ആദ്യത്തെ 200 വരികൾ.
[ ই সাবটা ত্রুটিপূর্ণ ছিলো। অনেক সংলাপ সম্পূর্ণ ছিলো না। যথাসম্ভব সাবলীলতা বজায় রাখার চেষ্টা করা হয়েছে। আশা করি, উপভোগ্যতায় কমতি থাকবে না]
আমি পুলিশে যোগ দিয়েছিলাম এমন এক কাজের খোঁজে, যা আমাকে উদ্দীপিত করবে,
কাজে গিয়ে একঘেয়েমিতে ডুবে থাকার জন্য নয়।
গত ১০ ঘণ্টা আমার ক্যারিয়ারের সবচেয়ে উত্তেজনাপূর্ণ সময়।
মনে হচ্ছে আমি সব দিক থেকেই হেরে যাচ্ছি।
স্যার… একটা কথা বলবো?
২০১৫ সালে, আমি মাদুরাইয়ের এক থানায় কনস্টেবল হিসেবে কাজ করছিলাম,
একজন লোক এসে অভিযোগ করলো, তার মেয়ে আর নাতনি নিখোঁজ।
কেউই সে অভিযোগের তোয়াক্কা করলো না।
লোকটা প্রতিদিন থানায় আসত।
তখন থানায় এক নতুন সাব-ইন্সপেক্টর যোগ দিলেন।
সাব-ইন্সপেক্টর ওই বৃদ্ধ লোকটাকে আমলে নিলেন আর তার অভিযোগ গুরুত্ব দিয়ে দেখলেন।
তবে সহকর্মীরা খুব অসন্তুষ্ট হয়ে, ইচ্ছে করে নানা বাধা তৈরি করতে থাকল।
কিন্তু সাব-ইন্সপেক্টর সবকিছুকে পাশ কাটিয়ে বৃদ্ধর মেয়ে আর নাতনিকে খুঁজে বের করলেন।
কিন্তু তারা জীবিত ছিল না। মৃতদেহ পাওয়া গেল।
পোস্টমর্টেম রিপোর্টে বের হলো, খুনী একজন বিকৃত মানসিকতার লোক...
সেই সাইকো লাশগুলোর সাথেও যৌন সঙ্গম করেছিলো।
কেসের একমাত্র প্রমাণ ছিলো, লাশের ওপর পাওয়া মানুষের দাঁতের দাগ।
সন্দেহভাজনদের দাঁতের ছাপের সঙ্গে মিলিয়ে দেখা হয়েছিল,
কিন্তু কোনো মিল পাওয়া যায় নি।
কিন্তু সাব-ইন্সপেক্টর হাল ছাড়েননি।
পরে উনি ভাবতে থাকলেন,
থানার সবাই এই কেসটা এড়াতে চাইলো কেন?
শুধু তাই নয়, আমার তদন্তেও তারা বাধা দিচ্ছিলো।
তখন উনি থানার সবাইকে সন্দেহ করে একটা পার্টির আয়োজন করলেন।
পার্টিতে,
যখন সবাই খাওয়া শেষ করল,
সাব-ইন্সপেক্টর সবার প্লেটে একটা করে আপেল রাখতে বললেন।
আমরা সবার মাঝে আপেল বিলি করলাম।
কেউই পুরো আপেল শেষ করতে পারল না,
সবার পেট আগেই ভরে গিয়েছিলো!
আধখাওয়া আপেল গুলো তৎক্ষণাৎ ফরেনসিক ল্যাবে পাঠানো হল।
আর তখনই মিল পাওয়া গেল…
আর সেটা ছিলো ওই থানার ইন্সপেক্টরের।
তবে রাজনৈতিক প্রভাব থাকায়, তার বিরুদ্ধে কোনও আইনি পদক্ষেপ নেওয়া যায়নি।
সাব-ইন্সপেক্টর বুঝে গিয়েছিলেন আইনি পথে ন্যায়বিচার হবে না,
তাই তিনি নির্দ্বিধায় এনকাউন্টারে ফয়সালা করে ফেললেন।
সাব-ইন্সপেক্টর বলেছিলেন, আমি শুধু ভুক্তভোগীদের জন্য ন্যায়বিচারই করব।
তার নাম ছিল ক্যাস্ট্রো।
আপনি ওই কেসটা সলভ করেছিলেন, অথচ সেখানে তেমন প্রমাণও ছিল না।
আমি নিশ্চিত এই কেসটাও সলভ হবে, আর খুনিকে সাজা পেতেই হবে।
চলুন স্যার, যাই।
দশ ঘন্টা আগে
কোয়াম্বাদু বাস স্ট্যান্ড
চেন্নাই - টিনডিভানাম হাইওয়ে
অনুবাদ ও সম্পাদনায় ~জাহিদ হাসান~
ঐ সময়ে...
আট্টুর থানা, সেলাম জেলা।
স্যার!
স্যার!
আমাদের মেয়ে সকালে কলেজে গিয়েছিল স্যার, এখনো ফিরছে না।
তার কোনও ছবি বা আইডি আছে?
জি আছে স্যার।
দিন দেখি,
আপনার মেয়ের ফোন নাম্বার বলুন?
শেখর, সাবধানে হাঁটো।
এই ছেলেরা, কী হয়েছে?
চিন্তা করিস না, আমি দেখছি সব।
আমার লোকদের গায়ে হাত তুলবে?
সকাল ৮টায় কলেজে যায়,
কলেজ শেষে ৬.৩০টার দিকে কোচিং ক্লাস থাকে।
সাধারণত রাত ৮টার মধ্যে বাসায় ফেরে।
কোচিং সেন্টারে খোঁজ নিয়ে জানা গেল, আজ ও যায়নি।
কোচিং সেন্টার কোথায়?
থেন্দ্রাল নগর, স্যার।
মণি ভাই, এসো। জিপে ওঠো।
ঠিক আছে স্যার।
ব্যাগে কী আছে?
স্যার, ব্যাগে ইরুমুদি আছে। কাল দেরি হলে এখান থেকেই সোজা শবরীমালা চলে যেতে পারবেন।
ধন্যবাদ ভাই।
স্যার, ভিকি লাইনে আছে,
হ্যাঁ, দিন।
বলো ভিকি…
স্যার, আপনি যে মেয়ের নাম্বার দিলেন সেটা চেক করেছি।
ফোনটা চিননমপট্টি টাওয়ার লোকেশনে সুইচ অফ হয়েছে।
ঠিক আছে।
ভাই, থেন্দ্রাল নগর তো চিননমপট্টি টাওয়ারের অধীনে পড়ে, তাই না?
জি স্যার।
মানে ওই এলাকা থেকেই মেয়েটা নিখোঁজ হয়েছে।
এই…
তুই নেশায় আছিস?
না স্যার।
এনওসি কোচিং সেন্টার কোথায়?
একদম কাছেই স্যার।
কোনদিকে?
এইদিকে স্যার।
এই মেয়েটাকে দেখেছিস?
জি স্যার, রোজ এই পথেই যায়। আজও গেছে।
আজও দেখেছিস?
জি স্যার।
ভাই,
মেয়েটা এখানে এসেছে।
বাস থেকে নেমেছে।
দোকানদারও দেখেছে।
কিন্তু কোচিং সেন্টারে পৌঁছায়নি।
মানে মাঝপথেই কিছু ঘটেছে!
স্যার, এদিকে কেউ নেই।
স্যার, এদিকেও কেউ নেই!
তালা ভাঙো…
কিডন্যাপাররা বেশি দূরে যেতে পারেনি।
কিডন্যাপের খবরটা এখনই ছড়িয়ে দাও।
স্যার, কীভাবে নিশ্চিত হচ্ছেন এটা কিডন্যাপ?
যদি ও প্রেম করে পালিয়ে যায়?
ভাই, আমরা যখন এসেছি, তখন দেখলাম, স্ট্রিটলাইট ভাঙা...
আর পাশে একটা তালাবদ্ধ অন্ধকার বাড়ি।
কিন্তু ওই বাড়ির এ.সি থেকে পানি পড়ছিলো।
তাই তালা ভাঙার নির্দেশ দিয়েছিলাম।
আর ঘরের ঠান্ডাও কমেনি একটুও।
মানে ওরা বেশি দূর যায়নি।
এটা দেখেই বুঝলেন এটা কিডন্যাপ?
ভাঙা স্ট্রিটলাইটের নিচে অনেক পোকা পাওয়া গেছে।
সেই একই পোকা ওই বাড়ির গেটের সামনেও আছে।
কেউ যদি মেয়েটার ওপর পোকা ছুঁড়ে হামলা করে,
ও অবশ্যই রাস্তায় দাঁড়িয়ে জামা বদলাবে না।
এই হারামজাদারা! কী করেছিস তোরা!
ও মা, বজ্জাতগুলো মেয়েটার গায়ে পোকা ছেড়ে দিয়েছে!
শাড়ীটা নাড়া দাও মা, ঠিক হয়ে যাবে।
এই কলি যুগে মেয়েদের জন্য বাইরে বের হওয়া কতটা বিপদজনক!
এত পোকা মেরেছে! তুমি কাপড়টা বদলে নাও, ভালো হবে।
ওকে জোর করে ঘরে ঢুকিয়ে কিডন্যাপ করেছে।
এটা পূর্বপরিকল্পিত কিডন্যাপ!
তাহলে... এসআই করণকে এই কেসটা ম্যানেজ করতে বলি,
আমাদের ইলেকশন ডিউটিতে যেতে হবে!
ভাই...
এটাও আমাদের দায়িত্ব।
ওরা যদি এভাবে কিডন্যাপ করে থাকে,
তাহলে এর পেছনে বড় কোনো নেটওয়ার্ক আছে।
কিডন্যাপের কারণ অনেক কিছুই হতে পারে,
কিন্তু আমাদের কাজ হলো মেয়েটাকে নিরাপদে ফিরিয়ে আনা।
ওয়াকি দাও।
আট্টুর থানার ইন্সপেক্টর ক্যাস্ট্রো বলছি।
একটা কিডন্যাপের মামলা নথিভুক্ত হয়েছে। মেয়েটার ছবি সব থানায় পাঠাও।
আর আউটপোস্টগুলোতে ভালো করে তল্লাশি করতে বলো।শ আমি রওনা হচ্ছি। ওভার...
দাঁড়াও দাঁড়াও... গাড়ি থামাও।
এই টাকা রাখো, আর আমাকে ফোন দিও না। কোনো কাজ এলে আমি নিজেই বলবো।
ঠিক আছে, ঠিক আছে...
স্যার, আপনার মেয়েকে একবার ডাকবেন?
কী হয়েছে স্যার?
ডাকুন স্যার, একটু জিজ্ঞাসাবাদ করতে হবে।
কীর্তি মা...
ও কি তোমার বন্ধু?
হ্যাঁ স্যার।
এই মেয়েটা সন্ধ্যা থেকে নিখোঁজ।
তার বাবা-মা অভিযোগ করেছেন,
তুমি কিছু জানো এ ব্যাপারে?
না স্যার।
ওর কি কোনো প্রেমের সম্পর্ক ছিল?
না স্যার, কিছুই না...
– কিছু লুকিও না... – স্যার...
এসব জিজ্ঞাসাবাদ সকালে করা উচিত।
এভাবে রাতে নয়।
তুমি ভেতরে চলে যাও মা।
নাও।
ধন্যবাদ স্যার।
সব ঠিক আছে স্যার।
তাহলে ডিকি বন্ধ করো।
এই, একটা গাড়ি আসছে...
এই! সামনে পুলিশ!
জিন্দা, চল ফিরে যাই!
চল ভাই...
এসো... এসো... আরেকটু সামনে আনো। থামো।
কোথা থেকে আসছো?
একটা অনুষ্ঠান থেকে ফিরছি স্যার।
লাইসেন্স দেখাও তো?
ডিকি খুলো।
জিন্দা, এখন কী করবো?
চুপ করে থাক।
পা সরাও...
এই... গোপী... মেয়েটা এখানে!
আসছি স্যার...
দাঁড়া... দাঁড়া... গাড়ি থামা...
লাশটা তাড়াতাড়ি অ্যাম্বুল্যান্সে তোলো। ইন্সপেক্টর চলে এসেছেন।
স্যার, হামলায় তিনজন কনস্টেবল মারা গেছেন।
বডিগুলো সরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাও।
রাসিপুরম চেকপোস্ট দিয়ে কি কোনো নীল গাড়ি গেছে?
অনেকক্ষণ ধরে কোনো গাড়ি আসেনি স্যার।
রাসিপুরম চেকপোস্ট না পেরিয়ে এরা যেতে পারবে না!
চেকপোস্টের আগে একটা ছোট রাস্তা আছে।
ওটা আসালমপাড়ি গ্রাম দিয়ে গিয়ে ভিল্লুপুরম হাইওয়েতে মিশে যায়।
ওরা ওই রাস্তা দিয়েই গেছে।
ওই রাস্তা খুব আঁকাবাঁকা, গাড়ি খুব জোরে যেতে পারবে না।
চিন্নামালা ঘুরে গেলে আমরা ভিল্লুপুরম হাইওয়েতে আগেই পৌঁছে যাব।
ওই গাড়িটা আমরা ধরতেই পারব।
পুলিশ আসছে... গাড়ি জোরে চালা রে...
শালা... পুলিশ এতো তাড়াতাড়ি জানলো কীভাবে?
এটা তো গুনার এলাকা না?
তোরা কারা?
আমরা কিছু জানি না, আমরা কেবল টাকার বিনিময়ে কিডন্যাপ করি!
যে মেয়েটাকে কিডন্যাপ করেছিস, সে কোথায়?
মাঝপথে একটা গাড়ি এসে মেয়েটাকে নিয়ে গেলো, তারপর আর কিছু জানি না, স্যার!
ওর পরেই আপনারা আমাদের ধরে ফেললেন।
যে লোক তোদের কন্ট্যাক্ট দিয়েছে তার নাম্বারে এখনই ফোন কর।
জি স্যার...
কিরে হঠাৎ ফোন করলি কেন?
দেখছিলাম, মেয়েটা ওখানে পৌঁছেছে কিনা।
ফোনটা স্পিকারে দে।
পুলিশ কি তাহলে চোর ধরতে পেরেছো?
তুই যত বড় হুঁশিয়ারই হ, তোকেই বলছি... আমাকে ধরতে পারবি না।
সাহস থাকলে চেষ্টা করে দেখ।
কিরে!
No comments yet. Be the first to leave one.