처음 200줄입니다.
অনুবাদ ও সম্পাদনায় ❝ শান্ত কুমার দাস ❞
জীবন না কি ধ্বংস?
মূল প্রশ্নই হচ্ছে এটা।
"কোনটি বেশি মহৎ?
"ভাগ্যের নির্মম নিষ্ঠুরতার কাছে আত্মসমর্পণ করা...
"না কি সহস্রাধিক বিপর্যয়ের সম্মুখে ঢাল হয়ে দাঁড়িয়ে তাদের মোকাবিলা করা?"
ছিহ!
এই যে।
অভিনয়টা এমনই। ধন্যবাদ।
- "মৃত্যু, বিশ্রাম কোনোটাই..." - ওহ, তুমি এটাকে অভিনয় বলছো?
ওর গায়ে বাঁধাকপি ছোঁড়া শুরু করতে পারবো কখন?
আমি সাথে করে এক ঝুড়ি পচা বাঁধাকপি নিয়ে এসেছি।
"...এই নশ্বর দেহ করে না বাসনা।
- "ঘুম, বিশ্রাম।" - না।
- আবার না। - "ঘুমিয়ে পড়ো,
"স্বপ্নের ঘোরে ডুবে যেতে.."
"হ্যাঁ, এখানেই সমস্যা।"
আরেকটা গহ্বর।
ওটা গ্রাস করতে শুরু করেছে। দ্রুত সরে যাও!
জীবন বাঁচাও!
"...মৃত্যুর পরে, আমরা পা রাখি এক অনাবিষ্কৃত জগতে..."
ক্যাপ্টেন, তুমি সামলাও।
"সেখান থেকে কোনো পথিক ফেরে না।"
এটা তো ফাইনাল রিহার্সালে ছিলো না!
ধরেছি!
আমাকে বাঁচানোর জন্য ধন্যবাদ।
ভাগ্য ভালো তোমার।
মহারানী!
আমার হাত ধরো!
ধরে রাখো!
বোন!
রানী আর নেই।
রাজা থর ওডিনসনের জয় হোক।
রাজা থর ওডিনসনের জয় হোক।
মহারাজ, আমার সান্ত্বনা জানানোর ভাষা নেই।
সান্ত্বনা? আমাকে সান্ত্বনা দিচ্ছো?
আমার বোন মারা গেছে,
পৃথিবী বিধ্বংসকারী ঝড়ে।
যে ঝড় থামাতে তোমাকে স্কারলেট উইচ নিয়ে এসেছে।
কিন্তু তা দিনকে দিন আরো শক্তিশালী হচ্ছে।
রাজামশাই, আমি...
- আমি... আমি... - সে অভিশপ্ত।
গ্রেফতার করো তাকে।
- এটা নিলে সমস্যা আছে? - ওটা আমার ইয়োরিক।
ধন্যবাদ!
- বেচারা ইয়োরিক! - আমার ওকে জীবিত চাই।
উইচকে ডাকো।
তার সুপারহিরোর সম্পর্কে কথা বলবো তার সাথে।
কাল।
স্থান।
রিয়েলিটি।
এটা স্রেফ একটা সরলরৈখিক পথ না।
এটা অনন্ত সম্ভাবনার এক জটিল জগত,
যেখানে একটা সিদ্ধান্ত জন্ম দিতে পারে অসীম রিয়েলিটির,
সৃষ্টি হতে পারে তোমাদের পরিচিত জগত থেকে ভিন্ন অল্টারনেট সব জগত।
আমি দ্যা ওয়াচার।
এই সুবিশাল নতুন রিয়েলিটিসমূহে আমি তোমাদের পথ দেখাবো।
আমার সাথে থাকো আর নিজেকে প্রশ্ন করো...
"কেমন হতো যদি...?"
তোমরা যা দেখছো তাতে শেক্সপিয়রীয় ট্র্যাজেডির সমস্ত বৈশিষ্ট্য রয়েছে।
হারানোর বেদনায় ক্ষতবিক্ষত একজন রাজা।
পলায়নরত এক সৈনিক।
বিস্মৃতির দ্বারপ্রান্তে একটি পৃথিবী।
এখানে চলছে ১৬০২ সাল।
সে "ক্যাপ্টেন পেগি কার্টার"।
কিন্তু সময়চ্যুত এক সুপার সোলজার কীভাবে...
অদ্ভুতভাবে পরিচিত এই রিয়েলিটিতে এসে আটকা পড়লো?
দুঃখজনক হলেও সত্য যে মাল্টিভার্সে কিছু রিয়েলিটি আছে যাদের শিয়রে ধ্বংস লিখিত।
কিন্তু কখনও কখনও, আশার আলো জ্বলতে পারে।
তাদের বিশ্ব ধ্বংস হওয়ার উপক্রম হলে,
একদল হিরো সমবেত হয় তাদের রিয়েলিটিকে বাঁচাতে।
স্কারলেট উইচ, ওয়ান্ডা ম্যাক্সিমফ,
একজন যোদ্ধার সন্ধানে তার ক্ষমতা ব্যবহার করে সংলগ্ন এক মহাবিশ্বের দ্বারমুখো হয়।
এমন একজন যে তার রিয়েলিটি নয় এমন একটি ...
মৃতপ্রায় রিয়েলিটিকে বাঁচাতে অসম্ভব প্রতিকূলতার মুখোমুখি হতে ইচ্ছুক।
ক্যাপ্টেন পেগি কার্টারের মতো একজন নায়ক।
- এ কী... - পেগ!
- নাতাশা! - পেগি? পেগ!
এইভাবে, ক্যাপ্টেন ১৬০২-এর হিরোদের সাথে যোগ দেয় ...
তাদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য, তাদের পৃথিবীকে বাঁচানোর মরিয়া প্রচেষ্টায়।
কিন্তু, কয়েক সপ্তাহের ব্যর্থ প্রচেষ্টার পরে, দাঁড়িয়ে আছে একা।
সে একজন ব্যর্থ আসামি হয়ে উঠেছে,
যার এই মৃতুপথযাত্রী পৃথিবীকে বাঁচানোর কথা ছিল।
সে এখন পলাতক এবং বাড়ি ফেরার উপায় নেই।
কোথাও যাওয়ার নেই। কিছুই নেই।
আমি তোমার কথা শুনতে পাচ্ছি, তুমি জানো?
দাঁড়াও। আসলেই? তুমি শুনতে পাচ্ছো?
হ্যাঁ, মানে মাঝে মাঝে।
তোমার কোন কিছু দরকার? আমি একটু ব্যস্ত আছি।
পেগি, তুমি এখানকার নও।
তুমি এমন এক সংগ্রামে শামিল হয়েছো যা তোমার বোধগম্যতার বাইরে।
ওহ, তাই? আচ্ছা, আমি যা বুঝেছি তা অনুসারে,
দুটি সময়কাল, ১৬ এবং ২১ শতকের প্রাক্কাল, একসাথে বাঁধা।
যেন দুটো রিয়েলিটি আঠার মতো আটকে গেছে।
হুম, বুঝতে পেরেছো তুমি। অবিশ্বাস্য।
যদি আমি এই দুটি সময়কালকে আলাদা করার উপায় খুঁজে না পাই,
তাহলে এই মহাবিশ্ব ধ্বংস হয়ে যাবে।
হুম।
কীসের জন্য?
তোমাকে তোমার ইউনিভার্সে ফিরিয়ে দিয়ে আসবো।
আমি যাচ্ছি না।
ইউনিভার্সের মৃত্যু প্রতিদিনই ঘটে।
লক্ষাধিক ইউনিভার্সকে আমি হারিয়ে যেতে দেখেছি।
এমনটা হয়ই।
কিন্তু আমার চোখের সামনে হতে দেবো না।
মহারাজ, এই ফাটল সারাবিশ্বে শক্তি ও সংখ্যায় বাড়ছে।
নেবুলা অবজারভেটরি, ইগো দ্বীপ।
বিদায়, গ্রুট গ্রোভস।
আপনার কারখানা রাজ্যের সবথেকে সেরা ওয়াইন তৈরি করতো।
ওহ, না, বলবেন না আর কোনো ওয়াইন অবশিষ্ট নেই...
এটি আমাদের জীবনের সবচেয়ে কঠিন সময় হতে পারে, তবে এর অর্থ আমাদের জীবনের শেষ নয়।
আমি এই সিংহাসনে থাকাকালীন তো নয়ই। কার্টারের সন্ধান করো।
কার্টার এসবের কারণ নন, মহারাজ।
তবে আমার মতে, এই পরিস্থিতি থেকে সে আমাদের পরিত্রাণ পাওয়ার মূল চাবিকাঠি,
কারণ আমি অনুভব করি যে এর কারণ অন্য কেউ।
অন্য এক সময়ের থেকে একজনের আসা এখনো বাকি।
বাজে কথা।
শান্ত হোন, হোগান।
বিচলিত হবেন না।
- ভবিষ্যতের মানুষ? - অনেকটা হারিয়ে যাওয়া পথিকের মতো কেউ।
ভবিষ্যতের একজন অগ্রদুত যিনি অতীতে পতিত হয়েছেন,
এবং জানেন না যে এই সময়ে তার উপস্থিতি আমাদের বিশ্বের ধ্বংসের দিকে নিয়ে যাচ্ছে।
আমাকে বলো, আমরা এই ব্যক্তিকে কিভাবে খুঁজে পেতে পারি?
এটা আমার সামর্থ্যের বাইরে।
মনে হচ্ছে তোমার মিশন বুঝতে পেরেছো।
ধন্যবাদ।
মিস্টার ফিউরি, কার সাথে কথা বলছেন?
কেউ না, মহারাজ।
একটা সুন্দর পাখির সাথে।
ওহ! পানি!
শুভ সকাল, টনি।
আর পাঁচ মিনিট।
- তোমার বন্ধু? - স্মারকের মতো অনেকটা।
ঠিক বলেছো। এর থেকে শক্তি নির্গত হচ্ছে।
- হয়তো এটা তেজস্ক্রিয়। - দাঁড়াও। কী ক্রিয়?
বাহ, তোমার এমন তৈরি করা শব্দ আমার ভালো লাগছে। আরো কিছু শুনাও।
ফ্ল্যাক্স ক্যাপাসিটর।
ইয়েস!
- আবার শুরু হলো। - সতর্ক থাকো!
আমি এমন কাউকে খুঁজছি, ভবিষ্যতের একজন অগ্রদুত,
সে'ই প্রথম ব্যক্তি যে ভবিষ্যত থেকে এই পৃথিবীতে চলে এসেছে,
এবং এই কারণেই এই রিয়েলিটি ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে।
তার শক্তি কি এই ফাটলগুলোর শক্তির মতোই?
হ্যাঁ, শনাক্ত করতে পারবে?
তাত্ত্বিকভাবে, হ্যাঁ।
কিন্তু বাস্তবে, এই ধরনের একটি ডিভাইস পরিচালনা করার জন্য যে যাদু প্রয়োজন...
১৬০২ সালে, আর্ক রিয়্যাক্টর এখনও উদ্ভাবিত হয়নি।
আবারও, তুমি সুন্দর একটা শব্দ ব্যবহার করেছো। চালিয়ে যাও, এটা আমার কানের জন্য আফিমের মত।
তো আমরা আটকে গেছি।
আচ্ছা, জনশ্রুতি আছে যে,
যা এক হাজার জাহাজকে শক্তি সরবরাহ করার ক্ষমতা রাখে।
মনে হয়না আমাদের নতুন রাজা আমাকে তার রাজদণ্ড ধার দেবেন।
দেখে মনে হচ্ছে তোমাকে চুরি করতে সাহায্য করার জন্য একজন চোর দরকার।
কার কথা ভাবছো?
উইল, আইগো নামের একটি চরিত্র নিয়ে একটি নতুন নাটক লিখেছেন।
এটাতে অন্যান্য চরিত্র রয়েছে, তবে নাটকটা আইগোকে কেন্দ্র করে।
শ্যাম্পেন?
হেই!
শুভ সকাল, প্রিন্স লোকি।
আপনার রথটাতে মনে হচ্ছে একটু বেশি ভারবহন করা হয়ে যাচ্ছে।
রজার্স হুড।
কী জানেন, একজন দস্যু হিসেবে, আপনি বিরক্তিকরভাবে মজার।
বাহ্, এটা কোন ধরনের সম্পদ?
ভিক্টোরিয়া স্পঞ্জ কেক, পাইনঅ্যাপেল কেক এবং বাদাম কেক।
বাক, ওদের কাছে বাদাম কেক আছে!
আমরা এখানে টাকার জন্য এসেছি, কেক নয়, ল্যাং।
হয়তো তুমি আসোনি। ওহ, পাই ও আছে।
শ্যাম্পেনে সাবধানে হাত দাও। এটা অনেক দামী।
পান করার কিছু আছে কি?
আমি সবসময় হুইস্কির ভক্ত,
কিন্তু আমার ধারণা শ্যাম্পেন যথেষ্ট ভালো লাগবে।
এটা হতে পারে না।
এটা নিশ্চয়ই কোনো মায়া নয়তো ভূতের কাজকারবার।
কারণ আমার মিস মার্গারেট অনেক আগেই মারা গেছেন।
এই বিশ্বে আমি মারা গেছি?
বাহ্!
দুঃখিত। মানে, এটা ভয়ানক। খুব দুঃখজনক।
দ্রুত ! চলুন, এক্ষুনি।
যখন তারা একে অপরের চোখের মাঝে ডুবে গেছে।
- হাই। - হাই।
দুঃখিত, কোথাও বসে কি আমরা কথা বলতে পারি?
আমি দিব্যি সব বুঝিয়ে দেবো।
তোমরা এই কেকগুলো খেয়েছো? খুব দারুণ খেতে।
একদম আঙুল চেটেপুটে খাবে।
দারুণ ডাকাতি হলো! ঢালো বিয়ার!
চিয়ার্স!
তো, তুমি চাও আমি রাজার রাজদণ্ড চুরি করি?
এরকমটাই।
অধিকাংশ মানুষ পাগল হয়ে যাবে শুধু
একটা অদ্ভুত পৃথিবীতে থাকার কথা ভেবেই।
আসলে, ভুল সময়ে ভুল জায়গায় থাকাটা আমার বিশেষত্ব।
হুম, তোমাকে একটা প্রশ্ন করতে চাই।
তোমার পৃথিবীতে, অন্য এক স্টিভ রজার্স আছে?
- হ্যাঁ। - বলো সে কেমন।
না, আমি...
মনে হয় না তোমাকে বলবো।
আমাকে সাহায্য করবে? জানি আমি তোমার পেগি নই, কিন্তু...
আমার মার্গারেটও এই পৃথিবীকে বাঁচাতে চাইতো।
এটা ছিলো তার বিশেষত্ব।
- হুম? - হুঁশিয়ার!
No comments yet. Be the first to leave one.