Pierwsze 200 wierszy.
অ
অন
অনু
অনুব
অনুবা
অনুবাদ
অনুবাদক
অনুবাদক :
অনুবাদক :-
অনুবাদক :- আ
অনুবাদক :- আল
অনুবাদক :- আলা
অনুবাদক :- আলাউ
অনুবাদক :- আলাউদ্দ
অনুবাদক :- আলাউদ্দী
অনুবাদক :- আলাউদ্দীন
অনুবাদক :- আলাউদ্দীন র
অনুবাদক :- আলাউদ্দীন রা
অনুবাদক :- আলাউদ্দীন রাস
অনুবাদক :- আলাউদ্দীন রাসে
অনুবাদক :- আলাউদ্দীন রাসেল
অনুবাদক :- আলাউদ্দীন রাসেল।
হানস জোনাস প্রযুক্তির জীবন সংক্রান্ত দায়িত্বসমূহ নিয়ে আলোচনা করেছিলেন।
আমি এই ভাইরাসের নাম দিয়েছি জোনাস ভাইরাস।
এর প্রতিষেধক তৈরি করাও আমার দায়িত্ব!
আমি হাল ছাড়ব না!
অমা রে! বাঁচাও!
বাল!
চল!
:: অনুবাদ ও সম্পাদনায় - আলাউদ্দীন রাসেল ::
জি-মিন!
- আরে, ওকে থামাও! - কী করছিস তুই?
- ছাড়ো আমাকে! - পাগল হয়ে গেলি নাকি!
আমাকে ছেড়ে দাও!
প্লিজ, নিচে নেমে আয়!
- আমি মরতে চাই! আমাকে ছেড়ে দাও! - পাগলামি করিস না!
আমি বেঁচে থাকতে চাই না!
- জি-মিন, নেমে এসো! - আমি মরে যেতে চাই!
প্লিজ, আমাকে ছেড়ে দাও!
আমাকে ছেড়ে দাও!
আমাকে যেতে দাও!
আমার বাবা-মা দু'জনেই মারা গেছে!
আমি একা বেঁচে থেকে কী করবো?
আরে পাগল, তুই কেন মরবি?
বেঁচে থাকার উদ্দেশ্যটা আসলে কী?
তারপরেও তোকে বেঁচে থাকতে হবে।
এই পৃথিবীতে আমার আর কেউই নেই।
আমার বাবা-মা কেউই বেঁচে নেই।
আমার যাওয়ার কোন জায়গা নেই! আমার জন্য কেউ অপেক্ষাও করছে না।
আমাকে শাসন কিংবা আদর করার মতো কেউ নেই।
ব্যাপারটা কতটা কষ্টের জানিস তুই?
না, আমি জানি না!
তাহলে সবজান্তা শমসের সাজা বন্ধ কর।
আমাকে জ্ঞান দিতে আসিস না!
আমার সম্পর্কে কিছু জানিস তুই?
- না! - সেটাই!
তাহলে, আমাকে একা থাকতে দে!
পরীক্ষায় সবসময় আমার রেজাল্ট খারাপ হয়।
মানে টেনেটুনে পাস করি আরকি!
যখন বাবাকে গিয়ে রেজাল্ট কার্ড দেখাই, বাবা বলে...
...আমার এই রেজাল্ট দিয়ে আমি সিউল বিশ্ববিদ্যালয়ে সুযোগ পাবো না।
তাই বেশি আশা যাতে না করি!
সে আমাকে বলেছে সবসময় শরীরের যত্ন নিতে।
সবসময় যাতে সুস্থ থাকি!
আমি এসব কথা শুনতে চাই না!
আমি কিছুই শুনতে চাই না!
আমি তার কথাটা বিশ্বাস করিনি!
আমি নিশ্চিত, আমি সিউলে সুযোগ পেলে তার চেয়ে বেশি খুশি আর কেউ হবে না।
বাবা কথাগুলো মন থেকে বলেনি।
কিন্তু...
তার একটা কথা আমি মনপ্রাণ দিয়ে বিশ্বাস করেছিলাম...
...যে যদি আমি কোন বিপদে পড়ি...
...তাহলে বাবাই সবার প্রথমে আমাকে বাঁচাতে আসবে।
কিন্তু সে আসেনি!
সে আসেনি!
কে জানে হয়তো...
...সে চাইলেও আসতে পারছে না।
কিংবা হয়তো...
...আমার বাবা ইতোমধ্যে মারা গেছে।
তোর কাছে অন্তত আশা আছে!
আমার কাছে সেটাও নেই!
কিসের আশা?
আমি এখানে বসে বাবার জন্য অপেক্ষা করব?
নাকি আশা ছেড়ে দিয়ে এখান থেকে পালিয়ে যাব?
আমি কিছুই বুঝতে পারছি না!
ই-সাক আর গিয়ুং-সু দু'জনেই মারা গেছে!
আমি আর কোন বন্ধুকে হারাতে চাই না।
তুই কাঁদছিস কেন?
জি-মিন, প্লিজ মরিস না!
আমি চাই না, আমার বন্ধুরা মারা যেতে থাকুক।
কাউকেই হারাতে চাই না!
আমাকে যেতে হবে!
এখানে থাকলে আমি পাগল হয়ে যাব।
ঠিক আছে, তাহলে!
চল তাহলে!
আমারও এখানে দম বন্ধ হয়ে আসছে।
কিন্তু আমরা এখান থেকে বেরুবো কীভাবে?
আমাদের যাওয়ার মত কোন জায়গা নেই।
জি-মিন! মাইকটা অফ কর তো!
অমা রে!
তোমরা শ্বাস নিচ্ছ কীভাবে? কী দুর্গন্ধরে ভাই!
মুখ দিয়ে শ্বাস নে!
কী হয়েছে?
মনে হচ্ছে, আমরা এখান থেকে বের হতে পারবো।
আমরা এখানে আছি! চেওং-সান এখানে আছে।
আমরা যদি শুধু এই স্পিকারটাতে মিউজিক চালাই, তাহলে জোম্বিগুলো বামে চলে যাবে।
তাহলে আমরা ডানের সিড়ি দিয়ে...
...চেওং-সানের কাছে গিয়ে মাঝের সিঁড়ি দিয়ে ছাদে চলে যেতে পারবো।
কিন্তু ছাদে কেন?
বাহিরে হেলিকপ্টার আছে!
আমরা ছাদে গিয়ে আগুন জ্বালাতে পারলে, তারা এসে আমাদেরকে উদ্ধার করতে পারবে।
জোম্বিরা কী আসলেই স্পিকারের আওয়াজের দিকে যাবে?
ও ঠিকই বলেছে! ওরা শব্দে আকৃষ্ট হয়!
ঠিক! ওরা শব্দ শুনেই আমাদেরকে আক্রমণ করে।
কিন্তু আমরা শুধু একটা স্পিকার কীভাবে চালাবো?
আমরা ক্যান্টিন, স্কুল চত্বর এবং লাইব্রেরীর স্পিকার চালিয়ে...
...জোম্বিদেরকে সেদিকে পাঠিয়ে দেবো।
নাম-রা, তুমি ব্রডকাস্টিং ক্লাবের সদস্য ছিলে, তাই না?
হ্যাঁ! আম্মু আমাকে সদস্য বানিয়েছিল।
আইডিয়াটা দারুণ!
কিন্তু আমরা মিউজিক পাবো কোথায়?
এখানে ইন্টারনেটও নেই!
ওটা দিয়ে!
এটা দিয়ে?
এটা তো অনেক পুরোনো! এটা চলবে?
ঠিক আছে!
কে করবে?
আমি কখনও করিনি বাপু!
কেউ একজন তো করো! দে-সু, তুমি করো!
ঠিক আছে, আমিই করছি!
মাইক টেস্ট! এক, দুই! এক, দুই!
চেওং-সান, শুনতে পাচ্ছিস?
- আমরা... - কী করছিস তুই?
হেই...
চেওং-সান, আমাদের কথা শুনছিস?
সু-হিউক বলছি!
আমরা তোর কাছে আসছি! যেখানে আছিস সেখানেই থাক।
বুঝতে পেরেছিস?
পাগল হয়ে গেছিস নাকি তোরা? এখানে আসতে গেলে কামড় খাবি।
আমি জানি তুই কী বলবি...
...কিন্তু আমরা তোর কথা শুনতে পাবো না।
আরে তোরা করছিসটা কী?
তাই কোথাও যাবি না! আমাদের জন্য অপেক্ষা কর।
কোথাও যাবি না বলে দিলাম, বুঝেছিস?
আমরা এক্ষুনি আসছি!
ঠিক আছে!
এবার যাওয়া যাক!
গুয়ের গন্ধে আমার পেট ফেটে বমি আসছে।
এগুলো তোরই গু!
- শুধু আমার না! - হ্যাঁ, শুধুই তোর!
- সত্যি? - হ্যাঁ!
এই শালারা আর ভাল হবে না!
চেওং-সান!
যেখানে আছিস সেখানেই থাক!
তুই কখনোই আমার কথা শুনিস না। এবার অন্তত আমার কথা শোন।
কী হয়েছে?
- এটা চালু হচ্ছে না কেন? - কপালের মায়রে বাপ!
মেডিটেশনের সময় হয়েছে!
স্কুলে আরেকটি মজাদার দিন শুরু হতে যাচ্ছে।
সবাই চোখ বন্ধ করো...
...এবং মনকে স্থির করো!
তাইলে এই কাহিনী!?
ব্রডকাস্টিং রুম!
নাম-রা, ডানের এবং মাঝের স্পিকার বন্ধ করে দে।
শব্দ বেশ দূরে যাচ্ছে!
হ্যাঁ, শব্দ শুধু বামেই যাচ্ছে!
- ওরা স্পিকারের দিলে যাচ্ছে। - সত্যি?
কাজ হয়েছে!
দে-সু!
চলো, যাওয়া যাক!
- এক মিনিট! - কেন? কী হয়েছে?
আরও একটা আছে!
কী?
এবার যাচ্ছি!
চলো!
আসো!
আগে বামে চেক কর!
তার মায়রে বাপ!
বন্ধ কর! বন্ধ কর!
বন্ধ কর!
মরতে মরতে বেঁচে গেলাম।
তুই তো বলেছিলি আর কেউ নেই!
- কেন? কী হয়েছে? - ওখানে আরও একটা আছে!
ভাল করে ডানে দেখ!
কী করব এখন?
এই শালা পাগল নাকি?
তোর থেকে বেশি পাগল না!
- মজা নিবি না! - স্যরি!
সবাই মিউজিকের দিকে চলে গেছে, আর এই শালা এখনও দাঁড়িয়ে আছে।
হয়তো কানে শুনে না!
আরে বাল, মরার পর আবার কানে শুনে নাকি?
অন্য জোম্বিগুলার কথা কী বলবি? ওরা তো আওয়াজের দিকে গেলো।
কী বাইঞ্চোদি কাজকারবার!
ধুরো!
এবার আমরা বের হবো কীভাবে?
দাঁড়া!
আরেকটু অপেক্ষা কর!
আমি আরেকবার দেখছি!
অপেক্ষা কর!
আর অপেক্ষা করা যাবে না।
No comments yet. Be the first to leave one.