最初の200行です。
অনুবাদে: ⌛ জয়ানন্দ ঘোষ ⏳
সম্পাদনায়ঃ ♦️ মারিব সিরাজ ♦️
আমার সাথে অনেক ছেলের যৌন সম্পর্ক নিয়ে গুজব ছড়িয়ে আছে।
আমি একপ্রকার বিশেষত্বহীন এবং ছেলেদের কাছে প্রায় অদৃশ্যই ছিলাম।
গুগল যদি ছেলে হতো...
আমি জাঁকজমকপূর্ণ পোষাক পরে থাকলেও আমাকে সহজে খুঁজে বের করতে পারতো না।
শুনতে অদ্ভুত লাগছে, তাই-না? মাধ্যমিকে পড়া মেয়ে নিজেকে গুটিয়ে রাখে!
কে আমি? এসবের মানে কী? আমি এখানে কেন?
কিন্তু চিন্তার কোনো কারণ নেই, এটা সেরকম কোনো গল্প নয়।
কিন্তু গল্পের শুরুটা এভাবেই...
আর তারপর হঠাৎ করে সব দ্রুত বদলে গেল যখন থেকে আমি মিথ্যা বলা শুরু করলাম...
অত্যন্ত ব্যক্তিগত বিষয়গুলো নিয়ে!
তো, কাগজে কলমে আমার নাম অলিভ পেন্ডারগাস্ট...
চুপচাপ, শান্তশিষ্ট এবং মাঝারি স্তনের অধিকারী...
পুরো পৃথিবীকে সেই সত্যিটাই জানানোর শপথ নিয়েছি...
যার একবিন্দুও মিথ্যে নয়। শুরু করছি তাহলে!
ব্যক্তিগত চিন্তাভাবনা প্রকাশের জন্য...
ইন্টারনেট ছাড়া আর ভালো কোনো মাধ্যম আছে কি?
তো এখান থেকেই শুরু হচ্ছে, প্রথম পর্ব!
আমাকে নিয়ে যে গুজব ছড়ানো হয়েছে, তা সম্পূর্ণ বানোয়াট!
আমি কীভাবে কলেজের এক ছেলের কাছে নিজের সতীত্ব হারাতে পারি?
প্রতিটা গল্পেই ভালো-মন্দ দুটো দিক থাকে।
আমার গল্পে, আমিই সঠিক।
জর্জ কোনো সেক্সি নাম না।
জর্জ তো টেডিবিয়ারের নাম...
বিশেষ মুহূর্তে তুমি অন্তত এই নামে ডাকতে চাইবে না!
তোমার কথায় আমি কী বুঝব?
স্থায়িত্ব আর সক্ষমতার প্রদর্শনী শেষে...
বৃক্ষের বিবর্তনের উপায়কেই অবলম্বন করতে হবে!
- ঠিক! - কেন, আপনি কী ভাবছেন?
সহমত, কিন্তু জোরে বলবো না যাতে আশেপাশের মানুষ আবার ভুল না বোঝে।
আজকাল কটাক্ষ করে কথা বলা সাধারণ ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে।
কটাক্ষ? মানে? আপনি কী বুঝাতে চাচ্ছেন?
রিয়ানন, অলিভ.. মনোযোগ দিয়ে পড়ো। এই সময় আর ফিরে পাবে না।
আর, প্রেম করতে পারো, কিন্তু নেশা নয়। সাহসী কিছু করার জন্য নিজেকে প্রস্তুত করো!
আর কোনো সমস্যা হলে আমার কাছে এসো।
বাই, মি.গ্রিফিথ!
বাই!
- মুখ সামলে কথা বলবি। - দুঃখিত!
মি.গ্রিফিথ আমার প্রিয় শিক্ষক।
এতো সমস্যার পরেও..
আমি তার প্রিয় শিক্ষার্থী!
তোমরা জানো এগুলো তোমাদের জন্য ক্ষতিকারক।
অনাকাঙ্ক্ষিত গর্ভধারণের শঙ্কাসহ আরো অনেক ধরণের বিপত্তি ঘটতে পারে।
এমন অবাস্তব কিছু করো না, যা নিরর্থক।
এমনই একটা মিথ্যা বলা থেকে আমার সমস্যা শুরু হয়েছিল!
প্লিজ, প্লিজ.. তোর পায়ে ধরছি! তোর খরচ আমি দেবো...সত্যি বলছি..
রি, আমি তোর সাথে ক্যাম্পিংয়ে যেতে পারবো না।
আমি দুঃখিত, আমাকে ডেটে যেতে হবে।
- তোকে তো বলেছিলাম! - কার সাথে?
- তুই তাকে চিনিস না। - তুই নিজেও চিনিস না, স্বার্থপর কোথাকার!
হ্যাঁ, আমি তাকে চিনি। আমার ভাইয়ের সাথে কলেজে পড়ে।
আচ্ছা, তার নাম কী তাহলে?
রিয়ানন নাছোড়বান্দা টাইপের মেয়ে।
সে আমাকে তার পরিবারের সাথে ক্যাম্পিংয়ের জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছে...
আর...কেন জানি না আমার যেতে ইচ্ছা করছে না!
হয়তো তার সাথে আমি সাপ্তাহিক অবকাশ কাটাতে চাই না..
কিন্তু প্রধান কারণ হলো তার বাবা-মা, তারা আমার দেখা সবচেয়ে অদ্ভুত ধরণের লোক!
আমি ক্যালিফোর্নিয়াতে থাকি।
একবার তার পরিবারের সাথে ডিনার করেছিলাম, তখনই শপথ করেছিলাম আর কখনো এখানে আসবো না।
- এটা অনেক সুস্বাদু। - প্যাচৌলি বার্গার!
আমাদের ভিক্টোরি বাগানে আমরা প্যাচৌলি চাষ করি।
তুমি ডেজার্ট খেতে চাও?
না, ধন্যবাদ। আমি আমার শরীর ঠিক রাখার চেষ্টা করছি।
বাহ, কিন্তু আমি নই!
তাই তাকে যাওয়ার ব্যাপারে মিথ্যা বলেছি...
আর আমার ভাইয়ের বন্ধু জর্জের সাথে ডেটের ব্যাপার অযুহাত দাঁড়া করিয়েছি।
সত্যিটা বলে ফেল, জর্জ নামে কেউ নেই!
ভালো, দেখ আমার পছন্দের ব্যাপারে...
তোর নাক গলানো উচিত না, এই প্রসঙ্গে আর একটা কথাও না।
আচ্ছা, আমাদের সাথে ক্যাম্পিংয়ে যেতে হবে না। শুধু জেনে রাখ, আমি তোকে ঘৃণা করি, কুত্তী!
যা, তোর চকোলেট মিল্ক নিয়ে আয়।
- তুই খাবি? - না!
আর এভাবেই আমি সাপ্তাহিক অবকাশ কাটাই...
কি বিশ্রী গান!
কিন্তু সোমবার, যখন রি আমাকে সাপ্তাহিক ছুটির ব্যাপারে জিজ্ঞেস করেছিলো...
তুই জানিস, সে খুবই সুদর্শন! সে আপাদমস্তক ভদ্রলোক।
মনে হয় আমি তার প্রেমে পড়ে গেছি।
দাঁড়া, দাঁড়া! থাম, থাম! তুই তার সাথে আবার দেখা করবি?
না, সম্ভবত নয়। তুই জানিস আমরা খুব ভালো ছুটি কাটিয়েছি।
পুরো ছুটিটাই তার সাথে ছিলি?
হ্যাঁ!
- এক মিনিট, তার মানে তুই... - কী?
আরে না, অবশ্যই না!
তুই একটা মিথ্যাবাদী, তুই তার কাছে সতীত্ব হারিয়েছিস!
- না, হারাইনি... - হ্যাঁ, তুই হারিয়েছিস!
- সবকিছু আমাকে খুলে বল... - রি, আমি সেই ধরনের মেয়ে নই।
যারা এমন দুঃসাহসিক কাজ করে...
...তাদের কি নিজের বন্ধুদের তা বলার সাহস নেই?
- কী? - আমাকে সবকিছু খুলে বল!
- রি! - এক্ষুণি খুলে বল, কুত্তী!
যথেষ্ট হয়েছে, তুই আমাকে অনেকবার কুত্তী বলেছিস।
- সেরকম কিছুই হয়নি, বুঝেছিস। - আমি এক্ষুনি সবটা শুনতে চাই, মুখপুড়ী!
তুই কিন্তু বাড়াবাড়ি করে ফেলছিস...
আমাকে বল!
আচ্ছা...
আমরা ওসব করেছি!
ইয়েস!
শেষপর্যন্ত তুইও আমার মতো বারোভাতারির দলে নাম লেখালি!
সুপারশপের চিপায় পিটার হেডল্যান্ডের মাথা...
তোর দুদুর মাঝে ঘষলেই তুই বারোভাতারির সর্দার বনে যাবি না!
সেসময় অনেকেই ছিলো, কেউ না কেউ নিশ্চয় দেখেছে।
যাইহোক, কথা তো আমাকে নিয়ে হচ্ছে না, কথা হচ্ছে তোকে নিয়ে।
তুই তাকে কী কী করতে দিয়েছিস?
দেখ, সবকিছু স্বাভাবিক ছিলো। উল্টাপাল্টা কিছুই ছিলো না!
জানি না, আমি তখন কেন মিথ্যা বলেছিলাম...
হয়তো প্রথমবারের মতো রি এর চেয়ে...
নিজেকে সেরা প্রমাণ করার জন্য!
জেঙ্গা খেলার মতো আমি একের পর এক মিথ্যা সাজিয়ে যাচ্ছিলাম।
তুই সুগন্ধি মোমবাতি চিনিস?
মোমবাতি গুলো দেখতে অনেক সুন্দর ছিলো।
- তাকেও অনেক সুন্দর লাগছিলো, সে.. - অবশ্যই!
আমাদের দিকে এভাবে তাকিয়ে আছো কেন, ক্রিশ্চিয়ান?
কিছু বেশ্যাকে চেনার চেষ্টা করছি!
ম্যারিয়্যান ব্রায়ান্ট ছাত্র পরিষদের সহকারী...
অরেঞ্জ ব্লসোম নৃত্যশালার সভাপতি...
আর ‘ক্রস ইউর হার্ট’ ক্লাবের সভাপতি...
এমন একটি ক্লাব যারা নিজেদের চিন্তাচেতনা অন্যদের মাঝে ছড়িয়ে দেয়।
অবশ্যই তারা পাত্তা দিচ্ছে না!
গতবছর তাদের বিখ্যাত হওয়ার প্রধান কারণ ছিলো স্কুলের মাস্কট পরিবর্তন করা!
ব্লু ডেভিলের জন্য চিয়ার্স হবে!
ব্লু!
ব্লু ডেভিল!
হ্যাঁ!
ইয়েহ!
শয়তানের পূজারীদের মতো একে-অপরের সাথে লেগে থাকলে...
আমরা স্কুলের সম্মান কীভাবে রক্ষা করবো?
এখন অন্তত কম গুরুত্বপূর্ণ অংশের ব্যাপারে কথা বলবো..
উডচাক্স এর জন্য চিয়ার্স হবে!
এগিয়ে যাও, উডচাক্স!
উডচাক্স!
টেডকে খালিগায়ে দেখতেই বেশি ভালো লাগে।
হ্যাঁ, তবে উডচাক্সের পোশাকেও খারাপ লাগছে না। আমি এখনও ওকে নিয়ে দিবাস্বপ্ন দেখি!
উডচাক্স!
এখন ম্যারিয়ানা বিখ্যাত হওয়ার জন্য আরেকটা কারণ খুঁজে পেয়েছে...
আমি!
যেটা আমাদের নিয়ে যাবে দ্বিতীয় পর্বে।
গুজব ছড়ানোর গতি।
এই বিরক্তিকর কথাটি দিয়ে এটাই বুঝাতে চাচ্ছি, মিথ্যা যেকোনো কিছুর চেয়ে দ্রুত ছড়ায়।
আমার নামে গুজবও ঠিক এভাবেই দ্রুত ছড়িয়েছিল...
অলিভের ব্যাপারে শুনেছো?
ক্যামনে কী!
- সে আর কুমারী নেই? - আমার তো বিশ্বাসই হচ্ছে না!
- অলিভ তার সতীত্ব হারিয়েছে! - হ্যাঁ!
পরেরবার থেকে বাথরুমে কথা বলার আগে..
চোখ কান খোলা রাখা উচিত।
হ্যাঁ, কী ব্যাপারে? সেটা... তুমি যা ভাবছো তেমন কিছু নয়।
তোমার সাথে কিছুক্ষণের জন্য কথা বলতে পারি?
- তুই যাবি? - হ্যাঁ, যাচ্ছি। ধন্যবাদ!
বাই, নিনা!
সেদিন বাথরুমে যা শুনেছিলে সেসব কথা একদমই সত্যি নয়।
- আমি আসলে মজা করে বলেছিলাম। - অলিভ, এটাই তো তোমার নাম। তাই-না?
হ্যাঁ, আর তুমি ম্যারিয়ানা।
কিন্ডারগার্ডেন থেকে নবম শ্রেণী পর্যন্ত আমরা একসাথে পড়ালেখা করেছি।
যদিও তুমি অন্য সংস্কৃতির ধর্ম পালন করো, তারপরও দশম শ্রেণীতে স্কুল ছাড়তে...
তুমি অস্বীকৃতি জানিয়েছিলে কারণ বিজ্ঞানকে তুমি কল্পনাপ্রসূত মনে করো।
আচ্ছা শোনো, তোমার চরিত্রহীনতার বর্ণনা...
আমাকে শোনাতে হবে না।
পরম ঈশ্বরই তোমার অশ্লীলতা যাচাই করবেন।
টম ক্রুজ?
আশা করি তোমার রসিকতা বুঝার ক্ষমতা ঈশ্বরের আছে।
আমার বিগত ১৭ বছরের ইতিহাস ঈশ্বর জানেন!
তোমাকে তোমার কর্মফল মেনে নিতে হবে।
আশা করি তুমি তোমার পাপ মোচন করবে।
- পাপমোচন করতে হবে? - তোমাকে অনেক মিস করেছি...
তোমাকেও বড্ড মিস করেছি!
তার মানে ম্যারিয়ানাই গুজব ছড়িয়েছে!
প্রথমবারের মতো আমার যৌন অভিজ্ঞতার কথা স্কুলের প্রধান আলোচ্য বিষয়ে পরিণত হয়েছে।
না, ভুল বলেছি। এই নিয়ে দ্বিতীয়বার!
প্রথম যখন গুজব ছড়িয়েছিল, তখন আমি অষ্টম শ্রেণীতে ছিলাম...
এক ছেলের উপর ক্রাশ খেয়েছিলাম আর তার কাছ থেকে চুমু পেতে চাচ্ছিলাম।
আমাকে আর টডকে সাত মিনিটের জন্য দরজা বন্ধ ঘরে পাঠানো হয়েছিলো।
ভাগ্যক্রমে সেখানে রোমান্টিক গান বাজছিলো..
মনে হচ্ছে এখনই উপযুক্ত সময়...
তোমার ঠোঁটে ঠোট লাগিয়ে চুমু খাওয়ার!
এমনটাই আমি শুনেছি...
আমাকে কিছুক্ষণ সময় দাও।
আমার ঘড়ি অনুসারে তোমার কাছে ৩৮২ সেকেন্ড আছে...
- তুমি এমনটা কীভাবে করতে পারো? - মানে?
মানে, এতো তাড়াহুড়োর কী দরকার? তাছাড়া তুমি প্রায় বড়দের মতো কথা বলো।
চিন্তা করো না! আমি নিজেকে যতটা চালাক ভাবি, ততোটা চালাক নই।
যদি আমরা কিছু না করি, তবুও কি মানুষ বলবে আমরা চুমু খেয়েছি?
অবশ্যই!
- ধন্যবাদ, অলিভ.. - আচ্ছা, টড!
আসলে তখন আমি মিথ্যা বলতে চাইনি...
কেননা কেউ কাউকে চুমু খেলে, কারো কিছু যায় আসে না।
কিন্তু যখন তারা ভাবে, আমি অন্য কারো সাথে শুয়েছি…
এই, অলিভ! কী অবস্থা?
আমি ঠিক আছি, আগে তো কখনো কথা বলতে না...
যাইহোক, জিজ্ঞাসা করার জন্য ধন্যবাদ।
এখন একমাত্র নিজের সম্পর্কে যা ভাবতে পারি, “দারুণ, আমি এখন এক বারোভাতারি!”
এখন আমাকে পিঠের নীচের অংশে ট্যাটু করতে হবে…
তাছাড়া মুখ ছাড়া অন্যান্য অঙ্গেও ছিদ্র করতে হবে!
তোমরা জানো যে আমি সাপ্তাহিক অবকাশ এখানেই কাটিয়েছি, তাই-না?
- হ্যাঁ! - হ্যাঁ, তুমি সারাক্ষণ উপরে ছিলে।
- হ্যাঁ! - তুমি এ ব্যাপারে সাক্ষ্য দেবে তো?
- হ্যাঁ! - আমি তোমার জন্য গুলিও খেতে পারবো...
তুমি তা জানো, ঠিক কপালের মাঝখানে..
অথবা আমার গলা কেটে ফেলবো...
কাউকে কিছু বলার পরিবর্তে!
No comments yet. Be the first to leave one.