처음 200줄입니다.
• • • অনুবাদ ও সম্পাদনায় • • • সৈয়দ ফাহমিদুল ইসলাম
GYEONGSEONG CREATURE
ত্যে-সাং, কাউকে বিশ্বাস করবে না।
এই দুনিয়ায় কেউ নেই যে তোমাকে বাঁচাতে আসবে।
তোমাকেই নিজের জন্য লড়তে হবে। বুঝা গেছে?
মা, কোথায় যাচ্ছ?
ভেতরে যাও!
জলদি করো!
বের হবে না।
তাতে যা-ই হোক, যা-ই শুনো,
বের হবে না।
সকাল পর্যন্ত এই বক্সের ভিতর চুপ করে বসে থাকবে!
- বুঝা গেছে? - মা…
তোমাকে বেঁচে থাকতে হবে।
কথা দাও, ত্যে-সাং।
তাতে যাই হয়ে যাক না কেন।
ঠিক আছে?
ভেতরে যাও। যাও।
এই, সিম সুন-দক। কিম সি-ইয়ং কোথায়?
- কার কথা বলছেন জানি না। - আমরা সব জানি!
বিদ্রোহী কিম সি-ইয়ংয়ের সাথে তোমার যোগাযোগ আছে। বলো ও কোথায়।
জানি না… আপনারা কার কথা বলছেন।
তোমাকে বেঁচে থাকতে হবে।
কথা দাও, ত্যে-সাং।
তাতে যাই হয়ে যাক না কেন।
যাই চাইবেন দেওয়া হবে,
কারণ আমি এসব থেকে মুক্তি চাই, ম্যাম।
মাফ করবেন, কিন্তু আমাদের স্বাধীনতার কোনো আশা দেখছি না।
আমি ব্যস একটা জিনিসের পরোয়া করি।
নিজের জীবনের।
তাই সমস্যায় পড়লে আগে নিজের জীবন বাঁচাবো।
শুরুতে ভেবেছিলাম মাকে দেওয়া কথা রাখতে পেরেছি।
চলো।
চিয়ার্স!
তারপর আমার জীবন নতুন একটা বাঁক নেয়।
পাতা ঝড়ে পড়া অবধি সময় আছে।
ঠিক এ সময়েই
ও আমার
জীবনে এসেছিল।
সব কয়েদিদের নিরাপদে বের করতে পারবে?
চাই না আমাদের কোনো লোক পিছনে ছুটে যাক।
ওকে এত সহজে কথা দেওয়ার আগে আমার ভাবা উচিত ছিল।
কী ব্যাপার? সবাই গেল কোথায়?
কেউ নড়বে না নাহলে গুলি করে দিব!
সবাই ভাগো! ভাগো!
এই, হুই-দু। ঠিক আছ?
সবাই নিজ নিজ কক্ষে যাও,
নাহলে গুলি করে সবার খুলি উড়িয়ে দিব।
খানকির পোলা!
যা সবাই। যা বলছি!
মেরে ফেল! মেরে ফেল আমাকে!
হুই-দু, না! না!
এখানে থাকলে মরব বাইরে গেলেও মরব, মেরে কিসসাটাই খতম করে দিচ্ছিস না কেন?
আমাকে মেরে ল্যাটা চুকিয়ে দে!
চুদির ভাই!
মার! মার আমাকে!
হাহ?
এই, চলো। সবাই আমার সাথে চলো। লোহার দরজার পিছনে একটা কামরা আছে।
আপাতত সেখানে লুকাতে পারি।
চলো! চলো!
জলদি করো! যাও!
জলদি করো!
থামো সবাই!
এটা থেকেই সব শুরু হয়েছিল।
এটা একবার মানুষের শরীরে প্রবেশ করার পর,
মস্তিষ্কে হামলা করে।
মস্তিষ্কের সাইন্যাপসি নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার পর…
মিউটেশন শুরু করে।
আমার মা কোথায় জিজ্ঞেস করেছি।
বলো!
নাহলে গুলি করব।
অবশেষে, সকল জীবই বিবর্তিত হতে চায়।
যেন প্রকৃতির নির্বাচন, শুধু শক্তিশালীরাই টিকবে।
মানুষও কিন্তু,
ভেতরে ভেতরে শিকারী হতে চায়, হতে চায় সবার চেয়ে শক্তিশালী।
আর এই ছোট্ট অর্গানিজম করতে পারে,
মানুষের সব স্বপ্ন সত্যি।
পালাও।
পালাও!
এই মূহুর্তে ঐ ক্রিচার শিকার থামাবে না।
হুই-দু!
ও বেঁচে থাকার জন্য সবাইকে নির্মমভাবে মারছে।
না!
থামো বলছি!
হুই-দু! হুই-দু!
বাঁচাও।
ধ্যাৎ।
খুল জলদি!
প্লিজ বাঁচাও আমাকে।
চলো।
শীঘ্রই মানব জাতির
এক নতুন দুনিয়ার সাথে সাক্ষাৎ হবে।
যে দুনিয়ায় তোমার মা
অনেক আগেই পৌঁছে গেছে।
হ্যাঁ, ওটা তোমার মা।
GYEONGSEONG CREATURE BETWEEN MONSTER AND HUMAN
EPISODE 6 CHAOS
খবর তো দারুণ। তো বলতে চাচ্ছেন,
মহিলাগুলো নিখোঁজ হবার সাথে হাসপাতালের যোগসূত্র আছে,
আর আমি যেন তদন্ত করি।
তাই তো?
জি, ওখানে অপরাধ হচ্ছে।
কমিশনার ইশিকাওয়া, আপনাকে তদন্ত করতেই হবে।
কমসেকম এক নজর দেখতে তো পারেন।
বেশ, দেখুন, এটা আমার জুরিসডিকশন না।
আমি পুলিশ ব্যুরোর হেড হিসেবে, হুট করেই সেখানে যেতে পারি না।
আপনিও সেটা জানেন।
শুনেছি মাস্টার জাং ম্যেওং-জাকে হাসপাতালে খুঁজে পেয়েছে।
সে আমার ছেলেকেও নিয়ে গেছে ভেতরে,
আর এখন দুজনেই ঝামেলায় পড়েছে।
তো!
কী চাচ্ছেন আপনি?
আমি ব্যস
নিজের ছেলেকে ফিরে পেতে চাই, কমিশনার।
ব্যস এটুকুই চাই।
ওর উপর ভরসা করা যাবে বলে মনে হয়?
এত সহজে কারো উপর ভরসা করতে দেখেছেন আমায়, গু সাহেব?
আমার তো নিজের উপরও ভরসা নেই।
নিজেদের লোকেদের উপর তো ভরসা করেন?
আমরা অনেককিছু সহেছি।
আমরা একটা পরিবার। সবাইকে একত্র থাকতে হবে।
কখনো কেউ
আপনার হাতের নখ উপড়েছে?
বা শরীর আগুন দিয়ে পুড়িয়েছে?
কারেন্টের শক দিয়েছে?
না, কখনোই না।
এসব কেন জিজ্ঞেস করছেন?
কাউকে উল্টোভাবে ঝুলিয়ে
পানিতে লাল মরিচ গুলে সেটা টানতে বাধ্য করা হলে
কেমন হবে বলে মনে হয়?
ভাবলেই তো গা শিউরে উঠছে।
এরকম হলে,
সেই মানুষটা আর মানুষ থাকে না।
ওকে ঝাপ দিতে বললে দিবে।
উঠতে বললে উঠবে বসতে বললে বসবে।
অত্যাচার করা হলে, আর কিছুতেই যাই আসে না।
না বন্ধুবান্ধব।
না পরিবার-পরিজন।
আপনার হয়েছেটা কী?
আমাকে ভয় দেখাচ্ছেন কেন?
এসব উল্টোপাল্টা কথা বলছেন কেন?
যদি কখনো এমন পরিস্থিতিতে পড়েন, গু সাহেব,
সত্য লুকাতে যাবেন না।
এতে সমস্যা আরও বাড়বে। তার বদলে, ওদের সব বলে দিবেন।
আর এমন যদি হয়, যদি আমাদের ধোকা দেন
আমি কিছু আপনাকে গাদ্দার ভাববো না।
মাথায় রাখবেন কিন্তু।
দেরি হচ্ছে। আমাদের ফেরা উচিত।
আমি কখনো ধোকা দিব না।
এমন পরিস্থিতিতে পড়লেও,
আমি ধোকা দেওয়ার বান্দা না। বুঝা গেছে?
আপনি সেটা মাথায় রাখবেন, ঠিক আছে?
হায়রে!
আপনি ঠিক আছেন? কতদিন ধরে ভেতরে ছিলেন?
ওরা আমার মাকেও ভেতরে নিয়ে গেছিল?
আমার মাকে দেখেছেন?
আমার মায়ের নাম সিম সুন-দক। দেখেছেন আপনি?
আমার মাকে চেনেন?
না।
নাম শুনে কারো কথা মাথায় আসছে?
আসছে না।
বাইরে অনেক ঠান্ডা।
এই নিন, খান।
আপনার জলদি বাসায় যাওয়া উচিত।
অপেক্ষা করতে বলেছিলাম করোনি কেন?
বলেছিলাম আমি না ফেরা অবধি বের হবে না। তাহলে বের হতে গেলে কেন!
ও আর ফিরবে না।
সবাই জানে মাস্টার জাং একটা স্বার্থপর।
ওর ব্যস একটাই চিন্তা, কত টাকা কামালো
আর কীভাবে আরও বেশি কামানো যায়!
আমি স্বার্থপর?
সারা জীবন তো ব্যস নিজের চিন্তাই করেছ।
যখন দেশ রসাতলে যাচ্ছিল
সবাই ভোগান্তি পোহাচ্ছিল তখনও সাহায্য করোনি।
কমরেড কোয়ান কতবার বলেছিল বিদ্রোহে যুক্ত হতে, কিন্তু তুমি হওনি।
তাই না?
তোমাকে একটা কথা জিজ্ঞেস করি?
কেউ বিদ্রোহে যুক্ত না হলে কি সে খারাপ মানুষ হয়ে যায়?
যারা অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয় না তাদের বিশ্বাস করা যায় না।
তুমি বিশ্বাসের যোগ্য না।
তোমাদের মোতাবেক চলি না বলে আমি বিশ্বাসের যোগ্য না?
- হুই-দু তোমার কারণে মরেছে। - আমি ওকে বাঁচাবার চেষ্টা করছিলাম!
ব্যস সবাইকে বের করতে চাচ্ছিলাম...
তাহলে তোমার অপেক্ষা করা উচিত ছিল!
এখান থেকে বের হবার রাস্তাও জানা নেই তোমার!
কীভাবে বের হতে এখান থেকে?
তোমার কারণে এতগুলো লোক মারা গেছে!
ওটা বলিদান ছিল।
কীসের বলিদান? তোমার কারণে মরেছে ওরা!
তোমার হাতে চাবিটা দিয়েছিলাম।
তুমি না হলে, অনেকে আজ বেঁচে থাকতো!
ছাড়ো বলছি আমাকে...
নিজের দোষ ঢেকে সাধু সাজার চেষ্টা করবে না!
সব তোমার ভুলে হয়েছে! এমনটা হবার কথা ছিল না!
তুমি যা করেছ সেটা বোকামি ও খামখেয়ালিপনা।
তুমি একটা কাপুরুষ যে শুধু নিজের জীবনের কথা চিন্তা করেছে। বুঝেছ?
জুন-ত্যেক বলেছিল তুমি সত্যিকারের দেশপ্রেমী।
ও বোধহয় চিনতে ভুল করেছে।
জোসন দেশপ্রেমী সংগঠনের সব সদস্যদের একটা তালিকা বানালে কেমন হয়?
সবার নাম চাই আমি।
No comments yet. Be the first to leave one.