De eerste 200 regels.
অনুবাদকঃ মোঃ রায়হান শেখ (জনি)
বেলিন্ডা কার্লাইল এখন পর্যন্ত ১৯৮৭ সালের অন্যতম রেকর্ডধারী জনপ্রিয় শিল্পী।
তাঁর গানটি আপনাদের পছন্দ হবে! এরপরই গানটি বাজতে চলেছে...
দয়া করে আমার পেছনে আসা বন্ধ করবে? আমি শুধু মজা করতে চাই, বুঝলে?
কেলি, দাঁড়াও।
- কেলি। - আমি যাচ্ছি, ওয়েস।
আমাদের হাতে কয়েক ঘন্টা সময় আছে তাই চলো, আহ... চলো সময়টা উপভোগ করি।
আমি তো সেটাই করছি।
হাই।
তুমি তো এই গেমে পারদর্শী।
এই গেমের ভিন্ন ভিন্ন উপসংহার আছে।
তুমি এক নম্বর নাকি দুই নম্বর খেলোয়াড় এটা তার উপর নির্ভর করে।
উহ-আহ?
- ভিন্ন উপসংহার দেওয়া এটাই প্রথম গেম ছিল। - ধ্যাত্তেরি!
টপ স্পিড গেমটা খেলতে চাও?
ওহ, না।
ধন্যবাদ। আমি কেবল আমার সময়টুকু কাটাতে চাই।
আহ... ঠিক আছে।
- পরে দেখা হবে? - উম-হুম।
আমি যা বলি তার সাথে সুর মেলাও।
- বুঝলাম না? - আমি যাই বলি না কেন, শুধু হ্যাঁ বলে যাবে।
ঠিক আছে, ওয়েস, তুমি এখন বিরক্ত করছো।
- তোমার নামে কী অভিযোগ দেবো? - দুই ঘন্টা পঁয়ত্রিশ মিনিট।
- হাতে খুব বেশি সময় নেই। - ওয়েস।
দেখো...
- গত সপ্তাহে, সবচেয়ে আনন্দের ছিল... - গত সপ্তাহ চলে গেছে।
এখানে আমার বন্ধুর সাথে আমাকে কথা বলতে হবে, ঠিক আছে? ওকে অনেকদিন দেখেনি।
ওয়েস, ও অসুস্থ।
ছয় মাস মতো বাঁচবে।
আসলে পাঁচ মাস।
ওর সাথে কিছু সময় কাটাবো। একান্ত সময়।
আচ্ছা।
ঠিক আছে।
- শুনে খারাপ লাগলো। - ব্যাপার না।
পরে দেখা হবে?
অবশ্যই।
তোমাকে মেরে ফেলার জন্য দুঃখিত।
পুরো ছয় মাস বাঁচতে দিলাম?
সরি। পাঁচ মাস।
পাঁচ মাস বলাটা মজার ছিল।
- আমি কেলি। - ইয়র্কি।
- ইয়ুর্গি? - ইয়র্কি।
কুকুরের জাতের নামের মতো?
হ্যাঁ।
ও ভালো ছেলে। কিন্তু আমারই খুব অস্বস্তি লাগছে।
- কোয়াগমায়ারে ওর সাথে দেখা হয়েছিল তাই... - কোয়াগমায়ার কী?
তুমি যদি এখনো না জানো যে কোয়াগমায়ার কী,
তাহলে তুমি সম্ভবত জানতেও চাইবে না।
কেন?
আরেকটা ড্রিংক নিবে?
- ওহ, না, আমি... - হ্যাঁ, নিতেই হবে। এসো।
টেনে তুলে নিয়ে যাবো?
- ওই, সাদা চুলওয়ালা। - আমি সাদা চুলওয়ালা?
হ্যাঁ তুমিই। জ্যাক অ্যান্ড কোক দিগুণ করে দাও।
- ওহ, না। আমার কোক হলেই চলবে। - দিগুণ করে দাও।
- কী করছো? - তোমাকে দেখছি।
মনে হচ্ছে আমাকে পরখ করা হচ্ছে।
- চশমা পরেছো কেন? - উম ...
আমার পছন্দ হয়েছে। তোমাকে ভালো মানাচ্ছে। কিন্তু তোমার কী প্রয়োজন হয়?
- হ্যাঁ, লেন্সে কোনো কাজ হয় না। - জানি!
স্কুল থেকে চশমা পরে আসছি।
তাই মনে হয় এখন এক প্রকার স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করি।
ভাবলাম ফ্যাশনের জন্য চশমা পরেছো।
- তাই? - কিন্তু তারপরেও তোমার গায়ের পোশাকটা ফ্যাশনেবল না।
ভুল বোঝো না। এটা আরামদায়ক পোশাক। মানে, চারপাশে তাকাও।
নিজেদেরকে খুব সুন্দর দেখানোর জন্য মানুষ এত চেষ্টা করে।
এরা সম্ভবত এসব কোনো সিনেমায় দেখেছিল।
কিন্তু তোমাকে আমার পছন্দ হয়েছে।
তুমি একেবারে খাঁটি।
ধন্যবাদ।
চিয়ার্স।
এর আগে কখনও এটার স্বাদ নাওনি?
না, আসলে...
আমি অনেকদিন যাবত পান করিনি এজন্য। এটা ভালো।
তুমি এখানে থাকো?
- না। ওহ, উহ... - পর্যটক?
পর্যটকই মানলাম। তার মানে তুমি এখানে নতুন?
- প্রথম রাত। - প্রথম রাত? বাহ, দারুণ তো!
ওহ, খোদা!
আমাদেরকে এই গানের তালে নাচতে হবে।
- একে অপরের সাথে? - হ্যাঁ।
- ওহ, না। এসব নাচানাচি আমার দ্বারা হবে না। - ওহ, চলো অসম্ভবকে সম্ভব করে দেখাও।
- না, আমি পারবো না। - হ্যাঁ, পারবে, এসো।
- না, আমাকে দেখতে বোকা বোকা লাগবে... - শুধু আমার দেখাদেখি করবে!
আমার অনুকরণ করো।
তুমি পারছো।
হেই!
- তুমি পালিয়ে এলে কেন? - ওহ, সরি।
বলেছিলাম আমি নাচতে জানি না।
আরে না।
শুধু ভিতু ছানার মতো ভয় পেয়ে পেছনে পালিয়ে এসেছো।
মজা করলাম। মজা করলাম।
জোরজবরদস্তি নাচানোর জন্য দুঃখিত।
শনিবার রাতে সপ্তাহে একবার আসি। হাতে বেশি সময় থাকে না। তাই অস্থির হয়ে উঠি।
না, না, আসলে তা না। সমস্যাটা হলো...
- সবাই তাকাচ্ছিল। - তাকাচ্ছিল?
হ্যাঁ। বুঝতেই পারছো, দুজন মেয়ে নাচছে।
ঠিক আছে, প্রথম কথা, মানুষ আগের তুলনায় এখন অনেক আধুনিক।
এবং দ্বিতীয়ত, এটা আনন্দ করার শহর। কেউ-ই কানাঘুষো করবে না।
তাকাও। ওরা যদি সত্যিই তাকিয়ে দেখছিল, তবে এর কারণ আমি দেখতে আকর্ষণীয়।
- তুমি পাগল। - ধন্যবাদ!
- আমি কখনো নাইট ক্লাবে আসেনি। - কখনোই না?
জীবনে কোনদিনও আসোনি?
কখনোই না।
তুমি অ্যামিশদের মতো ধার্মিক নাকি?
তুমি বাঁধাধরা নিয়মের বলয়ে জীবনটা কাটিয়েছো।
হ্যাঁ, ঠিক বলেছো।
আমাকে নিয়ে পরিবারের মাথাব্যথার কারণে, আমি কিছুই করতে পারিনি।
আসলে, মানুষ যে ঝুট-ঝামেলার মধ্যে দিয়ে যাই সে ছাড়া তা কেউ জানে না।
তোমার পরিবারের কথা যদি বলি, তারা যা করে ভালোবাসে তাই করে, তাই না?
- ওরা চিন্তিত থাকে। - ওরা চিন্তিত থাকে না।
আমি কোনো কিছুতে আনন্দ পাচ্ছি এটা ওরা সহ্য করতে পারে না।
তুমি কী করতে চাও? যেটা কখনও করোনি?
ওহ...
অনেক ইচ্ছা আছে।
সান জুনিপেরো আনন্দ করার শহর।
ইচ্ছা প্রকাশ করেই দেখো।
মধ্যরাত হতে দুই ঘন্টা বাকি।
ওহ, তাহলে তো বেশি সময় নেই।
তাহলে এখানে বসে সময় নষ্ট করবে কেন?
আমি, উম...
- শোনো... - সমস্যা নাই।
- না, মানে... - তাই, সমস্যা নাই।
না, আহ, আমার বিয়ে ঠিক হয়ে গেছে। আমার বাগদত্তা আছে।
- ওর নাম গ্রেগ। - আর গ্রেগ কি এখানে আছে?
- না, ও... - অন্য কোথাও আছে?
হ্যাঁ।
ওহ।
আমার সাথে রাত কাটাবে?
আমার বাড়িতে আমরা দ্রুত চলে যেতে পারবো...
আমি এর আগে কখনো এমন কিছু করিনি।
তাহলে তো আর কারণ থাকার কথা না।
ওহ, তুমি অনেক ভালো।
- পারবো না। - ঠিক আছে।
- সত্যিই পারবো না। - বুঝেছি।
- আমাকে যেতে হবে। - এই বৃষ্টির মধ্যে?
তোমার সাথে পরিচিত হয়ে খুশি হয়েছি।
আমিও হয়েছি।
যাই।
ঠিক আছে।
ঠিক আছে।
ধ্যাত্তেরি।
- তোমার সমস্যা কী, ওয়েস? - দেখো, জানি আমি হঠাৎ দেখা করতে আসছি...
- তোমার নামে সত্যিই অভিযোগ দেবো। বুঝলে? - না, এমনটা করো না। শুধু...
- তাহলে এসব বন্ধ করো। - আমার কথা তো শোনো? প্লিজ? প্লিজ।
সান জুনিপেরো-তে কতজন মেয়ে আছে?
শত শত? হাজার হাজার?
আমার তাতে যাই আসে না।
আমি বলছি তোমার জন্য এখানে প্রচুর মেয়েমানুষ আছে, ওয়েস।
স্থানীয়রা? তারা মৃত মানুষের মতো।
ওরা মৃত মানুষের আত্মা।
দেখো, আমি বিরক্তিকর ধরনের রোমান্স চাই না, ঠিক আছে?
যেমন, চলো আমাদের বাকি জীবনটা আমরা একসাথে এখানেই কাটিয়ে দিই।
শোনো, তুমি যদি কাউকে বিছানায় নেওয়ার জন্য খুঁজছো, তবে বিকল্প পথ রয়েছে।
- আবার কোয়াগমায়ারে খুঁজে দেখতে পারো। - এটা সেক্স করার বিষয় না।
- এটা শুধুই সেক্স করার বিষয়। - না, আমাদের মধ্যে অন্য সম্পর্ক আছে।
ওয়েস, এটা শুধু শরীরের চাহিদা।
- না... - বাদ দাও এসব।
আমরা কেবল মজা করছিলাম।
আমি দুঃখিত।
দোহাই লাগে, শহরে মজা করো।
- হাই। - হাই।
কারও জন্য অপেক্ষা করছো?
আসলে তা না।
তোমার জন্য ড্রিংক অর্ডার করবো?
হ্যাঁ, অবশ্যই।
আসলে, আহ... হ্যাঁ, এটা মাইক্রোসার্জারি ছিল, মনে হয়।
আমার দুই হাঁটুই এক প্রকার কাঁটাছেড়া ছিল।
জানো, আমি কখনোই এই গানটার আগামাথা বুঝেনি। একেবারে বাজে।
- আমার সঙ্গে নাচবে? - অবশ্যই।
মানে, মনে হয় সে সময় আমি আমার মনকে ব্যস্ত রাখতাম।
প্রথম শব্দ তরঙ্গ ধরতে পারলে, একটি আলাদা গল্প হতো।
বাথরুমে যাওয়া লাগবে।
ঠিক আছে।
- এসব কীভাবে করতে হয় তা আমি জানি না। - কী করা জানো না?
আমাকে সাহায্য করো।
তুমি কি...
আমার জন্য এসব সহজ করে দিতে পারবে?
আমার গাড়িতে যেতে চাও?
- তুমি কতদিন ধরে এখানে আছো? - কী বললে?
- তুমি কতদিন ধরে এখানে আছো? - সান জুনিপেরো-তে?
আহ... কয়েক মাস যাবত। প্রাণ খুলে জীবনটাকে উপভোগ করার পরিকল্পনা আছে।
তোমার মতো আমিও পর্যটক।
হ্যাঁ।
তুমি ঠিক আছো?
হ্যাঁ।
থামাও!
সরি, কিন্তু...
বাপরে, তোমার মুখখানা হয়েছে দেখার মতো!
বাহ।
- পছন্দ হয়েছে? - অনেক বড় বাড়ি।
আমি কোথায় বড় হয়েছি তা মনে করিয়ে দেয়।
তোমার মা-কে মিস করো?
আমাকে দেখাও।
- ঠিক আছে। - ঠিক আছে।
তুমি আগে কখনও কোন মেয়ের সাথে এসব করোনি?
কোনো সমালোচনা করছি না। মানে, এসব অসাধারণ ছিল।
না, কোনো মেয়ের সাথে কখনও করিনি।
কারও সাথে কখনও করিনি।
কারও সাথে না?
No comments yet. Be the first to leave one.