Pierwsze 200 wierszy.
[যদি পৃথিবীর জনসংখ্যা কমে ১০০ এর মধ্যে ১ শতাংশে নেমে যায়]
[তবে বিষক্রিয়ার পরিমাণও সমান হারে কমে যাবে?]
[পৃথিবীর জনসংখ্যা অর্ধেকে নেমে এলে]
[পুরো বিশ্বের ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত করা উচিত আমাদের]
কী বললি, মাদারচোদ?
শালা চুদির ভাই!
কী ভেবেছিস তোদের মারতে পারব না?
[অনেক হয়েছে, ওকে কাঁদিয়ে ফেলবে তো]
বানচোত।
তাই?
হোগা মেরে লাল করে দিব।
ধুর ছাই।
সোনা। তুমি কি এখানে ঘুমাতে এসেছ?
চলো না একটু ডান্স করি?
চলো, উঠো।
ধুর, কোনো কাজেরই না তুমি।
ঘুমাও তুমি।
ওহ, হেই।
এই! তোমার নেশা কেটেছে? হ্যাঁ?
• • • অনুবাদ ও সম্পাদনায় • • • সৈয়দ ফাহমিদুল ইসলাম
THE GREY
কী?
আবার কাজ করছে না।
এক সেকেন্ড।
স্যার, মেশিন আবার কাজ করছে না।
বিরক্ত হয়ে গেছি।
আপনার ব্যাগ লাগবে?
রিওয়ার্ডস কার্ড আছে? না থাকলে ৪৪,৯৯০ ওন লাগবে।
স্যার, এটায় প্রাইজ ট্যাগ নেই মিট কাউন্টারে গিয়ে লাগাতে হবে।
স্যার।
স্যার!
মিট কাউন্টারে গিয়ে প্রাইজ ট্যাগ লাগিয়ে আনুন।
ওরা আমাকে এভাবেই দিয়েছে।
প্লিজ প্রাইজ ট্যাগ লাগিয়ে আনুন।
সেটা আমার মাথাব্যথা না।
পারলে তুমি লাগিয়ে আনো।
আসলে, মিট কাউন্টার মাংসের ব্যাপার সামলায়।
- প্লিজ ওখানে গিয়ে... - ধুর বাড়া! তোমাকে না বললাম লাগাতে?
তোমরা কাস্টমারদের উপর হুকুম চালাচ্ছ?
ধুর। তোর মায়েরে বাপ।
সবকয়টাকে ভোগে পাঠানো দরকার।
বোকাচোদায় ভরে গেছে দুনিয়া।
পরেরজন আসুন।
আমি বের হচ্ছি।
ঠিক আছে। গুড নাইট, সু-ইন। কাল দেখা হবে।
ধন্যবাদ।
এই, গুড নাইট।
খানকি মাগী।
তখন কী বলছিলি?
বল আবার, মাগী!
বল আবার!
তোর মায়েরে চুদি!
শোন, মাদারচোদেরা!
কী ভেবেছিলি কাউকে মারতে পারব না? শুনছিস এবার?
ঐ মাগীর আজ খবর আছে।
শালী, তোকে আজ ভোগে পাঠাবো।
ধ্যাৎ!
লুকিয়ে গেলে বেঁচে যাবি ভেবেছিস?
তোর কপালে আজ দুঃখ আছে।
খানকি।
হ্যালো?
আমি নামছেওন পাওয়ার প্ল্যান্টের পাশের চৌরাস্তা থেকে বলছি।
মনে হয় এখানে অ্যাক্সিডেন্ট হয়েছে।
একটা মোটরবাইক পড়ে আছে। হ্যাঁ, সাথে একটা গাড়িও আছে।
জি, কাল সকালে এসেই দেখা করব।
জি, বুঝেছি, স্যার।
- হ্যালো, স্যার। - হ্যালো।
ধুর, আর ভাল্লাগেনা।
উফ, সত্যিই।
আজ সারাদিনে আসা এটা সহিংসতার তৃতীয় কেস।
দিন খারাপ গেলে যা হয় আরকি। ওন-সক কোথায়?
ডিটেকটিভ কাং জলদিই এসে পড়বে।
এমন কিছু ঘটলেই ও দেরি করে।
তো সাসপেক্ট কে?
ওর নাম লি কিউং-ছুন।
বয়স ৪৩ বছর। আগের দুবার এমন করেছে।
সিজোফ্রেনিয়া আছে।
- সিজোফ্রেনিয়া? - হ্যাঁ।
সুপারমার্কেটে ভিক্টিমের সাথে ওর ঝামেলা হয়েছিল।
ওখানের বাকি কর্মীদের জবানবন্দি নেওয়া হয়েছে।
ও ভিক্টিমের পিছনে যায়,
গাড়িতে ধাক্কা মারে আর ছুরি দেখিয়ে হুমকি দেয়।
পাগল শালা। আর?
কী হলো?
আসলে...
ব্যাপার হচ্ছে,
ও ভিক্টিমের পেছন ছুরি নিয়ে গেছিল, পরে ওখানেই মারা গেছে।
- অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে। - কে?
সাসপেক্ট?
হ্যাঁ, ওকে ধারালো কিছু দিয়ে আঘাত করা হয়েছে
বুক থেকে মুখ পর্যন্ত।
ও মারতে গিয়ে নিজেই মরে গেছে?
- এটা কেমন কথা! - আমরাও বুঝছি না।
হয় মোটরসাইকেলে ধাক্কা মারতে গিয়ে হয়েছে
নাহয় কিছুতে লেগে এমন হয়েছে।
ময়নাতদন্তের পর বুঝা যাবে।
তোমাদের হিসাব-নিকাশ কিছুই মেলাতে পারলাম না।
- ভিক্টিম কে? - হ্যাঁ।
ভিক্টিমের নাম জেওং সু-ইন। বয়স ২৯ বছর।
চেনেন ওকে?
হ্যাঁ।
কেমন আছে ও?
এখন জ্ঞান নেই।
কিন্তু চিন্তার কোনো কারণ নেই।
গাড়ি ধাক্কা মারার পরও ও ঠিক আছে বলছ?
আরেকটা ব্যাপার আছে।
ভিক্টিমের পিঠে ছুরির আঘাতের দাগ আছে।
কাপড়েও অনেক রক্ত ভরে ছিল।
কিন্তু ডাক্তার বলছে দাগগুলো আগের।
এখানে আর কখনো ফিরো না।
কী হয়েছে আমার?
এখন কেমন লাগছে?
আঙ্কেল?
সু-ইন।
তুমি ঠিক আছ?
আমি এখানে কী করছি?
আজ তোমার উপর
আক্রমণ হবার ব্যাপারে কিছু মনে আছে?
হ্যাঁ, সুপারমার্কেটের ঐ লোকটা ছিল।
হ্যাঁ, ঠিক ধরেছ।
কিন্তু ও এমন করলো কেন? কোনো ধারণা আছে?
ওর সাথে সুপারমার্কেটে ঝগড়া হয়েছিল
আর ও আমার পিছু নেয়।
ও আমার গাড়িতে ধাক্কা মারে, পরে আমাকে
ছুরি দিয়ে আঘাত করে...
যাক, ডাক্তার বলেছে তুমি কোনো আঘাত পাওনি।
কী?
কিন্তু ও তো ছুরি মেরেছিল।
ডাক্তার বলেছে ওগুলো পুরানো দাগ।
দাগ? আমার কোনো দাগ ছিল না।
আর যে হামলা করেছিল
ও কি অ্যাক্সিডেটে আঘাত পেয়েছিল?
একদমই না।
ও আমাকে ছুরি দিয়ে আঘাত করে
অনেক রক্ত বের হয়েছিল।
আমি ঠিক মনেও নেই...
লোকটাকে ধরেছেন?
ও ঘটনাস্থলেই মারা গেছে।
- ওকে কেউ ভয়ানকভাবে মেরেছে। - এই, থামো।
ওর সাথে আমার কথা আছে। তোমরা বাইরে যাও।
- ঠিক আছে? - জি, স্যার।
হ্যাঁ, যাও।
কিছুই বুঝলাম না।
আমাকে ছুরি মারা লোকটা
নিজে মরে গেল কীভাবে?
হঠাৎকরে কারো সাথে এমন দুর্ঘটনা ঘটলে
বাস্তবতা আর ভ্রমে ফারাক করতে পারে না।
এখন মাথায় বেশি চাপ দেওয়ার দরকার নেই, ঠিক আছে?
কিন্তু
আমাকে ছুরি মেরেছিল এটা নিশ্চিত।
কেন?
কীভাবে এত নিশ্চিত হচ্ছ?
ছুরি মারার সময় মনে হচ্ছিল
আবার অমন হচ্ছে।
- আবার অমন হচ্ছে? - হ্যাঁ।
আবার আমার দুর্ভাগ্য ফিরেছে।
এমনটাই মনে হতো সবসময়।
যেন আমার দুর্ভাগ্য আমাকে ধাওয়া করছে।
সু-ইন, এমন কিছু আর হবে না।
বাবার নির্যাতনের কথা মনে পড়ছিল।
যখন আমাকে গরম ইস্ত্রি দিয়ে ছ্যাঁকা দিত,
মারতে মারতে হাড়গোড় ভেঙে ফেলত,
তেমনটাই মনে হচ্ছিল।
যেন আমার দুর্ভাগ্য ফিরে এসেছিল।
ছুরি আঘাত খাওয়া মাত্র
সেই ভাবনা আবার মাথায় ফিরে আসে।
না, তোমার সাথে আর খারাপ কিছু হবে না, ঠিক আছে?
আপনি আমাকে বাবার হাত থেকে না বাঁচালে,
অনেক আগেই মরে যেতাম।
তুমি নিজেই পুলিশ ডেকেছিলে।
১০ বছরের একটা বাচ্চা মেয়ের নিজের বাবার বিরুদ্ধে পুলিশকে রিপোর্ট করা সহজ মনে করছ?
আমি তোমার সাহায্য করিনি।
তুমি নিজে নিজের সাহায্য করেছ।
আর
আগামীতেও তোমাকেই নিজের সাহায্য করতে হবে।
থাকো তাহলে।
আর আজকের ব্যাপারে কিছু মনে পড়লে আমাকে জানিও।
তোমাকে সহিসালামত দেখে ভালো লাগলো।
ঠিক আছে?
কিছু লাগলে আমাকে জানিও।
এবার বিশ্রাম করো।
ক্যাপ্টেন।
দেরি হবার জন্য দুঃখিত।
এটা তো জানা কথা।
আবার চার্চে গেছিলে?
ওন-সক, পূজা-অর্চনা তোমার সাথে যায় না।
চুপ করো।
তুমি চার্চে যাও?
বাদ দাও। বাসায় গিয়ে ঘুমাও।
ভিক্টিমের সাথে কথা হয়েছে?
- আমিও দেখা করতে চাচ্ছিলাম। - এত প্যারা নিও না তো।
কাল সকাল সকাল এসো।
- জি, স্যার। - জি, স্যার।
আজকের দু-একটা কেস মিটিয়ে ফেললে
প্রোমোশন নিশ্চিত, তাই না?
শুভ সন্ধ্যা, বস।
- বস। - বস।
মাংনানি গ্রুপ নতুন করে কিছু করেছে?
না, চুপ আছে, স্যার।
ওদের ব্যবসা সব মেরে দিয়েছি কিন্তু কিচ্ছু করতে পারছে না।
No comments yet. Be the first to leave one.