De eerste 200 regels.
একজন বিখ্যাত ব্যাক্তি বলেছিল,
"আমরা নিজেরাই আমাদের শয়তান বানাই."
কে বলেছিল? এর মানে কি?
এতে কিছু আসে যায়না. আমি বলেছি কারণ সে এটা বলেছিল.
সে বিখ্যাত ছিল
তো এখন এই কথা দুইজন বিখ্যাত ব্যাক্তি বলল.
আমি আসলে...
আবার শুরু করছি.
গোড়া থেকেই শুরু করছি.
আধা ঘন্টার মধ্যে বেল বাজবে.
- আচ্ছা, তুমি কি... - টনি স্টার্ক?
- কি ভাষণ দিলেন, জনাব! - ধন্যবাদ.
আমি ভাষণ দিয়েছিলাম? কেমন ছিল?
- শেখ মুজিবের মত. - একদম ফালতু.
- তাই নাকি? - Mmm-hmm.
এটা আমার স্টাইল. ভুল হতেই পারেনা.
- আমরা কোথায় যাচ্ছি? - লুকোচুরি খেলতে.
তোমার রুমে
আমি তোমার রিসার্চ দেখতে চাই.
আচ্ছা, তুমি আমার রিসার্চ দেখতে পার,
কিন্ত...কোন লুকোচুরি খেলতে পারবনা."
Mr স্টার্ক.
ইয়েনসিন ভাই.
যাক, শেষপর্যন্ত ভাই নামের কাউকে পাওয়া গেল.
আসো.
আমি আপনাকে আমার মেহমানদের সাথে সাক্ষাৎ করিয়ে দিচ্ছি, Dr ঊ.
- আর ইনি হলেন. - Mr স্টার্ক.
আপনি হার্টের ডাক্তার, তাই না?
এই মেয়েটার একজন কার্ডিওলজিস্ট লাগবে কারণ আমি...
- বিদায়. - আবার দেখা হবে.
এটা শুরু হয়েছিল সুইজারল্যান্ডের বার্নে. 1999.
- সেই পুরনো দিনগুলো. - Mr স্টার্ক!
কখনো ভাবিনি যে ওগুলো আমাকে যন্ত্রণা দেওয়ার জন্য ফিরে আসবে.
কেনই বা আসবে?
ওহ, বাহ্! Hey, টনি!
অল্ড্রিচ কিলিয়ান. আমি আপনার কাজের অনেক বড় ভক্ত.
- আমার কাজ? - আমার কাজ, সে আমাকে বলছে.
হ্যা, হ্যা, কিন্ত, Ms হ্যানসেন,
আপনি যখন MITতে ছিলেন তখন থেকেই আমার কোম্পানি আপনার কাজের ভক্ত.
তুমি এসে পড়েছ. খুব চালাক.
কোথায় যাচ্ছ, দোস্ত?
অনেক গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন.
নিচতলায় যাব,
আসলে আমার কাছে একটা প্রস্তাব ছিল.
কিছু লোকের সাহায্যে আমি একটা টিম বানিয়েছি নাম হল "এ্যডভান্সড আইডিয়া মেকানিক্স".
- উহ,... - দুইটাই নিব.
একটা ছিড়ে দেলে দেবার জন্য এবং আরেকটা ফোন না করার জন্য.
"এ্যডভান্সড আইডিয়া মেকানিক্স" সংক্ষেপে AIM, বুঝেছেন?
- দেখতে পাচ্ছি, বুকের মধ্যে লাগিয়ে রেখেছ. - Aw!
লেডিস, বডিগার্ডে পিছনে যাও. যাও.
ধন্যবাদ, আমি ফোন করব.
তোমার সাথে কাজ করার কথা ভেবেই আমার প্রসাব আটকে গিয়েছে.
- হ্যা? - আমি এই মালগুলোর সাথে দেখা করে..
পাঁচ মিনিট পর তোমার সাথে ছাদে দেখা করব.
একটু মিষ্টি মুখ করে আসি.
তুমি উপরে চলে যাও, ঠিক আছে?
দেখা হবে.
হ্যা, হ্যা.
বাহ্! আমি ভাবতাম এগুলো শুধু থিওরি.
হ্যা, থিওরিই ছিল.
যদি আমরা মস্তিষ্কের নিয়ন্ত্রণ করার অংশে যেতে পারি
- তাহলে আমরা... - বাহ্.
...কেমিক্যালি রি-কোড করতে পারব.
অবিশ্বাস্য. মানে হল, তুমি একটা জীবিত প্রাণীর...
...অপারেটিং সিস্টেমে...
- ...প্রবেশ করেছ. - ঠিক তাই.
- হ্যা. - বাহ্.
ওটা... তুমি কি...
- কি হল? - তুমি কি ঐ গাছটা থেকে দুরে থাকতে পারবে?
আসলে... হাত লাগিওনা প্লিজ...
সে অন্যদের পছন্দ করেনা. চল. বেডরুমে যাই.
- খুশি... - Hmm. জিনিসটা ভাল তবে...
তাকে একা ছেড়ে দাও.
সত্যি সত্যি ওটা ধরনা.
তাহলে তুমি গাছ দিয়ে পরীক্ষা করছ.
- এই মুহুর্তে. - Huh.
আমি এটার নাম দিয়েছি এক্সট্রেমিস.
- তুমি কি... - মানুষের উপর প্রয়োগ.
একদম ঠিক.
গাছ যেরকম দ্বিতীয়বার বেড়ে উঠতে পারে.
- আবার রোগও আটকাতে পারে... - অবিশ্বাস্য.
...অঙ্গপ্রত্যঙ্গ বেড়ে উঠাতে সাহায্য করে.
তুমিই প্রথম মেয়ে যার সাথে আমি এভাবে দেখা করছি.
বাহ্.
- সুইজারল্যান্ডে. - খুব ভাল.
এখন সত্যি কথা বের হয়েছে.
তুমি এটা বিশ্বাস করেছ, তাই না?
আমি এটার কথাই বলছিলাম, এই সমস্যাটা.
তুমি টেলোমরেজ অ্যালগরিদম চেক করেছ তো?
- কোনটা? - নিচে!
নিচু হয়ে যান! নিচু, বস.
- আমরা ঠিক আছি. - নিচে থাকুন.
তুমি... তুমি... তুমি আমার বুকের উপর শুয়ে আছ. আমি ঠিক আছি.
এটা কি ছিল?
- কি হয়েছিল? - আমার কাজে কিছু সমস্যা ছিল. আমি...
হ্যা, সে বলেছিল কাজে সমস্যা আছে.
Hey! শুভ নববর্ষ!
- শুভ নববর্ষ. - শুভ নববর্ষ.
সকালে তোমার সাথে দেখা হচ্ছে. শুভ রাত্রি.
- আপনি ঠিক আছেন তো? - হ্যা.
- আমি বাহিরে আছি. - ঠিক আছে.
কিন্ত আমি এগুলো কেন বলছি?
কারণ আমি এই মাত্র আমার শয়তান বানিয়েছি
আর আমি এটা জানিওনা.
হ্যা, অনেক সুন্দর দিন ছিল.
তারপর আমি সামনে বেড়ে গেলাম.
আফগানী এক গুহায় কিছুদিন থাকার পর, ফিরে এসে আমি আনন্দ ফুর্তিকে বিদায় জানিয়ে দিয়েছি.
সুইজারল্যান্ডের ঐ রাতের কথাও ভুলে গিয়েছি.
এখন আমি অনেক বদলে গিয়েছি.
এখন আমি আর আগের মত নই.
আমি... আসলে...
তুমি জান আমি কে.
Ow!
স্যার, আমি কি শক্তির পরিমাপ করার জন্য একটু সময় পেতে পারি...
না.
মাইক্রো রিপিটার দেওয়া হয়েছে.
ঠিক আছে, স্যার.
এক নিরাপত্তা সম্মেলন আছে যেখানে আপনার যাওয়ার খুব বেশি দরকার নেই.
হ্যা, আমি যাবনা.
চল, শুরু করা যাক.
ঐ বেকুব.
তোমার মাথায় এই ক্যাপ কে দিল? যদিও ভাল লাগছে.
Hey. Hey!
তুমি কর্নার থেকে বেড়িয়ে কি করছ? তুমি জান তুমি কি করেছ.
ওখানে নিচে আমার রক্ত পড়ে আছে. পরিস্কার করো.
স্যার, আপনি গত ৭২ ঘন্টা ঘুমাননি.
এখানে মনোযোগ দিন.
শুভ সন্ধ্যা লেডিস, আপনাদেরকে স্বাগতম জানাচ্ছি.
এটা বলতে পেরে আমি অনেক আনন্দিত যে
খুব জলদি আপনাদের ছোট্ট আদরের ভাই পয়দা হবে.
একটু জুম করে পিছনে নিয়ে যাও.
তারিখ আর সময় লিখে নাও.
মার্ক 42. অটোনোমাস প্রিহেনসাল প্রপালশন স্যুট টেস্ট.
প্রক্রিয়া শুরু করো.
জার্ভিস, মিউজিক লাগাও, হৃদয় খানেরটা না.
কাজ হচ্ছে. সবগুলো পাঠিয়ে দাও.
এত দ্রুত নয়. আরেকটু আস্তে আস্তে.
আরেকটু আস্তে...
...আস্তে পাঠাও ভাই.
আস্তে আস্তে পাঠাও, জার্ভিস.
আয়. আমি তোকে ভয় পাইনা.
আমিই সেরা.
সবসময়ের মতই স্যার, আপনার কাজ দেখে খুব ভাল লাগে.
মনে হয় না ঘুমিয়ে ৭২ ঘন্টা সময় কাটানো অনেক বেশি.
কখনো ভাবিনি যে এর চেয়েও খারাপ কিছু হতে পারে.
তারপর আমি TV অন করলাম.
আর তখন সবকিছু সামনে আসল.
কিছু লোক আমাকে সন্ত্রাসী বলে.
কিন্ত আমি নিজেকে একজন টীচার মনে করি.
আমেরিকা.
আরেকটা পাঠের জন্য প্রস্তত?
1864 সালে, কলোরাডোর স্যান্ড ক্রিকে, আমেরিকান সেনাবাহিনী ততক্ষণ অপেক্ষা করেছে
যতক্ষণ না তাদের এক বন্ধু শায়েন শিকার করতে বাহিরে গেল.
আর তারপর তার পরিবারের উপর হামলা করেছে
আর তাদের সব জমি দখল করে নিয়েছে.
39 ঘন্টা আগে,
কুয়েতের আলী আল সালাম এয়ার বেসে হামলা হয়েছে.
আমি... আমি... আমিই করেছি ওটা.
একটা ছোট মিলিটারি চার্চ (উপাসনা গৃহ)
যেখানে মহিলা আর বাচ্চারা ছিল.
সিপাহীরা যুদ্ধ করতে গিয়েছিল.
বাহাদুররা ওখানে ছিলনা.
প্রেসিডেন্ট এলিস.
আপনি আমার পাঠগুলোর দিকে মনোযোগ দিচ্ছেননা, স্যার.
আর আজ আপনি আরেকটা সুযোগও হারালেন.
আপনি জানেন আমি কে.
কিন্ত এটা জানেননা যে আমি কোথায়.
আমার পরের চাল আপনি ভাবতেও পারবেননা.
এখন যখন আমরা ফিরে এসেছি,
এই কাহিনীর কিছু...
আমেরিকান বিমানবাহিনীকে...
পুরো দেশে কারফিউ জারী করা হয়েছে.
ম্যান্ডারিনকে পাকড়াও করার সব ধরনের চেষ্টা বিফলে গিয়েছে.
মাত্র ঘটে যাওয়া সন্ত্রাসী হামলার জন্য
আমার প্রশাসন শীঘ্রই এর প্রতিশোধ নিবে.
আমার জন্য উনি হলেন কর্নেল জেমস রোডস.
আর আমেরিকানদের জন্য উনি
আয়রন প্যাট্রিয়ট.
আর এই কাজের জন্য প্রেসিডেন্ট এলিস কি করছেন?
সে মানুষ যার নাম ওয়ার মেশিন তাকে
নতুন স্যুট রঙ করা কাজ দিয়েছেন.
একই স্যুট, কিন্ত রঙ হল লাল সাদা এবং নীল.
আর এখন তার নতুন নাম হল "আয়রন প্যাট্রিয়ট."
কারণ হয়তোবা আয়রন ম্যান নাকে তেল দিয়ে ঘুমাচ্ছেন.
মানুষের কাছে এই নামটা অনেক পছন্দ হয়েছে.
"আমি আয়রন প্যাট্রিয়ট!" আমি বাল.
শুন. "ওয়ার মেশিন" নামটা বেশি উগ্র ছিল.
আর নতুন নামটা বেশ ভাল.
কি হচ্ছে? ম্যান্ডারিনের.
আমি এই ব্যাপারে জানতে চাই.
এটা শ্রেণীবদ্ধ ইনফরমেশন, টনি.
নয়টা বোম মারা হয়েছে.
কিন্ত পাবলিক জানে শুধু তিনটা মারা হয়েছে.
কিন্ত আসল কথা হল কেউ ডিভাইসটাকে চিনতে পারছেনা.
বোম ক্যাসিং নেই.
তুমি জান আমি সাহায্য করব. আদেশ করো.
আমার কাছে অনেক মর্ডার্ন টেকনিক আছে. প্রিহেনসাল স্যুট আছে.
বোম নিয়ন্ত্রণ করার মালপত্র আছে.
যেটা শুন্যেও কাজ করতে পারে.
কতদিন ধরে শান্তিমত ঘুমাতে পারনা?
No comments yet. Be the first to leave one.