Lakshya

Lakshya (లక్ష్య)

Bengali സബ്ടൈറ്റിൽ ഡൗൺലോഡ് ചെയ്യുക

റിലീസ് വിവരങ്ങൾ

Lakshya Movie Bangla Subtitle
লক্ষ্য তেলেগু মুভি ২০২১ [রানটাইমঃ 02:18:08]
লক্ষ্য মুভি বাংলা সাবটাইটেল [গানের অনুবাদসহ]
കമന്ററി എഴുതിയത് Tanvir.Ahmed.Leon
🎯🎯 জনরাঃ স্পোর্টস, ড্রামা, রোমান্স।⏳রানটাইমঃ 02:18:08 🎯🎯 তীরন্দাজি নিয়ে নাগা সুরিয়ার বহুল প্রতীক্ষিত মুভি, লক্ষ্য এর বাংলা সাবটাইটেল। ভালো লাগলে ফিডব্যাক জানাতে ভুলবেন না। মুভি লিংকঃ https://teambsmbd.com/movies/lakshya-2021/

ടാഗുകൾ

HD
പ്രസിദ്ധീകരിച്ചത്: 2022-01-13
ഡൗൺലോഡുകൾ: 48
ശ്രവണ വൈകല്യമുള്ളവർക്ക്: No

Bengali സബ്ടൈറ്റിൽ പ്രിവ്യൂ

ആദ്യത്തെ 200 വരികൾ.

নিত্যনতুন সকল সাউথ ইন্ডিয়ান মুভির খবরাখবর সবার আগে পেতে যুক্ত হোন আমাদের "সাউথ ইন্ডিয়ান মুভিখোর" গ্রুপে

পার্ধু।

পার্ধু।

"লক্ষ্য"

দাদা, আমি চোখ খুলছি, তোমায় ঠিক খুঁজে নেব।

দাদা!

দাদা এখানে নেই, তো কোথায় গেলো?

দাদা!

একটু দেরি হলেই তো পড়ে যেতাম, দাদা।

আমি তোকে কক্ষনও পড়তে দেবো না, পার্থু।

চোর... চোর....

হেই...সামনে এলে তোকে মেরে ফেলব।

আরে...বলছে যে আমাকে মেরে ফেলবে।

থামো, কী যে করি! স্যার!

সোমাইয়া...

দেখেন স্যার...

এই কে তুমি?

কেউ সামনে এলেই আমি একে মেরে ফেলব।

ঘরে দামি যা যা আছে জলদি নিয়ে আয়।

দাঁড়িয়ে রয়েছিস কেন, জলদি কর।

পার্ধু...

হুম...

ঘুমিয়ে গেছিস?

হুম...

যখন, তুই চোরটাকে তীর দিয়ে মারলি...

ভয় করেনি, যদি নিশানা অন্য কারো গায়ে লাগে?

হুম...

জানিনা দাদু। আমিতো শুধু ওকেই দেখছিলাম।

শুধু ওকেই দেখছিলি?

শুধু ওকেই দেখছিলি?

বাবা! আমি তীরন্দাজিতে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হবোই।

হবোই।

আশীর্বাদ করো বাবা।

-উমম... -স্যার।

ভাসু কাপ নিয়েই ফিরবি।

কথা দিচ্ছি বাবা।

আসি পার্ধু...

বাই... মা বাবাকে বাই বলো।

এ কী হয়ে গেলো স্যার!

ভেবেছিলাম খেলতে যাচ্ছে, জানতামই না যে শেষবার দেখছি।

বাবা! আমি তীরন্দাজিতে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হবোই।

হবোই।

ভাসু, তোর বিশ্ব চ্যাম্পিয়ার হওয়ার স্বপ্ন, পার্ধুর রূপে ফেরত এসেছে।

ও তোরমতোই নিশানা পেয়েছে।

আমি ওকে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন বানাবো।

নিজের গ্রাম ফেলে কোথায় যাচ্ছেন স্যার?

আমার নাতিকে দিয়ে আমার ছেলের অসম্পূর্ণ কাজ সম্পূর্ণ করাতে।

স্যার...

ভালো থাকিস, সোমাইয়া।

এক মিনিট...

পার্থু ভয় পাস না, এইতো আমি আছি।

হাহ...

দাদা...

রঘুরামবাবু, পার্থু প্রথমে ধনুক হাতে নিয়ে ঘাবড়াচ্ছিল,

কিন্তু আপনি সামনে এসে দাঁড়ানোমাত্রই, সব ঠিক হয়ে গেল, কিভাবে?

খেলতে যাওয়ার আগে কেউ ভগবানের মূর্তি ছুঁয়ে যায়।

কেউ আবার তাবিজ-আংটিকে বিশ্বাস করে। কিন্তু ওর জন্য আমিই ওর শক্তি।

পার্ধু, পৃথিবীতে ৩২ রকমের খেলা আছে,

কিন্তু শুধুমাত্র তীরন্দাজিকেই বিদ্যার সাথে তুলনা করা হয়।

ধনুর্বিদ্যা এমনই মহান শাস্ত্র, কখনো একে ছোট মনে করবে না।

টার্গেট বোর্ডে ১০ টা বৃত্ত থাকে, প্রতিটাতে এক পয়েন্ট করে বাড়ে।

শেষ বৃত্তে ১০ পয়েন্ট।

আর ঠিক কেন্দ্রটাকে বলে "বুল'স আই"।

এটাই একজন তীরন্দাজের সবচেয়ে কাঙ্খিত নিশানা।

মুষ্ঠি দৃঢ় হতে হবে।

হ্যাঁ, ঠিক।

অনুবাদে আছেনঃ- ★তানভীর আহাম্মেদ লিওন ★সাজিম রাজ

সম্পাদনায়ঃ- তানভীর আহাম্মেদ লিওন

এখন পার্ধুর আরো এগিয়ে যাওয়ার সময় হয়ে গেছে।

কুরুক্ষেত্র একাডেমির নাম শুনেছেন নিশ্চয়ই।

ওখানে যারাই ট্রেনিং নেয়, স্টেট আর জাতীয় পর্যায়ে চ্যাম্পিয়ন হয়ে ফেরে।

দারুণ...

চমৎকার রাহুল,

এইভাবে চর্চা করে গেলে, এইবারও স্টেট চ্যাম্পিয়ন তুমিই হবে।

আমার স্টেট লেভেলের দরকার নেই।

এই বছর আমায় আন্তজার্তিক চ্যাম্পিয়নশিপে জিততেই হবে।

তুমি ছাড়া আর কে জিতবে, রাহুল? তুমিই সবচেয়ে সেরা।

নমষ্কার স্যার... আমি সত্যনারায়ণ। এ আমার ছেলে অভিষেক।

আমার ছেলে অনুর্ধ্ব-১৪ এ চ্যাম্পিয়ন হয়েছে, আপনিই ওর আদর্শ স্যার।

একটা সেলফি!

আপনার অনুর্ধ্ব ১৪ এর রেকর্ড আমার ছেলে ভেঙে দিয়েছে স্যার।

আশীর্বাদ করো দাদা।

- যাই তাহলে। - যাহ...

ঠিক আছে দাদা, বাই...

-সোমাইয়া। -স্যার।

যেমনটা বলেছিলেন, আমি ক্ষেতের জমিগুলো বিক্রি করে দিয়েছি।

এখন তো আপনার নিজের গ্রামে আর কিছুই রইলো না স্যার।

আমিতো শুধু সম্পত্তিই বেচেছিরে, স্মৃতিতো বেচিনি।

আর এসব কয়দিনের জন্যই বা!

একবার পার্ধু চ্যাম্পিয়ন হয়ে গেলে...

তুড়ি মেরেই ঐসব আবার কিনে নেবে।

ঠিক আছে, স্যার।

- হ্যালো... - তুই বেরিয়েছিস?

কিসের বেরোনো? প্রথমদিনে আমার সাথে বেরোনো নাকি তোর জন্য শুভ নয়।

- কে বলেছে, তোর বাবা? - নাহ, তোর ভক্ত।

আমার ভক্ত...!

দেখ, এসেও পড়েছে বোধহয়।

কখনো কি সময়মতো আসতে পারো না?

বকার আগে জিজ্ঞেস তো করো দেরি কেন হলো।

কেন হলো দেরি?

এর জন্য।

প্রথম দিনে যাতে সব ঠিকঠাক যায়, তাই আমি প্রার্থণা করেছি।

এটা সাথে থাকলে ভাববে আমি সাথে আছি। চলো, এবার যাই।।

দেখ ওকে, কত্তো হট!

হ্যাঁ, তা তো বটেই। স্পোর্টস এর সাথে যুক্ত মনে হচ্ছে।

হুমম..

- পার্ধু এদিকে দেখো। - আমরা একসাথে খেলতে পারি?

আমি খেলার ব্যাপারে ভালোই জানি।

হেই হিরো, তোমার নাম্বারটা দেওয়া যাবে? একটা ডেটে যাবে নাকি?

রিতিকা, গ্রিন সিগন্যাল দিয়ে দিয়েছে। চলো।

চলো তো।

হুম...বেশ ভালো।

চমকপ্রদ পার্ধু। তোমার ট্র‍্যাক রেকর্ড বেশ ভালো। পারশুরাম বলেছে আমাকে সবকিছু।

যেমনটা শুনেছ, এখানে তোমাকে উচ্চ পর্যায়ের প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।

তাই ফি টাও কিন্তু বেশ চওড়া।

যত তাড়াতাড়ি সম্ভব তোমাকে একটা প্রফেশনাল আর্চারি কিট কিনে নিতে হবে।

এখানে প্রশিক্ষণের ফি সবমিলিয়ে দাঁড়ায় ৪০-৫০ লাখের মতো।

৪০-৫০ লাখ?

হেই, আমি বুঝতে পারছি।

চিন্তা করো না, তোমার একটা সুবিধা হতে পারে।

আমাদের জুনিয়র ক্যাম্পে একজন প্রশিক্ষকের প্রয়োজন।

তুমি যদি সেখানে ট্রেনিং দেও, তবে এই ফি এর ঝামেলাটা মিটে যাবে।

আর আমরাও একজন ভালো কোচ পেয়ে যাব, কী বলো?

হ্যাঁ.... আবারও আমিই জিতেছি।

আমি জিতেছি...

হেই, যাহ। পূর্ণা তুই আয়।

থাম...তোর শক্তিও আমার মতোই।

বরং তুই আয়।

আর্চারির জন্য অবশ্যই হাতে জোর থাকতে হবে। ১,২,৩ রেডি।

জিজ্ঞেস করছিলে না, চেঁচামেচি কিসের?

এই হলো আমাদের জুনিয়র কোচ কোন্ডাবাবু।

৬ মাস আগে যখন চাকরির জন্য এসেছিল, কী কী জানে দেখাতে বলেছিলাম।

এ আমায় এম.এল.এ-র সুপারিশ পত্র দেখিয়ে দিল।

আমার মনে হলো, গ্রাউন্ডের সব কাজকর্মের জন্য আমাদের একজনকে দরকার,

উনি "স্যার" সম্বোধন পছন্দ করেন।

আর বাচ্চাদের সাথে মেলামেশার জন্যও একজন দরকার ছিল, তাই ওকে নিয়ে নিলাম।

ও নিজেকে একজন আর্চারি প্রশিক্ষক ভেবে বসার আগে,

আমি চাই তুমি গিয়ে বাচ্চাদের প্রশিক্ষণ দেওয়া শুরু করো।

ঠিক আছে স্যার।

- রাজেশ। - হ্যাঁ, স্যার।

- ওকে বাচ্চাদের সাথে পরিচয় করিয়ে দেও। - ঠিক আছে, স্যার।

- শুভকামনা। - ধন্যবাদ।

বাচ্চারা আজ আমরা একটা নতুন ব্যায়াম শিখবো।

কোন্ডাবাবু... এ পার্ধু।

দেখছো না ট্রেনিং দিচ্ছি, বিরক্ত করছো কেন?

ও পার্ধু, আমাদের নতুন প্রশিক্ষক।

হতে পারে ও নতুন ট্রেইনার,

কিন্তু এখানে প্রশিক্ষণের আগে ওকে শিখতে হবে, যাও লাইনে দাঁড়িয়ে দেখতে বলো।

শশশ... তোমার প্রশিক্ষণের দরকার নেই। তুমি কাউকে উৎসাহ দিতে পারো।

তা তো আছেই, যাহ।

তো বাচ্চারা আজ তোমাদের একটা নতুন ব্যায়াম শেখাবো।

হাঁটু ভাঁজ না করে, তোমাদের পায়ের আঙুল ছুঁতে হবে।

আমি একবার দেখিয়ে দিচ্ছি। দেখে শেখো।

দেখো... ঠিক আছে?

এইতো...পৌঁছে যাবে।

ঠিক আছে, আরেকবার করা যাক।

ওকে, আমাকে দেখো।

পরশুও তো হাত পৌঁছুতো।

আর চেষ্টা করলে বোধহয় কোমরই ভেঙে যাবে।

তীর ছোঁড়ার জন্য এটুকু ফ্লেক্সিবেলিটি যথেষ্ট। এখন গিয়ে বিশ্রাম নেও।

স্যার, এ তো ওয়ার্ম-আপ হলো, ট্রেনিং শুরু করবেন না?

নতুন তো, তাই এতো আঁকুপাঁকু, এইভাবে অন্তত একসপ্তাহ প্রাকটিস করো।

স্যার, স্যার...

একজন তীরন্দাজ হওয়ার জন্য আমাদের কী করা উচিত?

প্রথমে নিজের ট্রেইনারকে সম্মান দেওয়া, আর চুপ থাকা উচিত।

স্যার, টার্গেট বোর্ড কত দূরে থাকবে?

স্যার, গুণ টেনে ধরার জন্য কোন ব্যায়াম করলে ভালো হবে?

স্যার, তীরের ওজন কেমন হবে?

এ নাকি আবার কোচ!

এইতো খাবারের অর্ডার এসে গেছে, খাওয়ার পরে সব হবে।

বাচ্চারা...

আমি বলছি, তীরের ওজন হবে ২৫ গ্রাম।

শক্ত করে গুণ টানার জন্য অগ্রবাহুর ব্যায়াম করতে হবে।

টার্গেট বোর্ডের দূরত্ব হবে ১৫ মিটার।

- বুঝেছো? - বুঝেছি।

বেশ...

- তুমি বুঝেছো? - জি।

কী বুঝেছো?

ট্রেইনার হওয়ার জন্য আগে নিজের শিখতে হবে, আপনি ট্রেনিং দেন, আমি এক্ষুণি আসছি।

বাই...

- কোন্ডাবাবু। - স্যার...

- টার্গেট বোর্ডগুলো... - মুছে দিব।

- তীরগুলো... - শার্প করে রাখব।

- ফ্লোরটা... - পরিষ্কার করে ফেলব।

- তাহলে তুমি... - এক্ষুণি যাচ্ছি।

তো বাচ্চারা, আজ থেকে আমি তোমাদের কোচ, পার্ধু।

তো প্রথমদিন কেমন ছিল?

ভালোই ছিল, দাদা।

"এখানে প্রশিক্ষণের ফি সবমিলিয়ে দাঁড়ায় ৪০-৫০ লাখের মতো।"

- দাদা... - হুম...

আসলে...

লাগবে না দাদা, আমার পেট ভরা।

আমি গিয়ে একটু ঘুমাই।

পার্ধু... পার্ধু...

দাদা।

দাদা।

এ-ই তো চেয়েছিলি না?

- ধন্যবাদ দাদা। - তোর কোচিং ফি-ও দিয়ে দিয়েছি।

এতো টাকা জোগাড় করলে কিভাবে?

তা জেনে তোর কী কাজ? তুই শুধু ভালোভাবে প্রাকটিস কর।

Lakshya subtitles in other languages

അഭിപ്രായങ്ങൾ

No comments yet. Be the first to leave one.

Keep it about this subtitle — sync, quality, typos.500 characters left