ആദ്യത്തെ 200 വരികൾ.
বঙ্গানুবাদেঃ- মোঃ স্বপন সরকার (SRKian)
This Subtitle Dedicated To SRKian Mosheur Rahman
আগুন জ্বালা
আগুন জ্বালা!
বাচ্চারা,কেমন আছো তোমরা?
- সবাই ভালো? - হ্যা।
রেইস! দোয়া,সালাম না দিয়েই
- সোজা কাজে নেমে গেছো। - আসসালামু আলাইকুম!
ওয়ালাইকুম আসসালাম!
- আজ সবচেয়ে বেশি মাল কে এনেছে? - আপনার জন্য পুরো মার্কেট নিয়ে এসেছি।
এই, এখানে আরও ক্যামিকেল ঢাল।
গুজরাট
স্বাধীন ভারতের একটি রাজ্য, যেখানে প্রতিদিনই ড্রাই ডে।
ড্রাই ডে মানে মদ কেনাবেচা বন্ধ।
মদ বিক্রির সময় ধরা পড়লে, দশ বছরের কারাদণ্ড।
কিন্তু, নিষেধাজ্ঞা বিদ্রোহের জন্ম দেয়।
আজও গুজরাটকে মাদকমুক্ত রাজ্য হিসাবে বিবেচনা করা হয়।
তবুও প্রতি বছর এখানে ২৫ হাজার কোটি টাকার অবৈধ মদ বিক্রি হয়।
রেইসের জন্ম না হলে এসব সম্ভব হতো না।
আমি নিয়মিত সাবমেকার না! ভুলক্রুটি ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখার অনুরোধ রইলো।
রেইস গোসল করে নে,
উম্বরগাঁও থেকে কাচ্ পর্যুন্ত
১৬০০ কিলোমিটার বিস্তৃত ভারতের দীর্ঘতম উপকূলরেখা,
আমাদের গুজরাটেরই অংশ।
রেইস, তুমি পড়।
পড়ো!
গুজরাট...
- গুজরাটের উত্তরে... - এখানে এসো।
আমি মারতে চাইনা, কিন্তু তোমরা মারতে বাধ্য করো।
চুপ।
এখন পড়ো।
ড
প
- র - খুব ভালো।
ওখানে গিয়ে বস।
চিন্তার কিছু নেই, আমিনাবেন।
রেইসের দৃষ্টিশক্তি কমে গেছ। এজন্য শুধু চশমা পড়তে হবে।
আজ চশমা পড়া তো জরুরী নয়?
আম্মি, আমি চশমা ছাড়া স্কুলে যাবো না।
কেন?
এটা স্কুল ফাঁকি দেওয়ার নতুন আইডিয়া নাকি?
এর দৃষ্টিশক্তি দুর্বল, কিন্তু মাথা তো টনটনা।
বোর্ডে কি লেখা আছে দেখতে পাই না। এবং মিস রত্না আমাকে মারছে।
তুমি কি বলছো? সে আমার টাইগারকে মারছে?
কত খরচ হবে?
টাকার চিন্তা করবেন না আমিনাবেন।
আপনি আমাকে পরে টাকা দিয়েন।
না ডাক্তার, আমি তাকে ধার করা দৃষ্টি দিতে চাই না।
একটা স্বচ্ছ দৃষ্টি দিতে চাই।
দুইতিন দিনের মধ্যে চশমা বানিয়ে নেবো।
আমি বিপদজনক অবস্থা দেখলে ভাইজান বলে সিগনাল দিবো।
তুই বুঝে নিবি।
দ্রুত যা।
ভাইজান!
ভাইজান!
- ভাইজান! - আরে!
কে ওখানে?
চশমা চোর!
ভাইজান!
চশমা চুরি করেছে!
- থাম, চোর! - হ্যালো গান্ধীজি!
থাম!
ইডিয়ট, এই বিনা গ্লাসের ফ্রেম কোথা থেকে এনেছো?
- গান্ধীজীর কাছ থেকে। - গান্ধীজির থেকে?
এটা চলবে না।
চলবে না।
তুই এক কাজ কর, আগামীকাল চলে আয়।
আমি তোর জন্য আসল চশমা তৈরি করবো, যা।
কিন্তু আমার কাছে কোনো টাকা নাই।
টাকা নাই?
তবে দুই টাকা ফি তে দিতেই হবে।
নিয়ম তো সবার জন্য এক!
এটা নিয়ে তাকে দিয়ে দে, সমস্যা সমাধান।
তালি দে
যা..... এই বোকা।
এখানে আয়।
গান্ধীজিকে তার ফ্রেম ফিরিয়ে দিও।
এটাতে তাকে খুব সুন্দর দেখায়।
যা।
এটা তো অসাধারণ, সাদিক। ঠিক দুরবীনের মতো!
দেখ,গান্ধীজি হাসছেন।
কাসেম গাড়ি পরিষ্কার করছে।
চাকোর সাইকেলে হাওয়া দিচ্ছে।
দেখ, পুলিশ ইলিয়াসের মদের আস্তানার দিকে যাচ্ছে।
আমাদের ব্যবসা বিপদে, সাদিক। চল জলদি।
জামিল, পরিষ্কার কর। সবকিছু পরিষ্কার কর।
মদের বাক্স, বোতল... সবকিছু লুকিয়ে ফেল।
বাহিরে কিছু রাখবে না!
দ্রুত
- কাউকে পালাতে দিবে না। - আসসালামু আলাইকুম।!
চারদিকে চেক করো!
কোথায় মদ লুকিয়ে রেখেছে খুঁজে বের করো!
- বস্তা চেক করো! - কিছু নেই স্যার।
এটা খোল!
তারাতারি কর! ভালভাবে খোঁজ করো,ওখানে কিছু পেয়েছো?
তুই এখানে আয়!
সিটি বাজানো তোর খুব পছন্দ,তাই না?
আমি কি তোর সিটি বাজাবো?
আরে!
- ওকে চড় মারলে কেন? - ওকে জিজ্ঞাস কর।
ওকে জিজ্ঞাস কর, কেন চড় মেরেছি।
ভিতরে এগুলো কি?
- মাল,আমার ব্যবসার মালামাল। - ব্যবসার মাল?
ব্যবসার মালামাল নাকি দাঙ্গার মালামাল?
ছায়ার আড়ালে উল্টাপাল্টা ব্যবসার করো, তাই না?
যেভাবে তুমি পুলিশের ধান্দা করো, আমি সেভাবেই ভাঙ্গারির ধান্দা করি।
একটা কথা ভালোভাবে শোন,
আমাদের কাছে কোনো ব্যবসা'ই ছোট নয়।
আর ব্যবসার চেয়ে কোনো ধর্ম বড় নয়।
গতরাতে ফতেপুরায় নকল মদ সেবন করে ১৪০ জনের মৃত্যু হয়েছে।
পুলিশ ইলিয়াস নামের এক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে।
আম্মি এটা কি সত্য, কোনো ব্যবসা'ই ছোট না?
আর ব্যবসার চেয়ে কোনো ধর্ম বড় না?
সত্য
তবে যতক্ষণ না এটা কারও ক্ষতি করে।
বুঝেছিস?
ঘুমা
দোস্ত, আমাদের পরিকল্পনা কি?
- এখন আমরা কিভাবে ইনকাম করবো? - আমরা মদ বিক্রি করবো।
চুতিয়া, ইলিয়াস তো জেলে গেছ, তোরও কি জেলে যাওয়ার শখ?
পুলিশ দেশি মদ বিক্রেতাকে গ্রেপ্তার করে, বিদেশি মদ বিক্রেতাকে গ্রেফতার করে না।
তো?
আমরা জয়রাজ শেঠের হয়ে কাজ করবো।
সে বিদেশি মদ বিক্রি করে।
আজ ডেলিভারি দেওয়া খুব কঠিন, অমিত ভাই।
কিন্তু আপনার জন্য একটা শেষ চেষ্টা করছি।
চান্দু!
সমস্যা কি?
চারপাশের রাস্তাঘাট বন্ধ করে দিয়েছে, ডেলিভারি আজ অসম্ভব।
- অমিত ভাই তিনবার ফোন করছে... - আমি যদি ডেলিভারি করি?
- এরা কারা? - এরা দুজনেই ইলিয়াসের হয়ে কাজ করতো।
ছয় বোতল আছে।
ডেলিভারি দিতে পারবি?
- আমি প্রতি বোতলে ৩ টাকা করে নেব। - এই, ব্যাটারি!
- কাজ করছিস না চাঁদাবাজি? - আরে!
- আমাকে ব্যাটারি বলা বন্ধ কর।! - মোটা চশমার পড়ে ঘুরছিস,
- ব্যাটারি বলবো না তো কি বলবো? -তোকে বললাম না ব্যাটারি বলবি না।
ব্যাটারি সালা.....
ঠিক আছে।
প্রতি বোতলে তিন টাকা।
এই, বোতল দে।
আমাকে ব্যাটারি বলবি না!
বুঝেছিস,না?
- কোথায় যাবে? - আমি এখানেই থাকি।
- তোমার লাইসেন্স দেখাও। - বাড়িতে আছে।
লাইসেন্স চেক করো।
- সাহেব,চেক করবেন না? - যা ভাগ এখান থেকে।
কাল থেকে ছেলেটাকে কাজে লাগাও।
বণিকের মতো বুদ্ধি এবং মিয়া ভাইয়ের ট্রেনিং, উভয় গুনাগুনই এর মধ্যে আছে।
সালাম, শেঠ।
সাদিক, নারোল চৌকিতে পুলিশ ঝামেলা করছে।
- রেইসকে বল চালানটি ক্লিয়ার করতে। - আমি দেখছি।
বস!
উঠ!
বস!
হাসতেছিস কেন?
টাকা রেখে দেন।
মাল ছেড়ে দেন।
যেতে দাও, হিসেব নিকেশ শেষ।
যেতে দাও!
হিসেব এখনো বাকি আছে।
কি খবর ভাই?
এখানে আসো।
- তোমার পকেট খালি ছিল, আমি ভরে দিয়েছি। - ঠিক।
তুমি হাওয়া ছেড়ে দিয়েছ, এখন ভরে দাও।
তাহলে হিসেব বরাবর হবে।
- আমি কিভাবে হাওয়া ভরবো? - ভর না!
কিভাবে ?
চল ফুক মার,হাওয়া ভর।
হাওয়া ভর।
ব্যবসায় সৎ হ, সময় এবং সম্মান উভয়ই বাঁচাবে।
ফুক মার না!
মাল আনলোড করি আমরা, তার গুদামগুলি পরিচালনা করি
আর লাভ সে নেয়! পেঁয়াজ দে।
জয়রাজের জন্য আর কতদিন কাজ করবো?
আমাদের নিজস্ব ব্যবসা শুরু করা যাক।
আমরা ব্যবসার জন্য উপযুক্ত না।
সবকিছু উপভোগ কর।
আমরা গুজরাটি,ব্যবসা আমাদের রক্তে।
এই ব্যবসায়, আমাদের সমর্থন প্রয়োজন, রক্তের নয়।
ব্যাকিং না,
সাহস দরকার।
জয়রাজের কথা ভুলে গেছ।
যোদ্ধার মতো নির্ভীক, ব্যবসায়ীর মতো বুদ্ধিমান
উভয়ই আছে আমার মধ্যে।
এটাও আমিই জিতবো উজ্জ্বল ভাই।
- এবার একটু দেখো রমনিক ভাই। - এই নাও আরও এক রাউন্ড।
আসসালামু আলাইকুম, শেঠ।
সালাম।
ও আমার গুডলাক টেক্কা নিয়ে এসেছে।
কেন মজা নিচ্ছেন, শেঠ!
আমরা টেক্কা না।
আমরা তো হুকুমের গোলাম।
আমার বাঘের মেজাজ আজ ভালো নেই।
কোনো সমস্যা?
শেঠ, অনেক বছর ধরে আপনার কাজ করছি।
আমি এখন আমার নিজের ব্যবসা শুরু করতে চাই।
ব্যবসা, কেন?
বেতন বাড়িয়ে দেব।
উপভোগ করতে থাক।
No comments yet. Be the first to leave one.