200 baris pertama.
>>>>>
>>>>>
ফেসবুকে অনুবাদকের প্রোফাইল ★ Hossain Sadi
আমাদের ফেসবুক গ্রুপ ★ Bangla Subtitle
মাঝে মাঝে মনে হয় আমি অভিশপ্ত
আমার জন্মের পূর্বে ঘটা কোন ঘটনার ফলে।
বহু বছর আগের এক পরিবারের কথা,
পরিবারের বাবাটি ছিল গায়ক
সে আর তার পরিবার নেচে গেয়ে
নিজেদের সুখের জীবন পার করত।
কিন্তু তার আরেকটা স্বপ্ন ছিল
দুনিয়ার জন্য গান গাওয়া।
আর এক দিন...
সে তার গিটার নিয়ে বেরিয়ে পড়ল...
আর কখনো ফিরে আসেনি।
আর পরিবারের মা...
তিনি সেই গায়কের জন্য কেঁদে সময় নষ্ট করেননি
বরং তার জীবন থেকে গানবাজনার সকল চিহ্ন দূর করার পর...
তিনি তার মেয়ের রুজি যোগাড়ের জন্য একটা পথ খুঁজে পেলেন
তিনি নিজের প্রচেষ্টায়...
জুতা তৈরি করতে শিখলেন।
চাইলেই তিনি বানাতে পারতেন চকলেট
অথবা আতশবাজি
কিংবা কুস্তীগিরদের জন্য ঝিকিমিকি আন্ডারওয়ার।
কিন্তু না,
তিনি বেছে নিলেন জুতা।
তারপর তিনি তার মেয়েকে এই কাজ শেখালেন
এবং পরে শেখালেন তার মেয়ে জামাইকে
তারপর তার নাতিপুতিদেরও কাজে লাগিয়ে দিলেন
তার পরিবার ধীরে ধীরে বাড়তে লাগল সাথে তার ব্যবসাও
গানবাজনা তার পরিবারকে বিচ্ছিন্ন করে দিয়েছিল
কিন্তু জুতার ব্যবসা সেটাকে একত্রে বেঁধে রাখল
আর সেই মহিলাটি হলো...
আমার বড় দাদি...
মাম্মা ইমেলডা
আমার জন্মের বহু আগেই তিনি মারা গিয়েছেন।
কিন্তু আমার পরিবার এখনও তার গল্প বলে...
প্রতি বছর "দিয়া দে লস মুয়েরতস" অর্থাৎ, মৃতদের দিনে...
আর তার ছোট মেয়েটি? তিনি হলেন আমার বড় মা, মাম্মা কোকো
হ্যালো, বড় মা কোকো!
কেমন আছো, হুলিও?
আসলে, আমার নাম মিগেল
বড় মায়ের স্মরণশক্তি কিছুটা কমে গেছে
কিন্তু তার সাথে কথা বলতে ভালো লাগে।
তাই আমি তাকে সবকিছুই বলি
আগে আমি দৌড়াতাম এভাবে,
এখন দৌড়াই এভাবে, এটা দ্রুততর!
আর বিজয়ী হচ্ছে... মহামতি কোকো!
আমার এই গালে টোল পড়ে, কিন্তু এ গালে পড়ে না!
টোল আছে, টোল নেই!
মিগেল, খাবার খাও
আমার নানু, উনি বড় মা কোকোর মেয়ে
তুমি খুবই শুকনো, মিগু, আরেকটু নাও
না, ধন্যবাদ!
আমি বলেছি আরও টামালেস নিবে কিনা!
হ্যাঁ?
আমিও তাই ভেবেছিলাম!
নানুও মাম্মা ইমেল্ডার মতো করেই তার পরিবারকে চালায়
বাজনা নিষিদ্ধ!
গান চলবে না!
এসব চলবে না!
মনে হয় মেক্সিকোতে আমরাই শুধুমাত্র গানবাজনা ঘৃণা করি।
আর আমার পরিবারেরও এতে কোন সমস্যা নেই।
কিন্তু আমি...
লাঞ্চের আগেই ফিরে এসো, সোনা
তোমায় ভালোবাসি, মা!
আমি আমার পরিবারের মতো নই।
- হাই, মিগেল - হাই
- ধন্যবাদ! - স্বাগতম, মিগেল!
হেই, দান্তে!
বস! শুয়ে পড়!
ঘুরে যা
ঝাঁকি খা!
মুঠি মেলা
ভালো ছেলে, দান্তে!
জানি, আমার সঙ্গীতকে ভালোবাসা উচিত নয়,
কিন্তু এটা আমার দোষ নয়
এটা তার দোষ।
এরনেস্তো দে লা ক্রুজ
সর্বকালের সেরা সঙ্গীতকার!
এই চত্বরেই, তরুণ এরনেস্তো দে লা ক্রুজ
মেক্সিকোর ইতিহাসের সবচেয়ে জনপ্রিয় গায়ক
হওয়ার পথে, প্রথম পদচিহ্ন এঁকেছিলেন!
আমার মতো সেও শুরু করেছিল সান্তা সিসিলিয়াতে একজন নবিশ হিসেবে
কিন্তু যখন সে গাইত,
লোকেরা তার প্রেমে পড়তে বাধ্য হতো
সে মুভিতে কাজ শুরু করল
তার গিটারটা ছিল অস্থির
উড়তেও পারত সে!
আর সব সেরা গানগুলো সেই লিখেছিল!
কিন্তু আমার সবচেয়ে পছন্দেরটা হল...
সে এক স্বপ্নের মতো জীবন পার করেছিল...
তারপর ১৯৪২ সালে
একটা দানবীয় ঘন্টার নিচে সে চাপা পড়ে।
আমিও ঠিক তার মতোই হতে চাই
মাঝে মাঝে যখন আমি দে লা ক্রুজকে দেখি...
আমার এরকম অনুভূতি হয়,
যেন আমরা উভয়ে কোনভাবে সম্পৃক্ত
যেন সে গান গাইতে পারলে...
হয়তো একদিন আমিও পারবো!
খালি আমার পরিবার যদি বাধা না দিত।
অনেক হয়েছে বাছা!
হ্যাঁ?
আমি জুতা পালিশ করতে বলেছি, তোমার গল্প শোনাতে নয়।
ওহ, দুঃখিত
আসলে এসব কথা বাসায় কাউকে বলতে পারি না তো তাই
দেখো, আমি তোমার জায়গায় থাকলে,
সোজা গিয়ে আমার পরিবারকে বলতাম,
"আমি একজন গায়ক, এটা মেনে নাও!"
আমি কখনোই সেটা বলতে পারবো না
তুমি তো একজন গায়ক নাকি?
জানি না...
আমি শুধু নিজে নিজেই গেয়েছি
আহা! দে লা ক্রুজ কি নিজের প্রতিভা লুকিয়ে রেখে
দুনিয়ার সেরা সুরকার হয়েছে?
না!
সে এই প্লাজায় এসেছে
জোর গলায় গেয়েছে!
দেখো, আজ রাতেই প্রতিযোগিতা হচ্ছে
"দিয়া দে মুয়েরতস" উপলক্ষ্যে গানের প্রতিযোগিতা
তুমি তোমার হিরোর মতো হতে চাও? তাহলে তোমার নাম লেখানো উচিত!
আমার পরিবারের মাথা খারাপ হয়ে যাবে!
দেখো, বেশি ভয় পেলে জুতা বানিয়েই খুশি থাকো
আরে দে লা ক্রুজ সবসময় কী বলত?
নিজের সুযোগকে ছিনিয়ে নাও?
দেখাও তোমার কারিশমা, বালক!
আমিই হবো তোমার প্রথম শ্রোতা।
মিগেল!
হায়!
নানু!
কী করছ তুমি এখানে?
আম... মানে...
তুই আমার নাতির কাছ থেকে দূরে থাকবি!
ক্ষমা করুন! আমি কেবল জুতা পালিশ করাচ্ছিলাম।
তোর ধান্ধা আমি বুঝেছি, মারিয়াচি!
ও তোমাকে কী বলেছে?
উনি কেবল তার গিটারটা দেখাচ্ছিলেন।
লজ্জা করা উচিত!
আমার নাতিটা ছোট্ট সুন্দর
কুচুকুচু সোনামণিটা!
তোর গানে ওর কোন আগ্রহ নেই, শয়তান
তুই ওর থেকে দূরে থাকবি।
ওরে আমার জাদুটা!
কোন ভয় নেই, সোনা
তুমি জানো যে এখানে তোমার থাকা উচিত নয়।
এখনই বাড়ি চলো।
কতবার আমরা তোমাকে বলেছি?
ওই প্লাজা মারিয়াচিতে ভরা!
হ্যাঁ, আঙ্কল বের্তো
না, না!
যা, ভাগ!
ও দান্তে
রাস্তার কুকুরকে কখনো নাম দেবে না
নাহলে ওরা চিরজীবন তোমার পেছনে লেগে থাকবে।
এখন যাও আমার জুতা নিয়ে এসো
তোমার ছেলেকে মারিয়াচি প্লাজায় পেয়েছি।
তাই, মিগেল?
তুমি জানো তোমার নানু প্লাজাকে কেমন চোখে দেখে
আমি কেবল জুতা পালিশ করছিলাম!
একজন গায়কের জুতা!
কিন্তু ওখানেই সবচেয়ে বেশি খদ্দের পাওয়া যায়
নানু যখন বলেছে, প্লাজায় যাবে না তখন যাবে না।
কিন্তু আজ রাতে যদি যাই?
আজ রাতে কী হবে?
ওখানে একটা ট্যালেন্ট প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছে।
- আর আমি ভাবলাম ওখানে... - নাম লেখাবে?
হয়তো?
ওখানে যেতে হলে তো ট্যালেন্ট থাকা লাগবে।
তুমি কী করবে? জুতা পালিশ!
আজ "দিয়া দে লস মুয়েরতস" কেউ কোথাও যাচ্ছে না।
আজ পরিবারকে সময় দিতে হবে।
বেদীর রুমে চলো।
এভাবে তাকিও না।
"দিয়া দে লস মুয়েরতস" হচ্ছে বছরের সেই রাত
যে রাতে আমাদের পূর্বপুরুষেরা আমাদের দেখতে আসে,
আমরা বেদীতে তাদের ছবি প্রতিস্থাপন করি
যাতে তাদের আত্মা এই পৃথিবীতে আসতে পারে।
এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
ছবি না রাখলে তারা আসতে পারবে না।
আমরা খাবার দাবার তৈরি করি
তারা যা ভালোবাসত সেসব এনে সাজিয়ে রাখি।
এই সব কিছুই করা হয় পরিবারকে একত্র করার জন্য।
তাই আমি চাই না সে সময় তুমি যেখানে সেখানে ঘুরে বেড়াও
এই! কোথায় যাচ্ছিস?
- ভেবেছিলাম তোমার কথা শেষ - ওরে সোনা আমার,
পরিবারের সদস্য হওয়ার মানে হচ্ছে পরিবারের পাশে থাকা,
আমি চাই না তুই ওই...
মাম্মা কোকোর বাবার মতো হয়ে যাই?
কখনো ওই লোকের নাম বলবি না!
ওনাকে ভুলে যাওয়াই মঙ্গল!
- কিন্তু তুমিই তো... - এই চুপ!
- আমি তো কেবল... - শশ!
- কিন্তু... - চুপ
- আমি... - একদম চুপ
বাবা?
বাবা বাড়ি ফিরেছে?
মা, শান্ত হও
বাবা কি ফিরছে?
না মা, আমি তোমার পাশে আছি।
তুমি কে?
No comments yet. Be the first to leave one.