ആദ്യത്തെ 200 വരികൾ.
আঁধার ঘনিয়ে আসলে, আমাদের এখানে থাকা উচিত নয়।
গুহার মুখেই ফাঁদটা পাতো, দয়া করে।
ডাক্তার লাগবে নাকি আপনার?
আমিই ডাক্তার।
খুব অদ্ভুত, তাই না?
তুলার মত হালকা শরীর ভ্যাম্পায়ার বাদুরদের,
কিন্তু তার দশগুণ বড় প্রাণীকেও নিমিষে শেষ করে দেয়।
ওয়াও
ফাঁদ হিসেবে কী ব্যবহার করবেন?
তুমি হবে ফাঁদ?
আমি যাচ্ছি।
টাকা দিন আমার।
সূর্য ডোবার আগেই।
সাথের ওই চাপাতি দাও, দিয়ে দিচ্ছি টাকা।
অনুবাদে - সাবটাইটেল হাট
অনুবাদক - তাহমিদ শাহরিয়ার সাদমান তামীম ইকবাল রফিকুল রনি কুদরতে জাহান
বাংলায় সাবটাইটেলটি ভালো লাগলে গুড রেটিং দিতে ভুলবেন না।
এই তো।
সরো!
এখানে তোমার আরও ভালো যত্ন হবে।
সবাই তোমার সাহায্যের জন্য আছে এখানে।
মাইকেল, ওর নাম লুশিয়ান। লুশিয়ান, মাইকেল।
এখানকার ব্যাপারে, মাইকেল আমার চেয়েও ভালো জানে।
ভালো আচরণ কোরো।
হ্যালো।
হ্যালো, মাইলো।
আমার নাম লুশিয়ান।
এখানে আগে যে ছিল, ওর নাম ছিল মাইলো।
না।
সে-ও ছিল নতুন মাইলো।
তার আগেরজন ছিল আরেকটা নতুন মাইলো।
প্রথম মাইলোর কথা, আমার মনেও নেই।
কতদিন যাবত এখানে আছ?
যতদূর স্মৃতি মনে পড়ে, এখানেই আছি।
- আর তাতেও আরোগ্য হওনি? - কোনো আরোগ্য নেই এ রোগের।
আমাদের ডিএনএতে কিছু একটা নেই।
যেন ধাঁধার একটা টুকরো নেই।
আর যতদিন না এটা কেউ খুঁজে পাবে
দিনে তিনবার গাড়িতে তেল ভরতে হবে (রক্ত সঞ্চালন)
কী করতে, যদি তুমি স্বাভাবিক হতে?
এক ঘণ্টার জন্য হলেও?
আমি এসব নিয়ে ভাবি না।
ওদের দেখো! দেখো হতচ্ছাড়া রোগীগুলোকে!
স্কুল শেষের পর, বাইরে না যাওয়াই ভালো।
স্পার্টান যোদ্ধাদের মতোই,
অনেকের ভিড়ে, আমরা আলাদা।
মাইলো?
মাইলো?
নার্স?
লুশিয়ান...
লুশিয়ান!
এটা দিয়ে?
একদল বিজ্ঞানী মিলে এ যন্ত্র বানিয়েছে,
আর তুমি এটা কলম দিয়েই ঠিক করে ফেললে?
অসাধারণ শিশুদের জন্য নিউ ইয়র্কে একটা স্কুল আছে।
আমি চাইলে সেখানে তোমার পড়ার ব্যবস্থা করাতে পারবো।
আর তোমার সেবাযত্নের বিশেষ ব্যবস্থাও।
সেখানে তুমি জ্ঞানার্জন করবে, নিজের প্রতিভা কাজে লাগাতে পারবে।
তুমি অসাধারণ, মাইকেল।
তাই সেটাকে কাজে না লাগালে, আমি নিজেকে ক্ষমা করতে পারবো না।
"প্রিয় মাইলো
"এটাই শেষ দেখা নয়
"আমি আমাদের জন্য একটা ওষুধ বের করবো
"যেন বুড়ো হয়েও একসাথে গ্যাঁজাতে পারি।
"তোমার বন্ধু, মাইকেল
"পরিশিষ্ট: তোমার এটার ভাঁজ খোলা উচিত হয়নি
"এখন এটা আর আগের মতো হবে না
এই গ্রীষ্মে দেখা হবে।
না।
"প্রিয় মাইলো..."
দয়া করে, আমার চিঠি ফেরত দেবে?
- কী? - আমার চিঠিটা ফেরত দেবে, প্লিজ?
এইতো। এখানে।
প্লিজ!
প্লিজ!
প্লিজ!
থামো।
ভাগো!
আমাকে দেখতে দাও৷ দেখতে দাও।
আমার চিঠি নিতে চেয়েছে ও!
মাইলো, মাইলো, থামো।
থামো। থামো, থামো।
মাইলোর কী হবে?
আমি মাইলোর খেয়াল রাখবো।
ওর আমাকে দরকার।
মাইকেল মরবিয়াস মাত্র ১৯ বছর বয়সেই ডক্টরেট শেষ করেন।
আর খুব দ্রুততার সাথে নিজেকে
রক্তরোগের ক্ষেত্রে একজন দিকপাল হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠা করেন।
তার তৈরিকৃত কৃত্রিম রক্ত
পেনিসিলিনের চেয়েও বেশি জীবন বাঁচিয়েছে।
মাইকেল মরবিয়াস,
দয়া করে এগিয়ে আসুন,
এই সম্মানসূচক পুরষ্কারটি গ্রহণ করার জন্য,
যা দেবেন আমাদের মহামান্য, সুইডেন এর রাজা।
বিশ্বাসই হচ্ছে না, তুমি সুইডেনের রাজাকে এভাবে অপমান করেছ।
রাজা, রানী, তাদের বিশ্বস্ত অনুচর,
পুরো স্ক্যান্ডিনেভিয়া, আর সমগ্র বিজ্ঞানপিপাসু গোষ্ঠীকেই করলাম।
হ্যাঁ, কে করে এসব?
অ্যানা, তুমি জানো, সবারই কিছু না কিছু বাতিক থাকে।
কিন্তু, আমি তো প্রোগ্রামটা চালু রেখেছি।
এই যে তুমি।
- হাই, ডা. ব্যানক্রফট। - হাই, অ্যানা।
- আজ খেলবেন? - না, আজ বোধহয় হবে না।
যেহেতু ডা. মরবিয়াস ফিরে এসেছেন,
কিছুদিন উনার কাছে হারো,
- দেখো কেমন লাগে। - তা হবে না।
- মাইকেল? - হ্যাঁ?
- একটু সময় হবে? - অবশ্যই।
নতুন খেলনা। কালেকশনে রেখো।
ডাঃ মরবিয়াস ঝামেলায় পড়েছেন।
আমি ঝামেলায় পড়েছি।
"আমি এমন কোনো পুরষ্কার নিতে পারি না,
যেটা কিনা একটা ব্যর্থ পরীক্ষার ফল।"
- ল্যাব ১ এ আসো। - প্রথম পাতার খবর।
"আমেরিকান বিজ্ঞানীর নোবেল পুরষ্কার প্রত্যাখ্যান"
জানো, মানুষ যে টাকা দিতে আসলেই ভালবাসে,
নোবেল বিজয়ীদেরকে?
এতে তাদের বিনিয়োগের প্রতি আস্থা বাড়ে।
যদি ওদেরকে ভাও মেরে চাঁদাবাজি করতে কাজ হতো।
তুমি নিজের উপর বেশি
চাপ নিচ্ছ।
আমাদের দয়ালু পৃষ্ঠপোষক, মাইলো,
জানে তুমি এখানে কী করছ?
আমি কী করছি এখানে?
বাঁদুরের সাথে মানুষের ডিএনএ মেশাচ্ছ।
- তোমার কথার আগামাথা কিছুই.. - বুঝতে পারছ না?
এখন বোঝা যাচ্ছে?
কিছুই বোঝা যাচ্ছে না...
আচ্ছা। এখন হয়ত, তোমার স্মৃতি ফিরবে।
আমি হলে কিন্তু ওখানে যেতাম না।
এটা একটা...
- মাছের ট্যাংকি। - হুম
মানে..
উড়ন্ত স্তন্যপায়ীদের জন্য।
ওহ, তাই দেখছি।
কোস্টারিকা থেকে এদের নিয়ে এসেছি।
তা আমাকে কখন বলতে এসব?
তার আগে, আমার পাসকোড তুমি কীভাবে পেলে?
পাইয়ের প্রথম ৬ সংখ্যা, উল্টোভাবে।
তোমার সব পাসওয়ার্ডই তো এটা।
তোমার ওটা পাল্টানো উচিত।
তুমি এর জন্য লাইসেন্স হারাতে পারো।
আমার ওটার আর বেশি দরকারও নেই, ডাক্তার।
কিন্তু, তোমার, অনেকদিন লাগবে।
একটা টার্ম শুনেছ, প্লজিবল ডিনায়াবিলিটি (স্বার্থকেন্দ্রিক গোপনীয়তা)
আমাকে ধন্যবাদ দেওয়া উচিত তোমার।
এ পৃথিবীতে ওরাই একমাত্র স্তন্যপায়ী
যারা শুধু রক্তই খাদ্য হিসেবে বেছে নিয়েছে
আর সেটা পান করতে,
ওদের লালারসে এক বিশেষ এন্টিকোয়াগুলেন্ট (জমাট-রোধক) থাকে।
তো তুমি বলছ, সেটা আলাদা করে
যদি তোমার জিনের সাথে জোড়া লাগাও,
তোমার শরীর তবে সক্ষমতা অর্জন করবে,
একই এন্টিকোয়াগুলেন্ট তৈরির।
হ্যাঁ
একটা প্রতিকার পাবো আমরা।
কীসের বিনিময়ে?
বিভিন্ন প্রজাতির বৈশিষ্ট্যের সমন্বয়
আমরা নিজেদের শরীরে ধারণ করে চলেছি।
ভাইরাসেরা আমাদের নিউক্লিয়িক এসিডকে
লক্ষ কোটি বছর ধরেই পালটিয়ে চলেছে।
সেটা বিবর্তনের ধারা। এটা তা না।
আমি তেমনটা ভাবি না।
আমাদের গণ্ডির বাইরে যেতে হবে, ঝুঁকি নিতে হবে।
তা না করলে,
বিজ্ঞান বলে কিছু থাকে না।
নতুন ঔষধও আসে না।
আবিষ্কার থেমে যায়।
ঠিক আছে।
টেস্ট সাবজেক্ট ১১৭, কোষ জোড়া লাগানোর জন্য।
জেগে থাক, বাছা।
টেস্ট সাবজেক্ট ১১৭ এর ফলাফল...
ব্যর্থ।
আমি চাই না তোমাকে বিপদে পড়তে দেখতে।
আমার আরও আগেই মরার কথা, মার্টিন।
যদি এটা ঠিকই করতে না পারি, তবে কেন বেঁচে আছি?
আমার বেস্ট ফ্রেন্ড, মাইলোকে বাঁচাতে।
আর আমাদের মতো সবাইকে।
কিন্তু এভাবে না।
ডা. মরবিয়াস। অ্যানা অসুস্থ।
জ্বর খুব বেড়ে গেছে,
আর কিডনি শাটডাউনে চলে যাচ্ছে (রোগের নাম)।
স্ট্রোক করার আগেই, ওকে কোমায় পাঠাতে হবে।
১০০ মিলিগ্রাম প্রোপোফল দাও।
- অবশ্যই। - এক্ষুণি।
হায় খোদা।
ঠিক আছে।
ঠিক আছে সব। তুমি বেঁচে গেছ।
এই তো, হচ্ছে।
এই তো, হচ্ছে।
ধন্যবাদ, নার্স।
তুমি একটু ঘুমাও।
একটা লম্বা, শান্তির ঘুম।
- মাইকেল। - কী?
ওটা কাজ করেছে।
ডা. মাইকেল মরবিয়াস।
বসকে দেখতে একজন পঙ্গু লোক এসেছেন।
মাইকেল! এখানে এসো!
যতক্ষণ আমি পঙ্গু থাকবো, তুমিও আস্ত থাকবে।
- দেরি করে এসেছ। - আমি একটা জিনিস করছিলাম যার নাম
No comments yet. Be the first to leave one.