The Curious Case of Benjamin Button

The Curious Case of Benjamin Button

Bengali 자막 다운로드

릴리스 정보

The Curious Case of Benjamin Button Blu-ray
다음의 해설 Nazmul Hossain
Rate If You Wish. Contact Me: on.fb.me/1d8f9rT

태그

Blu-ray
blu-ray
Blu-Ray
게시일: 2014-01-05
다운로드: 108
청각 장애인용: Yes

Bengali 자막 미리보기

처음 200줄입니다.

আর আমি বলছি, ঝড়টা এখনো পশ্চিমের দিকে যাচ্ছে।

তুমি কি দেখছো, ক্যারোলিন?

বাতাস দেখছি, মা।

ওরা বলছে হারিকেন ঝড় আসছে।

আমি নৌকার সওয়ার।

আমি ভাসছি।

তোমার জন্য কী করতে পারি, মা?

কিছু সহজ করে দিতে পারি কি?

ওগো মিষ্টি মেয়ে

আর কিছু বাকি নেই করার মত।

চোখ খোলা রাখতেও কষ্ট হচ্ছে।

তুলায় মুখ ভরে গেছে।

এইতো, মিস ডেইজি।

আপনি নিজেকে ফিতার সাথে ঘষা দিতে যাচ্ছিলেন।

মা, আপনার আর কোন চিকিৎসা লাগবে?

ডক্টর বলেছে তুমি ইচ্ছেমত খেতে পারবে।

কাউকে কষ্ট দেবার দরকার নেই।

এক বন্ধু বলেছিল সে তার মাকে বিদায় বলারও সুযোগ পায়নি।

-আমি চাইছিলাম... - ঠিক আছে।

আমি বলতে চাইছিলাম যে তোমাকে আমি কতটা মিস করবো, তাই...

মা।

ওহ, কোরালিন।

ভয় লাগছে?

কৌতুহল হচ্ছে।

এরপরে কী হবে?

ওরা ১৯১৮ সালে রেল স্টেশন বানিয়েছে।

উদ্বোধনের দিন বাবা ছিলেন ওখানে।

বলেছিলেন সেখানে একটা টিউবা ব্যান্ড বাজছিলো।

পশ্চিমে একজন অসাধারণ ঘড়ি তৈরীকারক ছিলেন।

তার নাম ছিলো জনাব গেটো।

জনাব কেক।

এভাঙ্গেলিন পেরিশের ক্রেওলকে বিয়ে করেছিলেন, ওদের ছেলেও ছিলো একজন।

গেটো জন্ম থেকেই অন্ধ ছিলেন।

ছেলের বয়স বাড়ার পরে সে সেনাবাহিনীতে যোগ দিলো।

তারা দোয়া করছিলো যাতে তাদের ছেলে সকল বিপদ থেকে দূরে থাকে।

মাসের পর মাস উনি ওই ঘড়ির কাজ ছাড়া আর কোন কাজ করছিলেন না।

এক দিন, একটি চিঠি আসলো।

আর জনাব গেটো, ওই রাতের মত শুতে গেলেন।

ছেলে ফিরে এলো লাশ হয়ে।

পরিবারের জমিতে দাফন দেয়া হলো তাকে, সময় এলে যেখানে তার বাবা মাকেও যেতে হবে।

জনাব কেক ঘড়ির কাজ শেষ করছিলেন।

মনে পরে এক সকালে বাবা বলল অনেক মানুষ ছিলো তখন সবখানে।

টেডি রূজভেল্টও এসেছিলো।

ওটা উল্টোভাবে চলছে।

এভাবেই এটা বানিয়েছি, কারণ যে দামাল ছেলেরা যুদ্ধে মারা গেছে, তারা যেন আবার ঘরে ফিরে আসতে পারে। চাষ করতে, কাজ করতে, আর বাচ্চা নিতে পারে। বহু বছর বেঁচে থাকতে পারে।

আমার নিজের ছেলেও ফিরে আসতে পারতো তাহলে।

মাফ চাইছি সবার সাথে অন্যায় করার জন্য।

আশা করি আমার ঘড়ি আপনাদের ভালো লেগেছে।

জনাব কেককে আর দেখা গেলো না।

কেউ বলে তিনি ব্যাথিত মন নিয়ে মারা গেছেন।

কেউ বলে সে সমুদ্রে চলে গেছে।

মাফ করবেন।

কেউ আমার বাচ্চার দেখাশোনা করছে। একটা ফোন করলে কিছু মনে করবেন?

অবশ্যই।

আশা করছি আমি আশাহত করিনি।

আমাকে হতাশ করা অসম্ভব।

আমি জানি আমার দেখানোর মত কিছু নেই।

আমার কালো সু্টকেসটা বের করো।

একটা ডায়েরি আছে।

এটা?

পড়ে শোনাতে পারবে?

যদি তুমি তাই চাও।

আমি অনেকবার অনেকভাবে এটা পড়ার চেষ্টা করেছি।

মা, এটা ঠিক...

এটা মুখের ভাষার মত, প্রিয়।

ওকে।

তারিখ-৪ এপ্রিল, ১৯৮৫।

নিউ অরলিন্স।

"এটা আমার শেষ উইল

আমার খুব বেশী কোন টাকা পয়সা বা সম্পত্তি নেই।

আমি এই পৃথিবী থেকে যেভাবে শুন্য হাতে এসেছিলাম সেভাবেই চলে যাবো।

আমার যা আছে তা আমার গল্প,

আর আমি এটা লিখে রাখছি যাতে মনে থাকে।

আমার নাম বেঞ্জামিন। বেঞ্জামিন বাটন।

আর আমি একটু অন্যরকম অবস্থার মধ্যে জন্মেছি।

প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শেষ। বলা হয় সেটা জন্মাবার পক্ষে খুবই ভালো রাত।

ভাগ্যিস যুদ্ধ শেষ।

আমরা যুদ্ধে জিতেছি।

কালজয়ী যুদ্ধের সমাপ্তি ঘটেছে।

আপনি এখানে কি করছেন?

থমাস,

সে মৃত্যুর দ্বারপ্রান্তে।

কি?

অনেক হয়েছে। সবাই সরে যাও তার কাছ থেকে।

আমি যত দ্রুত পেরেছি এসে পরেছি। রাস্তায় লোক ভর্তি।

থমাস।

কথা দাও ওর থাকার জায়গার অভাব হবে না।

হ্যাঁ।

উনি আমার জন্য জীবন দিলেন।

সেজন্য আমি সর্বদা কৃতজ্ঞ।

জনাব বাটন।

থমাস!

থমাস!

থমাস! করছ কী তুমি?

হেই! কি করছিস!

তোর কাছে কী ওটা?

-কাছে এস। -জনাব ওয়েদারস!

তুমি জানো আমার এখানে অনেক কাজ।

-একটু বিরতি নাও। -বোকামি কোরনা।

মিষ্টি বাতাস।

মিস কুইনি, আপনাকে আজ রাতে অনেক সুন্দর লাগছে।

এই পর্যন্ত দেখা সবচেয়ে বেশী সুন্দর।

বাদামী চোখের সাথে মিলে গেছে।

ওহ! চুপ কর!

তোমাকে দেখো। নিজেকেও একটু শান্তি দাও।

হ্যাম্বার্ট শহরে ফিরে এসেছে।

পা হারিয়েছে, তবু ফিরেতো এসেছে।

জানি এক সময় তুমি ওর প্রতি দয়াশীল ছিলে।

প্রয়োজনের বেশী।

মিস সিমন নিজেকে নোংরা করে ফেলেছেন।

ওহ! খোদা!

উনি এরকম বন্ধ না করলে ডায়াপার পরিয়ে দেব।

-আমি যাচ্ছি, মিস জেমসন! -কুইনি, এখন কাছে এসো।

কুইনি এখানেই থাকবে।

বাহির টা ভয়ঙ্কর সুন্দর।

এক মুহূর্ত বাইরে আসো। বাকি সব ভুলে যাও।

তুমি খুব খারাপ।

-কি হল এটা? -এটা কী?

খোদা এখানে কিছু একটা করেছেন।

আশা করি ওর ওপরে পা রেখে আরো বেশী ক্ষতি করিনি।

বিষয়টা পুলিশের কাছেই ছেড়ে দেয়া উচিত।

বেচারা শিশু।

আমি যাচ্ছি।

আমি নিশ্চিত ওকে কেউ নিতে চায় না। কাছে এসো।

কুইনি? কোথায় তুমি?

তুমি করো ওটা।

আচ্ছা, যাও, আমি আসছি।

কুইনি, সে সব জায়গা আবার নোংরা করছে।

জেন, ওকে গোসল করাও।

নিজের চরকায় তেল দিন, মিস ডুপ্রি।

কয়দিন পর আপনিও নিজেকে নোংরা করবেন।

কেউ আমার নেকলেস চুরি করেছে।

আচ্ছা, মিস হলিস্টার, আমি এখনই আসছি আপনার কাছে।

উপরে চলে যান, বুঝলেন?

তুমি একটা পুরোনো পাত্রের মতই কুৎসিত।

তারপরেও তুমি খোদা প্রদত্ত সন্তান।

কুইনি, ও তোমাকে ছাড়া গোসল করবেনা বলছে।

খোদা বাঁচাও!

আমি এক্ষুনি আসছি।

তুমি এখানেই আমার জন্য অপেক্ষা কর, ঠিক আছে?

আমার বোনের দেয়া মুক্তার মালাটা পাচ্ছিনা কোথাও।

-কেউ আমার গহনা চুরি করছে। -এইতো ওটা, মিসেস হোলিস্টার, দেখুন।

আপনার সুন্দর সাদা গলাতেই আছে। এখন ঝামেলা বন্ধ করুন।

-ডক্টর রোজ কী এখনো আছেন? -জানিনা।

আপনার হার্ট ভালোই আছে।

যেকোন মানসিক আঘাত এড়িয়ে চলতে হবে আরকি?

আমার বিশ্বাস আপনারা মহিলারা ওকে সাহায্য করবেন।

একটু উপরে আসতে পারবেন?

আগে এমন কিছু দেখিনি। চোখে ছানিও পড়েছে।

শুনতে পাবে কিনা জানিনা। হাড় দেখে মনে হচ্ছে আথরাইটিসও আছে।

চামড়া টানটান ভাব হারিয়েছে। আর হাত পা গুলো বড় হবে না মনে হয়।

তার শরীরের অবনতি আর বৈকল্য ঘটছে। নতুন বাচ্চাদের মত নয়, বরং আশি বছরের বুড়োর মত যার এক পা কবরে আরেক পা মাটিতে।

ও মারা যাচ্ছে?

ওর শরীর ওর জীবন শুরু করার আগেই শেষ করে দিচ্ছে।

কার বাচ্চা ও?

আমার বোনের, লাফায়েটে থাকে। দুর্ভাগ্যজনক অভিযানে গিয়েছিলো।

বেচারা, খারাপ অবস্থার মধ্যে পরে বাচ্চার জন্ম হয়।

অবাঞ্চিত বাচ্চাদের জন্য আলাদা জায়গা রয়েছে, কুইনি।

এখানে থাকা খাবার জন্য পর্যাপ্ত জায়গা নেই।

নোলান ফাউন্ডেশন ভাবছে, জায়গাটা একটা বড় উৎপাতের জায়গা।

-একটা বাচ্চা তো... -আপনি বললেন ও বেশী দিন বাঁচবে না।

কুইনি, জগতের সকল জীবের বাঁচার অধিকার থাকে না।

এ তো এক অলৌকিক বাচ্চা।

যে অলৌকিকতা কেউ দেখতে চায় না।

সবাই শোন।

একজন নতুন অতিথি এসেছে।

ও কিছুদিনের জন্য আমাদের এখানে থাকবে।

আমার বোনের বাচ্চা হয়েছে, আর সে ওর দেখাশোনা করতে পারবে না, তাই...

ওর নাম...

বেঞ্জামিন।

ও স্বাভাবিক না। তাই ওর একটু অতিরিক্ত খেয়ালের দরকার পড়বে।

আমার ১০ বাচ্চা ছিলো।

আমি দেখাশোনা করতে পারবো না, এমন বাচ্চা পয়দাই হয় নাই। দেখি একটু।

ও খোদা। ও দেখতে একদম আমার আগের স্বামীর মতন।

ও আগেভাগেই বুড়ো হয়ে যাচ্ছে।

ডক্টর রোজ বলেছেন, ও বেশিদিন বাঁচবে না।

স্বাগতম।

ও হাসছে !

হ্যাম্বার্ট তার স্বরনবার্তা পাঠিয়েছে।

তুমি কি পাগল?

কেন বুঝছনা যে ওকে তুমি কখনোই নিজের করে নিতে পারবে না।

তুমি ওকে নিজের কাছে রাখতে পারো না।

যদিও এটা অমানুষিক কাজ।

জনাব ওয়েদার, এখানে আসুন।

প্লিজ।

কেউ জানেনা তার জন্য ভবিষ্যতে কি অপেক্ষা করছে।

মনে হলো আমি একটা থাকার জায়গা পেয়েছি।

এগুলো কি সত্যি?

তোমার কন্ঠ খুব সুন্দর।

মা, এটা একটা পূরোনো গাড়ির টিকেট।

ঘড়িটা চলতেই থাকলো।

বছরের পর বছর।

আমি জানতাম না, আমি একটা শিশু।

প্রতিদিন একই ফালতু খাবার।

আমি ভাবতাম আমিও অন্য সবার মতই।

জীবনের গোধুলিবেলায় দাঁড়িয়ে থাকা এক বৃদ্ধ।

কেউ ওকে থামাও।

চামচটা পেটানো থামাও। ওটা খাবার খাওয়ার জন্য, খেলার জন্য না।

আর জনাব বেঞ্জামিন, আপনার ন্যাপকিনটা ব্যবহার করুন।

কুইনি!

댓글

No comments yet. Be the first to leave one.

Keep it about this subtitle — sync, quality, typos.500 characters left