처음 200줄입니다.
:.:.: Primer (2004) :.:.: অনুবাদক: নূরুল্লাহ মাশহুর
কী ঘটতে চলেছে তা আমি বলছি।
আমি এটা পড়ব, আর তুমি শুনবে,
আর তুমি লাইনে থাকবে, কথার মাঝখানে বিঘ্ন ঘটাবে না।
কোনো কারণেই কথা বলবে না।
এর মধ্যে কিছু ব্যাপার তুমি জানো।
আমি শুরু থেকেই শুরু করছি।
সাবধানী, হ্যাঁ।
নিয়মনিষ্ঠ। শিক্ষিত। এরকমই ছিল ওরা।
কোনো বাড়াবাড়ি নেই। আর দশজনের মতোই, তাদের মাঝে পার্থক্য ছিল।
কিছু কিছু দিন ছিল ভুল, আলস্য আর অন্তর্দ্বন্দ্বে ভরা।
আবার ছিল, ভালো দিন, যখন যে কারো অভিমতে
তারা বুদ্ধিমান বলে বিবেচিত হতো।
কেউ বলবে না তারা যা করছিল তা জটিল।
এমনকি নতুন বলেও বিবেচ্য হবে না, হয়তো কেবল ভূতাত্ত্বিক দিক বাদে।
তাদের যা দরকার তা চারপাশ থেকে সংগ্রহ করত,
আর তা থেকে আরও বেশি কিছু সৃষ্টি করত।
- আমি এটা বর্ধিত করেছি। - দাঁড়াও, এটার অর্ডার ডেট কত বসিয়েছ?
- ২৮ তারিখ। কেন? তাতে তোমার কী আসে যায়? - জানি না...
- হুম, আমি ২৮ তারিখ বসাচ্ছি। - তুমি কি...
তুমি কী পেশ করতে চাও সে ব্যাপারে ভেবেছ আরও?
- আহ, সত্যি বলতে, না। - কারণ আমি...
মানে, আমি মত বদলাইনি বা এরকম কিছু।
ফিলিপ আর আমি কথা বলছিলাম। আমাদের মতে এটা ভালো হবে। মজার হবে।
দেখো, কেউ বলছে না এটা মজার হবে না।
এখন আসলে টেসলা কয়েল আর বল লাইটনিং নিয়ে গ্যারেজে খেলাধুলা করার সময় শেষ।
হয়তো এটা তোমার নিজের ফ্রি টাইমে ট্রাই করা উচিত, বুঝেছ?
আমার ফ্রি টাইমে? কোন ফ্রি টাইমে? ৫০ ঘণ্টা কাজের পর ফ্রি টাইম,
ওই গ্যারেজে আমার ইতোমধ্যে ৩০ ঘণ্টা পার করার পর?
আমরা সবাই একই শিডিউলে কাজ করছি।
আর এটা টেসলা কয়েল না।
আমার মনে হয় টয়লেটে বসে খানা খেয়ে আমি আরও কয়েক মিনিট সময় বাঁচাতে পারি।
দেখো, আমাদের কয়টা প্যাটেন্ট হয়েছে? গত ১৪ মাসে?
- তুমি চুক্তি সই করেছ? - কেউ চুক্তি সই করেনি।
তাতে কিছু আসে যায় না, আমরা চুক্তিতে বহাল থাকছি।
ওই গ্যারেজ থেকে আসা একটা জিনিসের নাম বলো যেটা ন্যূনতম লাভজনক।
এ ব্যাপারে যদি কথা বলো...
তো এটার কারণে আমি কাউকে চাকরি ছেড়ে দিতে দেখছি না।
জানি আমি ছাড়ছি না। তুমি ছাড়ছো?
আমার মনে হয় অ্যাব বলতে চাচ্ছে JTAGই ঝামেলার মূল কারণ।
আর এই জিনিসগুলোর ঠিকানাগুলো যদি দেখো,
বেশিরভাগই অ্যাপার্টমেন্ট, আবাসিক এলাকা।
এগুলো কোনো OEM বা রিটেইল জায়ান্টের পাইকারি অর্ডার না।
- এগুলো স্রেফ অদক্ষ... - হ্যাকার।
হুম, হ্যাকার হতে চাওয়া ছেলেপেলে যারা তাদের বাবার পুরনো মাদারবোর্ড টেস্ট করছে।
আর আমি জানি এ ব্যাপারে আমার দোষ অনেকখানি।
গতবছরের ঘটনাগুলো... আর প্লাটস এর বিশ্বাসঘাতকতা
আর যে বিষয়গুলো নিয়ে আমরা এগোচ্ছি না এখন...
হয়তো আমাদের এগোনো উচিত।
দুঃখিত। কী বললে?
চলো। বলো ওকে।
হয়তো আমাদের এগোনো উচিত এই ব্যাপারে। আমার ভাইয়ের সাথে আজ কথা বলেছি।
সে এরকম অন্তত আরও দুটো কেসের ব্যাপারে জানে।
আমাদের অন্তত প্লাটসকে জানানো উচিত যে আমরা এ ব্যাপারে আলাপ করছি।
প্লাটসের কথা ভুলে যাও।
আমাদের নজর দিতে হবে কোন জিনিসটার এখন মার্কেটে প্রবেশের সেরা সুযোগ রয়েছে,
আর কোন জিনিস দিয়ে বিনিয়োগকারীদের মনোযোগ আকৃষ্ট করা যাবে।
দেখো, তোমাদের যখন পালা ছিল আমি তোমাদের সাথে ছিলাম,
যখন আমি শতভাগ নিশ্চিত ছিলাম না আমাদের কাজের ব্যাপারে,
অথবা হয়তো দ্বিমত থাকা স্বত্বেও।
কিন্তু যদি এটা আমার পালা হয়, যদি আমরা এখনও নিয়ম মেনে চলি,
তাহলে এটা আমি চেষ্টা করতে চাই।
- নাও এটা। - না, দরকার নেই।
ওহ, রবার্ট, প্লিজ। এটা থাকবে না।
- গাড়ি নষ্ট হবে। - এখানে শুধু শুধু নষ্ট হবে। আচ্ছা, ধন্যবাদ।
- শুভ রাত্রি, বন্ধুরা। - পরে দেখা হবে।
বিশাল এক বক্তৃতা দিয়ে অবশেষে আমরা কাজটা সমাধা করলাম।
- কী, আমরা বক্তৃতা দিয়েছি? - আমরা সমাধা করেছি। পাঁচ মিনিট আগেই।
না, আমি বক্তৃতা দিয়েছি। আমিই ইস্যুটা নিয়ে জোর করেছি, মনে আছে?
আর সত্যি বলতে, ওরা আমাদেরকে চাপ দিচ্ছে কারণ আমি একজন অকর্মা পুলিশ।
- আমি সে ব্যাপারে জানি না। - তোমার এটা করা উচিত। তুমি ভালো নকল করতে পারবে।
এ ব্যাপারেও আমি কিছু জানি না।
দেখো, যতক্ষণ আমরা এই সহজ-সরল পদার্থবিজ্ঞান নিয়ে কাজ করছি,
আর গ্যারেজে মজার সময় পার করছি, আমার মনে হয় আমরা এটা ট্রাই করতেই পারি।
ফিলিপ আর রবার্ট একাই একশো টাইপ, তবে সেটা কোনো সমস্যা না।
কিন্তু তুমি জানো আমার ওতে কোনো আগ্রহ নেই, আর জানি তোমারও নেই,
ব্যাপারটা হচ্ছে ফিলিপ আর রবার্ট যা করতে চায় তার জন্য আমাদেরকে ওদের দরকারও নেই।
ওরা শুধু যন্ত্রপাতিগুলো ব্যবহার করতে চায়।
আর আমি যা করতে চাই? তাতে আমাদের ওদেরকে দরকার নেই।
ফিলিপকেও না, কারণ এটার জন্য কোনো সফটওয়্যার লাগবে না।
- ও ঘুমিয়েছে? - না, ওর গোসল করা দরকার।
আমি করাতে গেলে তো ও আলমারিতে গিয়ে লুকাবে।
সমস্যা নেই।
শোনো, রবার্ট যদি এতে রাজিও হয়, যদিও হবে না,
আমার মনে হয় না আমি বুঝতে পারছি এই জিনিসটা করবে-টা কী!
আমার মনে হয় আমাদের দুই মাস ওদেরকে চেষ্টা চালাতে দেওয়া উচিত।
ওরা ওদের প্রজেক্ট করুক, আমরা আমাদেরটা করব।
ওরা বলেছিল ইনস্টল করার পর ১৪ ঘণ্টা সময় লাগবে।
ওটা খেয়ো না। খেয়ো না। সিরিয়াসলি, এটা বাজে।
প্রথম কয়েক ব্যাচ আমাদের ফেলে দিতে হবে। ফিল্টার।
গুঁড়াগুলো?
- ওরা ফান্ডেড। - ওরা... কী?
- তরল হিলিয়ম। এই লোকেরা ফান্ডেড। - না, ব্যাপারটা যেমন সেরকমই, ওকে?
এটাই আসল পার্থক্য। বক্সটা ঠিক তাই।
এই পন্থায় আমাদেরকে বারবার নতুন উদ্ভাবনী আইডিয়া খুঁজতে হবে না
জিনিসটাকে ঠাণ্ডা করার জন্য,
- যা মেশিনটাকে অস্থিতিশীল করে তুলবে। - অ্যারন, আমার হেক্সাগোনাল সেটটা লাগবে।
- আর অবাজারজাতযোগ্য। - হুম, সাথে বাজারজাতের অযোগ্য।
পেছনের দিক থেকে এসে,
দেখো, পারিপার্শ্বিক তাপমাত্রা না বদলে,
বরং আমরা এর পরিবাহকত্ব এর মাত্রা, ট্রানজিশন তাপমাত্রাটা বদলে দিবো।
আর দেখো, এই প্রান্তগুলো বোম্বার্ডিং করে...
ও যা বলছে, এই লোকেরা সিরামিক ড্রপ করছে,
সাথে তাপমাত্রা ক্রমান্বয়ে কমাচ্ছে।
এতে সিরামিকটার রোধ কমছে, যা অভ্যন্তরীণ চৌম্বকক্ষেত্রকে নিষ্ক্রিয় করছে।
ঠিক তাই। ও যা বলছে তা হচ্ছে...
আমি যা বলছি তা হচ্ছে, আমরা বক্সটাকেই ড্রপ করব।
ওকে? আমাদের নিজস্ব চৌম্বকক্ষেত্র নিষ্ক্রিয় করবে সিরামিকের ভেতরে যে
- বিপরীত ক্রিয়া হচ্ছে সেটাকে। - এটা দারুণ আইডিয়া।
আর তাতে ট্রানজিশন তাপমাত্রা বদলে এমন কিছুতে আসবে
যা নিয়ে আমরা কাজ করতে পারব।
- সেটা কত হবে বলে ধারণা করছি আমরা? - আশা করি, কক্ষ তাপমাত্রার কাছাকাছি।
"অলস গণিতবিদই সেরা গণিতবিদ" সেরকম মতবাদ নিয়ে ভাবছ?
- কী চেয়েছিলে তুমি? - আমি চেয়েছিলাম। হেক্সাগোনাল সেটটা লাগবে আমার।
- কী বললে এটাকে? - আরে চলো ভাই।
- এগুলো কি টাইপ ওয়ান? - সুপারকন্ডাক্টরগুলো?
- হ্যাঁ, এগুলো টাইপ ওয়ান। - কী? এটা কোনো সমস্যা হবে?
অফিসে অনেকগুলো ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে, কিন্তু সবগুলো বার-কোডেড, তাই,
- আমার যদি কিট কিনতে হয়, কিনব। - সোর্সের ব্যাপারে কী করবে?
কী?
- আমি সেটার ব্যবস্থা করব। - তুমি... নিশ্চিত?
ভেবেছিলাম এই আইডিয়া তোমার পছন্দ হয়নি।
যদি কিট কিনতে হয়, কিনবে। বাকি সব আমরা সামলাতে পারব।
সোর্সের ব্যাপারে কী করবে?
ওই গল্পটা জানো নাসা কীভাবে মিলিয়ন মিলিয়ন ডলার ব্যয় করেছিল
জিরো-গ্র্যাভিটিতে লেখার জন্য কলম আবিষ্কারের পেছনে?
- পড়েছ কখনও? - হুম।
- আর রাশিয়া কীভাবে সমস্যাটার সমাধান করেছিল? - হুম, ওরা পেন্সিল ব্যবহার করেছিল।
ঠিক তাই, একটা সাধারণ কাঠের পেন্সিল।
মনে হচ্ছে ফিলিপ সবসময় নাসার পথেই হাঁটে।
- এটা প্যালাডিয়াম, তাই না? - ডায়াগ্রাম তো আছেই তোমার কাছে, কী লেখা ওতে?
প্লাটিনাম আর প্যালাডিয়াম দুটোই নির্দিষ্ট অনুপাতে ব্যবহার করেছে ওরা।
কিন্তু জানি না এটা আবশ্যক কি না।
আমার মনে হয় ওরা শো-অফ করছে। আছে যখন, ব্যবহার করি, তাই না?
আমি একটা রিপ্লেসমেন্ট রাউটার কিনতে চাই।
- চার আউন্স প্যালাডিয়াম ঢালছি। - রবার্ট দেখেছে এটা?
- হ্যাঁ, ওকে দেখিয়েছি। - আমি এটা মেরামত করতে পারব।
- ওকে। কোথা থেকে কিনবে? - ওয়ালমার্ট। ৫০ ডলারের মতো পড়বে।
- ওকে। রশিদ নিয়ে এসো, প্লিজ? - হুম।
কোনটার রোধ কম, প্লাটিনাম না প্যালাডিয়াম এর?
- অ্যাব। - স্রেফ, এটা...
হুম, এতে কিছু আসে যায় না। রোধ এখানে গুরুত্বপূর্ণ না।
আমার সম্মতি শোনা দরকার।
- তুমি কি ঝাঁকিয়েছ... - কলেট নাটটা? হুম।
- উল্টে দাও... - রবার্ট করেছে।
বেশ, হ্যাঁ। হুম। ঠিক আছে।
আচ্ছা, তো, কোনটা সস্তা?
তুমি নিশ্চয়ই এটা কিনবে না, তাই না?
হুম, যদি না আশেপাশেই কয়েক গ্রাম প্যালাডিয়াম পেয়ে যাই।
কী?
আমি শুধু বলছি, যদি এটার দরকার না-ই থাকে তবে কেন ওরা এটা ব্যবহার করবে?
একটা ক্যাটালাইটিক কনভার্টার। ব্যাপার না। শুধু এটা আবার লাগিয়ে রাখতে ভুলো না, ওকে?
গাড়ির ধোঁয়া নিঃসরণ ৩০০% বেড়ে গিয়েছে।
- এখানে যথেষ্ট পরিমাণ পাওয়া যাবে? - হুম, হওয়ার কথা।
যদি না থাকে, আমার গাড়িরটা বের করে আনব।
ওকে, কপার টিউবিং।
- এটা অচল হয়ে যাবে, তাই না? - টিউবিং ছাড়া?
- হুম। - হুম।
আমরা ফ্রেয়নও ব্যবহার করতে পারি।
না, তোমাকে বলেছি এটা কক্ষ তাপমাত্রায় থাকবে।
জানি। যদি দরকার পড়ে আর কী।
না, না, দাঁড়াও, দাঁড়াও। অ্যারন, থামো, থামো। আমি টিউবিং কিনে আনবো।
এতে আমাদের টাকা বাঁচছে না। দাঁড়াও। কিছু কেটে ফেলেছ না-কি?
- হেই, ভায়া। কেমন আছো? - ভালো, জ্যায়।
আমাদের কি গগলস পরা উচিত?
- আমাদের কি গগলস পরা উচিত? - কী?
গগলস। আমাদের কি গগলস পরা উচিত?
ওহ, দাঁড়াও, ফিলিপ। তুমি এখানে আসতে চাইবে না।
ফিলিপ, মাস্ক পরো, ওকে?
এরকমই তো, তাই না? না-কি শুধু আমারই এমন মনে হচ্ছে?
না, এটা নিশ্চিতভাবেই আগের চেয়ে ছোটো, কিন্তু...
আমার ধারণা এরকমই মনে হয়েছিল এটা। ওরা যা ব্যবহার করেছে তাই করো।
ওকে, কুল্যান্টটা বাদে, ওকে? যেটার প্রয়োজন নেই আমাদের।
বাদবাকিটা মার্কারি বাথ,
যেটা আমার চেয়ে ভালো তুমি জানবে,
তবে সম্ভবত ওরা স্রেফ শো-অফ করছে।
মানে, আছে তাই ব্যবহার করেছে, তাই না?
- কী? ব্যথা লাগছে? - না, কিছুই লাগেনি।
এই শব্দটা কেমন অদ্ভুত লাগছে।
ওয়াও।
- কেমন মনে হচ্ছে? - জানি না।
জানি না আমি বানিয়ে বলছি কি না।
নাও।
- পরবর্তী পার্ট। পরের পার্টটা করা যাক। - হুম। হুম।
কাঁচ বা স্বচ্ছ কিছু নেই যেটা...
- জানি না। - আমরা জানালা হিসেবে ব্যবহার করতে পারি? পাইরেক্স?
- হুম, করা যায়। - ওকে, নামাও।
ফিল্ডের মাঝে ফাঁকা স্থান রাখবে না এরকম কিছু আমার মাথায় আসছে না।
কিন্তু ভেতরে কী হচ্ছে তা তো আমাদের দেখা দরকার।
- কত খরচ পড়েছে এটায়? - হুম।
- কী? - তুমি আমার ক্যামকর্ডার
ওই বক্সের মধ্যে রাখতে চাও যেটা এত বিপজ্জনক যে আমাদের তাকানো সম্ভব না।
কিছু হয়ে গেলে, টাকা ফেরত দেবে আমাকে?
তো বক্সের মধ্যে সামান্য নেগেটিভ প্রেশার রয়েছে।
আমরা আর্গনের জন্য প্রস্তুত।
- দাঁড়াও, কোনটা এটা? - নীলটা।
- নীলটা। - ভর পেয়েছি ৭৭ গ্রাম।
যদিও স্কেল ডেকাগ্রামে সেট করেছি।
৭.৭ ডেকাগ্রাম দেখতে পাচ্ছি।
রেডি...
No comments yet. Be the first to leave one.