Pierwsze 200 wierszy.
জিমি কে।
হ্যাঁ, জিমি কে দেও।
তোমার দলকে কাজ বন্ধ রাখতে বলে দেও, আইজ্যাকের নির্দেশ।
- নৌকাগুলো নিয়ে এসো, রেডিও বন্ধ রাখো। - টেনে বের করো!
খোদার কসম, তুমি না পারলে আমি নিজে করব।
- আমি বলেছি "হয়তো"। - আচ্ছা ঠিক আছে।
- খুব ব্যথা পাবে কিন্তু। - এমনিতেও খুব ব্যথা করছে!
জেসি, আমাকে...
তুমি আমাকে মরতে দিতে পারো না।
- হ্যাঁ, জানি। - না, জানো না।
শুনো, এটা টান দিলে তোমার রগ ছিঁড়ে যেতে পারে।
- এটাকে ঠেলে বের করতে হবে। - তুমি কীভাবে জানো?
- যদি এটা ভুল হয়? - রগগুলো কোথায় থাকে, আমি জানি।
- না, জানো না, তুমি কোনো ডাক্তার না! - দিনা, চুপ করো!
হেই।
দিনা।
আমি দেখছি, ঠিক আছে?
আমি দেখছি।
জানি, আমি জানি, একটু খাও, ঠিক আছে?
- না। - খেলে ভালো লাগবে, খাও।
না বললাম তো!
আচ্ছা।
করে ফেলো!
আমি বলছি।
জেসি! দিনা!
তোমার ঘোড়ার নাম কী?
শিমার, আমি একাই এসেছি, খুলো দরজাটা!
- ও কোথায়? - কী হয়েছে তোমার?
দিনা? সে...
ভালো আছে, ড্রেসিং রুমে আছে এখন।
- ড্রেসিং রুমে? - এলি, কোথায় ছিলে তুমি?
হাই।
দেখি।
বাচ্চাটা...?
- ভালো আছে। - কীভাবে জানো?
এমনি।
বসো এখানে।
আচ্ছা।
জামাটা খুলো।
আচ্ছা, হাত উঠাও।
৩, ২, ১।
তো, কী হয়েছে বলবে?
পেয়েছিলাম তাকে।
নোরাকে পেয়েছিলাম।
ভালো।
অ্যাবি কোথায় আছে জানে সে?
হ্যাঁ, কিন্তু সে কেবল ২টা শব্দ বলেছিল।
"তিমি" আর তারপর "চাকা"
- এসবের মানে কী? - জানি না, হয়তো কিছুই না।
সংক্রামিত হয়ে গেছিল সে, এমনি মরে যেত।
তাকে দিয়ে কথা বলিয়েছি আমি।
ভেবেছিলাম কঠিন হবে।
কিন্তু সেরকম ছিল না।
খুব সহজ ছিল।
আমি শুধু তাকে মারতে থাকলাম।
মেরে ফেলেছ তাকে?
না।
তাকে ফেলে এসেছিলাম।
হ্যাঁ, হয়তো সে তার প্রাপ্যটাই পেয়েছে।
হয়তো এসব তার প্রাপ্য ছিল না।
অনেক দিন আগের কথা।
আমি জ্যাকসনে আসার আগের ঘটনা।
সল্ট লেক সিটিতে ফায়ারফ্লাইসদের ঘাঁটি ছিল।
সেখানে তাদের একটা হাসপাতাল ছিল।
তারা আমাকে দিয়ে প্রতিষেধক বানাতে চেয়েছিল।
এতে আমি মরে যেতাম।
তারপর জোয়েল জেনে যায়।
আর সে ওই হাসপাতালের সবাইকে মেরে ফেলেছিল।
সবাইকে।
সে অ্যাবির বাবাকেও মেরে ফেলেছিল।
একজন ডক্টর ছিল সে, আর সে তার মাথার মধ্যে গুলি করেছিল।
আমাকে বাঁচানোর জন্য।
তো, এই জন্যই তারা এসেছে।
তুমি তাদের চিনতে?
কিন্তু আমি জানতাম, সে কী করেছে।
আমি দুঃখিত।
আমাদের বাড়ি যেতে হবে।
বাড়তি নাইন মিলিমিটার বুলেট আছে?
ধন্যবাদ।
এখনই নিজের পায়ে দাঁড়ানো ঠিক হচ্ছে না।
এই তো সোফাতে বসে পড়ব।
কথা দিলাম।
হাতটা দেও।
ওই হাতটা।
এটা সৌভাগ্য বয়ে আনবে।
তোমার বেলায় তো কাজ করল না।
বেঁচে তো আছি।
এলিকে রাখতে চাইলে, আমি একাই যেতে পারব।
না।
একসাথে থাকলে বিপদ কম হবে।
আমাদের নির্ধারিত জায়গাটা খুব বেশি দূরে না।
টমি সাথে দেখা হয়ে গেলে, রাত হওয়ার আগেই
- ফিরে আসতে পারব। - আচ্ছা, বেশ।
ভালো করে আটকাতে পারবে তো?
হ্যাঁ, যাও।
হ্যাঁ।
- কোথায় দেখা করবে বলেছিলে? - বইয়ের দোকানে।
থিয়েটারটা কীভাবে খুঁজে পেলে বলবে না?
কাল রাতে তোমার কী হয়েছিল, বলবে না?
আমরা শহরের সহজ রাস্তাটা দিয়ে এগিয়ে যাচ্ছিলাম।
তারপর তোমার শিমারকে যেখানে বেঁধে রেখেছিলাম, সেখানে এলাম।
যদিও জিজ্ঞেস করোনি, কিন্তু সে এখনও ওইখানে ভালোই আছে।
তারপর আমরা টিভি স্টেশনে উলফদের চিহ্নটা দেখলাম।
কোথায় যেতে পারো ভেবে, দুই মাইল জুড়ে আলাদা হয়ে গেলাম,
তারপর চারপাশে খুঁজতে থাকলাম।
তারপরই থিয়েটারটা চোখে পড়ল।
ওহ, কথা শুনে তো মনে হলো সহজেই পেয়ে গেছিল।
২ দিনে অনেক বিপদের মুখ থেকে ফিরে তারপর পেয়েছিলাম।
ধন্যবাদ।
সত্যি, মন থেকে বললাম।
দেখো, আমি জানি তুমি রেগে আছো,
কাল রাতে, দিনা বলছিল, "আমি মরতে পারব না।"
কিন্তু "আমি মরতে চাই না" বা "আমি মরতে পারি না" বলেনি।
আর তাকে হুইস্কি খেতে দিলে সেটাও খেলো না।
দিনা, যেই মেয়ে জীবনে কোনদিন ফ্রিতে মাল দিলে, না খেয়ে থাকতে পারেনি।
তারপরই আমি তার পা থেকে তীরটা...
- টেনে বের করেছিলাম। - ব্যাপারটা অদ্ভুত।
- আমি জানি, কেন সে... - হ্যাঁ, অবশ্যই জানো।
আমি গাধা না, আমি অন্ধও না।
এলি, আমি দেখি তোমরা একে অপরের দিকে কীভাবে তাকাও।
এখন সব পাল্টে গেছে।
হ্যাঁ, আর আমি নিশ্চিত, সে তোমাকে এমন কিছু বলেছে, যেটা আমাকে বলেনি।
যেমন সে গর্ভবতী।
বাল।
ওহ বাল, তুমি আন্দাজ করেছিলে?
ওহ খোদা।
দেখো, সে অবশ্যই তোমাকে বলত।
তাই, খারাপ লাগার কিছু যেই, বুঝলে?
এখন বলে কিছুই পাল্টানো যাবে না।
সবকিছু তো পাল্টেই গেছে, আর কী পাল্টাবে?
আচ্ছা, নতুন কিছু ভাবলে কেমন হয়?
আমি বাবা হতে চলেছি, তারমানে আমি মরতে পারব না।
কিন্তু তোমার কারণে, আমরা যুদ্ধ ক্ষেত্রে আটকে গেছি।
তাই এখন ক্ষমা-টমা না চেয়ে,
টমিকে খুঁজে আমাদের সবাইকে আর বাচ্চাটাকে নিয়ে
সিয়াটল থেকে বেড়িয়ে যাই, ঠিক আছে?
এরকম আরো আছে?
হয়তো, জানি না।
দ্রুত যেতে হবে।
প্লীজ, বলো আমরা কাছাকাছি চলে এসেছি।
হয়তো আর দুইটা রাস্তা পার হতে হবে।
চলো, এখানে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করে দেখি...
- বাপরে! - যাও।
- দেখেছি তাকে! - মেরেই ফেলব তোকে, স্কার কোথাকার!
- আর পালাতে পারবি না! - এইতো এখানে, নিচু হও!
গ্যারাজের দিকে গেছে, যাও।
বস বলছি!
হারামির বাচ্চা!
দুনিয়া ধ্বংসের পথে, আমি শুধু আমার কাজ করেছি।
আমাদের সীমানা পার হলি কীভাবে?
কীভাবে?!
দুনিয়া ধ্বংসের পথে, আমি শুধু আমার কাজ করেছি।
সে আমাকে তুফানেও পথ দেখিয়েছে, এখন আমার বিশ্রামের পালা।
- আমাকে পথ দেখাও। - কী বলছিস?
আমাকে রহম করো। আমাকে রক্ষা করো!
জামা খুলো।
না! না!
দাঁড়াও, না, ছেড়ে দেও!
- থামো! - খুল বলছি, শুয়োরের বাচ্চা!
- টেনে নিয়ে যাও। - যা!
- আয়! - আয় শালা!
যাও, যাও।
- ছাড়ো বাল! - এলি।
এলি।
- এলি! - কী?!
তাদের ৬ জনের সাথে আমরা ২ জন পারব না।
- কী করবে সেখানে গিয়ে? - সে বাচ্চা একটা ছেলে!
এলি, এরা নিজেদের গুলি করে,
নিজেদের পিটিয়ে মারা, নিজেদেরই পেট কেটে নাড়িভুঁড়ি বের করে ফেলে,
এমন কি বাচ্চাদেরও ছাড়ে না।
আমি এখানে মরতে আসিনি।
এদের কারোর জন্য মরব না আমি।
এই যুদ্ধটা আমাদের নয়।
চলে এসো।
ট্রাকটা এখানে রাখা যাবে না, সরিয়ে নেও।
ভালো খবর আছে।
মেলিসা ও ক্রিস্টি বলেছে বাতাসের চাপ বাড়তে পারে।
ঝড়টা আরো বাড়বে।
মৌখিক ভাবে সবাইকে আদেশ দেওয়া হয়ে গেছে, সবকিছু তৈরি আছে।
অফিসাররা রাজী হয়েছে,
কিন্তু সাধারণ সৈন্যরা কিছুটা ভয় পাচ্ছে।
তুমি পাচ্ছ না?
সাড়ে ৯টার পর সব অন্ধকার হয়ে যাবে।
- আমরা সবকিছু উঠানো শুরু করব। - অ্যাবি কিছু জানিয়েছে?
কাল থেকে তার কোনো খোঁজ নেই।
আর ওয়েনকেও খুঁজে পাইনি।
মেলকেও এখন পাওয়া যাচ্ছে না।
আর আজ রাতেই, তার পুরো দলটাকে হাওয়া হয়ে যেতে হলো?
এখনও তো অনেকেই আছে।
হ্যাঁ অনেকে আছে, জানি তো।
ওয়েন আর মেলের মতো অনেকেই আছে।
কিন্তু অ্যাবির মতো কেউ নেই।
এইটা আবার কেমন কথা?
সে খুবই দক্ষ সৈনিক, ভালো, মানি এটা।
কিন্তু বাহিরে আমাদের পুরো আর্মি অপেক্ষা করছে।
আর এমন ভাব করছেন যেন সে সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
কী...
তার প্রেমে পড়েছেন নাকি?
আমি জানি না, বুড়ো বয়সে ভীমরতি ধরতেই পারে।
আচ্ছা বুঝেছি, এরকম কিছু না।
No comments yet. Be the first to leave one.