처음 200줄입니다.
অনুবাদে: 💀 AkashBasak 💀
এই সাবটাইটেলটি বানাতে আমাকে বিশেষ সহযোগিতা করেছেন আকতার হোসেন ।
বেশ, সপ্তাহান্তে আবহাওয়ার পূর্বাভাস বেশ ভালো।
ব্রেন্টউড থেকে রিচমন্ডের উত্তরে আকাশ রৌদ্রজ্জ্বল রয়েছে
এবং পুরো ভার্জিনিয়ার রাজ্য জুড়ে, তাপমাত্রা ৮৫ ডিগ্রিতে ঠেকেছে।
রাতে তাপমাত্রা কিছুটা কমে, ৬৫-তে নামতে পারে।
হাইকারদের পর্বতারোহণের জন্য একটা দুর্দান্ত সপ্তাহ কাটতে চলেছে...
মেয়েটা বেশ সুন্দর।
আপনি নিশ্চয়ই একজন গর্বিত পিতা।
এই কালা মানিক-টা কে?
ডারিয়াস ক্লেমন্স। এটা তার বয়ফ্রেন্ড।
তারা কয়েকজন বন্ধুরা মিলে ঘুরতে বেরিয়েছিল।
আসলে, অ্যাপালাচেইন ট্রেইল একটা বিশাল বড় জায়গা।
মানে, মেইন থেকে সুদূর জর্জিয়া জুড়ে বিস্তৃত।
আমি তাদের রুটটা ট্র্যাক করেছিলাম,
আর সে প্রতি সপ্তাহে ফোন অথবা ম্যাসেজ করার কথা দিয়েছিল।
কিন্তু প্রায় ৬ সপ্তাহ কেটে গেছে।
শেষবার যখন সে আমাকে ম্যাসেজ করেছিল তখন সে এখানে মানে আপনার শহরে ছিল।
আসলে, বিষয় হলো অনেক কচিকাচারই এখানে যাওয়া-আসা লেগে থাকে।
মানে, তারা এসে, যা পারে করে, আর তারপর চলে যায়।
আমার ছেলে ট্যাম্পাতে এক রকাবিলি ব্যান্ডে পিয়ানো বাজায়। [rockabilly - দক্ষীণ-পূর্ব আমেরিকার একধরণের বিখ্যাত সঙ্গীত। বিশদ জানতে গুগেল করুন।]
শেষবার সে কবে ফোন তুলেছে সেটাও ভুলে গেছি।
আমার মেয়ে সেরকম নয়।
বেশ, আপনি চাইলে আমরা অভিযোগ জমা নিতে পারি।
নিখোঁজ ব্যক্তির ব্যাপারে বিস্তারিত লিখে দিন।
আপনি যেভাবে চান সেভাবেই লিখুন।
তবে এতে যদি আমি বাজি ধরতাম,
তাহলে আমার মতে সে কীজের কোথাও শুয়ে রোদ পোহাচ্ছে।
অতিথিরা নিজেরাই চেকআউট করে নেয়। যাওয়ার সময় আমি তাদের খুব কমই দেখতে পাই।
বেশিরভাগই সূর্যোদয়ের পরেই বেরিয়ে যায়, ফ্লাইট ধরতে অথবা ট্রাফিক জ্যাম এড়াতে।
আর ঘরের মধ্যে কিছুই ছিল না?
না। আর তাদের গাড়িটাও উধাও হয়ে যায়।
বেশ, তাহলে,
যদি কিছু মনে পড়ে, তাহলে প্লিজ আমাকে একটা ফোন করবেন, কেমন?
আমার নাম স্কট।
পুলিশ চীফের সাথে কথা বলেছেন?
হ্যাঁ।
আমার মনে হয় না সে এই বিষয়টা ততটা আগ্রহী।
এটা শহরটা খুব শান্ত।
যত শান্ত হবে, তত সহজেই সে কাজটা সম্পন্ন করবে।
হেই, জেন বলছি।
ম্যাসেজ ছেড়ে দিন, আমি আপনাকে ফোন করে নেবো। ধন্যবাদ, বাই।
আরেকবার দেখুন। প্লিজ।
না, স্যরি, না।
আপনার কোনো ধারণা আছে এখানে কত পর্যটক আসে?
আমার ড্রিঙ্কসের কথা মনে থাকে, চেহারার নয়।
কেউ হারিয়ে গেছে?
আমার মেয়ে।
ওর নাম জেনিফার।
সে তার পাঁচজন বন্ধুর সাথে এখানে এসেছিল।
তারা প্রত্যেকেই প্রায় সময়বয়সী।
হ্যাঁ, আমি তাদের দেখেছিলাম।
শহুরে কচিকাঁচা।
তারা কোথায় যাচ্ছিল দেখেছিলেন?
সম্ভবত, উওরে।
AT-র উপরে।
কিন্তু তারা যদি বনের মধ্যে হারিয়ে যায়, তাহলে আপনার বাড়ি ফিরে যাওয়াই মঙ্গল,
কারণ আপনি তাদের কক্ষণো খুঁজে পাবেন না।
হ্যাঁ, বেশ...
আমি সেটা বিশ্বাস করি না। আমি পারবো না।
যেটা ইচ্ছা বিশ্বাস করতে পারেন, মশাই। তবে জেনে রাখুন...
সেখানে,
প্রকৃতি সামনে যা পায় সেটাই গ্রাস করে ফেলে, এমনকি হাড়গোড়ও বাদ দেয় না।
কোনো সুন্দরী মেয়েও তার হাত থেকে রেহাই পাবে না।
আপনার কোনো সন্তান আছে?
আপনি হলে কী করতেন?
এটা কেমন লাগছে তোমার?
হ্যাঁ, এ-এটা ঠিক আছে।
- অ্যাডাম, চলো। - কী? এটা কী হলো?
- ওটা আমার লাগবে। - আমি তোমাকে ছবিগুলো দেখাতে চাই।
- ফোনটা দাও। - না!
হেই। সোনা, তুমি ঠিক আছো।
কেবল নিশ্বাস নাও।
মনের দরজাটা খোলো।
এটা উপভোগ করো, ঠিক আছে?
- এটার দিকে তাকাও। - আমাকে কি সবসময় এরকম দুঃখী লাগে?
হ্যাঁ, আসলে, এরকমই লাগে।
আমি সত্যিই তোমাকে খুব ভালোবাসি।
তা তো বাসোই। এ-এটা অদ্ভুত যে তুমি কতটা...
তুমি অদ্ভুত।
এবার আমাকে কিস করো।
- হুহহহ! - আহ!
জানো, আহ, তোমার জন্য খুব খারাপ লাগছে।
- স্যরি। - বলার দরকার নেই। এটাই হলো নারীশক্তি।
নারীশক্তি।
দোস্ত, এটা কোথায় শিখেছো?
আমার বাবার শিখিয়েছে।
সে আমাকে দুটো জিনিস শিখিয়েছে:
মাছের বঁড়শি লাগানো আর গাড়ির টায়ার পাল্টানো।
আমার বাবা আমাকে ট্যাম্পুন পড়তে শিখিয়েছে।
কারণ আমার মা নেই।
সে তার চোখ বন্ধ করে রাখতো।
খুবই খারাপ অভিজ্ঞতা।
আহ...
ওহ।
- ওহ, হয়ে গেছে। - দারুণ।
জেন, জেন, জেন।
আমার রক্ষাকর্তা।
জায়গাটা ভারী অদ্ভুত।
হ্যাঁ, বিশেষ করে যদি সংঘবদ্ধতার পুরানো সুখময় দিনগুলোকে বাদ দিয়ে থাকো।
আচ্ছা।
এটা আমার।
- এটা তোমার ব্যাগ, সোনা। - তোমারটা দাও।
আমার ব্যাগটা ছোড়ো।
- দুই রাতের জন্য দুটো রুম। - হ্যাঁ।
হোটেলের নিয়মকানুন তোমাদের ঘরে পেয়ে যাবে।
বারান্দায় মদ্যপান করা যাবে না।
ঘরের মধ্যে মোমবাতি জ্বালাবে না, জোরে গান চালানো অথবা কোনোরকম নোংড়া কাজকর্ম করা যাবে না।
শুনে নিয়েছো তো, ছেলেরা? ভদ্রভাবে থাকবে।
ধন্যবাদ। আর চিন্তা করবেন না। আমি ওদের চোখে চোখে রাখবো।
আগে কখনো এখানে এসেছিলে?
প্রথমবার। একটু-আধুটু হাইকিং করতে।
একটা ছোট্ট উপদেশ দিচ্ছি, চিহ্নিত ট্রেইলের মধ্যেই থেকো।
এই জায়গাটা তেমন সুবিধার নয়।
ধন্যবাদ। আমরা সতর্ক থাকবো।
তুমি জানো বহু বিলোপকারী এই শহরের বাসিন্দা ছিল?
এসব বালছাল ডারিয়াসই পছন্দ করে। বালের ইতিহাস, সোনা।
আসলে তখনকার দিনে মানুষেরা তাদের আস্থার জন্য লড়তো।
শোনো, যাই হোক, ওটা কী ছিল... তখন ওটা কী ছিল?
আমার হাত ধরছিলে না কেন?
কিছুই না। কোনো কারণ নেই।
ওহ, কারণ তো আছেই।
ঠিক একই কারণে ডারিয়াসও ভয়ে ভয়ে রয়েছে।
- অ্যাডাম। - ভায়া।
কী? সে একজন কৃষাঙ্গ যুবক আর তার সাথে একজন শ্বেতাঙ্গ গার্লফ্রেন্ড আছে।
তাও ভার্জিনিয়ার মতো একটা শহরে।
হেই।
তোমরা এখানকার নও, তাই না?
এটা কে ফাঁস করলো?
আঃ, হ্যাঁ।
আমরা, আসলে, অ্যপালাচেইন ট্রেইলে ঘুরতে এসেছি।
কয়েকদিন হাইকিং করবো। অতিরিক্ত কিছু নয়।
সেখানে অনেক বিপদ রয়েছে,
তাই কোনো প্রশ্ন থাকলে অথবা গাইডের প্রয়োজন হলে,
আমি ও আমার ছোকড়ারা এখানেই আছি, আমরা, আহ, এই জায়গাটাকে আমরা
নিজেদের হাতের তালুর মতো চিনি।
ধন্যবাদ। মনে হয় আমাদের তার দরকার পড়বে না।
তোমার ব্যাপার।
কিন্তু, আহ, যদি মত পরিবর্তন হয়...
আমরা সর্বদা এখানেই হাজির থাকবো।
ভাঙারি গাড়ি চালিয়ে বেড়াবে আর ঢোক ঢোক করে মদ গিলবে, ঠিক বললাম তো?
থামো।
কী বললে, বাছাধন?
আমার বাগদত্তার কথায় কিছু মনে করবেন না।
সে ভুলে গেছে মানুষের সাথে কথা বলা রেডিটে কিছু একটা মন্তব্য করে দেওয়ার মতো নয়।
আমার দিকে তাকিও না, খোকা।
তোমাদের এই কেতাদুরস্ত যুবসমাজ পুরো পৃথিবীর সমস্যা।
আমি হলফ করে বলতে পারি তোমরা কেউই
জীবনে একটা বালও ছিড়তে পারোনি।
তাই এখানে চুপচাপ বসে থেকে ভদ্রভাবে আচরণ করো।
আপনি ভুল।
জেন।
আমার বয়ফ্রেন্ড, ডারিয়াস, একটা অলাভজনক সংগ্রহিত শক্তির সংস্থা চালায়।
মিলা একজন অনকোলজিস্ট (ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ)। অ্যাডাম অ্যাপ ডেভেলপার।
আর গ্যারি ও লুইস নিউ ইয়োর্কের দুটো রেস্টুরেন্টের মালিক।
জানি না। তবে আমি এগুলোকে আসল কাজই বলে থাকি।
আর তুমি কী করো, সোনামণি?
আমার দুটো মাস্টার্স ডিগ্রি আছে।
অার্ট হিস্ট্রি ও নৃত্যে।
মানে আমি কফি বানিয়ে নিজের পেট চালাই।
তবে এই মূহুর্তে আমি আপনাকে দেখছি,
আর আপনার চোখে কিছুটা হোলদেটে ভাব দেখতে পাচ্ছি।
এর অর্থ কী, মিলা? হুম?
ওহ, আম্ম, সম্ভবত এটা লিভারের সমস্যার কারণে হতে পারে।
জন্ডিস, হেপাটাইটিস, গিলবার্ট সিনড্রোম।
আপনার সম্ভবত একজন ডাক্তারকে দেখানো উচিত।
আচ্ছা, বেশ...
তোমরা সাবধানে থেকো।
হয়তো আমাদের আবারও দেখা হতে পারে।
সিরিয়াসলি, আর কক্ষণো এরকম করতে যাবে না।
- আমি এটা সামলাতে পারবো না। - ভাই, আমরা তোমাকে ড্রিঙ্ক করতে কেন দিলাম?
কারণ সাধারণত আমি খুব মজার।
না, আসলে, তুমি কখনোই মজার ছিলে না।
মানে, কখনোই নয়।
ড্রিঙ্ক কোথায়?
তুমি গানটা জানো।
গানটা জানো?
না, তবে গানটা বেশ ভালোই।
আচ্ছা, বন্ধুগণ, সকাল আটটায়
লুইস, গ্যারি, তোমাদের বলছি।
ঠিক আছে, আমি সকালে উঠতে পারি না।
আট ঘন্টা ঘুমাতে না পারলে, আমি জম্বি হয়ে যাবো।
- তাহলে জম্বি হয়েই হাইকিং কোরো। - হেই, বন্ধুরা।
- বন্ধুরা। - কী?
গাড়ির পাশে কে দাঁড়িয়ে আছে?
ওটা কী ওই বারের লাফাঙ্গাগুলোর একজন?
হ্যাঁ, সেটাই মনে হচ্ছে।
- এই যে। - অ্যাডাম।
- শান্ত হও। - এই যে!
গাড়ির সামনে থেকে সরে যাও, ভায়া।
ওখান থেকে সরে যাও।
- ও কোনো কুকুর নয়। - ইও!
কানে শুনতে পাও না না-কি? সরে যাও ওখান থেকে!
অ্যাডাম, তুমি কি মধ্য আমেরিকার সবাইকে জ্বালিয়ে ছাড়বে?
ওদের সাথে এরকমই ব্যবহার করতে হয়।
আচ্ছা, বীরপুরুষ, ঘুমাতে চলো।
- চলো। - আমার সঙ্গ দাও।
অ্যাডাম।
চলো, বাদ দাও এসব।
ছেলেটা গেলো কোথায়?
No comments yet. Be the first to leave one.