De eerste 200 regels.
অনুবাদকঃ মোঃ রায়হান শেখ (জনি)
হাই।
হাই।
একলা আছো?
- আপাতত। - ওহ।
লজ্জাজনক ব্যাপার। তোমার মতো সুন্দর মেয়ে একা।
- হ্যাঁ, বিরক্তিকর জীবন। - ওহ!
বিরক্তিকর জীবনকে আনন্দময় করতে তোমার জন্য ড্রিংক কিনতে পারি?
অবশ্যই।
- বারটেন্ডার। - হ্যাঁ?
আমাকে একটা বাক এবং ভদকা সাইডকার দাও।
তুমি কীভাবে বুঝলে যে আমি ভদকা সাইডকার চাই?
হয়তো আমি জানি তুমি কী পছন্দ করো।
ওইতো ওরা।
ওই!
ঠিক সময়ে এসেছিস।
- হাই, কার্ল। - হাই, কেমন আছো? এ হলো ডেইজি।
- ওহ। - ওহ!
- ডেইজি, এ হলো ড্যানি এবং থিও। - হাই।
হাই।
এ আমার রুমমেট যার কথা তোমাকে বলছিলাম।
যারা কেবল রোমান্স করেই চলেছে যাতে ওরা অ্যাপার্টমেন্টের বড় ঘরটা পেতে পারে।
সত্য কথা।
- সবার জন্য আমি ড্রিংক অর্ডার করছি। - কর তাহলে।
তোরা গিয়ে ওখানে নাচ।
- চলো। - যা।
শোনো। বারে যেভাবে অপরিচিত মানুষের ভূমিকায় অভিনয় করলাম?
এর ফলে আমার মনে উষ্ণতা চলে এসেছে।
ওহ। আজ বুঝলাম, এসব অভিনয়ে আমার জানের ভালোবাসার ক্ষুধা বেড়ে যায়।
ঠিক বুঝেছো।
রাউন্ড ওয়ান। ফাইট।
একেবারে ঠিক সময়ে এসেছিস।
আউ...
কাল কাজ করতে হবে।
কাজের গুষ্টি কিলাই।
নিউ গেম।
না। না, না, না।
না!
- ধুর শালা। - রক্সেট বিজয়ী।
ঠিক আছে।
- ঠিক আছে, আরেকবার। - না, ভাই। অনেক দেরি হয়ে গেছে।
খেলতে তোকে হবেই।
ধ্যাৎ।
ওহ, না, তুই আবার রক্সেটকে বেছে নিয়েছিস।
কিন্তু তুইও তো ল্যান্সকে ২০ বার নিয়েছিস।
- বাদ দে। - জানি তুই অভিযোগ করছিস না।
- কোন জায়গায় খেলবি, পান্ডা মাউন্টেন? - বাজে জায়গা।
- ক্রিস্টাল বিচ? - চল টেম্পলে যাই।
- এই তো টেম্পল। - সিক্রেট টেম্পল।
- ল্যান্সের হাতে ধোলাই খাওয়ার জন্য তৈরি হয়ে যা। - তাই নাকি? রক্সেট তোকে তুলোধুনো করবে।
- সে দেখা যাবে। - তোকে তুলোধুনো করবে।
মানে?
রাউন্ড ওয়ান। ফাইট।
মার খা। মার খা।
ওহ!
হাত সরা, মার। মার। মার।
না।
পালা এখান থেকে।
- মজা লেগেছে? এখন কী বলবি? - কিছুই না।
- মার। - হয়ে গেছে।
কে.ও (K.O)৷ পারফেক্ট।
তোমরা আমার ঘুম হারাম করে দিয়েছো।
খুব জোরে চেঁচামেচি করো।
- টানবে? - জান।
"জান।"
- চুপ করে থাকো। - জান।
জান! জান! জান!
বার্থডে বয়!
বার্থডে বয়!
আরে।
অভিনন্দন। এখন বয়স কত হলো?
আহ, ৩৮ বৎসর।
- চল্লিশে পা দিতেই চলেছো। - হ্যাঁ।
তারপর পটল তুলবো, তাই না?
অবশ্যই।
- সাইমনের সাথে সাক্ষাৎ হয়েছে? - হাই।
আহ...
- মনে তো হয় না। - মনে হয় না সাক্ষাৎ হয়েছে, না, না।
আচ্ছা। সাইমনের বাইকের শখ আছে।
ভালো।
খুব ভালো।
ম্যাক্সওয়েল। আমরা লাথি মারি না। লাথি মেরো না।
ওকে দেখে আসি। দুঃখিত। আমি দুঃখিত।
- মোটরসাইকেল পছন্দ করো নাকি শুধু বাইক? - শুধু বাইক।
ভালো।
- ছুঁয়েছি! - টাইলার, বাইরে যাও।
দুঃখিত!
- দুঃখিত। - আমাকে দাও...
- আমি পরিষ্কার করছি। - তোমার কাপড়ে কী ফেলেছে?
হ্যাঁ, কিন্তু চিন্তা করো না।
কার্ল।
- হাই, থিও। - তোমাকে কতদিন দেখিনি?
হ্যাঁ, অনেক দিন হয়ে গেছে।
ডেইজি গাড়ি পার্কিং করছে?
ওহ, আহ...
আমি এবং ডেইজি, না, আমাদের ছাড়াছাড়ি হয়ে গেছে।
আরে না, আমি দুঃখিত।
না, না, না। তেমন কিছু না, সত্যিই, এক বছর আগে আমাদের ছাড়াছাড়ি হয়েছে।
জানতামই না। আমি ফেসবুকে নেই, তাই...
এসব বিষয়ে আমি অজ্ঞ বলাই চলে।
না। সত্যিই, ভালোই হয়েছে।
তবে আমরা এখনও বন্ধু আছি। বলতে গেলে ভালো বন্ধু। খুবই পরিণত বন্ধুত্ব।
- আচ্ছা, ভেতরে এসো, ভেতরে এসো। - ঠিক আছে।
- ড্যানি পেছনের দিকে আছে। - ঠিক।
আমরা ঘুষি মারবো না, লাথি মারবো না। ঠিক আছে?
- আমি দুঃখিত। - আরে না।
ঠিক আছে, যাও খেলাধুলা করো, মারামারি করবে না।
ধ্যাত্তেরি। আবার।
বাড়িতে রান্নাও ঠিকভাবে করতে পারিস না।
- শালা তুই। - কী চলছে?
আরে, বাহ, হ্যান্ডশেক করবি?
কোলাকুলি করলে কি তোর ছোঁয়াচে রোগ হয়ে যাবে?
ভাগ শালা।
আয় ভাই, বুকে আয়।
আহা, অনেক হয়েছে, এবার ছাড়, বন্ধু, ছাড়।
তুই এখনও হারামিই আছিস।
শুভ জন্মদিন।
আরে, বাহ।
তুই কবে থেকে গিফট ব্যাগ ব্যবহার শুরু করলি?
দোকানের লোকেরা করে দিয়েছে।
খুলেই তো দ্যাখ?
- স্ট্রাইকিং ভাইপার্স। - এক্স। স্ট্রাইকিং ভাইপার্স এক্স।
নতুন কিস্তি। গতকালই বাজারে বেরিয়েছে।
আমি দোকানে ছিলাম,
এটা দেখলাম আর...
ওহ, ভাই।
এটা দেখে স্মৃতিগুলো জেগে উঠলো।
এখানে লেখা আছে যে এটা খেলতে ভিআর অ্যাড-অনস লাগবে।
- আমার কাছে যার একটাও নাই। - হ্যাঁ, আছে তো।
- না। - আহ...
না। না, রেখে দে, ভাই।
না। আজ তোর জন্মদিন, রেখে দে তো।
সত্যি বলছি, একবার খেললেই তোর মাথা হ্যাং হয়ে যাবে। দোকানে একবার খেলে দেখেছি।
ওরা খেলে দেখতে দিয়েছিল। পাঁচ মিনিটে আমার মাথা আউলা-ঝাউলা করে দিয়েছে।
- ধন্যবাদ, ভাই। - ব্যাপার না।
ওটা তোর ছেলে?
না, ওটা ম্যাক্সওয়েল।
ম্যাক্সওয়েল। মারামারি করো না।
টাইলারের স্কুলের বন্ধু।
- বিয়ার খাবি? - অবশেষে বাঁচালি আমাকে। হ্যাঁ, খাবো।
ধন্যবাদ।
আম্মু, আম্মু, আম্মু, আমি কেটির সাথে খেলছি।
থিও, আমরা প্লাস্টিকের কাপ ব্যবহার করবো?
থিও'কে সুন্দর লাগছে।
হ্যাঁ।
অন্তত তোদের একজনের এখনও জিমের সদস্যপদ রয়েছে দেখে ভালো লাগলো।
তাই নাকি?
সত্যি বলছি।
তুই তো আশি বছরের বুড়োদের মতো ঘুরে বেড়াচ্ছিস।
দ্যাখ, যেদিন থেকে হাঁটুর সমস্যা হয়েছে, সেদিন থেকে ঠিকভাবে ব্যায়াম করতে পারিনি, বুঝলি?
আমি অজুহাত দেখাচ্ছি না। শুধু...
- না, না, না, অবশ্যই দেখাচ্ছিস। - শালা, তুই না?
আমি এখন এসবের ঝুঁকি নিতে পারি না। আমি এক জায়গায় স্থায়ী হয়েছি।
খোদাকে ধন্যবাদ জানাই ডেটিং করার জন্য আমাকে বাইরে থাকতে হয় না।
সব সময় পকেট খালি হয়। বিরক্তিকর।
এটা দ্বিতীয় চাকুরীর মতো।
ওই ছোট পোলাপাইনদের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে হয়।
এর জন্য দিনে হাজারবার বুক ডাউন দিস নাকি?
- প্রতিদিন সকালে মাত্র ৫০ বার দিতে হয়। - সকালে পঞ্চাশ বার?
উম-হুম।
নিচের চুল কাটিস?
আজকালকার পোলাপাইন তো অবশ্যই কাটে।
তুই বিচি কামাস... খবিশ শালা।
ওই দুইটা পিংপং বলের মতো ঝকঝকে না করা অবধি করি।
শুধুমাত্র মজা নেওয়ার জন্য।
- তোর জন্য খারাপ লাগে। - হ্যাঁ। ভালো...
জানতে চাস এখান থেকে চলে যাওয়ার পর আমি কোথায় যাবো?
কোথায় আবার, পেছনও কামাতে যাবি হয়তো?
মারিয়েলার সাথে দেখা করতে।
- মারিয়েলা। - ও ব্যান্ডদলে গান করে।
কি, স্কুল ব্যান্ডের হয়ে?
বয়স কত ওর?
ঊনত্রিশ।
না, ২৮ হবে। এই ছবিটা দ্যাখ।
হ্যাঁ।
- শিক্ষিকার সাথে শেয়ার করবে না? - হ্যাঁ।
- তুমি ভাগ্যবান। - তা তো বটেই।
কী করছিস তুই? কী করছিস?
- টাইলার ঘুমিয়ে পড়েছে? - উম-হুম।
লাইট বন্ধ করতে দেওয়ার আগে আবার সেই ম্যাকারু বইটি পড়তে হয়েছিল।
"ম্যাকারু একটি জুতো পেয়েছিল..."
"তারপর ওটা একটি গাছে রেখে দেয়।"
পরিবেশের প্রতি ম্যাকারু'র কোনও সম্মান নেয়,
এটাই আমি বলবো।
- আমি করে নেবো। - না, থাক।
উম। আজ তোমার জন্মদিন, রাখো।
ধন্যবাদ।
ঠিক আছে।
আমাকে তোমার বলা উচিত ছিল যে কার্ল এবং ডেইজি'র সম্পর্ক ভেঙে গেছে।
- ও কী বলেছে কে আগে সম্পর্ক ভেঙেছে? - আমি জিজ্ঞাসা করিনি।
আমি সবসময় বলেছি যে এই দু'জনের সম্পর্ক টেকসই না।
ওকে আমি শেষ দেখেছি তাও অনেকদিন আগে।
- মনে হয় গত বছরের জন্মদিনে এসেছিল। - এক পলকে, পুরো বছর পার?
ফোনে দেখানো মেয়েটির ব্যাপারে ও কী সিরিয়াস?
আমি জিজ্ঞাসা করিনি।
ছেলেরা কথা বলায় জানে না। তোমরা কতদিন ধরে একে অপরকে চেনো?
তুমি তো এসব বিষয় নিয়ে কথা বলার সময়ও পাও না, তাই না?
মানে, তলে তলে খবর পাও।
বা ভাবী সমাজের আলাপ। আজকাল এমন অনেক কিছু আছে।
তোমাদের আরও দেখা-সাক্ষাৎ হওয়া উচিত।
No comments yet. Be the first to leave one.