De eerste 200 regels.
অ নু বা দ ক : মে হে রা ব হো সে ন
সে আজকে আসবে! সে আজকে আসবে!
সে আজকে আসবে! সে আজকে আসবে! সে আজকে আসবে!
হ্যাঁ জর্জ, সে আজকেই আসবে।
- মানে, আজকেই তার আসার দিনটা। - ঠিক বলেছো।
- আমি তোমাদের সাথে যেতে পারি না? - তোমাকে তো স্কুলেও যেতে হিবে, জর্জ।
- যখন আমি বাড়ি ফিরে আসবো তখন সে থাকবে না? - মনে তো হয় তা-ই।
আমি ওর সাথে বল খেলবো। আমি ওর সাথে কুস্তি লড়বো।
কীভাবে থুথু ফেলতে হয় তা ওকে শেখাবো।
- খুব মজা হবে। - আমরা সবাই-ই মজা করবো।
তুমি কীভাবে বুঝবে যে তুমি যাকে বাছাই করছো সে-ই ভালো?
তা তো জানি না। আমরা...
তোমরা বুঝে যাবে।
হ্যাঁ। বিদায়, সোনা।
মনে রেখো, আমি একটা ছোট ভাই চাই, বড় ভাই চাই না।
আমরা আপনাদের সব কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করেছি। সবকিছু ঠিকঠাকই লেগেছে।
আমরা সবাইকে বাচ্চা দত্তক নিতে দেই না...
...কিন্তু আপনাদের সাথে কথা বলে মনে হলো আপনারা বাচ্চা নিলে তাকে অনেক সুখী রাখবেন।
তো আপনাদের অনুভূতি কেমন?
- হায় খোদা, আমরা-- - আমাদের--
আর তর সইছে না।
ওহ, ছুটি হয়ে গেছে।
এখন আপনারা ওদের সাথে দেখা করতে পারবেন।
এখানে বিব্রত বোধ করার কিছু নেই। ওরা অপরিচিত লোকদেরকে দেখে দেখে অভ্যস্ত।
- আপনাকে ধন্যবাদ। - ধন্যবাদ।
অমায়িক দম্পতি।
সেই একটা লাথি মেরেছিস, রেড।
ওহ, ফ্রেডরিক, দেখো এদেরকে।
- এতগুলোর মধ্যে কীভাবে আমরা--? - পছন্দ করবো? জানি এটাই বলবে।
- এদের প্রত্যেককেই দেখে মনে হচ্ছে এরা-- - অসাধারণ।
জানেন অসাধারণ ব্যাপারটা কী?
অসাধারণ ব্যাপারটা হচ্ছে যে আপনারা দুজনের মধ্যে একজন কী বলতে চাইছে তা বলার আগেই...
...আরেকজন বলে দিতে পারছেন, যেন সেটা আগে থেকেই জানেন।
যদিও এই বিষয়ে আমার নাক গলানোর কোনো অধিকার নেই।
হ্যাঁ, আসলে, এমনটা তখনই হয় যখন তুমি আমাদের মতো কারোর সাথে অনেকদিন ধরে একসাথে থাকো।
একটা পরিবারের মতো একসাথে থেকে।
বাহ, একটা পরিবার।
বেশ, পরিবারের কথা বললে, আপনারা একেবারে সঠিক জায়গাতেই এসেছেন।
মনে হয় আপনারা যেরকমটা খুঁজছেন সেরকমই কোনো একটা বাচ্চা পেয়েই যাবেন।
যদি কোনো মেয়ে চান, তাহলে সুজানকে নিতে পারেন, সে ফেঞ্চ ভাষা বলতে পারে।
অথবা এডিথকে নিতে পারেন, সে বাবল ফোটাতে ফোটাতে নাচতে পারে।
হয়তো আপনারা একটা ছেলে নিতে চাইছেন।
আসলেই, আমি ভাবছিলাম একটা ছেলে নিলেই বোধহয় ভালো হবে।
বেশ, সেক্ষেত্রে...
...বেনিকে নিতে পারেন, সে খুব শক্তিশালী।
অথবা অ্যান্ডিকে, আপনি "রেডি, সেট, গো" বলার আগেই সে দৌড়ে ১০০ গজ পার করে ফেলবে।
মনে হচ্ছে এখানকার সবাইকে তুমি খুব ভালো করেই জানো।
আমার মতো এখানে দীর্ঘদিন ধরে থাকলে এরকমটা সম্ভব।
আসল কথায় আসি। আমার মতো কাউকে কি কেউ কখনো দত্তক নিতে চাইবে নাকি?
পছন্দ করার ব্যাপারে চিন্তা করবেন না।
প্রতিবারের মতোই এটাও একইভাবে হয়ে যায়।
প্রথমে প্রথমে, আপনার কী করা উচিত তা আপনি বুঝবেন না। আপনি একটু একটু ভয় পাবেন।
তারপর আপনি যেকোনো একজনের সাথে দেখা করবেন।
তার সাথে আপনি কথা বলবেন।
আর তারপর তার কথাগুলো...
...আপনার হৃদয়কে ছুঁয়ে যাবে।
আপনারা নিশ্চিত যে ওর অনন্য বৈশিষ্ট্যকে আপনারা সামলাতে পারবেন?
জি, জি, অবশ্যই।
লিটল পরিবারের জন্য ওর অনন্য বৈশিষ্ট্যটা একেবারেই দুর্দান্ত।
চরম।
মি. এবং মিসেস লিটল, আমরা সবসময় চেষ্টা করি কোনো দম্পতি যেন...
...এমন কোনো সন্তান দত্তক না নেয় যাকে সামলানো তাদের...
...সাধ্যের বাইরে।
খুব কম সময়েই এটা সফল হয়।
বেশ, আমাদের বেলায় কোনো সমস্যা হবে না।
বিদায়, স্টুয়ার্ট!
বিদায়! তোমার কথা খুব মনে পড়বে!
তো, আমি আপনাদেরকে কী বলে ডাকবো?
- মা। - আর বাবা।
আমরা তো তোমাকে একটা কথা বলতে ভুলেই গিয়েছিলাম। তোমার একটা ভাই-ও আছে।
তার নাম জর্জ।
ভাই!
- তাকে আমি কী নামে ডাকবো? - জর্জ।
বেশ, স্টুয়ার্ট, এইতো আমরা এসে গেছি, আমাদের বাড়িতে।
বলা হয়ে থাকে এই দুনিয়ার প্রত্যেক লিটলই তাদের নিজের বাড়ি খুঁজে পেতে পারে।
যদি তারা এখানে কখনো না-ও আসে তবুও।
কারণ নিজেদের মনের আওয়াজ তাদেরকে এখানে টেনে নিয়ে আসে।
নিজের মনের আওয়াজ।
তো আমাদের বাসার একটা ভ্রমণ করে আসা যাক?
কিন্তু আমার কাছে তো কোনো টাকা নেই।
উনি হলেন আমাদের ক্রেনশও চাচা, চাচাতো ভাই এডগার, দাদাভাই স্পেন্সার।
উনি হলেন বিয়েট্রিস চাচি।
আর সে হলো জর্জ, তোমার ভাই।
দেখুন, সে আমাকে দেখামাত্রই কত খুশি হয়েছে।
বেশ, আমাদের পরিবারের সবার কথা-ই তো বললাম, শুধু একজন বাকি আছে--
স্নোবেল! ওকে এখনই মুখ থেকে বের করো!
এখনই স্টুয়ার্টকে বের করো, স্নোবেল। এখনই মুখ থেকে ফেলে দাও।
স্টুয়ার্ট, তুমি ঠিক আছো তো?
দাঁড়াও!
আমি ঠিক আছি।
স্টুয়ার্টকে কখনো কষ্ট দিবে না। বুঝতে পেরেছ?
কক্ষনো না। নাহলে তোমাকে বের করে দেবো, স্নোবেল।
স্টুয়ার্ট এখন আমাদের পরিবারেরই একজন। পরিবারের কাউকে খেতে হয় না।
মা, বাবা, আমি এসে গেছি!
সে এসে গেছে? আমার ভাই এসে গেছে?
- হ্যাঁ হ্যাঁ এসেছে। - সে কোথায়?
এইতো এখানে। স্টুয়ার্ট, এ হলো জর্জ।
জর্জ, এ হলো স্টুয়ার্ট, তোমার নতুন ভাই।
না। মজা করছো নাকি?
না, জর্জ। এটাই তোমার নতুন ভাই।
তোমাকে তো দেখতে ইঁদুরের মতো লাগছে।
হ্যাঁ, আসলে, আমি একটা ইঁদুরই।
ও আচ্ছা।
আমাকে যেতে হবে।
আমাকে দেখার পর ওর কি মন খারাপ হয়ে গেছে?
না, আসলে সে স্কুল থেকে আসার পর একটু ক্লান্ত হয়ে পড়ে।
রাতের খাবার খাওয়ার সময়েই ঠিক হয়ে যাবে।
খাবারটা সেইরকম হয়েছে, সোনা।
ধন্যবাদ।
তো একজন আরেকজনের সম্পর্কে একটু জেনে নেওয়া যাক?
জর্জ, তুমি স্টুয়ার্টকে কিছু প্রশ্ন করতে চাও না?
অবশ্যই, জর্জ, যা ইচ্ছা প্রশ্ন করো। আমি একটা খোলা বইয়ের মতো।
আমাকে যেকোনো কিছু জিজ্ঞেস করতে পারো, কোনো কাজ থাকলে বলতে পারো।
ঐ ঝোলের বাটিটাকে আমার দিকে এগিয়ে দাও তো?
- তোমার নতুন বেডরুম, স্টুয়ার্ট। - আশা করি তোমার ভালো লাগবে।
রুমটা অনেক বড়।
শুভরাত্রি, মা।
শুভরাত্রি, বাবা।
- শুভরাত্রি, পুত্র। - শুভরাত্রি, সোনা।
ভালো বিড়াল।
ভালো বিড়াল। লক্ষ্মী বিড়াল।
অনেক আরাম লাগছে?
হ্যাঁ, ধন্যবাদ। এই গদিতে শুয়ে আরামদায়ক অনুভব করছি।
পুঁচকে ইঁদুর কোথাকার, শোয়ার জন্য তুই পেলি গদি, আর আমাকে দিলো একটা কোণায় পড়ে থাকা মাদুর।
- তোমাকে অনেক চিন্তিত বলে মনে হচ্ছে। - চিন্তিত? ওহ, আসলেই আমি খুবই চিন্তায় আছি।
বেশ, তাহলে আমি হয়তো সাহায্য করতে পারি।
তোমার কী পছন্দ? তোমার কান দুটোকে চুলকিয়ে দেই?
অথবা তোমার পেটটাকে ঘষে দেই।
আমার পেটের ভেতরে যেয়ে ঘষে দিতে তোর মজা লাগবে, ধেড়ে ইঁদুর?
দুঃখিত, আমি আসলে কিছু বুঝতে পারছি না। আমি ভেবেছিলাম পোষা প্রাণীর সাথে এভাবে আচরণ করে।
পোষা প্রাণী? আমি তোর পোষা প্রাণী নই!
আমি একটা বিড়াল। তুই একটা ইঁদুর। তোর থাকার কথা একটা গর্তে।
এটা আমার পরিবার।
আমরা ভাগাভাগি করে থাকতে পারি না?
এই নে আমার জবাব : না।
বিশ্বাসই হচ্ছে না। আমি নিজের খাবারের সাথেই ঝগড়া করছি।
আর জানালাটার কাছ থেকে দূরে থাকবি।
অন্য বিড়ালেরা যদি এটা জানতে পারে, তাহলে আমি তো শেষ।
যেয়ে মাথাটা ঠান্ডা করি। আমার বলটা কই গেলো?
- জর্জ, উঠো পড়ো। - আচ্ছা, মা।
স্টুয়ার্ট, তুমিও উঠে পড়ো।
আচ্ছা, মা।
জর্জ, আমি কিন্তু কাপড় ধুতে যাচ্ছি।
ঠিক আছে।
- কাপড়ের ঝুড়িতে রেখে দাও, প্লিজ। - ঠিক আছে।
ধন্যবাদ।
ওহ, খোদা।
মা! হ্যালো! মা!
আমি স্টুয়ার্ট! আমি ওয়াশিং মেশিনে আটকা পড়েছি, মা!
হ্যালো, মা!
তুমি কোথায় যাচ্ছো?
- অদ্ভুত তো। - কী অদ্ভুত?
- মনে হলো কেউ দরজায় ঠকঠক করলো। - তোমাকে সুন্দর লাগছে, সোনা।
সোনা, তোমার যাওয়ার আগে জর্জের সাথে একবার কথা বলে নেওয়া উচিত না?
- কী নিয়ে? - স্টুয়ার্টকে নিয়ে।
সে মনে হয় এখনো স্টুয়ার্টকে মেনে নিতে পারেনি।
স্নোবেল! খোদার কাছে শুকরিয়া তুমি এসে গেছো।
দেখেছ কী বিপদে পড়লাম? আমি ওয়াশারে আটকা পড়েছি।
আমাকে সাহায্য করতে পারবে? এই জিনিসটাকে বন্ধ করতে পারবে?
আমি কিসের জন্য এটাকে বন্ধ করতে যাবো?
সেইরকম বিনোদন পাইতাছি।
মজা কোরো না। মজা কোরো না, স্নোবেল।
- তুমি আমাকে ছেড়ে যেতে পারো না! - আমার পাছার সাথে কথা বল।
স্নোবেল, তুমি কোথায় যাচ্ছো?
আমি বরং যেয়ে ট্রাফিক জ্যাম দেখি, হাই তুলতে থাকি, নিজেকে চাটতে থাকি।
আর আমি দুই চার ঘন্টা আগে আসছি না। মারা খা!
তুমি নিশ্চিত যে স্টুয়ার্ট এখানে সুখী আছে?
ওহ, সে তো আনন্দে লাফালাফি করছে।
বাঁচাও! কেউ তো আমারে বাঁচাও!
বিদায়।
হাই, স্টুয়ার্ট।
বাঁচাও!
স্টুয়ার্ট!
স্টুয়ার্ট, তুমি কোথায়?
স্টুয়ার্ট। স্টুয়ার্ট।
স্টুয়ার্ট, তুমি ঠিক আছো তো?
আমি ঠিক আছি, মা। আমি--
সে ঠিক হয়ে যাবে তো?
আসলে, এইটুকু একটা ছেলে এতগুলো ডিটারজেন্ট পাউডার গিলে ফেলেছে....
কিন্তু বিস্ময়ের ব্যাপারটা হলো, মনে হচ্ছে সে ঠিক হয়ে যাবে।
তাছাড়া তার ভেতরটাও পরিষ্কার হয়ে গেছে।
- স্টুয়ার্ট, তুমি ঠিক হচ্ছো শুনে খুশি হলাম। - আমিও।
খুব মজা হবে। আমরা তোমার জন্য এত্তগুলা নতুন পোশাক কিনবো।
চলো।
চলো, জর্জ। অনেক মজা হবে।
- আমি স্টুয়ার্ট এর সাথে কেনাকাটা করতে চাই না। - জর্জ!
- ওহ, তোমার উচিত-- - ওর সাথে কথা বলা? ঠিক আছে।
জর্জ, আমি স্টুয়ার্ট এর ব্যাপারে তোমার সাথে কথা বলতে চাই।
আমি চাই তোমরা দুজন একসাথে...
...কিছু সময় কাটাও, মানে, ভাইয়ের মতো করে--
ঐযে দেখো।
আরে, জর্জ। তোমার কাছে তো একটা সুন্দর নৌকা আছেই।
ওটার কাজ সম্পূর্ণ হয়নি।
বেশ, তাহলে তুমি জলদি জলদি কাজ শেষ করে ফেলো। প্রতিযোগিতা তো খুব শীঘ্রই শুরু হবে।
তো?
তুমি তোমার নৌকাটাকে প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়াবে না?
- আমার মনে হয় না আমি ওটায় জিততে পারবো। - তো কি হয়েছে?
জেতাটা আসল না। প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া আর মজা করাটাই হচ্ছে আসল।
তাহলে হারতে কি মজা লাগে?
একটু স্বাভাবিক হলে ভালো হবে।
No comments yet. Be the first to leave one.