ആദ്യത്തെ 200 വരികൾ.
সাবটাইটেলটি উৎসর্গ করলাম প্রিয় Md Murad SRKian ভাইকে।
Ittefaq বঙ্গানুবাদেঃ মোঃ স্বপন সরকার।
আমি নিয়মিত সাবমেকার না, ভুল ত্রুটি ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।
নাম বিক্রম শেঠি, ৬ ফুট লম্বা... সে কালো গাড়িতে আছে।
সামনে থেকে ওভারটেক করো।
সব রাস্তায় ব্যারিকেড দেও!
কেউ তো সাহায্য করতে আসো।
কি হলো?
কেউ অ্যাম্বুলেন্স ডাকেন।
আপনি ঠিক আছেন?
- আপনি ঠিক আছেন? - সাবধানে...
কেউ পানি নিয়ে আসেন।
- স্যার, বিক্রম শেঠি। - কোথায়?
- ওখানে... - চল...
থাম...
থাম...
থাম!
থাম!
থাম বললাম, থাম!
কি করছো?
থাম!
থাম!
থাম, আর কত দৌড়াবি?
থাম!
আমি যখন তোকে ধরবো, দৌড়ানোর জন্য আফসোস করবি।
থাম।
থাম!
- খুঁজে পেয়েছিস? - না, খুঁজে পাইনি।
গাওড়ে, তুই ওখানে যা। আমি এখানটা দেখছি।
ওয়্যারলেসে কোনো সংকেত পেলেও আমাকে কল করবি।
ঠিক আছে, স্যার।
কি...
কন্ট্রোল রুম বিট নম্বর ৪
হ্যালো স্যার!
কী অবস্থা ওয়ারলি চেকপোস্টের?
সবকিছু ঠিক আছে, স্যার।
শিন্ডে, হাজি আলী রোডের রিপোর্ট করো।
ট্রাফিক জ্যাম আছে।
তাম্বে, ভিতরে আসো।
তাম্বে, ভিতরে আসো।
বিক্রম শেঠিকে শেষ দেখা গিয়েছিল পামস কোর্ট সোসাইটির কাছে।
- ওভার! - তাম্বে!
তাম্বে!
তাম্বে!
তাম্বে!
তাম্বে!
দরজা খোল!
তোর সমস্যা কি?
- তুই ঘুমাচ্ছিলি? - না, স্যার!
মুম্বাইয়ের বৃষ্টির কেনো ভরসায় নেই,
সতর্কতা ছাড়াই বৃষ্টি পড়া শুরু হয়।
চল, কাফ প্যারেড।
বিক্রম শেঠি আর বৃষ্টি, দুজনেই আমাদের পেরেশানে রাখছে।
আর তুই ঘুমাচ্ছিস।
স্যার, কাউকে দেখছি না।
- স্যার। - এখানে আয়।
- স্যার। - কোথায় ছিলে?
বাথরুমে, স্যার।
আজ সকাল থেকে ছয়বার গেছি।
মাছ আর ভাতের পরে দুধ খেয়েছিলাম।
- আর তারপর থেকে... - এতো বিস্তারিত বলার দরকার নেই,
আমরা স্কেচ তৈরি করছি না।
গ্রে কোট পরা কেউ এখানে এসেছে?
- প্রায় 6 ফুট লম্বা। - আসার চান্স নেই, স্যার।
কেন? তুমি বাথরুম থেকে সবকিছু দেখতে পারো,
কে আসছে বা যাচ্ছে?
তুফান আছে স্যার।
- এই তুফান? - খুবই বিপজ্জনক কুকুর, স্যার।
শেষবার দুজনের মেইন পয়েন্টে কামড় দিয়েছিল।
একটি কুকুর কিভাবে জানে মানুষের মেইন পয়েন্ট কোথায়?
আপনি নিজেকে পরীক্ষা করতে পারেন, স্যার।
- তাম্বে, চেক করতে যা। - স্যার।
- এ কুত্তে... - স্যার, তুফান।
তুফান...
- তীক্ষ্ণ দৃষ্টি। - জী স্যার।
স্যার, যদি কুকুরটি আমার মেইন পয়েন্টে কামড় দিত, তো?
হাসছেন কেন?
- মেইন পয়েন্ট... - আর আমি এখনো তো বাবা হতে পারিনি।
আমার বংশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য আমার একটা ছেলে দরকার।
- তাম্বে... - আপনার তো দুটো আছে।
তাম্বে...
নড়াচড়া করবে না!
তাম্বে, গাওড়ে!
ইত্তেফাক
আপনার সাথে আছি আরজে আনমোল।
কিন্তু সকাল থেকে আপনার সাথে আছে বৃষ্টি।
আমার পরামর্শ হল ঘরে বসে থাকুন। এই আবহাওয়ায় বাইরে যাবেন না।
হ্যাঁ।
বেবি... আমার সাদা শার্ট কোথায়?
ঠিক আছে।
ধন্যবাদ বেবি!
লাইট!
এটা সত্যিই মর্মান্তিক ঘটনা!
গোটা মুম্বই শহর এই নিয়ে কথা বলছে,
বিখ্যাত ঔপন্যাসিক বিক্রম শেঠিকে আজ পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
চল
এখানে কোনো সিসিটিভি ক্যামেরাই নেই।
সারা শহর জুড়ে লাগানো আছে, কিন্তু তা কোনো কাজে আসে কি?
আমি সাব-ইন্সপেক্টর গৌতম কোহলি...
আমি এখানকার ইনচার্জ। সবকিছু নিয়ন্ত্রণে আছে।
ক্রাম সিনে চা বানাচ্ছ?
মাথা খারাপ হয়েছে, না?
আসলে, স্যার...
সবাই রাত থেকে ঘুমায় নি।
সবাই ঘুমে বিভোর।
তাই আমি বললাম, এক কাপ চা খাওয়া যাক।
চা সকলকে সতেজ করবে, সেজন্য স্যার।
ভাগ্যিস ক্রাম বাড়িতে হয়েছে,
কোনো ডান্স বারে হয় নি।
নয়তো তোমরা টাকা উড়াতে।
না, স্যার... তেমন কিছু না।
- আদা দিয়েছ? - দিয়েছি।
কিন্তু এলাচ দেওয়া নেই।
আরে মশাই, আপনাকে কে মেরেছে?
সে তো কিছু বলছে না।
তুমি বলো,
স্যার, এটা খুবই হাই-প্রোফাইল কেস।
ইনি বিক্রম শেঠি, ইংল্যান্ডের একজন বিখ্যাত ঔপন্যাসিক।
এখন তার নতুন বইয়ের উদ্বোধনের জন্য ভারতে এসেছে।
তার বিরুদ্ধে ডাবল খুনের অভিযোগ রয়েছে।
প্রথমে তার স্ত্রী ক্যাথরিন শেঠি।
আর দ্বিতীয়জন এই আইনজীবী শেখর সিনহা।
- মৃত্যুর কারণ? - মাথায় আঘাত, স্যার।
টেবিলের উপর তার মাথা আঘাত করেন, যার ফলে তার মৃত্যু হয়।
এখানে দেখুন, স্যার।
খুনের চিহ্ন...
আমি ফরেনসিকে পাঠিয়েছি।
সবকিছু ক্লিয়ার স্যার, এভাবেই মৃত্যু হয়েছে।
তার মাথাযর ক্ষত দেখেছ?
এটা টেবিল দিয়ে হয় নি।
ভারী কিছু দিয়ে আঘাত করা হয়েছে।
সিকিউরিটি গার্ড হওয়ার উপযুক্ত না পুলিশে ভর্তি হয়েছে।
- এটা ল্যাবে পাঠাও। - ওকে স্যার।
- এটা পাঠিয়ে দে। - হ্যা...
- শ্রাবণ। -জী স্যার।
- এটি তদন্তের জন্য ল্যাবে পাঠা। - ঠিক আছে, স্যার।
এটা খালি, স্যার।
আর বাইরের টা?
তাম্বে, আমি তোকে বলেছিলাম না বাহিরের টা চেক করতে।
না স্যার।
- জী স্যার - তাহলে করনি কেন?
- স্যরি স্যার! - এখন যাও, চেক করো।
এই পোড়া জিনিস কি?
স্যার।
স্যার।
ঠিক আছে।
ঠিক আছে, বাই।
- জয় হিন্দ, স্যার। - স্যার।
বিক্রম শেঠির মামলার অগ্রগতি কতদূর?
আমরা এখনও প্রাথমিক পর্যায়ে আছি, স্যার।
আপনি তো ডিপার্টমেন্টের স্পিড সম্পর্কে জানেনি।
কেস শুরু করতেই এক সপ্তাহ সময় লাগে।
তিন দিনের মধ্যে মামলার সমাধান করতে হবে।
তিন দিনে তো নিখোঁজ কুকুর খুঁজে পাওয়া অসম্ভব
এটা তো ডাবল মার্ডারের কেস।
হেল্প করতে পারবো না।
মাত্র তিন দিন, কারণে এটা দীর্ঘ সপ্তাহ।
ততক্ষণে হয় তাকে চার্জ করো অথবা তাকে ছেড়ে দিতে হবে।
আমরা তাকে রিমান্ডে রাখতে পারি না।
- স্যার, আপনি কি সিরিয়াস? - সে একজন যুক্তরাজ্যের নাগরিক।
উপরমহলে বেশ হাত আছে।
আর অনেক রাজনৈতিক চাপ আছে।
তাহলে আমরা তাকে কেন যেতে দিচ্ছি না, স্যার?
তাকে ছেড়ে দেই।
যাই হোক এমন প্রবণতা হয়ে দাঁড়িয়েছে... ভারতে অপরাধ করো...
অন্য দেশে পালিয়ে যাও। কোনো সমস্যায় হবে না।
দেখো, আমাদের এটা করতেই হবে।
আর তুমি জানো, তুমি এটা করতে পারবে।
তোমার হাতে তিন দিন আছে।
জয় হিন্দ, স্যার।
স্যার, তিন দিনে কিভাবে সম্ভব?
যা তাকে জিজ্ঞেস করে নে।
এমনটা হয়...
দৌড়াতে দৌড়াতে হয়ে যায়।
বিক্রম শেঠি... লেখক তাই না?
মানে আমি সব সময়ই ভাবতাম লেখক মানে,
হোমস্পন শার্ট পরা, কাঁধে একটি ব্যাগ ঝুলানো,
বিশাল চটি জুতা পড়া।
কিন্তু তোমার দিকে তাকাও...
আমি দেব।
তোমার কেস, আমার অধীনে।
বাড়িতে বউকে কেন মারলে?
বোকা।
মাথেরাম নিয়ে যেতে
সুন্দর দৃশ্য দেখতে দেখতে ধাক্কা দিতে।
ও আহ আহ করে নিচে চলে যেত,
আর তুমি বাহ বাহ করে বাড়ি চলে আসতে।
কেউ সন্দেহ করতো না।
কি?
হ্যাঁ...
তোমার স্ত্রী মারা গেছে আর তুমি শোকে আছে!
ক্যাথরিন কোথায়?
চলো খেতে খেতে কথা বলা যাক।
কিন্তু "আমি নির্দোষ, আমি কিছু করিনি" এসব মাইনাস করে কথা বলি।
ঠিক আছে।
গত রাতে হায়াতে আমার বইয়ের লঞ্চ পার্টি ছিলো।
সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা থেকে সেখানে ছিলাম।
ক্যাট...
ক্যাথরিন বাড়িতে বিশ্রাম নিচ্ছিলো।
ধীর্ঘ সময় ধরে ট্রাভেল করায়
No comments yet. Be the first to leave one.