처음 200줄입니다.
মুভিতে কিছু 18+ দৃশ্য আছে ও গালাগালি ইউজ করা হয়েছে।
☆Bᴀɴɢʟᴀ Sᴜʙᴛɪᴛʟᴇ Bʏ☆ Rᴀᴊᴅᴇᴇᴘ☆
যতদূর মনে আছে, আমার ছোটবেলা আনন্দেই কেটেছে।
কিন্তু বড়ো হতেই...
প্রশ্নগুলোর আসা শুরু হয়।
আর সেই প্রশ্নগুলোর সাথে...বেদনাও।
আমি কে?
কোথা থেকে এসেছি?
আমার কাহিনী কী?
সেই মহিলারা কে ছিল
যাদের নাম সবসময় ধীরে উচ্চারিত হতো...
যখন তাঁরা ভাবতো আমি শুনছি না?
ওরা কারা?
ওরা কারা?
"এলিসা ও মার্সেলা"
একটি সত্য কাহিনীর দ্বারা অনুপ্রাণিত
চুবুট প্রদেশ, আর্জেন্টিনা, ১৯২৫
তোমার মুখ ছুঁতে পারি?
আমার মনে হয় তুমি কিছু জানতে চাও।
কিছু?
সবকিছুই।
সবকিছু জানা অসম্ভব।
এ করুণা, ১৮৯৮
- প্রথম বছর? - হ্যাঁ।
অসুস্থতার জন্য প্রথম কিছুদিন আসতে পারিনি।
গা মোছো নাহলে আবার অসুস্থ হবে, এসো।
এসো।
অনুপস্থিত দিনগুলোর জন্য ওরা কি আমায় শাস্তি দেবে?
আমি কথা বলবো। ভয় নেই।
এখানে সবাই চেনে আমায়, মাসি প্রধান শিক্ষিকা।
আমি সাহায্য করছি।
ধন্যবাদ।
- আমি ব্যাথা দিচ্ছি নাতো? - না।
আর এখন?
না।
- এবার? - না।
আমার নাম এলিসা।
আমি মার্সেলা।
তোমার তিলটা ভালো লেগেছে।
আজ, আমরা সর্বনামের ব্যবহার সম্পর্কে শিখবো।
ভিতরে আসো।
- সুপ্রভাত। - সুপ্রভাত।
মাফ করবেন, সিস্টার, ও বিদ্যালয়ে নতুন তাই হারিয়ে গেছিলো।
অসুস্থতার কারণে কিছুদিন বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত ছিল।
তবে ও পরিশ্রমী আর শেখার খুব ইচ্ছা।
- ও কি বসবে? - হ্যাঁ, ধন্যবাদ, এলিসা।
প্লিজ আসো...
তোমার নাম?
মার্সেলা গ্রাসিয়া ইব্যা।
খুব ভালো। বসো, প্লিজ।
আচ্ছা, পড়া চালু করা যাক।
লোক ও জিনিসদের শুধু মাত্র
এদের নাম দিয়ে ডাকা হয় না,
ওই শব্দ দিয়েও ডাকা হয় যেটার জায়গা এরা নিয়ে থাকে।
তাই, যখন আমরা বলি, উদাহরণস্বরূপ,
"বার্নার্ডো তাঁর স্ত্রী এলভিরার সাথে খুব খুশি ছিল
এবং তাঁরা সুখে একসাথে বসবাস করতো,
"সে ওর সাথে এবং ও তাঁর সাথে খুশি ছিল,"
এখানে "সে" বার্নার্ডো এবং "ও" এলভিরার পরিবর্তে বসেছে।
- ভয় পাইয়ের দিলে। - সত্যি? মাফ করো।
তোমার অপেক্ষা করছিলাম।
আমি মাসি ও নানদের সাথে থাকি, তোমায় বলিনি?
- বিদ্যালয়েই? - হ্যাঁ।
তোমাকে ধন্যবাদ বলতে চাই।
ধন্যবাদের প্রয়োজন নেই।
নানদের সাথে থাকতে কেমন লাগে?
তোমার কি মনে হয়?
আমি জানি না।
নরকে থাকার মতো।
ওদের ঈশ্বরের স্ত্রী বললেও, ওরা সবাই ডাইনি।
ওরা সর্বদা ঝগড়া, বিতর্ক,
আর লড়াই করে।
এটা একটা হারেমের মতো।
যেখানে সবাই সুলতানের প্রিয়জন হতে লড়াই করে।
কিন্তু এখানে কোনো সুলতান নেই।
নেই?
আমি কখনো দেখিনি।
তাহলে তোমার ঈশ্বরে বিশ্বাস নেই?
আমি নানদের ও প্রিস্টদের অবিশ্বাস করি।
ভার্জিন ও হোলি পানির ওপরেও বিশ্বাস নেই।
আর...ঈশ্বরের ওপরেও।
আর তুমি?
জানি না।
আমার স্থির কোনোকিছুর ওপরই বিশ্বাস নেই।
আমি ঘোড়াদের বিশ্বাস করি।
একটা ঘোড়া পেতে আমি সবকিছু দিতে পারি।
ইঁদুর? কুকুর আর বিড়ালকে বিশ্বাস করো?
পায়রা আর ঘুঘু।
পিঁপড়ে ও সব জিনিসের ওপর।
তোমার ঘরে যাওয়া উচিৎ।
আর তোমাকে নানদের কাছে।
হ্যাঁ।
কাল দেখা হবে।
কাল দেখা হবে।
শুভ রাত্রি।
- কাল ছাতা আনতে ভুলো না। - ভুলবো না।
তোমার সাথে ওই মেয়েটা কে ছিল?
বিদ্যালয় থেকে।
এলিসা।
ক্লাস খুঁজতে সাহায্য করেছিলো।
ওর মাসি প্রধান শিক্ষিকা।
স্যুপে খোঁসা ভর্তি।
জানি না কীভাবে।
৩ বার ছেকেছিলাম।
তুমি ছেকেছিলে?
বিদ্যালয়ে তোমাকে শিখতে হবে জানি,
কিন্তু বেশি না।
যতটা প্রয়োজন ততটা, বুঝেছো?
হ্যালো এলিসা।
হ্যালো, এলিসা।
সুপ্রভাত, এলিসা।
শুভ সকাল, এলিসা।
শুভ সকাল, এলিসা।
এই সুন্দর সকালে কেমন আছো?
এলিসা...
এলিসা...
এলিসা, এলিসা, এলিসা...
এলিসা, এলিসা...
ছাতা আনোনি।
না।
আমি ভুলে গেছি।
কোভাডোঙ্গার গুহায় খ্রীষ্টানদের বিজয়টা ছিল সাহস ও খ্রীষ্টান বিশ্বাসের প্রতীক,
এই বিশ্বাসই যেটা খ্রীষ্টান সৈনদের অনুপ্রেরণা জাগিয়ে ছিল
এবং চূড়ান্তভাবে তাঁদের শক্তি দিয়েছিলো
মোর্সদের পরাজয় করতে,
যারা স্পষ্টত, বর্বর ছিল।
আমার ঘর দেখবে?
এখন?
অবশ্যই, কেন নয়?
এলিসা...
তোমার সাথে কে?
মার্সেলা। ও নতুন, সিস্টার ক্লারা।
ও দেখতে কেমন?
ও...
চুলটা লাল।
হয়তো কমলা হবে, সত্যিই।
শরীরে অনেক দাগ ভর্তি।
আর খুব মোটা!
- এলিসা! - আর পঙ্গু।
ভেবো না তোমায় চিনি না, এলিসা।
ভালো করেই চিনি।
আমি এখানে পড়াশোনা ও ছবি আঁকি।
অন্তত এখানে আমায় কেউ বিরক্ত করে না।
তুমি চাও আমি চলে যাই?
না, তা না।
মানে মাসি আর নানদের কথা বলছি।
জানো ওরা সারাদিন আমাকে কী বলে?
কী?
একটা ছেলে খুঁজে দ্রুত বিয়ে করে নিতে।
নয়তো এখানেই ওদের সাথে চিরকাল আটকে থাকবো।
প্রতিদিন,
ওরা এটাই বলে।
বাবা ভাবে বিদ্যালয়ে আমি সময় নষ্ট করছি।
উনি ভাবেন শিক্ষকরা শ্রদ্ধার যোগ্য না।
আমার বিয়ে করা উচিৎ
কেউ গর্ভবতী করে দেওয়ার আগে।
তুমি উনাকে কী বলো?
তুমি, নানদের কী বলো?
আমি আগে জিজ্ঞাসা করেছি।
যখন ওরা বলে, আমি...
উমম...
ওটাই বলি যেটা ওরা শুনতে চায়।
আমিও।
কিন্তু ব্যাপার হচ্ছে আমি একটা ছেলেকে বিয়ে করা ছাড়া সবকিছু পারবো।
সবকিছু।
আমি বিয়ে করবো কিনা নিশ্চিত নই।
দেখো!
তুমি অনেক ব্যাপারেই অনিশ্চিত, ঠিক তো?
ঈশ্বর আছে না নেই,
বিয়ে করবে কি করবে না,
আদোও কোনো ব্যাপারে তুমি নিশ্চিত?
আমি ১০ বছর বয়সে একটা অনাথআশ্রমে থাকতাম।
এটাতে আমি নিশ্চিত।
অন্য ৪০ জন মেয়ের সাথে আলুর বস্তার ওপরে শুতাম।
ইঁদুরেরা চারিদিকে ঘুরে বেরাতো।
মরা মাকড়সায় ভর্তি স্যুপ খেতাম।
আমি জানতাম এসবই দুঃখ, দুর্দশা এবং প্রার্থনা ছিল।
তারপর একদিন সকালে, কোত্থেকে,
একজন মহিলা এসে বললো সে আমার মা।
আমার আসল মা।
উনি আমায় বাড়ি নিয়ে গেলো
সেখানে একজন লোক দেখলাম, সে বললো উনি আমার বাবা।
ওরা আমায় কখনো জড়িয়েও ধরেনি বা ব্যাখ্যাও দেয়নি, কেন ওরা এতদিন বিশ্বাস করিয়েছে যে ওরা মৃত।
আমি এখনো জানি না ওরা আমার বাবা-মা কিনা।
আর এটা যেখানে জানি না...
সেখানে কীভাবে জানবো ঈশ্বরে বিশ্বাস আছে না নেই?
বা বিয়ে করবো কিনা বা অন্যকিছুতে?
মাফ করো, মার্সেলা...
আমি বুঝিতে পারিনি।
আমার ক্লাস আছে।
আমি দুঃখিত।
আমায় ক্ষমা করবে?
শুভ সন্ধ্যা।
আমার নাম এলিসা, মার্সেলার সহপাঠী।
ও সকালে একটা বই দিয়েছিলো,
ওটা ফেরৎ দিতে চাই, দেবো?
- আমি দিয়ে দিচ্ছি। - ধন্যবাদ।
- শুভ রাত্রি। - শুভ রাত্রি।
এটা তোমার সহপাঠী দিলো।
বললো, ফেলে এসেছিলে।
No comments yet. Be the first to leave one.