最初の200行です。
- এই! - হ্যাঁ, ভাই।
তারা বাবা একজন মহিলা পুলিশের সাথে সুপারমার্কেটে দেখা করেছে।
আমি সেখানে আসতেছি।
- বাচ্চাটাকে অচেতন করে ফেল। - আচ্ছা, ভাই।
সে পুলিশের সাথে দেখা করেছে!
হুম?
বস আসতেছে... ওনাকে উঠা। দীপক ভাই...
তাড়াতাড়ি উঠো!
কী হয়েছে?
বাচ্চাটাকে অচেতন করে ফেলো।
ধুর!
সে ভালো পোশাক পরে মনের শান্তিতে বাইরে ঘুরে বেড়াচ্ছে।
আর আমরা এই আজাইরা জায়গায় শ্বাস বন্ধ হয়ে মারা যাওয়ার অবস্থায়!
দরজা বন্ধ কর... ঘর পরিষ্কার কর...
চিল্লাচ্ছিস কেন? আমরা অন্য কাউকে খুঁজে নেব।
হ্যাঁ, ঠিক বলেছো।
হ্যালো!
সুন্দারাম, টাকা রেডি?
স্যার! স্যার!
স্যার!
ইন্সপেক্টর ম্যাডাম কোথায়?
- উনি বাসায়। কেন? - স্যার!
কিডন্যাপাররা ফোন দিয়েছিল।
টাকার ব্যাগ নিয়ে এক্ষুণি রেলওয়ে স্টেশনে যেতে বলেছে।
চিন্তা করবেন না। চলুন, আমি যাচ্ছি। পরে ম্যাডামকে জানাব।
আপনি এদিকটা দেখেন।
তারা ২৫ লাখ চাচ্ছে, স্যার।
কিন্তু আমার কাছে এখন শুধু ১৫ লাখ টাকা আছে।
- বাকি ১০ লাখ জোগাড় করতে পারব। - সমস্যা নেই, আমরা সামলে নেব।
ম্যাম, বরুণের কিডন্যাপারদের কাছ থেকে মুক্তিপণের কল পেয়েছি।
আমরা লোকেশনে যাচ্ছি।
আচ্ছা, ম্যাম।
আপনাদের কে জানানোর জন্য তারা কি বরুণকে আঘাত করবে?
চিন্তা করবেন না, আমি ম্যাডামকে জানিয়েছি।
- উনি ব্যাকআপ পাঠাবেন, আসুন আমার সাথে। - আচ্ছা, স্যার!
তোর বাবা-মা তোর জীবনের চেয়ে টাকা বেশি ভালোবাসে!
তারা পুলিশের কাছে গিয়েছে।
আমিও টাকা ভালোবাসি!
ওকে বস্তায় ভরে ফেল।
অনুবাদে ও সম্পাদনায়: ⌛ জয়ানন্দ ঘোষ ⏳
হ্যালো!
কতদূরে আছো?
ওর বাবা আমার সাথে আছে। এত তাড়া কীসের জন্য?
যদি তারা বাচ্চাকে মেরে ফেলে?
দুর্গা, আস্তে!
কুদি ইয়েধামাইথে এপিসোড–০৪ 'Die to Restart'
তারা কী বলল?
ভাই অঙ্গ দানের জন্য আগেই রেজিস্ট্রার করে গিয়েছেন।
ডাক্তার বললেন, উনি অনেকের জীবন বাঁচাতে সাহায্য করেছেন।
কিন্তু, ভাবিরও কাগজে স্বাক্ষর করতে হবে।
তাই নাকি?
হুম।
ভাই কখনো এ ব্যাপারে আমাদের বলেনি তো!
হুম।
মৃত্যুর পরেও ভাই অন্যদের সাহায্য করে যাচ্ছেন।
অনেক অন্যায় হয়েছে!
ভাইয়ের মতো মানুষদের এত তাড়াতাড়ি পৃথিবী ছেড়ে চলে যাওয়া উচিত নয়।
শুধুমাত্র ভালো মানুষদের সাথেই সৃষ্টিকর্তা এমন করেন কেন?
তোমাকে ছাড়া কীভাবে বাঁচব?
ভাই!
আমি ওনাকে খুন করেছি!
কী?
প্রতিদিনের মতো আজও ডেলিভারি দিতে গেলে ভাই হয়তো আজ বেঁচে থাকতেন।
এই…
আমি ওনাকে বাড়ি যাওয়ার জন্য জোড়াজুড়ি করে খুন করেছি!
এসব কী বালছাল বলছিস তুই?
কাছের মানুষদের মৃত্যুতে নিজেকে দোষী ভাবা বন্ধ কর।
বাসচালক মাতাল ছিল, সে ভুল পথে গাড়ি চালাচ্ছিল।
ভাইয়ের মৃত্যুতে একমাত্র সে দায়ী, তুই না।
ভালো করে মাথায় ঢুকা!
আমি জানি কী হয়েছিল।
কিন্তু জানি না কীভাবে তোদেরকে বোঝাব।
আমাকে একা থাকতে দে।
যা, গিয়ে ভাবিকে সামলা।
- হ্যালো,অভিনব বলছি। - কী ব্যাপার?
ডিরেক্টর তোমার সাথে দেখা করতে চান। যত তাড়াতাড়ি সম্ভব অফিসে চলে আসো।
আজকে?
আমি আগামীকাল আসব, স্যার।
এরকম ব্যাপারে কীভাবে 'না' করতেছো?
তুমি আসবেন না-কি না?
সরি, স্যার! আমি আসছি।
'আমার নাম সুন্দারাম।'
‘বরুণ আমাদের একমাত্র সন্তান।'
‘প্রতিদিনের মতো গতকালও ওকে দাবাঘরে নামিয়ে দিয়ে আসি।'
সাবধানে বাড়ি যেও।
- আচ্ছা, বাই। - বাই।
‘কিন্তু... '
'সন্ধ্যায় যখন বাড়ি ফিরে আসি...'
'আমার স্ত্রী অনেক ভীতসন্ত্রস্ত ছিল।'
বরুণ!
বরুণ!
ওগো শুনছো…
কী হয়েছে, রাজি?
বরুণ এখনো বাড়ি ফেরেনি।
- ওর বন্ধুদের ফোন করেছিলে? - করেছিলাম।
কারো বাসায় যায়নি!
আমি অনেক ভয় পাচ্ছি।
ভয় পেও না!
আমি গিয়ে দাবাঘরে একবারে দেখে আসি।
হুম!
‘আমি দাবাঘরে গিয়েছিলাম।'
‘কিন্তু দাবাঘর বন্ধ ছিল!'
‘বরুণকে কোথাও পাওয়া যাচ্ছিল না।'
‘তার সব বন্ধুকে ফোন দিয়েছিলাম।'
'কিন্তু কেউ ওর খবর জানে না!'
‘জানতাম না তখন আমার কী করা উচিত ছিল।'
হ্যালো।
কে বলছেন?
বরুণ! বরুণ আপনার সাথে আছে?
- বরুণ! - আপনার মেইল চেক করেন।
সে আমাকে মেইল চেক করতে বলেছে, রাজি।
বরুণ!
বরুণ!
বরুণ!
রাজি, ভয় পেও না।
যেভাবেই হোক ওকে ফিরিয়ে আনব।
- ‘একমুহূর্তে আমাদের জীবন থমকে গিয়েছিল!' - ওকে ফিরিয়ে আনো!
‘আমি রাজিকে ওই অবস্থায় দেখতে পারছিলাম না।'
'তাই আশা হারিয়ে পুলিশের দ্বারস্থ হই।’
স্যার…
কী ব্যাপার।?
আমরা ইন্সপেক্টরের সাথে দেখা করতে চাই।
ম্যাডাম ব্যস্ত আছেন, অপেক্ষা করুন।
আমার ছেলে কিডন্যাপ হয়েছে।
মাত্র ৮ বছর বয়স!
হুম।
এখানে বসুন।
আমি ম্যাডামকে জানাচ্ছি।
একটু অপেক্ষা করুন।
বসো, রাজি।
ম্যাডাম!
ম্যাডাম!
ম্যাডাম!
বিরিয়ানি এসেছে?
এখনো না, ম্যাডাম।
এক দম্পতি অভিযোগ দায়ের করতে এসেছে।
অভিযোগ নিয়ে বাড়ি পাঠিয়ে দাও।
তাদের বাচ্চা কিডন্যাপ হয়েছে।
তারা অনেক ভয়ে আছে।
বাচ্চার মা-ও এসেছে।
সে অনবরত কান্না করে যাচ্ছে।
যদি আপনি…
- তিলক কোথায়? - একটু আগে টহলে বেরিয়েছে, ম্যাডাম।
তাদেরকে ভেতরে পাঠাও।
আচ্ছা, ম্যাডাম।
ম্যাডাম আপনাদের ভেতরে যেতে বলেছে।
চলো।
ম্যাডাম…
- প্লিজ বসুন। ম্যাডাম, আপনিও বসুন। - রাজি, বসো।
হ্যাঁ, বলুন।
কী সমস্যা?
আমাদের ছেলে বরুণ কিডন্যাপ হয়েছে।
হুম।
কিডন্যাপাররা ২৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ চেয়ে ফোন করেছিল।
ঘটনা কখনো ঘটেছে?
একটু আগে!
২০ মিনিট আগে।
তারা মেইলে বরুণের ছবি পাঠিয়েছে।
তাদেরকে দয়ামায়াহীন মনে হচ্ছে।
তারা বরুণকে দড়ি দিয়ে চেয়ারের সাথে শক্ত করে বেঁধে রেখেছিল।
বেচারা বরুণ!
শান্ত হও, রাজি।
ম্যাডাম…
হ্যাঁ, বলুন।
তারা বরুণকে হত্যার হুমকি দিয়েছে।
কোনো উপায় না দেখে আমরা আপনার কাছে এসেছি।
এখানে কীভাবে এসেছেন?
আমার বাইকে।
অভিযোগ দায়ের করেন। আসুন।
এখানে বসুন।
- মি. মূর্তি, তাকে পানি দাও। - এখানে বসুন।
আপনি এখানে এসেছেন কেউ জানে?
না, ম্যাডাম।
কেউ আপনাকে ফলো করেছে বলে আপনার মনে হয়?
না, ম্যাডাম।
ম্যাডাম, পানি!
কিডন্যাপারের নাম্বার আর মেইলটা দিন।
তাড়াহুড়োয় ফোন বাড়িতে রেখে এসেছি।
এটা আমার ফোন নাম্বার আর মেইল।
বাড়ি গিয়ে যত দ্রুত সম্ভব মেইলটা ফরওয়ার্ড করবেন।
আচ্ছা, ম্যাডাম।
বিবৃতিতে আপনাদের পুরো ডিটেইলস দিয়ে যাবেন।
ঠিক আছে।
ডেভিড…
ম্যাডাম!
অভিযোগ রেজিস্ট্রার করো।
অভিযোগ দাখিলের আগে আমাকে একবার দেখিয়ে নিও।
আচ্ছা, ম্যাডাম।
আমি কেসটা সামলাচ্ছি।
আমরা কোনোকিছু জানতে পারলেই আপনাকে জানাব।
আচ্ছা, ম্যাডাম।
মনোবল হারাবেন না, শক্ত থাকুন।
আপনি বরুণকে খুঁজে বের করবেন তো, ম্যাডাম?
তাকে ফিরে পাবো তো?
হ্যাঁ।
যাইহোক না কেন, আমরা ওকে খুঁজে বের করব।
চিন্তা করবেন না।
আমাদের উপর ভরসা রাখুন।
- আচ্ছা, ম্যাডাম। - আচ্ছা!
‘ইন্সপেক্টর ম্যাডাম বরুণকে ফিরিয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়ায় রাজি কিছুটা শান্ত হয়েছিল।'
No comments yet. Be the first to leave one.