ বানিয়ে খেয়ে ফেল তাহলে, শালা!
স্যার, আপনারা এখনও লাইটই অন করেননি!
আম্মা!
ভাস্কি, বাঁচা!
আম্মা!
আম্মা!
এখানে এত বাদুড় কেন?
এ আমাদের কোথায় নিয়ে আসলি, ভাস্কি? চল চল!
ভাস্কর স্যার!
স্বাগতম!
জিরোতে স্বাগতম!
- এই ভাঁড়টা আবার কে, জো? - স্বাগতম, স্বাগতম...
আসার জন্য ধন্যবাদ!
- ধন্যবাদ আসার জন্য! - আমারটা কই?
No comments yet. Be the first to leave one.