最初の200行です。
পূর্বে যা যা দেখেছেন: অনুবাদক: সজিব খান (এন্টিমু)
তোমার জন্য একটা গিফট এনেছি
অনুবাদে আমাকে সাহায্য করার জন্য।
এটা ডিজাইন করে মুড়িয়ে আনার সুযোগ ছিল না, তাই...
ধ্বংসাবশেষে এটা খুঁজে পেয়েছি, আর আমার এটার তেমন দরকারও নেই
এগুলা আসলেই আমার সাইজের।
মানে, যদিও মূল সাইজের অর্ধেক, কিন্তু সত্যি বলছি, এই জায়গায় থেকে তা মানানসই হয়ে গেছে।
দ্বীপের আরও এক রহস্যের উন্মোচন হলো।
হেই, বোন।
- একটা প্রশ্ন ছিল ভায়া। - হ্যাঁ।
তুমি আর লক তো প্রতিদিনই শুয়োর শিকারে যাও, তাই না?
- কী হয়েছে? - ভালো কাজ, কিন্তু
খালি হাতে তোমরা কীভাবে ফিরে আসো?
সপ্তাহখানেক ধরে আমাদের প্লেটে কোনো শুয়োরের মাংসের দেখা পাই না।
তারা তো আর ঘরের কোণায় বসে থাকে না।
- হয়তো তোমরা সেভাবে গুরুত্ব দিয়ে করো না? - আমরা করছি।
তাই আশা করছি, কারণ আমাদের খাবার দরকার।
কঠিন খাবার।
আর এটা কোনো গেম না।
বিশ্বাস হচ্ছে না, তুমি শেষ বলে গিয়ে হাপিয়ে গেলে।
- তারপর জয়ের আশায় এক শট মেরে দিলে। - লাকি শট।
ইয়াহ, লাক হলে ভালো হতো।
এটা আমার ফোন?
হ্যাঁ, হ্যালো।
বোন, আমি বলছি।
- শ্যানন? - হ্যাঁ।
কী হয়েছে?
- আমি ভালো নেই। - কোথায় তুমি?
বের হ এখান থেকে! সরে যা বলছি আমার থেকে!
বের হ এখান থেকে! সরে যা বলছি আমার থেকে!
- কী হয়েছে? - কথা বলতে পারছি না।
আচ্ছা, ওয়েট।
স্রেফ বলো, কোথায় তুমি? আমি নিতে আসব।
- সিডনি। - সিডনি।
অস্ট্রেলিয়া।
আমার বোন থেকে দূরত্ব বজায় রাখবা।
এক মুহুর্তের জন্য মনে হয়েছে, তুমি আমাকে অর্ডার দিচ্ছিলে।
- এটা স্রেফ ফ্রেন্ডলি সাজেশন। - সাজেশন।
হ্যাঁ, আর আমি তোমার জায়গায় হলে, তা ঠিকঠাক শুনতাম।
আর আমি না করলে?
আমি স্রোতের ওদিকে কিছু স্পষ্ট পদচিহ্ন পেয়েছি।
- পরে দেখা হবে। - আমাকে কোথায় পাওয়া যাবে তা তুমি জানোই।
সাঈদ এর সাথে তর্কাতর্কি বাদ দাও।
ও শ্যাননকে পটাচ্ছে।
ও খুব পারদর্শী লোক। আমরা ওকে শত্রু বানাতে চাই না।
আমাদের দলে ওকে প্রয়োজন।
আমরা কী করছি তা নিয়ে লোকজন বলাবলি করছে,
যেহেতু আমরা ফাঁকা হাতে প্রতিবার ফিরে যাই
মানে শুয়োর ছাড়া।
- হ্যাঁ। - এখানে প্রচুর ফলমূল ও মাছ রয়েছে।
আমরা এখানে যা করছি তা ওসবের চেয়ে বেশি গুরত্বপূর্ণ।
এখন,
এটাই আমাদের মূল কাজ।
তো, জ্যাক...
হ্যাঁ, হার্লি।
একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে
তোমার সাথে আলোচনা করতে চাচ্ছিলাম।
ডাক্তার-রোগী সম্পর্কিত
গোপনীয় বিষয় নিয়ে তো তোমাকে প্রশ্ন করতে পারি, তাই না?
হ্যাঁ।
ঘটনা হচ্ছে, আমার ওতটা ভালোও লাগেনি।
কী নিয়ে?
আসলে, এটা একধরনের,
পেটের বিষয়ে। আমার হজমে...
...কিছু গোলমাল হচ্ছে।
- কী খেয়েছিলে? - সাধারণ খাবার:
কলা, পেঁপে, আম,
পেয়ারা, প্যাশন ফল,
নারকেল, পাহাড়ের উপরে থেকে কিছু অদ্ভুত স্টার ফল।
একজন বলেছিল এগুলো নাকি হজমে বেশ কার্যকরী।
ওরা মিথ্যা বলেছে।
তোমার নিজের কিছু প্রোটিন থাকলে তবে এটা সাহায্য করতে পারে।
তো এখন কী করতে পারি? নেই কোনো শুয়োর, নেই প্রোটিনের নাম-গন্ধ।
মাছ খেতে পারো। জিন তো অনেক মাছ ধরছে।
- ওই লোক উলটা আমাকে বাঁশ দিতে চেয়েছিল। - কী বলে...
মজা করছি না। সে আমাকে কিছু খাওয়ার প্রস্তাব করেছিল, যেমন
তারপরই, জানো তো, এখানে আসলাম।
- কাঁটাওয়ালা জিনিসটা। - সামুদ্রিক অর্চিন।
আর যখন আমি তা খেতে বারণ করলাম, আমি যেন
আমি যেন ওর সম্মান আর আধিপত্যকে ধূলোয় মিশিয়ে দিয়েছি।
তারপর থেকে আর আমার দিকে তাকায়নি। একটা ক্ষিপ্ত মনোভাব নিয়ে বসে আছে।
এগুলা তো খাবে না, তাই না?
ভায়া, এগুলা খাওয়ার জন্য না।
গেলাম আমি।
আমি বুঝতে পারছি তুমি যে ওখানে।
আমি লুকাচ্ছিলাম না।
স্রেফ যা করছিলে তার...
...ব্যাঘাত ঘটাতে চাইনি।
- এটা সিক্রেট কিছু না। - তোমার সাথে কথা বলা মাঝে মাঝে কঠিন,,
স্থুলকায়, ছোট্ট, ধূসর হলদে জিনিস।
- প্যাশন ফলের বীজ। - এসব কেন?
তুমি দেখতে চাইলে... আমি দেখাতে পারি।
হ্যাঁ।
এসো।
প্লিজ এটা বলো যে কোনো কফি বার খুঁজে পেয়েছ।
ঠিক তা না।
- এতকিছু কখন করেছ? - আমি করিনি।
এগুলো সব সান করেছে।
ফুল কুড়াতে এসে একদিন আমি এই জায়গার সন্ধান পাই।
কী সুন্দর, সত্যিই অসাধারণ।
ও এখানে কিছু গুল্ম, আর অল্প-বিস্তর হয় এমন কিছু লাগিয়েছে,
আর তারপর একটা ছোটবন তৈরি করেছে।
স্মার্ট।
শুয়োর ফুরিয়ে যাওয়ার আগে, যতসম্ভব খাবার আমাদের সংগ্রহ করে রাখতে হবে।
- হয়তো এটা কখনো শেষই হবে না। - মানে কী?
লক হয়তো আমাদের জন্য আর না ধরার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
- ও এরকম কেন করবে? - খাবারের মুখ সংখ্যা যে অনেক।
শুয়োর ফুরিয়ে গেলে, উনি কেন তার নিজের পরে সবাইকে খাওয়াতে যাবে?
গ্লাসটা এখনও ভাঙ্গেনি, আর দরজাটাও বন্ধ।
মনে হয় এটা সিমেন্ট।
কী এটা?
বাটিতে এটা কী রাখা?
পরবর্তীতে কাজে আসবে।
খুব কঠিন হবে না,
কিন্তু আমরা এখানে আসছি দুইদিন হয়ে গেছে, শুধু এর দিকে ঘুরঘুর করেই যাচ্ছি।
আমি এখনও নিশ্চিত হতে পারলাম না যে আমরা আসলে এখানে করছি কী।
মিকেলাঞ্জেলোর বাবা।
একজন ধনী ব্যক্তি ছিলেন।
যে তার পুত্রের ধার্মিকতার আগামাথা বুঝতেন না।
তাই সে তাকে মারধর করে।
তার কোনো ছেলেই তার কাজে সাহায্যের হাত বাড়াত না।
তো মিকেলাঞ্জেলো বুঝতে পারলো তাদের সাহায্য চেয়েও লাভ নেই।
বছর কয়েক পরে, এক পরিদর্শক রাজকুমার তার স্টুডিওতে আসে,
এবং দেখতে পেল উনি এক ১৮-ফুট ব্লক অফ মার্ভেলের আশেপাশে ঘুরঘুর করছেন।
উনি বুঝলেন গুঞ্জন আসলে সত্যি ছিল, মিকেলাঞ্জেলো ৪ মাস ধরে
প্রতিদিনই আসতে লাগলো,
মার্বেলের দিকে কিছুক্ষণ তাকিয়ে
রাতের খাবারের জন্য বাসায় চলে যেত।
তো সেই রাজকুমার স্বভাবতই প্রশ্ন করলো, "তুমি আসলে কী করছ?"
মিকেলাঞ্জেলো ঘুরে তার দিকে তাকিয়ে বিড়বিড় করে বলতে লাগলো ...
"আমি কাজ করছি।"
তিন বছর পর, সেই ব্লক অফ মার্ভেল হয়ে গেল স্ট্যাচু অফ ডেভিড।
আমরা তো এটার আশেপাশে ৪ মাস ধরে ঘুরঘুর করছি না, তাই না?
এটা খুলব কীভাবে?
সেটাই আমাদের খুঁজে বের করতে হবে। আর সেজন্যেই আমরা এখানে বসে আছি।
মানে, কীভাবে কোনো হাতল ছাড়া...
...হ্যাচ তুমি খুলবে, না আছে কোনো ছিটকিনি...
...বা না আছে কোনো বোধগম্য উপায়?
হু?
- আমি শ্যাননকে খুঁজছি। - কে তুমি?
আমি ওর ভাই।
- বোন? - কী হচ্ছে এখানে?
তুমি এখানে কী করছ?
পনেরো ঘন্টা, আমি বিমানে চড়ে এসেছি।
ভেবেছিলাম হয়তো এটা শুনব, "তোমাকে দেখে খুশি হলাম।"
শুনো, এসবের জন্য এখন সময় নেই।
ব্রায়ান আর আমি কিছু বন্ধুদের সাথে দেখা করতে বাইরে যাচ্ছি।
আগামীকাল একটা ফোন দিও।
প্লিজ।
ওকে।
মজা করো বন্ধুদের সাথে।
জিন!
আমি জানি অর্চিনের ব্যাপারটার জন্য তুমি আমাকে পছন্দ করো না।
ঠিক আছে, মেনে নিলাম। যেহেতু আমি কোনো উপকার করতে বলব না।
আমাকে স্রেফ এইটুকু বলে দাও, তুমি মাছ কোথা থেকে ধরো।
মাছ।
সঠিক দিকটা আমাকে দেখিয়ে দাও।
বাকিটা আমার সরঞ্জাম নিয়ে দেখে নেব।
বোধগম্য কিছুই তো বলেছ তুমি, হু?
তুমি জানো তো, আমাদের ওদের কিছু একটা বলতে হবে।
- কী বলতে হবে? - আমরা যা পেয়েছি।
ওরা আর বিশ্বাস করছে না যে আমরা শিকার করতে এদিকে আসি।
তারা এখনও এটার জন্য প্রস্তুত হয়নি, তাদের মাথায় ধরবে না।
- আমারও তো মনে হচ্ছে না, আমি বুঝতে পারছি। - সেটাই তো সমস্যা।
দেখো, অন্তত... শ্যাননকে তো বলতেই হবে।
- কেন? - কারণ ও আমার বোন।
ওকে নিয়ে তোমার এত মাথাব্যথা কীসের?
তুমি ওকে জানো না, ভায়া!
ও স্মার্ট আর অনেকদিন থেকে স্পেশাল।
ঠিক আছে।
ও আমাকে জিজ্ঞেস করে যাচ্ছে। এভাবে মিথ্যা বলে যেতে পারি না।
ওর সাথে মিথ্যা বলে যেতে পারছ না,
নাকি ওর প্রতি যে অনুভূতি তার বিরুদ্ধে দাঁড়াতে পারছ না
কারণ ওর সাথে যে মিথ্যা বলছ?
দুইটাই, যাইহোক।
দেখ, ও গোপনীয়তা রাখতে জানে।
- তুমি নিশ্চিত তো? - হ্যাঁ, শতভাগ।
মানে, তুমি নিশ্চিত তো যে এটা করতে যাচ্ছ?
আমি ওর পিছু ছাড়াতে চাই। বারবার জিজ্ঞেস করেই যাচ্ছে।
তোমাকে নিয়ে, এই পুরো বিষয়টাকে নিয়ে।
তুমি নিশ্চিতভাবে ভেবে দেখেছ তো?
হ্যাঁ।
তাহলে করা যাক।
লক...
এসব কী?
শুনতে পাচ্ছ আমায়?
- এখনি বাঁধন খুলে দাও। - না-হলে?
কসম, আমি কাউকে হ্যাচের বিষয়ে বলব না, ঠিক আছে? কথা দিচ্ছি।
আমি এটা করছি কারণ সময় এসেছে তোমাকে কিছু দেখানোর,
কারণ এটাই তোমার জন্য সর্বোৎকৃষ্ট হবে।
এবং কথা দিচ্ছি, এরজন্য পরবর্তীতে তুমি আমাকে ধন্যবাদ জানাবে।
হেই, আমার তা মনে হচ্ছে না।
এটা কী?
চিকিৎসাবিহীন এক জখম,
সংক্রমিত হয়ে যেতে পারে।
আমাকে এখানে ফেলে যেতে পারো না।
এখানে থাকা বা না থাকা তোমার সিদ্ধান্ত হবে।
ক্যাম্প এখান থেকে চার মাইল পশ্চিমে।
পশ্চিম কোনদিকে?
উপযুক্ত মোটিভেশান পেলে নিজে থেকেই বাঁধন খুলে নিতে পারবে।
No comments yet. Be the first to leave one.