Pierwsze 200 wierszy.
সাবটাইটেল অনুবাদক কামরুল হাসান শিমুল
সাবটাইটেল অনুবাদক কামরুল হাসান শিমুল</font
তোমাদের যে গল্পটা শোনাতে যাচ্ছি...
... সেটা কোনো বইতে পাবে না।
লোকে বলে এটা পশ্চিমের উপাখ্যান...
যা ঘোড়ার চর্মে লিখা হয়েছিল।
কিন্তু গল্পটা কখনো কেউ হৃদয় থেকে বলেনি...
... আজ পর্যন্ত।
আমি জন্মেছি এখানে...
জায়গাটা 'ওল্ড ওয়েস্ট' নামেই অধিক পরিচিত।
কিন্তু আমার সম্প্রদায় বলে জায়গাটা শাশ্বত।
যার কোনো শুরু বা শেষ নেই...
আকাশ ও ভূপৃষ্ঠের মাঝে কোনো সীমারেখা নেই।
মহিষের ঘাসে বাতাসের দোলার মতো।
আমরা এখানের বাসিন্দা।
একদম এখান থেকেই এসেছি।
লোকে বলে মুস্ট্যাং হচ্ছে ওয়েস্টের সাহস।
ওয়েস্ট হারুক বা জিতুক...
সিদ্ধান্ত নিজেকেই নিতে হবে।
তবে তোমাদের যে গল্পটা শোনাতে যাচ্ছি 'সম্পূর্ণ সত্য'।
সেখানে আমি ছিলাম, কিছুই ভুলে যাইনি।
সূর্য আর আকাশকে মনে করতে পারি...
বাতাস আমার নাম ধরে ডাকছে।
যখন বন্যঘোড়ারা মুক্ত বাতাসে ঘুরে বেড়ায়।
আমি এখানে
এই তো আমি
দুনিয়াতে এসেছি বন্য আর মুক্ত পরিবেশে
আমি এখানে...
তরুণ আর বলিষ্ঠ হৃদয় নিয়ে
এই জায়গাতে যেখানে আমার আবাস।
এক নতুন দুনিয়া...
এক নতুন শুরু...
বেঁচে আছি তরুণ হৃদয়ের কম্পন নিয়ে
এক নতুন দিন
এক নতুন ভূমি
রয়েছে আমার অপেক্ষায়...
এই তো আমি
এক নতুন ভুবনে
এ এক নতুন সূচনা
বেঁচে আছি এক তরুণ হৃদকম্পন নিয়ে
এক নতুন দিনে
এক নতুন ভূমিতে
রয়েছে আমার প্রতীক্ষায়
এই তো আমি
ধীরে ধীরে শৈশব থেকে কৈশোরে পা দিলাম...
বন্য আর বজ্রের মতো উদ্দাম নিয়ে।
ঈগলের সাথে প্রতিযোগিতা করে, বাতাসের সাথে উড়ে উড়ে।
উড়ে?
আমার বিশ্বাস সত্যিই আমি উড়তে পারতাম।
ঠিক আমার বাবার মতো।
আমি আমার সিমরন গোত্রের নেতা হয়ে উঠি...
সেই সাথে কাঁধে ওঠে দায়িত্ব।
সমভূমিতে আমি বাতাসের গান শুনি
এক বজ্রধ্বনি আমার নাম ধরে ডাকে
নদীর স্রোতের মতো তীব্র
সূর্যের মতো উষ্ণ
এই সেই জায়গা
যেখানে আমি থাকি।
এক তারা ভরা আকাশের নিচে
যেখানে ঈগল ডানা ঝাপটায়
এ যেন এক স্বর্গভূমি।
একেই আমি বাড়ি বলে জানি।
পাহাড়ের চূড়ায় উঁকি মারে চাঁদ
বৃক্ষমালার ফিস্ ফিস্ ধ্বনি
সাগরের ঢেউ
কিছুই আমাদের আলাদা করতে পারবে না।
আমি যা চাই
সবই আছে এখানে
আমরা যখন একতাবদ্ধ হবো
থাকবে না কোনো শঙ্কা
ওহ, ইয়াহ।
যেখানেই আমি ঘুরে বেড়াই
একটা জিনিসই শিখেছি আমি
হ্যাঁ
এখানেই চিরকাল থাকবো
চিরকাল...
... ফিরে আসবো।
একরাতে অদ্ভুত একটা ঘটনা ঘটে...
যা আমার জীবন বদলে দেয়...
শুরু হয় নতুন এক জীবন।
বুদ্ধিমান ঘোড়া হলে উল্টো ঘুরে দৌড় দিত।
কিন্তু বহিরাগত প্রাণীগুলোকে আমি দেখার লোভ সামলাতে পারিনি।
ওহ!
মারলি ক্যান?
শালার পুত!
চুপ...
দেখ।
ঘোড়াটাকে দেখ!
চমৎকার!
প্রিয়তমা আমার!
ইয়াক!
ধরো ওকে!
আটকে ফেলো!
বন্ধুরা, ধাওয়া করো!
ঘোড়ায় চাপো!
জলদি! জলদি!
গতি বাড়াও!
গেলো কোথায়? দেখা যাচ্ছে না।
খুঁজে বের করো!
লুকালো কোথায়?
জলদি!
আসছে!
পাকড়াও!
আসো! আসো!
ধরো!
ইয়া! ইয়াহ! ইয়াহ!
গতি বাড়াও!
হা-হা! পেয়ে গেছি!
পালাতে পারবে না!
ওহ!
সাবধানে!
ওহহো!
ভেবেছ কলা দেখিয়ে পালাবে?
এদিকে!
লাফিয়ে লাভ নেই! বুঝলে?
সাবধানে থেকো!
আটকাও! ধরে রাখো, জো!
আটকে ফেলো!
এখন আমাদের কব্জায়।
ইয়াহু!
ধরে রাখো!
খেয়াল রেখো!
দেখো সাবধানে! নজর রাখো!
চলো!
যতই লাফালাফি করো, লাভ হবে না।
ছুটতে পারবে না।
সাবধান... সাবধানে টানো...
আমি ভয় পেয়ে যাই,
বুঝতে পারছিলাম না কী আছে আমার কপালে।
সান্ত্বনা এটুকুই যে, আমার মা আর সঙ্গীরা নিরাপদে আছে।
চলো! চলো যাই!
আয়... আয় ব্যাটা...
লড়তে হবে আরেকবার
চলতে হবে আরেকটা রাত
বুঝতে হবে... দেখতে হবে...
আছি আমারই পথে অনাকাঙ্ক্ষিত এক পথে...
আমাকে ফিরতে হবে...
আমি হারবো না
ব্যাপার না, উপায় তো নিশ্চয়ই আছে...
আমাকে হারাতে পারবে না, কখনই না...
অন্তরাল না জেনেই কিছু বিচার করো না...
আমাকে খোঁচাবে না, আমি হারার পাত্র না...
আমি হারব না, আমি হারার পাত্র নই...
সাগরের ঢেউ না বুঝলে ভেসে থাকা যায় না...
অনাহূত কাম্য নয়
আমি হারব না, আমি হারার পাত্র নই...
আমায় নিতে পারবে না, আমি মুক্ত...
কেন এমন হলো?
জানতে চাই এসব হচ্ছে কেন?
কী দিয়ে বেঁধেছে আমায়?
এমন তো হওয়ার ছিল না।
লড়তে হবে আরেকবার
লড়তে হবে সর্বশক্তি দিয়ে
মুক্ত আমি হবই জেনে রেখো
আমার সামনে এসেছ নিজেকে দেখে রেখো...
দরজা খোলো!
আয়!
অন্তরাল না জেনেই কিছু বিচার করো নাকো...
আমাকে খোঁচাবে না আমি হারব না...
আত্মসমর্পণ করব না আমি হারব না...
সাগরের ঢেউ না বুঝলে ভেসে থাকা যায় না...
অনাহূত কেউ কাম্য না।
আমি হারবো না, আমি হাল ছাড়বো না...
আমায় নিতে পারবে না, আমি মুক্ত...
আমি স্বাধীন...
কী সমস্যা এখানে?
বন্য একটা ঘোড়া এনেছি, স্যার।
খাঁটি বন্য ঘোড়া, কর্নেল।
তাই নাকি?
বন্যঘোড়া তো আমরা আগেও ধরেছি।
এটা নিশ্চয়ই আলাদা কিছু নয়।
আয় বন্য ঘোড়া।
মনে হচ্ছিল জীবনে প্রথমবার
কোনো বিষাক্ত সাপের সামনে পড়েছি।
পশুটাকে নিয়ে যাও, সার্জেন্ট।
- ইয়েস, স্যার! - ঠিক সাপের মতো না...
তবুও, সাপের কথাই মনে হচ্ছিল।
ধীরেসুস্থে নাও।
ধরো! টানো!
আয় ঘোড়ার বাচ্চা!
এই নাও, মারফি, এবার তোমার পালা।
সাবধান! খুবই তেজি ঘোড়া।
দেখব তার কত তেজ।
দেখলে?
আমার সাথে লাগতে আসো?
আচ্ছা।
শক্ত করে বাঁধো।
- মারফি সাবধান! - দেখেশুনে!
খুবই তেজি ঘোড়া।
তুমি ঠিক আছো, মারফি?
ওহ, হো...
মারফি, ঠিক আছো?
কর্পোরাল, কিছু ভলান্টিয়ার দাঁড় করাও...
ওকে আস্তাবলে নিয়ে যাও।
আস্তাবলে না।
স্যার?
খোঁয়াড়ে নাও।
ওর তেজ ছুটাতে হবে।
তোমরা ভেবেছ আমায় হারাবে
নিশ্চয়ই তোমরা উন্মাদ
No comments yet. Be the first to leave one.