Apocalypse Now

Apocalypse Now

Muat Turun Sari Kata Bengali

Maklumat siaran

Apocalypse Now (1979) Redux Bluray 720p (Moviran)
Apocalypse Now (1979) Redux 1080p DTS multisub HighCode Bengali Sutitles
Apocalypse Now (1979) Redux Bengali Sutitles srt (246 KB)
Ulasan oleh Mamun_Abdullah
যুদ্ধ নিয়ে এখন পর্যন্ত যতগুলো মুভি হয়েছে ইতিহাস জুড়ে, সবকটা মুভিতে একটিই বার্তা ছিল, যুদ্ধ ক্ষতি ডেকে আনে। নিঃসন্দেহে Apocalypse Now এখন পর্যন্ত যুদ্ধের মুভিগুলো মাঝে সবচেয়ে ইনসেন। এটি রিডাক্স ভার্সন। তাই শুধু রিডাক্স প্রিন্টের সাথে সাবটাইটেল মিলবে।

Tag

BluRay
720p
720
Diterbitkan pada: 2017-08-04
Muat Turun: 234
Masalah Pendengaran: No

Pratonton sari kata Bengali

200 baris pertama.

Subtitle Translated By M

Subtitle Translated By Ma

Subtitle Translated By Mam

Subtitle Translated By Mamu

Subtitle Translated By Mamun

Subtitle Translated By Mamun A

Subtitle Translated By Mamun Ab

Subtitle Translated By Mamun Abd

Subtitle Translated By Mamun Abdu

Subtitle Translated By Mamun Abdul

Subtitle Translated By Mamun Abdull

Subtitle Translated By Mamun Abdulla

Subtitle Translated By Mamun Abdullah

Subtitle Translated By Mamun Abdullah

সাইগন।

বাল।

আমি এখনও সাইগনেই পড়ে আছি।

প্রতিবার ভাবি ঘুম ভেঙ্গে নিজেকে হয়ত জঙ্গলে দেখব।

আমার প্রথম ট্যুর শেষে যখন দেশে গিয়েছিলাম, সেটা বিশ্রী ছিল।

আর ঘুম ভেঙ্গে দেখি, কিছু নেই।

স্ত্রীকে তালাকের সম্মতি দেওয়ার সময় কিছুই আমি বলতে পারিনি।

যখন এখানে ছিলাম, ছুটে যেতে চাইতাম নিজ দেশে।

যখন দেশে ছিলাম, শুধু ভাবতাম জঙ্গলে ফিরে যাব।

এখানে আছি এক সপ্তাহ ধরে।

একটা মিশনের অপেক্ষায়।

দুর্বল হয়ে যাচ্ছি।

প্রতি মিনিট এই ঘরে কাটানোর সাথে সাথে, আমি আরও দুর্বল হয়ে যাচ্ছি।

আর যত মিনিট চার্লি বদমাশ জঙ্গলে কাটাচ্ছে, সে শক্তিশালী হচ্ছে।

প্রতিবার যখন ঘরের চারপাশে তাকাই, দেয়ালগুলো সব আঁটসাঁট হয়ে চেপে আসে।

সবাই যা চায় তা পায়।

আমি চেয়েছিলাম একটা মিশন।

পাপের বোঝা বাড়ানোর জন্য, একটা মিশন ওরা আমাকে দিয়েছিল।

রুম সার্ভিসের মতো আমার ঘরে এসে দিয়ে যায়।

ক্যাপ্টেন উইলার্ড, আপনি ঘরে আছেন?

হ্যাঁ, আসছি।

মিশনটা আসলেই পছন্দের ছিল।

আর যখন শেষ হলো, তখন আরেকটা মিশন চাওয়ার সাহস হয়নি।

- কী চান আপনি? - আপনি ঠিক আছেন, ক্যাপ্টেন?

ঠিক থাকব না কেন?

- আপনিই 505 ব্যাটেলিয়নের ক্যাপ্টেন উইলার্ড? - হ্যাঁ।

- 173 এয়ারবোর্ন? - হ্যাঁ।

- স্পেশাল অপারেশনের জন্য নিয়োগ দিয়েছে? - এই যে ভাই, দরজাটা লাগাবে না?

আপনাকে এয়ারফিল্ডে পৌঁছে দেয়ার হুকুম পেয়েছি।

- অভিযোগ কী? - স্যার?

আমি কী করেছি?

কোন অভিযোগ নেই, ক্যাপ্টেন। আপনাকে না-ট্রাং কমসেক ইন্টেলিজেন্সে যেতে বলা হয়েছে।

- বুঝলাম। - ঠিক আছে?

- না-ট্রাং থেকে এসেছে? - জী হ্যাঁ।

উঠুন, ক্যাপ্টেন। পরিষ্কার হওয়ার জন্য এখনও আপনার হাতে কয়েক ঘণ্টা আছে।

- আমার শরীর খারাপ লাগছে। - ক্যাপ্টেন?

ডেভ, এখানে এসে ক্যাপ্টেনকে তুলো। এর অবস্থা কাহিল।

উঠুন ক্যাপ্টেন। গোসল করবেন চলুন।

- আরে টেনো না তো। - তৈরি করো ওকে।

আমরা গোসল করব, ক্যাপ্টেন।

- এখানে আসুন। - এবার ঝরনার নিচে দাঁড়ান, ক্যাপ্টেন।

আমি দুনিয়ার সবচেয়ে খারাপ জায়গায় যাচ্ছিলাম, আর তা টেরই পাইনি।

সপ্তাহ খানেক ধরে ১০০ মাইল নদীর উজান বেয়ে, মেইন সার্কিট কেবলের মতো যুদ্ধের বিভীষিকার মধ্যে দিয়ে এঁকে-বেঁকে সোজা কার্টজের আস্তানায় ঢুকতে হয়েছে।

আমি কর্নেল ওয়াল্টার ই. কার্টজের জলজ্যান্ত স্মৃতি হয়ে যাব সেটা কোন দুর্ঘটনা ছিল না

বরং সাইগনে যে ফিরে আসব সেটাই ছিল দুর্ঘটনা।

আমার গল্প না বলে কার্টজের গল্প শোনানো অসম্ভব। আর তার গল্প মূলত একটি স্বীকারোক্তি...

ক্যাপ্টেন উইলার্ড হাজির, স্যার।

আমারটাও তাই।

- ক্যাপ্টেন। গুড। ভেতরে আসো। - ধন্যবাদ, স্যার।

- আরামে দাঁড়াও। - জেনারেল।

ধূমপান করবে?

না, ধন্যবাদ, স্যার।

ক্যাপ্টেন, এই ভদ্রলোককে আগে কখনো দেখেছ?

না, স্যার।

- জেনারেল আর আমার সাথে জানাশোনা আছে? - না, স্যার। ব্যক্তিগত ভাবে চিনি না।

তুমি একা অনেক কাজ করেছে, তাই ক্যাপ্টেন?

জী, স্যার, করেছি।

তুমি রিপোর্ট করো স্পেশাল ইন্টেলিজেন্সে, কসমেকের কাউন্টার ইন্টেলিজেন্সে, আই কোরে।

আমার সেই অপারেশনগুলোর ব্যাপারে আলোচনা করার অনুমতি নেই, স্যার।

তুমি "আই" কোর সিআইএর হয়ে কাজ করনি?

না, স্যার।

তুমি কোয়াং ট্রি প্রদেশে একজন সরকারী ট্যাক্স কালেক্টরকে হত্যা করনি, ১৮'ই জুন ১৯৬৮ সালে? ক্যাপ্টেন?

স্যার, আমি এই ধরণের কার্যক্রম বা অপারেশনের কথা জানি না। তাছাড়া এই ধরণের অপারেশনের ব্যাপারে আলোচনা করার অনুমতি নেই।

আর যদির কথা ধরলে, আছে স্যার।

চলো লাঞ্চ করতে করতে কথা বলা যাক। খিদে নিশ্চয় তোমার মাথায় উঠে গেছে, ক্যাপ্টেন।

খেয়াল করেছি তোমার হাতের অবস্থা খারাপ। কিছুতে আঘাত পেয়েছিলে?

বিনোদন সেন্টারে মাছ শিকারে গিয়ে হাত কেটে গেছে, স্যার।

- বিনোদন সেন্টারে মাছ শিকার? - জী, স্যার।

শরীর ফিট আছে তো? ডিউটি করতে পারবে?

জী, জেনারেল। কোন সমস্যা হবে না, স্যার।

আচ্ছা, দেখি খাবারে কী আছে। ভুনা মাংস, খেতেও খুব একটা খারাপ না।

চেখে দেখো, জেরি, সামনে বাড়িয়ে দাও।

একটু সময় বাঁচাতে, আমরা খাওয়া আর আলোচনা এক সাথে করি।

ক্যাপ্টেন, জানি না চিংড়ির দেখে তোমার কেমন লাগছে, তবে চাইলে খেতে পারো,

তাছাড়া তোমার সাহসিকতার খেল অন্য ভাবেও দেখাতে হবে।

আরে, তুমি এখান থেকে তুলে নিতে পারো।

ক্যাপ্টেন, তুমি কর্নেল ওয়াল্টার ই. কার্টজের নাম শুনেছ?

জী, স্যার। আমি নাম শুনেছি।

আহারে। ফিফথ স্পেশাল ফোর্সের অপারেশন অফিসার।

লুক, তুমি টেপটা ক্যাপ্টেনকে বাজিয়ে শোনাবে, প্লীজ?

- জী, স্যার। ভুল হয়ে গেছে, স্যার। - মন দিয়ে শোনো, ক্যাপ্টেন।

৯ অক্টোবর, 04:30, পিটার ভিক্টর কিং সেক্টর।

টেপে কম্বোডিয়ার কথা বলা হচ্ছিল।

যাচাই-বাছাই করে নিশ্চিত হওয়া গেছে এটা কর্নেল কার্টজের কণ্ঠস্বর।

আমি একটা শামুক দেখেছি।

ধার ঘেঁষে চলে যাচ্ছিল

গলা কাটা ব্লেডের উপর দিয়ে।

এটাই ছিল স্বপ্ন।

আমার দুঃস্বপ্ন।

ধীরে এগোচ্ছিল, পিছলে পিছলে

ধার ঘেঁষে

একটি গলা কাটা ব্লেডের উপর দিয়ে,

আর বাঁচার জন্য লড়ছিল।

ট্রান্সমিশন 11, 30 ডিসেম্বর '68 সালে রিসিভ করা হয়েছে, 05:00 টা।

সেক্টর কিং জুলু কিং।

তবুও ওদের মারতে হবে।

ওদের জীবন কেড়ে নিতে হবে,

শুয়োর পর শুয়োর,

গরুর পর গরু,

গ্রামের পর গ্রাম,

সেনাদলের পর সেনাদল।

এরপর ওরা আমার নাম দিবে আততায়ী।

আততায়ীর উপরে যখন খুনের অভিযোগ আনা হয় তাঁকে কী বলো তুমি?

ওরা মিথ্যে বলে।

ওরা মিথ্যা বলে, কিন্তু যারা মিথ্যা বলে তাঁদের প্রতি আমাদের ক্ষমাশীল হতে হবে।

এই নবাবদের,

আমি ঘৃণা করি।

আসলেই ঘৃণা করি।

ওয়াল্ট কার্টজ আমাদের দেশ থেকে উঠে আসা সেরা অফিসারদের একজন।

সে ছিল মেধাবী। সবদিক থেকে সেরা।

সেই সাথে একজন ভাল মানুষও। মানবিক বোধ সম্পন্ন মানুষ।

বুদ্ধিদীপ্ত আর রসিক মানুষ।

সে স্পেশাল ফোর্সে যোগ দিয়েছে।

এরপর, তার বুদ্ধি, কাজ করার পদ্ধতি,

পরিণত হয়

অসুস্থতায়।

অসুস্থতায়।

এখন সে সীমানা পেরিয়ে কম্বোডিয়ায় ঢুকে পড়েছে, সাথে আছে মোন্টাগনার্ড আর্মি যারা তাঁকে ঈশ্বর জ্ঞানে পূজা করে।

আর প্রতিটা হুকুম পালন করে, তা যতই হাস্যকর হোক।

তোমার মাথা ঘুরিয়ে দেবার মতো আরও কিছু তথ্য দিচ্ছি।

কর্নেল কার্টজকে খুনের অপরাধে গ্রেপ্তার করা হবে।

ঠিক বুঝলাম না স্যার। কাকে খুন করেছে?

কার্টজের কিছু ভিয়েতনামি গুপ্তচরদের খুনের হুকুম দিয়েছিল।

যাদের সে ডাবল এজেন্ট মনে করত।

ব্যাপারটা সে নিজ হাতে তুলে নেয়।

তাহলে বুঝলে, উইলার্ড, এই যুদ্ধে, সবকিছু কেমন যেন গোলমেলে হয়ে যায়।

ক্ষমতা, আদর্শ, সততা, আর বাস্তবে মিলিটারির প্রয়োজনীয়তা।

কিন্তু জঙ্গলের অধিবাসীদের কাছে,

ঈশ্বর হয়ে ওঠার লোভ থাকে।

কারণ প্রতিটা মানুষের মনে যুক্তি আর অযুক্তি, শুভ আর অশুভ নিয়ে একটা দ্বন্দ্ব আছে।

প্রতিবার শুভের বিজয় হয় না।

কখনো

অশুভ সত্ত্বা

লিংকন যেটাকে বলতেন, "আমাদের চরিত্রের উত্তম দূত।"

প্রতিটা মানুষের একটা সহ্য সীমা আছে।

তোমার আর আমারও আছে।

ওয়াল্ট কার্টজ তার সহ্য সীমায় পৌঁছেছে,

আর পৌঁছানোর পর আক্ষরিক অর্থে উন্মাদ হয়ে গেছে।

জী স্যার, ঠিক তাই, স্যার। উন্মাদ হয়ে গেছে।

তোমার মিশন হলো একটা নেভি পেট্রোল বোটে নাং রিভার ধরে এগিয়ে যাওয়া,

কর্নেল কার্টজকে নু মাং বা' থেকে তুলে নিবে,

খেয়াল রাখবে, কর্নেলের ব্যাপারে জানার চেষ্টা করবে।

যখন কর্নেলকে খুঁজে পাবে, যেকোনো উপায়েই হোক তার দলের সাথে ভিড়ে যাবে

আর কর্নেলকে নেতৃত্ব থেকে সরিয়ে দিবে।

কর্নেলকে সরিয়ে দিব?

জঙ্গলে সে শাসন-ত্রাসন ছাড়াই কাজ করে যাচ্ছে,

কোন ধরণের মানবিক আচরণকে নূন্যতম পাত্তা না দিয়ে।

সে এখনও ফিল্ডে, সেনাদলের নেতৃত্ব দিচ্ছে।

মৃত্যু পুরোপুরি নিশ্চিত করবে।

শুনে রাখো, ক্যাপ্টেন, এই মিশনের কোন অস্তিত্ব নেই, ভবিষ্যতে কখনো থাকবেও না।

এরই মাঝে আমি কতজন মানুষ খুন করেছি?

ছয়জনের মৃত্যু নিশ্চিত করার জন্য... আমি এতটাই কাছে ছিলাম যে ওদের শেষ নিঃশ্বাসটা পর্যন্ত আমার মুখের ওপর আছড়ে পড়েছিল।

কিন্তু এবার শিকার ছিল একজন আমেরিকান সেই সঙ্গে একজন অফিসার।

আমার কাছে এটা কোন ব্যাপারই ছিল না, কিন্তু হয়েছিল।

বাল, এই অঞ্চলে কারো উপর খুনের অভিযোগ আনা মানে হলো, দ্রুত গতিতে গাড়ি চালানোর অপরাধে রেসিং কারকে জরিমানা আরোপ করা।

আমি মিশনটা গ্রহণ করেছি। তাছাড়া আর কী করার ছিল?

কিন্তু আমি আসলেই জানতাম না তাঁকে পেলে কী করব।

- ট্যাংক চেক করেছিস? - হ্যাঁ।

আমি একটা নেভি পিবিআর বোটে চেপে উপকূলের কোল ঘেঁষে ভেসে চলছিলাম।

একধরণের প্লাস্টিক পেট্রোল বোট, যা নদীতে হরহামেশা নজরে পড়ে।

সবাই বলছিল কারও নজর এড়িয়ে তথ্য সংগ্রহ করতে করতে এগিয়ে যাওয়ার এটাই ভাল উপায় আর তাতে কাজও হয়েছিল।

আমার খোলা হাওয়া আর সময়ের দরকার ছিল।

একমাত্র সমস্যা হলো, আমি একা ছিলাম না।

মর্নিং, ক্যাপ্টেন।

ক্রুরা প্রায় সবাই ছিল কচি বয়সের।

ফুটানিতে ওস্তাদ, ওদিকে এক পা কবরে।

- বয়স কতো তোমার? - ১৭।

মেশিনিস্ট, যাকে সবাই শেফ ডাকত, সে এসেছিল নিউ অরলিন্স থেকে

সে ভিয়েতনামে খুব চাপের ভিতরে থাকত। খুব সম্ভবত এই চাপটা নিউ অরলিন্সেও ছিল।

ল্যান্স, পঞ্চাশের দশকে দক্ষিণ লস এঞ্জেলসের বেলাভূমিতে বিখ্যাত সার্ফার ছিল।

ওকে দেখে কিছুতেই মনে হতো না, জীবনে কখনো অস্ত্র চালিয়েছে।

ক্লিন, মি. ক্লিন, দক্ষিণ ব্রঙ্কসের কোন বস্তি থেকে উঠে এসেছিল,

আমার ধারণা ভিয়েতনামের মায়াজালে জড়িয়ে তার মাথা পুরোটাই বিগড়ে গেছে।

আর ছিল ফিলিপস, ওরফে চীফ।

মিশনটা হয়ত আমার ছিল, কিন্তু নিঃসন্দেহে বোটটা ছিল চীফের।

আর দুটো পয়েন্টের স্রোত পাড়ি দিয়ে আমরা নাং রিভারে ঢুকতে পারব।

দুটোতেই বিপদ, চার্লির (শত্রু) দখলে।

- ওটা নিয়ে ভেবো না। - সিগারেট খাই না।

জানেন, আগেও আমি স্পেশাল অপসদের এখানে এনেছি।

প্রায় ছয় মাস আগে, একজনকে ডু লাঙের সেতুর ওপারে রেখে এসেছিলাম।

সেও সরকারী সেনা ছিল।

শুনেছি ব্যাটা গুলি করে নিজের মগজ উড়িয়ে দিয়েছে।

প্রথমে আমি ভেবেছিলাম ওরা আমার হাতে ভুল ফাইল তুলে দিয়েছে।

নিজের চোখকে বিশ্বাস করতে পারিনি এই লোককে ওরা মারতে চায়।

থার্ড জেনারেশন ওয়েস্ট পয়েন্ট, নিজের লাইনে সেরা লোক,

কোরিয়া, এয়ারবোর্ন, হাজারো পদক, ইত্যাদি, ইত্যাদি।

More Bengali subtitles for Apocalypse Now

Komen

No comments yet. Be the first to leave one.

Keep it about this subtitle — sync, quality, typos.500 characters left