De eerste 200 regels.
অ
অনু
অনুবা
অনুবাদ
অনুবাদকঃ
অনুবাদকঃ আ
অনুবাদকঃ আতি
অনুবাদকঃ আতিকু
অনুবাদকঃ আতিকুল
অনুবাদকঃ আতিকুল গ
অনুবাদকঃ আতিকুল গনি
অনুবাদকঃ আতিকুল গনি রি
অনুবাদকঃ আতিকুল গনি রিপ
অনুবাদকঃ আতিকুল গনি রিপন।
শুনো, বলছিলাম কী,
আমি বরং একটা হোটেলে গিয়ে বিশ্রাম করি,
- আর তুমি তোমার বার-মা'র কাছে গিয়ে দেখা করো। - আহ, জন।
তুমিই না দেখা করতে চাইলে। চলো গিয়ে পরিচিত হবে।
পরিচিত হয়ে দেখো, দেখবে ভয় কেটে যাবে।
মা হয়ত গ্যালারিতে নেই, লাঞ্চ করতে বাইরে গেছে।
বাবা অফিসে, ডিনারে আগে হয়ত দেখাও হবে না।
উনাদের নিয়ে তুমি হয়ত ভুল করছো।
আমরা যে আসছি আগে ফোন করে জানানো উচিত ছিল।
হয়ত এই অল্প বয়সেই জীবনের সেরা আঘাতটা পাবে।
২৩ বছর একসাথে এক ছাদের নিচে থাকার পরেও.......
তুমি ভাবছ বাবা-মা'কে চিনতে পারিনি?
তাই তো মনে হচ্ছে।
কোনো সমস্যা নেই।
এক মিনিট অপেক্ষা করুন, পরে ক্লেয়ারমন্ট ড্রাইভে যাব।
আচ্ছা।
দেখি মা অফিসে আছে কিনা।
- জোয়ি! - হিলারি, হাই! কেমন আছ?
আরে, তুমি হঠাৎ করে!
- আমি এক্ষুনি আসছি। - আচ্ছা।
- অদ্ভুত তো। - হিলারির পছন্দের।
নাম নাকি গতি বিদ্যার ভাস্কর্য।
- কী নাম? - দেখো।
মানে কী, অদ্ভুত মনে হয় না?
- জোয়ি, তুমি এখানে হঠাৎ কী মনে করে? - ভাবলাম মা হয়ত আছে।
মিসেস. সেইন্ট জর্জ, পরিচয় করিয়ে দেই, ড. প্রেন্টিস।
ড. প্রেন্টিস, খুবই খুশি হয়েছি।
মিসেস. সেন্ট জর্জ। আমিও।
ক্রিস্টিনা মি. ক্যাজলেটর সাথে লাঞ্চে।
তুমি চাইলে ফোন করে বলি।
না, শুধু বলবে আমি এসেছি, আর বাড়িতেই থাকব।
কিছু হয়েছে নাকি? মানে, খারাপ কিছু?
কিছু হয়েছে, তবে খারাপ কিছু না। ধন্যবাদ।
হাওয়াইতে আনন্দ-ফুর্তি কেমন হলো?
এক কথায় অসাধারণ।
ডাক্তার কি সান ফ্রান্সিসকোতে থাকেন, না বেড়াতে এসেছেন?
- যাচ্ছিলাম এদিক দিয়ে। - আচ্ছা।
- পরিচিত হয়ে ভালো লাগল। - ধন্যবাদ।
রইলাম।
না, হিলারি শুধু গ্যালারি দেখাশোনা করে। তবে মা'র কথামতো।
মা'র কাজ হলো দেখে দেখে ভালো আর আসল পেইন্টিং দিয়ে হোটেল সাজিয়ে রাখা।
যাতে যারা এখানে থাকতে আসে তারা যেন সহজে সিদ্ধান্ত নিতে পারে কিনবে কিনা।
বিনা টাকায় হোটেল সাজানো যায়।
অতিথিরা ভালো পেইন্টিং দেখার সুযোগ পায় খারাপ বা নকল পেইন্টিংয়ের পরিবর্তে।
পেইন্টাররা সহজে তাদের ছবি বিক্রির সুযোগ পায়, আর মা তার কমিশন।
সামনে ডানে যান।
- বুদ্ধি ভালো না? - ওহ, হ্যা, বিরাট ধান্ধা।
- কত দিতে হবে? - সাড়ে দশ ডলার।
১২ ডলার দিলাম, চলবে?
চলবে।
বেশ।
ওহ, জন। আসো, টিলির সাথে পরিচিত হবে।
টিলি, ড. প্রেন্টিস। জন, মিস মাটিল্ডা বিংকস।
বড়ই খুশি হলাম, মিস বিংকস.
তোমার কথা অনেক শুনেছি।
তুমি হঠাৎ করে বাড়িতে কী মনে করে?
তোমরা যে আসবে, তোমার বাবা-মা'কে জানিয়েছ?
গ্যালারিতে বলে এসেছি।
তোমাকে দেখে যে কী ভালো লাগছে। অনেক মনে পড়েছে তোমার কথা।
এখনো বললে না, এত জলদি বাড়ি আসার কারণ।
- ব্যাগ কি ওপরতলায় নিয়ে যাব? - আমার দু'টো ছাড়া, আমি থাকব না।
ব্যক্তিগত কারণ। তোমাকে সব বলব।
এখনো লাঞ্চ করোনি, না এখানে খাওয়ার ফিকির?
স্যান্ডউইচ আর কফি করে দিতে পারবে? আমরা বারান্দায় আছি। ঠিক আছে?
পছন্দ হয়েছে?
অনেক সুন্দর।
বাইরে এসো। বারান্দা থেকে দেখবে।
- কী? - এই, এটা কে?
ডরথি, মাথা ঘুরিয়ে দেয়ার মতো না? সপ্তাহের কয়েকদিন টিলিকে কাজে সহায়তা করে।
- কোনদিন কোনদিন? - থাক, জানতে হবে না।
শুনো, বাবা-মা'কে ফোন করে বলতে হবে যাওয়ার পথে যেন দেখা করে।
আচ্ছা, স্টাডি রুমে গিয়ে করে এসো।
- আমাকে পরিচয় করিয়ে দেবে না? - ফোনে না।
- আমার কথা বলবে না? - চিঠি লেখে জানাব।
জেনেভা যাওয়ার আগে আমারও তো পরিচিত হতে হবে, নাকি?
না, আমাদের বিয়ে উনাদের কাছে গোপন রাখবে?
আমার মাথায় কেন আসেনি? দেখলে, এটাকেই বলে বুদ্ধি।
দরজা লাগিয়ে গেলাম, ডরথি না আবার এসে পড়ে।
লস এঞ্জেলস, প্লিজ। এরিয়া কোড ২১৩।
এক্সমিনস্টার, ২, ৪, ৬, ৯, ৯. সময় ও খরচ সহ।
বেশ, আমারও মতামত দেয়ার অধিকার আছে।
আর আমার মতামত শুনবে?
স্বজাতি কেউ আমাদের ছাড়িয়ে গিয়ে আমাদের উপর খবরদারি করবে, তা যেন না দেখতে হয়।
তাহলে তোমার মতামতে আমার কাজ নেই। আর যদি দরকার পড়ে, জিজ্ঞেস করব।
ওহ, টিলি, আমি দুঃখিত।
আমি তা বলতে চাইনি, তবে তুমিও এমন বলতে পারো না।
আর তোমার বড় ভুল হচ্ছে। দেখো,
দুনিয়াতে তুমিই একমাত্র মানুষ যার কাছে আমি এমন আচরণ ফিরিয়ে নেওয়ার আবদার করতে পারি।
তুমি তো জানোই তোমাকে কত ভালোবাসি, আর সেও তো তোমার মতো কালো।
এখন তুমিই বলো কেন তোমাকে ভালোবাসলে ভুল হবে না আর ওকে ভালোবাসলে হবে?
এইসব চিন্তা মন থেকে বাদ দাও তো।
শুনো, আজ ডিনারে কী রান্না করবে?
- আজ ভালো কিছু রান্না করো। - আলু আর রসুনের স্যুপ আর রাম্প স্টেক।
আহ, শুনো, কচ্ছপের স্যুপ আর টর্নিডোস স্টেক,
আর তোমার হাতের সেই বিখ্যাত কেক।
মা এসেছে!
জোয়ি, মা আমার। জোয়ি কোথায় তুই?
- মা, এই যে আমি! - হ্যা রে, কেমন আছিস?
- কোনো সমস্যা হয়েছে? - কোনো সমস্যা নেই, সব ঠিক আছে।
গ্যালারিতে ফোন করেছিলাম, ক্যাজলেট আমাদের শর্তে রাজি হয়েছেন এটা হিলারিকে জানানোর জন্য।
রাজি হয়েছেন? অসাধারণ। আমি জানতাম।
ও বলল তুই এসেছিস। আর বলল কী না কী চমক আছে আমার জন্য।
মানে কী? কারো প্রেমে পড়েছিস?
- সাথে কাউকে এনেছিস? - ওহ, মা, আমি অনেক খুশি।
সারা জীবনে এত খুশি হইনি, খুশিতে একেবারে......
আটখানা। হ্যা, তাই তো দেখছি।
আর সেজন্য আমারও খুশি লাগছে। আমার পরিচিত কেউ?
না, না। একদম না। আমাদের পরিচয়েই হয়েছে মাত্র দশদিন আগে।
কল্পনাও করতে পারবে না দশদিনে কত কান্ড হয়েছে।
পারব, এখন যদি সব খুলে বলিস।
- মা....... - খুশির অনেক কিছুই ঘটেছে.....
মা, ও অসাধারণ মানুষ!
ওর মতো কারো সাথে না কখনো পরিচয় হয়েছে, না এমন কেউ আছে তা জানতাম।
মাত্র বিশ মিনিটে ওর প্রেমে পড়ে যাই।
বেশ, এত দ্রুত।
যাক, বাবা, আমি যাওয়ার পথে দেখা করব......
তবে সময় কিন্তু খুব কম। কাজে ফিরতে হবে।
হ্যা, তবে আমাদের সাথে একটা দিনও কেন থাকতে পারবি না, সেটা বুঝিনি।
মানে, বাবা হয়েছে কী, একটা মেয়ের সাথে পরিচয় হয়েছে।
কী হয়েছে? একটা মেয়ের দেখা পেয়েছিস? আরে আগে বলিসনি কেন?
ম্যারি, শুনছো, এক মেয়ের সাথে নাকি পরিচয় হয়েছে। কেন, এটা তো ভালো খবর।
- মেয়ে কি সান ফ্রান্সিসকো থাকে? - হ্যা, আমি ওদের বাড়িতে।
বলছে ও নাকি এখন সেই মেয়ের বাড়িতে।
বেশ, ব্যাটা, নতুন কিছু শুনলাম। কোথায় দেখা হয়েছিল? হাওয়াই?
হ্যা, আর আমি ওর বাবা-মা'র সাথে দেখা করতে এসেছি, শুনছো?
হ্যা শুনে ভালো লাগছে। মানে, সত্যি বলছিস?
হ্যা, সত্যি।
বেশ, অবাক করেছিস বটে।
হ্যা, বাবা, অনেক দিক থেকে অবাক করার মতোই।
তোর মা জানতে চাচ্ছে, সুন্দরী নাকি?
- হ্যা, অনেক সুন্দরী। - হ্যা অনেক সুন্দরী। কী?
তোর মা বয়স কত জিজ্ঞেস করছে।
ম্যারি, বয়স জেনে কোনো লাভ আছে।
বাবা, বয়স ২৩ বছর।
২৩, ভালো। বেশ ভালো। আমার মতামত শুনবি?
তোর ৩৭ বছর। আর এটাই হলো লাভের মধ্যে লাভ।
মেয়েরা পুরুষের চেয়ে দ্রুত বুড়ো হয়। বুঝতে পারছিস কী বলছি?
- তো জন, বিয়ের কথা ভাবছিস? - মানে, কথাবার্তা চলছে।
তবে........
বাবা, দু-একটা সমস্যা আছে, শুনছো?
এসব আমি লেখে জানাব......
নিউ ইয়র্ক যাওয়ার পথে প্লেনে বসে। ঠিক আছে?
ও অনেক শান্তশিষ্ট.....
সবকিছুতে সুনিশ্চিত।
ওর নিজেকে নিয়ে কোনো দুশ্চিন্তা নেই।
যা জানে তাতে বিশ্বাস রাখে......
আর ইতিবাচক চিন্তা করে, আর জানে কোথায় কখন কেন যেতে হবে।
ওহ, মা, একটা কথা তোমাকে বলে রাখি।
ওর আগে বিয়ে হয়েছিল, আর একটা ছেলেও ছিল।
বেশ মর্মান্তিক ঘটনা,
স্ত্রী সন্তান দু'জনই ট্রেন দুর্ঘটনায় মারা যায়.....
আট বছর আগে বেলজিয়ামে।
আর জন......
আরে, তোমাকে তো ওর নামই বলিনি।
মা, ওর নাম জন ওয়েড প্রেন্টিস।
অনেক সুন্দর নাম না?
জন ওয়েড.....
আর জোহানা প্রেন্টিস......
হবে আমার নাম।
তবে মা...........
আরেকটা কথা অবশ্যই জানাতে হবে.......
জন একটা ব্যাপারে চিন্তিত, মানে অনেক চিন্তিত।
গত সপ্তাহ থেকে দুশ্চিন্তা করছে তুমি বা বাবা যদি হতাশ........
যাক, একেই বলে সময়মতো।
আমি আরো ভাবছি এতক্ষণ কী করছে।
মা........
এই হলো জন।
ডা.. ডা... ডা...ডাক্তার প্রেন্টিস.........
পরিচিত হয়ে খুশি হয়েছি।
আমিও খুশি হয়েছি, মিসেস. ড্র্যেটন।
ধরে নিলাম জোহানা হাটে গাড়ি ভেঙে দিয়েছে।
মানে, ভালো অনেক কিছুই বলেছে, আর অনেক তাড়াতাড়িই বলেছে।
যাক, ও আমাকে জানে মাত্র দশদিন.....
তাই এটা হয়ত জানে না কখন বিব্রত হই।
এটাও আমাদের জন্য একটা সমস্যা হতে পারে।
মিসেস. ড্র্যেটন, আমি একজন স্বীকৃতপ্রাপ্ত ডাক্তার.....
তো যদি বলি না বসলে আপনি হয়ত মাথা ঘুরে পড়ে যেতে পারেন.......
তাহলে আশা করি বেয়াদবী মনে করবেন না।
ও মনে করছে সে কৃষ্ণাঙ্গ বলে তুমি জ্ঞান হারাবে।
বেশ.......
মনে হয় না জ্ঞান হারাব।
তবে আমি এমনিতেই বসছি।
আমরা সবাই বসি, কেমন?
বেশ..........
ধরে নিলাম যদি বলি "My Goodness" তবে বাড়াবাড়ি হবে না।
যাক, বলেই ফেলি "My Goodness."
No comments yet. Be the first to leave one.