처음 200줄입니다.
:.:.: The Haunting of Hill House :.:.: Season 01 Episode 02 অনুবাদে: নূরুল্লাহ মাশহুর
নেলি রেড রুমে।
শার্ল।
কী বললে?
দাদু মারা গিয়েছে।
আমি জানি দাদু মারা গিয়েছে।
কিন্তু উনি এখনও রাতের বেলা আমার রুমে আসেন আর আমার বিছানার ওপর বসেন,
যদিও আব্বু আম্মু বলেছিল উনি তা করবেন না।
আর আমিও তাকে মানা করেছিলাম, কিন্তু তবুও গতরাতে উনি সেখানে ছিলেন।
আর গতরাত খুব খারাপ ছিল।
তাকে অন্যরকম লাগছিল।
উনার আঙুলগুলো ছিল রক্তবর্ণ,
দাঁত ছিল না, চুলও ছিল না।
আমি তাকে আর দেখতে চাই না, বিশেষ করে ওরকম অবস্থায়।
তাই, আমি আগামীকাল তাকে দেখতে যাবো না,
আর আমি তাকে 'ওপেন ক্যাসেল" এ দেখতে চাই না।
ওপেন ক্যাস্কেট।
আমি বুঝতে পারছি, ম্যাক্স।
ধারণা করছি তোমার বাবা-মা তোমাকে বলেছেন
কেন তুমি এসব স্বপ্ন দেখছ।
- এগুলো স্বপ্ন না। - আর ধরে নিচ্ছি তুমি একটা বুদ্ধিমান ছেলে।
তুমি খুব বুদ্ধিমান, তুমি সম্ভবত জানো
যে তোমার দাদু একটা পরচুলা পরতেন, তাই না?
তুমি হয়তো তাকে কয়েকবার হাসপাতালে দেখেছ
যখন উনি এটা পরে ছিলেন না।
হুম।
আর তুমি হয়তো এটাও জানতে উনি আলগা দাঁত ব্যবহার করতেন।
হয়তো একবার দুইবার তোমাকে হাসানোর জন্য উনি সেগুলো খুলে দেখিয়েছিলেন।
শুনতে অদ্ভুত মনে হলেও,
এই খোলা কফিনের ব্যাপারটা হচ্ছে,
এটা একটা বিশাল সুযোগ তোমার মাথা থেকে তোমার দাদুর
হাসপাতালে থাকাকালীন ছবি, বা দাঁত, চুল ছাড়া দাদুর ছবি,
বা তোমার কল্পনার অন্য কোনো ছবিকে মুছে ফেলার...
আর সেসবের বদলে সুন্দর একটা ছবিকে স্থান দেওয়ার।
- সুন্দর ছবি? - ঠিক তাই।
কফিনে রাখার আগে, আমি ওনাকে সাজগোজ করাবো।
এটাই আমার কাজ।
কীভাবে?
প্রথমে, আমরা উনাকে গোসল করাবো...
নিশ্চিত করব উনি যাতে পরিষ্কার এবং কোমল হন।
তারপর আমরা বিশেষ কিছু কেমিক্যালস প্রয়োগ করব যাতে উনি আজীবন পরিপাটি থাকেন।
তারপর... আমরা উনাকে উনার পছন্দের কাপড় পরাবো।
আর সবশেষে, আমি...
বিশেষ কিছু যত্ন নিবো
যাতে তাকে একদম সেরকম দেখায় যেরকম দেখানোর কথা।
তাই, আমার কাজ শেষে... তাকে ঠিক সেরকম দেখাবে যেরকম সবসময় দেখাত,
যেরকম তুমি তাকে মনে রেখেছ।
ঠিক যেরকম তার থাকার কথা।
- এটা কি হিল হাউজ? - না।
এসো, দেখে যাও।
এটা... আমাদের ফরেভার হাউজ।
তুমি এটা বানিয়েছ?
আমি এটা ডিজাইন করেছি, হ্যাঁ।
- আমি ডিজাইন করি আর... - বাবা সেগুলো বানায়।
এটা দেখে স্রেফ অনেকগুলো রেখা মনে হচ্ছে।
হুম, সত্যি।
কিন্তু আমি যখন এটার দিকে তাকাই...
দেখি একটা পরিবার ডাইনিং টেবিলের দিকে দৌড়াচ্ছে...
তিন দিক থেকেই।
এই ডাইনিং রুমটা এই ঘরের কেন্দ্র।
সবকিছু ভেতরে যায় আর বের হয়, দেখলে?
প্রতিটা বাড়ির একটা কেন্দ্র দরকার হয়, আর এটা আমাদের বাড়ির কেন্দ্র,
কারণ এখানেই আমরা একসাথে সবচেয়ে বেশি সময় কাটাই।
একটা বাড়ি হচ্ছে একটা মানুষের দেহের মতো।
দেওয়ালগুলো হচ্ছে হাড়ের মতো...
পাইপগুলো শিরা, এটার শ্বাস নেওয়ার দরকার হয়,
এটার আলো বাতাসের দরকার হয়,
আর এসব কিছু মিলে আমাদেরকে ঘরের ভেতর নিরাপদ এবং সুস্থ রাখতে একসাথে কাজ করে।
আমি তো এসব কিছু দেখতে পাচ্ছি না।
কোনো ব্যাপার না।
ছোট বেলায়, তোমরা শিখবে কীভাবে অদৃশ্য জিনিস দেখতে হয়।
আর যখন বড় হবে, তখন শিখবে কীভাবে সেগুলো বাস্তবে পরিণত করতে হয়।
আমার রুম কোনটা?
উম্ম। ঠিক এখানে।
তবে দোতলায়, এটা নিচতলা।
যখন আমরা এই ঘরটা মেরামত করা শেষ করব আর...
অনেক টাকায় বিক্রি করব।
সবই তোমার মনে থাকে। হ্যাঁ।
তারপর আমরা ফরেভার হাউজ বানানো শুরু করব,
আর আমাদের সেই বাড়ি কখনও ছাড়তে হবে না,
কখনও না।
শার্লি। শার্লি।
কোথায় গিয়েছিলে তুমি?
নেলি, তোমাকে বলেছি, আমার এখন চা-চক্রের বয়স নেই।
মা, তুমি আমার সাথে চা-চক্র করবে প্লিজ?
সবাই শুধু না করে।
সোনামণি, আমি তোমার সাথে চা-চক্র করতাম,
কিন্তু আমাকে যে কাজটা শেষ করতে হবে।
- তার চেয়ে বরং চলো আমরা বাইরে গিয়ে খেলি? - যাওয়া যায়।
বাইরে গিয়ে চা-চক্র করলে কেমন হয়?
তোমরা চাইলে ডিনারের আগ পর্যন্ত বাইরে খেলতে পারো,
- তবে আমি যখন বারান্দার লাইট দুইবার জ্বালাবো... - ঘরে ফিরে আসতে হবে।
এটাই নিয়ম। নেলি, তোমার মুখে বলো তো শুনি।
বারান্দার লাইট জ্বলা মানে ঘরে ফিরতে হবে।
ওকে। যাও মজা করো।
তুমি কি জানো রাজা-বাদশাহরা চা-চক্র করত?
এটা শুনতে বাচ্চাদের ব্যাপার বলে মনে হয়, কিন্তু আসলে তা না।
এটা খুব পরিণত আর আ-স্তবধর্মী ব্যাপার।
"বাস্তবধর্মী।"
থিওকে জিজ্ঞাসা করো।
ও হয়তো তোমার সাথে চা-চক্র করবে।
থিও!
আমার সাথে চা চক্র করবে? প্লিজ?
- না। - কেন?
- তুমি ঠিক আছো, লুক? - আ-হাহ।
নিয়ম ভুলে যেও না। বাতি জ্বললে...
ঘরে ফিরতে হবে।
আপনার উপদেশের জন্য ধন্যবাদ। মানে, আমি...
জানি আপনি অনেক লম্বা সময় ধরে এই বাড়িতে কাজ করছেন।
- কাছাকাছি থেকো। - আচ্ছা।
ওহ। আহ, আরেকটা প্রশ্ন।
আপনার কাছে যে মাস্টার কী ছিল সেটা কাজ করেনি।
ওপরতলার ওই লাল দরজাটার ব্যাপারে আপনার কিছু জানা আছে?
আম... না। ওটার ব্যাপারে কিছু জানা নেই।
ওহ।
হাই।
তোমাদের মা কোথায়?
হেই।
হেই, তোমরা এখানে আসলে কীভাবে, হাহ?
তোমাদের মা বিড়াল কোথায়?
বেশি দূরে হয়তো যায়নি। ওর তো তোমাদেরকে খাওয়াতে হবে।
এত্ত কিউট পিচ্চি তোমরা।
বেশ, দেখুন।
আপনার মনে হয় এটা খালি?
থাকলে দেখে থাকতাম। সম্ভবত মৃত।
এদিকে এসো, শার্লি, এটা দেখে যাও।
কোনো সমস্যা নেই।
এটা একটা ভীমরুলের চাক।
- হয়তো পুরনো। - আহ, বেশ পুরনো।
ওরা মাঝে মাঝে জিনিসপত্রের আশেপাশে চাক বানায়।
একবার একটা উইন্ড চাইমের পাশেও ওদের চাক বানাতে দেখেছি।
দেখতে দারুণ লাগছিল।
আহ, এইতো।
এরকম আগে দেখিনি যদিও।
ভয় পাওয়ার জন্য তোমাকে দোষ দিচ্ছি না।
এই যে। এটার চারপাশে বানিয়েছে।
জানো এটা কী?
- মাস্ক? - ইয়াপ।
হ্যালোইন মাস্ক।
- বেশ পুরনো। - দেখলে? ভয়ের কিছু নেই।
তোমার কপাল ভালো ভীমরুলগুলো অনেক আগেই চলে গেছে।
নাহয় সত্যিই ভয় পাওয়ার কারণ হতো।
এই পিচ্চি বিড়ালছানাদের মা নেই।
তুমি সেটা জানো না। সে হয়তো বাইরে কোথাও গেছে।
ওদেরকে এভাবে ছেড়ে যাওয়াটা বেমানান।
- বিশেষত এই সন্ধ্যার কাছাকাছি সময়ে। - আমরা ওদের এভাবে ফেলে রেখে যেতে পারি না।
কুকুর আছে।
- কুকুর? - জানি না, শার্ল।
প্লিজ।
মি. ডাডলি, আপনি কখনও কুকুরগুলোকে দেখেছেন? আপনার কি মনে হয় ওরা বিড়ালের বাচ্চার ক্ষতি করতে পারে?
- বাড়ির আশেপাশে কোনো কুকুর নেই। - অবশ্যই আছে।
বাচ্চারা রাতে ওদের ডাক শুনতে পায়।
এখানে আসার পর প্রতিরাতেই শুনতে পায়।
বলতে পারি না।
আমি আর আমার মিসেস, অন্ধকার নামার পর এই বাড়িতে থাকি না।
কিন্তু...
না।
আমি কখনও কুকুর দেখিনি।
প্লিজ, বাবা?
প্লিজ?
কাম অন, মা। বলেছিলাম আমি ডেয়ারডেভিল সাজতে চাই।
এ কারণেই তোমার জন্য এটা এনেছি, যাতে তুমি নিজের মতো করে এটাকে সাজিয়ে নিতে পারো।
আমি সাজিয়ে নিতে চাই না। আমি স্রেফ ডেয়ারডেভিল হতে চাই।
অন্য বাচ্চাদের মতো শুধু দোকান থেকে না কিনে
নিজে কিছু বানালে বেশি আনন্দ পাবে।
মা, তুমি আমাকে পাগল করে দিচ্ছ।
পাগল করে দিচ্ছ, মা।
তুমি এটাকে তোমার ডেভিল ম্যানের মতো সাজিয়ে নিতে পারো না?
- ডেভিল ম্যান। - না... কী যেন?
নিজে বানালে সেটার মজা অনেক বেশি।
হেই, গাইজ।
হ্যালোইন প্রায় এসে গেছে।
আমরা শুধু অস্টিনের পার্টিতে পরার মতো একটা কস্টিউম চাই,
কোনো ক্র্যাফট প্রজেক্ট না।
চেষ্টা করে দেখো।
অস্টিন বলেছে আমাদের মাস্ক যদি দেখতে সুন্দর না হয়
ভূতেরা আমাদের চিনে ফেলবে
- আর আমাদের পিছু নেবে। - জেয়ডেন।
ভূত বলতে কিছু নেই আর তুমি জানো সেটা।
ওপরতলায় যাও। আমরা এখানে কাজ করছি।
সাবধানে...
ফরেভার হাউজ।
তো সব ভালোভাবেই হলো।
জাদুর মতো।
- টাইসন কেমন আছে? - ও চিন্তিত।
আমরা সব হিসাব কয়েকবার মিলিয়ে দেখলাম...
- আমরা লাভ করছি তো? - হ্যাঁ, কিন্তু যৎসামান্য।
আর টাইসন গত কোয়ার্টারের মতো কথাই বলছে আবারও।
- আমরা লাভ করছি। - আমাদের আরও ভালো করতে হবে।
যার অর্থ তুমি চাইলেই এভাবে যখন মন চাইবে ডিসকাউন্ট দিতে পারবে না।
- কেভিন। - আমি দুঃখিত, তুমি শেষকৃত্য সামলাবে,
- আমি হিসাবপত্র সামলাব। এটাই কথা ছিল। - আমরা বেশ ভালো ব্যবসা করছি
তাই আমরা অভাবগ্রস্ত পরিবারগুলোকে কিছুটা ছাড় দিতেই পারি।
এটা ছাড় না, শার্ল, এটা চ্যারিটি।
তুমি কেনা দামে জিনিস দিয়ে দিচ্ছ, তারও কম দামে।
- শুধু স্পেশাল কেসে। - অর্ধেকের বেশি।
অসম্ভব।
গত কোয়ার্টারে আমাদের অর্ধেকের বেশি কাজ ছিল স্পেশাল কেস।
অর্ধেকের বেশি কাজ যদি এরকম হয়, সেটা আর স্পেশাল না, এটাই নরমাল।
আমার কাছে এখানে পুরো হিসাব আছে। দেখাচ্ছি তোমাকে।
No comments yet. Be the first to leave one.