最初の200行です。
ব্ল্যাক সামার এপিসোড–০৫
অনুবাদ ও সম্পাদনায়: ⌛ জয়ানন্দ ঘোষ ⏳
এই!
কী চাস তুই?
তোকে গুলি করবো না আমি, আমি তোকে গুলি করবো না!
ওখানেই দাঁড়া!
এটা পরিস্কার পানি।
ঠিকাছে?
হ্যাঁ।
জানি এটা তুই-ই ছিলি। আমি জানি!
তুই কিছুই জানিস না।
না, না, মাইলের পর মাইল হাঁটার পর আমি তোকে চিনতে পেরেছি।
ভাই, আমি তোকে চিনি।
আমার তা মনে হয় না।
কেন জানি আমার মনে হচ্ছে আমি তোকে খুব ভালোভাবে চিনি!
দেখ,ভাই...
দেখ,ভাই...আমি তোর সাথে কোনো গড়বড় করতে চাইনা।
এতোটা পথ আমি তোকে অনুসরণ করে এসেছি।
আমি জানি,
তুই আমাকে কোনো সাহায্য করবি না।
হ্যাঁ!
তুই আসলেই একটা মাদারচুদ!
বলতে চাচ্ছি যে, এখানের অনেকেই বন্ধুর মতো।
আমার নাম ব্রাথওয়েট।
হু? রিং আর ঘন্টা? ব্রাথওয়েট!
না!
যেহেতু তুই আমাকে চিনিস,
আমার নাম কী? হুহ?
- হুহ? - আচ্ছা, সরি।উহু...
আমি দুঃখিত ভাই।
দেখ আমাকে চিনতে পারছিস কি-না। নামে কী আসে যায়?
হ্যাঁ, আমারও না!
কেভিন! ঠিক বলেছি?
হ্যাঁ! কেকে! কেমন আছিস?
না ভাই, আমি কেকে নই।
দেখ ভাই...
আমি তোকে চিনি না।
তুইও আমাকে চিনিস না।
- প্রত্যেকে নিজের পথে যাওয়া যাক। - দেখ, দেখ...আমি তোকে চিনি।
আজাইরা কথা বলিস না, আমি তোকে চিনি ভাই!
প্রতিজ্ঞা করে বলছি, আমরা সমস্যা থেকে বের হবো।
যখন বুঝতে পারবো সমস্যার কারণটা কী!
আমার সন্দেহ হচ্ছে।
দেখ ভাই, কোনটা সঠিক কোনটা ভুল তা সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় এখন নয়।
আমাদের একইসাথে এই পথ অতিক্রম করতে হবে।
যাতে কোনো সমস্যায় না পড়ি।
দেখ ভাই, সামনে আমার পরিচিত জায়গা আছে।
সেখানে যেতে হবে, কিন্তু...
মনে হয়না কাজটা এতোটা সোজা হবে।
একটু আগেই তোকে বলেছি যে...
একটু আগেই আমি নিয়ন্ত্রণ হারিয়েছি।
ওই মাদারচুদের কারণে!
আমাদের এখন একসাথে যেতে হবে।
দুই সাহসী ভাইয়ের একসাথে ভ্রমণ!
অপরিচিত কাউকে ভরসা করা থেকে গাড়ির ডাইস পরিস্কার করা ভালো।
ধুর, তুই হয়তো নরখাদকে পরিণত হবি, তাই-না?
তুই কখনো কাউকে খেয়েছিস?
- কী? - কখনো কাউকে খেয়েছিস?
আমি আনন্দের জন্য খাওয়ার কথা বলিনি।
দেখ ভাই,
এখনো অনেকদূর যেতে হবে।
অভিজ্ঞতা নেই এমন মানুষের সাথে আমি এতোটা পথ যেতে পারি না।
ভালো,
আমরা আমাদের অবস্থান বুঝতে পারলাম!
তুই ঠিকই বুঝতে পেরেছিস।
যা বলি করতে থাক।
ধুর!
কোথায় যাচ্ছিস? উহ!
ঠিক আছিস? ব্যাথা পেয়েছিস?
না, আমি ঠিক আছি।
আমার প্রশ্নের উত্তর দেস নাই।
মানচিত্র দেখলাম।
রাস্তা খুঁজে পেয়েছি।
রাস্তা? রাস্তার ব্যাপারে কে বলেছে?
ডেরেক, এটাই তো তোর নাম?
হ্যাঁ, ডেরেক ই! ধুর! নাকি ডেরেল?
না, তোকে তো ডেরেলের মতো লাগছে না।
দেখ, তোকে তো আগেই বলেছি আমি মানুষের নাম গুলিয়ে ফেলি।
হ্যাঁ, এদিকে যেতে হবে।
আমি তোকে পথ দেখিয়ে নিয়ে যাচ্ছি।
এটাই আমাদের প্রথম সাক্ষাৎ।
দেখ ভাই, আমি...
দেখ ভাই, হয়তো তুই ঘুমের মাঝে অকস্মাৎ মারা যেতে পারিস।
সবকিছু শেষ হয়ে যাওয়ার আগে তাই তোর একজন চেনাজানা ভাই প্রয়োজন।
আমি ঠিক আছি।
যদিও ইতিমধ্যে আমি মৃতপ্রায়!
তুই চাইলেই যা ইচ্ছে করতে পারবি।
বাল!
ভাই, তুই মৃতপ্রায় হলে আমিও মৃতপ্রায়।
বর্শা।
না, এটা তা নয়।
আয়।
দেখ ভাই,
ওই পাহাড়ের পাশে যখন আমি ছিলাম, তখন আমার দুই কান হারাতে বসেছিলাম।
নিথর হয়ে গেছিলো, দু'দিন যাবত তীব্র কষ্ট ভোগ করেছিলাম।
যদিও এখনো কান ঠিক হয়নি।
শীতল বাতাস বইলে এখনো তীব্র দংশন অনুভব করি।
কিন্তু অন্তত হালকাপাতলা শুনতে পারি।
আমার মনে হয় আমি পারি।
আমার দাদা এক কানে শুনতে পেতেন না।
তার মানে তিনি শুধু সেসব কথা শুনতেন...
যা তিনি শুনতে চাইতেন! কী বুঝাতে চেয়েছি আশা করি বুঝেছিস।
জানি তুই কোথা থেকে এসেছিস।
বিগ লিটা!
ছোটবেলায় এটাকে কি তুই লাঠি হিসাবে ব্যবহার করতি?
তুই বেশি কথা বলিস।
হ্যা, সে-ও বেশি কথা বলতো। অনেক বেশি কথা বলতো।
এটা কী?
দেখ, আমি জানিনা এটা কি। কিন্তু চেনার জন্য চেষ্টা করি।
এটা আশেপাশেই আছে!
দেখ।
না, আমাকে রাইফেলটা দে। আমার নিশানা অনেক ভালো।
মানে, আমি ব্যাবস্থা করতে পারবো।
এই ইয়ো!
খরগোশের চিন্তা বাদ দে। আমাদের ওই ঘোড়াটা দরকার।
যদি ব্যার্থ হই, তাহলে সমস্যায় পড়ে যাবো।
যদি গুলি না করি, মনে করবি সে একা আছে।
ইয়ো, কতোটা কাছে ছিলাম আমরা?
আর পাঁচটা দিন...অথবা এক সপ্তাহ।
এক সপ্তাহ?
পাগল হয়ে গেছিস? গুলি করলি না কেন?
তোর কি মনে হয় ঘোড়াটা ততক্ষণ ওখানে থাকতো?
ওই আবালটাকে গুলি করার পরেও?
আরে ইয়ো, সোজাসাপ্টা চিন্তা কর।
পরিস্থিতিই এমন ভাই।
আমাদের কাছে কোনো খাবার নেই। না আছে পানি, আশ্রয় অথবা আগুন।
একটু পরেই সূর্য অস্ত যাবে।
আর তুই ঘোড়া ছাড়াই ফিরে যাচ্ছিস।
র্যান্ডেল, হ্যা! তোর নাম র্যান্ডেল..
কী?
তুই ছোটবেলায় লাটিম খেলতি!
আমি তোকে আগেই আমার নাম বলেছি।
তুই এসব বন্ধ না করলে, আমরা সমস্যায় পড়বো।
এই, তুই কী বলতে চাচ্ছিস?
আশেপাশে ঘোরাঘুরি তোর এখন বন্ধ করা উচিত।
দেখ ভাই, তুই কী কী করেছিস কেউ তা গুরুত্ব দিবে না।
এটা পরিষ্কার কথা ভাই।
তুই কী অর্জন করতে পেরেছিস সেটাই মুখ্য!
এখানে আমাদেরকে যে এনেছিলো সে-ও অপ্রস্তুত স্বরে এই কথা-ই বলেছিলো।
কোথায় যাচ্ছি সে সম্পর্কেও কিছু বলিসনি?
আমি এই পথে যাচ্ছি, এই পথেই যাবো আমি।
তুই আমার সাথে আসতে চাইলে আমি তোকে থামাবো না।
কিন্তু একটা কথা বলছি,
চাইলে তুই অন্য পথেও যেতে পারিস।
এটা স্বাধীন দেশ ভাই।
আমি তো বলেছিই!
না, কী করতে চাচ্ছিস তুই?
খেলা হবে ভাই!
ইয়ো, সে নিচে চাপা পড়েছে। তার মাথা চূর্ণ করে দিতে হবে।
ওর জন্য আমার রাইফেলের গুলি খরচ করার ইচ্ছে নেই।
সে কোথাও যেতে পারবেনা।
সাথে বীভৎস চিৎকার.. কী বুঝাতে চাচ্ছি আশা করি বুঝেছিস!
ওর মাথা ফাটিয়ে দে!
বাল!
ঠিক আছিস, হুহ?
ম্যাচ আছে?
ধুর! আমাদেরকে খুঁজতে হবে।
যদি তুই বাইকার হস তাহলে তোর কাছে...
লাইটার, ম্যাচ এসব থাকা স্বাভাবিক।
আশা করি এই আবালের কাছে কিছু সিগারেট খুঁজে পাবো।
সিগারেট খাওয়ার জন্য মরে যাচ্ছি!
এ যেন মেঘ না চাইতেই বৃষ্টি,ভাই!
হায়! হ্যা!
এ যেন আইসক্রিমে প্রথম কামড় দেওয়ার মতো!
- এখন সবকিছু ঠিক আছে। - হায় ইশ্বর!
১২ রাউন্ড, চেম্বারে আরো ১ রাউন্ড আছে।
ভাগ্যবান ১৩ ভাই!
প্রয়োজন ছাড়া এটা ব্যাবহার করিস না।
তুই রাখ এটা।
ধন্যবাদ!
আমি এটার থেকে দূরেই থাকি।
শতকরা নব্বই ভাগ সময় আমি এটা চালাই না।
আমার সন্দেহ আছে..
তুই আসলেই একটা মাদারচুদ!
আরে ভাই...
মদ আর গুলি হাতে তরুণ যুবক!
সে নিশ্চয়ই কোথাও আগুন জ্বালিয়েছিল।
মনে হয় ওখানে জ্বালিয়েছে।
কোনো না কোনোকিছু দিয়ে।
হ্যা,আবালটা আগুন জ্বালিয়েছিল!
আমি এটার কথা-ই বলছিলাম! এগুলো ব্যাবহার করতে জানিস?
চেষ্টা করে দেখি।
শেষপর্যন্ত আমার বয়স্কাউট দক্ষতা কাজে লাগানোর সুযোগ পেলাম!
বয়স্কাউট না বাল!
হ্যাঁ, তুই জানিস।
আমি বাল জানি।
ওই কাঠগুলো এখানে নিয়ে আয়।
আর সেগুলো দিয়ে একটা তাঁবু বানা, যেখানে সে আগুন জ্বালিয়েছিল।
- ঠিকাছে? - ঠিক আছে।
এইতো!
বুঝতে পেরেছিস?
কাজটা শেষ করা যাক।
এভাবে করতে হবে।
কাজটা আসলেই কঠিন।
- তুই ঠিকভাবে করছিস তো? - আমি ভুল কিছু করছি না।
যেভাবেই হোক আগুন জ্বালাতে হবে ভাই।
এটা মজার কোনো বিষয় না।
ধুর! ছোট্ট একটা কাজের জন্য আমি কতোটা কষ্ট করছি।
যদিও আগের গল্পটা ভিন্ন ছিলো।
কী বুঝাতে চাচ্ছিস আশা করি বুঝেছিস।
No comments yet. Be the first to leave one.