200 baris pertama.
=== সাবটাইটেল অনুবাদক === মোঃ কামরুল হাসান শিমুল
=== সাবটাইটেল অনুবাদক === মোঃ কামরুল হাসান শিমুল
=== সাবটাইটেল অনুবাদক === মোঃ কামরুল হাসান শিমুল
=== সাবটাইটেল অনুবাদক === মোঃ কামরুল হাসান শিমুল
কাজ শেষ করো!
কুটিরে ফিরে যাও।
হ্যাঁ, এই লাশগুলো?
নতুন বন্দীরা আমাদের কবর খুঁড়তে দেখলে, দৌড়াদৌড়ি শুরু করবে।
রসিকতার সময় নেই, কাজ শেষ করো!
খুঁড়ো, খুঁড়ো।
আমাদেরকে অসুস্থতার তালিকাভুক্ত করা যায় না?
দয়া করুন, ক্যাপ্টেন। হাসপাতালে ভর্তি করে দিন।
তুমি তো অসুস্থ নও, তুমিও নও।
কেন সবসময় অসুস্থতার ভান করো?
এদের মতো মরতে চাই না বলে।
ক্যাপ্টেন কানেমাতসু...
একটি পিপা দিলে?
পিপা তো সকালে আমিই দিলাম, দু'জনকেই।
মানে, আমিও প্রতিদান দিতে চাই।
কেউ যখন হৃদয় থেকে কোনো উপহার দেয়...
... যেমন আপনি আমাকে পিপা দিলেন, আমি অন্তর থেকেই নিয়েছি।
সেই জন্য...
... আপনিও লাইটারটি রাখুন।
ভাবছেন চুরি করেছি?
এক ইংরেজ সৈন্যে দিয়েছে আমাকে, যাকে কবর দিয়েছি।
স্মৃতিস্বরূপ সে আমাকে দিয়েছে।
মৃত্যুর আগে আমিও আপনাকে এটি দিতে চাই।
মজার আছো তোমরা।
ওকে, তুমি অসুস্থ তালিকায় যাবে, তাঁকেও দিবো।
কর্নেল সাইতোর কাছে ধরা খেলে তাঁকে আনার জন্য ...
... তখন কোথায় যাবো?
তা হবার আগেই আমরা পালিয়ে যাবো।
অনেক দূরে।
ওকে, শুরু করি।
এখানে শায়িত আছে....
যাকে কবর দিয়েছি তাঁর নাম ভুলে গেছি।
থম্পসন।
হ্যাঁ।
শায়িত আছে কর্পোরাল হার্বার্ট থম্পসন...
... ক্রমিক নাম্বার ০১২৩৪৫৬৭...
রাজা বা রানীর সাহসী সদস্য...
... বেরিবেরি রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে, ১৯৪৩ সালে...
...মহান গৌরবের জন্য....
- কীসের জন্য মারা গেছে? - আরে বাদ দাও।
কবর নিয়ে তামাসা ভালো নয়।
আমি কবর বা লাশ নিয়ে তামাসা করি না।
সৃষ্টিকর্তা তোমাকে শান্তিতে রাখুন।
বেঁচে থাকতে একটুও শান্তি পায়নি।
সৈন্যদল, কুচকাওয়াজের সময়!
কুচকাওয়াজ হবে!
দাঁড়াও।
সারিবদ্ধ হয়ে বামে ঘুরো।
আরামে দাঁড়াও।
কবর খোঁড়ার কাজ বেড়ে যাবে মনে হচ্ছে, ওয়েভার।
দাঁড়াও, দাঁড়াও।
কর্নেল জানেই না তাঁর আসার উদ্দেশ্য।
- সত্যি কথা জানিয়ে দেবে? - একদম না।
তুমি অফিসারও নও, ভদ্রলোকও নও।
আমার নাম নিকোলসন।
আমি কর্নেল সাইতো।
মহামান্য সম্রাটের নামে...
... সবাইকে স্বাগত জানাচ্ছি।
আমি এই ক্যাম্পের কমান্ডিং অফিসার...
... ক্যাম্প নাম্বার ১৬...
... রেলপথের জন্য গঠিত...
... যা ব্যাংকক এবং রেঙ্গুনকে সংযুক্ত করবে।
বৃটিশ বন্দীদের নির্বাচন করা হয়েছে...
... কাওয়াই নদীর ওপর সেতু তৈরি করতে।
কাজটি হবে মনোরম, খাটাতে হবে দক্ষতা।
সৈন্যদের সাথে অফিসারও কাজ করবে।
জাপানি সেনাবাহিনী কাউকে বসে বসে খাওয়াবে না।
কঠোর পরিশ্রম করলে ভালো আচরণ পাবে।
কাজ না করলে...
... শাস্তি দেওয়া হবে।
পলায়ন সম্পর্কে বলি।
এখানে কোনো কাঁটাতার নেই।
কোনো সীমানা-প্রাচীর নেই।
কোনো পর্যবেক্ষণ-মিনার নেই।
এগুলোর দরকারও নেই।
আমরা জঙ্গলের একটি দ্বীপে আছি।
পলায়ন অসম্ভব।
জীবন হারাতে হবে।
আজ বিশ্রাম নাও, কাল থেকে কাজ শুরু হবে।
জেনারেল ইয়ামাশিতার আদর্শবাণী মনে রাখবেঃ
কাজ উপভোগ করো।
কাজ উপভোগ করো।
যেতে পারো।
সৈন্যদল, আরামে দাঁড়াও।
মেজর হিউজ।
সৈন্যদল, আরামে দাঁড়াও।
সবাইকে বাসস্থানে পাঠাও, দেখো কেউ অসুস্থ আছে কি না।
আমি একটু কথা বলে আসি। কর্নেল!
কেবলই আপনার মন্তব্য শুনলাম, স্যার।
বৃটিশ সৈন্যদের যেভাবে চাইবেন আমার লোকদের সেভাবেই পাবেন।
তাঁদের আচরণের জন্য আমি আর আমার অফিসাররা দায়ী থাকবো।
অফিসারদের শারীরিক শ্রমের ব্যাপারটি বিবেচনা করতে হবে...
... যা জেনেভা কনভেনশন দ্বারা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।
তাই নাকি?
আমার কাছে কনভেনশনের একটি প্রতিলিপি আছে...
... আপনি একটু চোখ বুলিয়ে দেখতে পারেন।
দরকার হবে না।
বসো, সবাই।
জ্বি, স্যার।
- ক্লিপ্টনের সাথে কথা বলে আসি। - আচ্ছা, স্যার।
ক্লিপ্টন, বিরক্ত করছি না তো।
- হাতের অবস্থা কেমন? - সুস্থ হচ্ছে।
স্যার, উনি যুক্তরাষ্ট্র নৌবাহিনীর কমান্ডার শিয়ার্স।
- বেশ। - কেমন আছেন, স্যার?
উনাকে আর এক অস্ট্রেলিয়ানকে পেয়েছি।
উনারা বন্দীদের বাকি অংশ, যারা ক্যাম্পটি তৈরি করেছে।
যুক্তরাষ্ট্র নৌবাহিনী? এখানে?
নাবিক হিসেবে আটকা পড়েছি।
- জাহাজ ডুবেছে? - দ্যা হিউস্টন।
কোনোমতে তীরে ভিড়িয়েছি, কিন্তু অন্যদের থেকে আলাদা হয়ে গেছি।
আর যারা ছিলো?
বেশিরভাগ অজি, কিছু লাইম...
... বৃটিশ, ভারতীয়, বার্মিজ, সিয়ামিজ।
তাঁদের কী হয়েছে?
মারা গেছে...
... আক্রান্ত হয়ে ম্যালেরিয়া, আমাশয়, বেরিবেরি, গ্যাঙরীন।
মৃত্যুর অন্যান্য কারণঃ
খাদ্যাভাব, অত্যধিক খাটুনি, বুলেটে আহত, সাপের কামড়...
... আর সাইতো।
অনেকে যন্ত্রণায় অতিষ্ঠ হয়ে মারা গেছে।
ক্লিপ্টন তোমাকে দেখেছে?
কথা শুনুন, স্যার। এদিকে আসুন, কমান্ডার, দাঁড়ি পরে কাটবেন।
ঠিক আছে।
তুমি অফিসারদের সাথে থাকবে।
নতুন পোশাক দেয়া হবে।
আমাকে নিয়ে বিব্রত হবেন না।
অসুস্থ তালিকা থেকে বাদ দেয়া নিয়ে আমি চিন্তিত নই।
তাছাড়া, এটাই কাজের পোশাক।
তোমার অফিসাররা শারীরিক পরিশ্রম করেছে?
বলতে পারেন।
আসলে, কর্নেলের সাথে কথা বলেছি কি যেনো নাম...
সাইতো।
- এখন বুঝতে পারবে। - বুঝবে?
হ্যাঁ, তাঁকে দেখে তো ন্যায়পরায়ণ মনে হলো।
তবুও আমি চেষ্টা চালিয়ে যাবো।
সন্ধ্যা ৭:০০ টায় অফিসারদের সভা হবে।
- প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের তালিকা দিও। - জ্বি, স্যার।
যা যা দরকার হয়।
ওহ, ধন্যবাদ, স্যার।
- কেমন লাগছে? - তেমন না।
বলতে থাকুন।
সাইতোকে অনেক নামে ডাকতে পারি...
... কিন্তু ন্যায়পরায়ণ, এটি সম্পূর্ণ নতুন।
হতে পারে কর্নেল নিকোলসন শব্দটি অন্য অর্থে ব্যবহার করেছেন।
কেউ কিছু বলবে?
- আপনার বক্তব্যানুসারে, স্যার? - হ্যাঁ, জেনিংস?
পলায়ন কমিটি সম্পর্কে বলবো, কমান্ডার শিয়ার্সের সাথে কথা বলেছি...
কোনো পলায়ন কমিটি থাকবে না।
বুঝতে পারছি না, স্যার। লেফটেন্যান্ট জেনিংসের পরিকল্পনা আছে।
হ্যাঁ, হ্যাঁ, জেনিংসের পরিলল্পনা আছে, কিন্তু পলায়ন?
কোথায়? এই জঙ্গলে? ঐ সাইতো ঠিকই বলেছে...
কাঁটাতারের দরকার হয়নি। ১০০ জনের মধ্যে ১ জন হয়তো পারবে।
কমান্ডার শিয়ার্স তাঁর অভিজ্ঞতার কথা বলবেন।
হ্যাঁ, বলতে গেলে ১০০ জনে একজন সফল হয়।
- ঠিক। - কিন্তু আরও একটি কথা আছে?
বলো।
এই ক্যাম্পে বেঁচে থাকাদের ভাগ্য আরও বেশি ভয়াবহ।
কবরস্থান তো দেখেছেন, ভয়াবহতার জ্বলন্ত প্রমাণ।
পালানোর চিন্তা বাদ দেয়া...
... হাল ছেড়ে দেয়া মৃত্যুকে আলিঙ্গন করার শামিল।
তুমি কেন পালানোর চেষ্টা করোনি, কমান্ডার?
সুযোগ, সঠিক সময়, সঠিক সঙ্গীর অপেক্ষায় আছি।
তোমার দুঃখ বুঝতে পেরেছি।
অবশ্য, স্বভাবতই একজন বন্দী সৈন্য পালানোর চেষ্টা করবে।
কিন্তু আমার আর আমার বাহিনী একটি উদ্দেশ্য নিয়ে এসেছি...
... যা তোমার অজানা।
সিঙ্গাপুরে আমাদেরকে আত্মসমর্পণের আদেশ দেয়া হয়েছে সদরদপ্তর থেকে।
আদেশপ্রাপ্ত, মনে রেখো।
সুতরাং, পালানোর চেষ্টা মিলিটারি আইনের লঙ্ঘন হবে।
- মজা না? - হ্যাঁ, স্যার, বিরাট মজা।
দুঃখিত, স্যার, ঠিক বুঝতে পারিনি।
আপনি আইনের কথাই বলছেন, এর পরিণতি ভাবছেন না?
শৃঙ্খলা ছাড়া সভ্যতা হয় না, কমান্ডার।
সেটাই তো বলছি, এখানে কোনো সভ্যতা নেই।
তাহলে সভ্যতা প্রচলনের এটাই সুযোগ।
পালানোর চিন্তা না করাই ভালো।
আর কিছু বলবে?
তাহলে আলোচনা-সভা শেষ।
কোনোপ্রকার দ্বিধা ছাড়া সকাল থেকে কাজ শুরু করবো।
আর মনে রাখবেঃ
আমাদের বাহিনী আমাদের কমান্ডে পরিচালিত হচ্ছে...
... জাপানি দ্বারা নয়।
এমন ধারণা যার যার থাকবে, সে হলো সৈন্য, ক্রীতদাস নয়।
তুমি কি একমত, কমান্ডার?
বেশ, আমি....
আশাকরি তাঁরা সৈন্য হিসেবেই থাকবে, কর্নেল।
কিন্তু আমি তো ক্রীতদাস মাত্র।
জীবন্ত ক্রীতদাস।
রামছাগল! গর্দভ আমেরিকান...
নিজেকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলল, বেচারা।
তাঁর থেকে দূরে থাকবে। শিক্ষা হয়ে থাকলো সবার জন্য।
ইংরেজ বন্দীরা!
খেয়াল রেখো, আমি ইংরেজ সৈন্যরা বলিনি।
আত্মসমর্পণের পরপরই, সৈন্যের মর্যাদা তোমরা হারিয়ে ফেলেছো।
সেতুর কাজ মে মাসের ১২ তারিখের মধ্যে শেষ করবে।
তোমরা জাপানি প্রকৌশলীদের অধীনে কাজ করবে।
No comments yet. Be the first to leave one.