最初の173行です。
বাইনচোদ!
প্রতিটা ভালোবাসার গল্পে দু'টো চরিত্র থাকে।
একজন নায়ক আরেকজন নায়িকা।
কিন্তু আমার গল্প কিছুটা ভিন্ন।
গল্পে নায়িকা ছিলো...
আর ছিলো এক চুতিয়া!
ইন্দোরি ইশক এপিসোড–০১ ❝ Tum Toh Thehre Pardesi ❞
অনুবাদ ও সম্পাদনায়: ⌛ জয়ানন্দ ঘোষ ⏳
চাবি খুঁজে পেয়েছি!
আসো, রুম দেখাচ্ছি।
আসো তো!
সালামালাইকুম, চাচা।
কী অবস্থা, রেশমা? ধান্ধা কেমন চলছে?
চিন্তার কারণ নেই, ধান্ধা ভালোই চলছে।
হেই! নিজে স্নান করতে পারিস না?
- সালামালাইকুম, ম্যাডাম! কী অবস্থা? - ভালোই! তুমি কেমন আছো?
আমিও ঠিক আছি, ম্যাডাম।
অনেকদিন যাবৎ বন্ধ ছিলো তো এজন্যই!
খোল বলছি!
কী একটা অবস্থা!
দরজা ঠিক করে দিবো, আগে ঘর পছন্দ করো।
যাও!
পুরো মুম্বাই ঘুরলেও এত সস্তায় ঘর পাবে না।
সমুদ্র, বোট..সবকিছু আছে!
এগুলো কার?
জোজো নামের এক ভদ্রলোকের।
সে চিত্রশিল্পী হতে মুম্বাই এসেছিলো।
পাঁচ বছর যাবৎ এখানে থেকেছে।
জিনিসপত্র নিয়ে যায়নি কেন?
কথা হলো... আল্লাহর কাছে এসব নিয়ে যাওয়া যায় না, স্যার!
তিন মাস আগে, একরাতে গাঁজা খেয়ে তার মৃত্যু হয়েছে।
একসপ্তাহ পর তার মৃতদেহ পাওয়া গেছে.. কিন্তু ততক্ষণে লাশ পঁচে গেছিলো!
এই বিছানায়ই তাকে মৃত পাওয়া গেছে।
সেজন্যই ভাড়া এতো কম!
লোকজন এখানে থাকতে ভয় পায়।
আচ্ছা...
আশা করি তোমার সমস্যা হবে না।
যাইহোক, আমি তোশক বদলে দেবো।
এই প্রথমবারের মতো...
কোনো মহিলাকে সম্পত্তির দালালি করতে দেখছি।
মাঝে মাঝে প্রয়োজন মানুষকে নিজের দেহ বিক্রি করতেও বাধ্য করে!
যাইহোক, তুমি কেন আগের জায়গা ছেড়ে এই নরকে উঠতে এলে?
যখন একজন পুরোপুরি মারা খায়,
তখন তার কাছে মহল আর বস্তির কোনো তফাৎ নেই।
সেখানেও বরবাদ হয়েছি...
এখানেও বরবাদ হবো, তাতে কী আসে যায়!
গল্পের শুরু হয়েছিলো ইন্দোরে...
ইন্ডিয়ার মধ্যমণি খ্যাত শহর...
মধ্যপ্রদেশের ছোট্ট শহর!
যদিও একে মিনি মুম্বাই বলা হয়,
কিন্তু ইন্দোরের কাউকে জিজ্ঞেস করে দেখো...
এই শহর দেখতে মুম্বাইয়ের মতো নয়, না এই শহরের মানুষ মুম্বাইয়ের মতো!
সকাল সকাল মাথা নষ্ট করে দিলি!
২০০৮ সালে আলতাফ রাজার গান কে শুনে?
ভাগ শালা!
আমার কাছে 'ওম শান্তি ওম' এর সিডি আছে, লাগবে?
আমার কাছেও আছে, লাগবে?
তোকে কতবার বলেছি হরির সিটে না বসতে?
ভাগ এখান থেকে!
তুই যদি হরির সাথে বসতে চাস,
বাসে অনেকগুলো সিট ফাঁকা আছে, অন্য কোনো জায়গায় গিয়ে বস।
কেননা আমি এখান থেকে নড়বো না!
তাই না-কি?
এখন ভালো করে বস!
পাগল হয়ে গেছিস?
তুমি কখনোই ঠিক সময়ে আসো না! অপেক্ষা করতে করতে জিলাপি ঠান্ডা হয়ে গেছে!
আরে ভাই!
এই হলো আমার বন্ধু হরি মাথুর।
সেই বন্ধু যার বন্ধুত্ব নিয়ে কখনো সন্দেহ হয়নি।
ওহ, শেফালী!
সেই বন্ধু যে বিপদে-আপদে সবসময় পাশে থেকেছে।
আরে কুনাল!
আমার জান!
- ব্রাশ তো করিস ভাই! - তোর জন্য করে নিবো!
- হেই, থাম! - কী? কী ব্যাপার?
এখন বস!
আরে বাহ, আমার জন্য সিট পরিস্কার করছিস!
এইযে নে, তোর জন্য জিলাপি এনেছি।
খেয়ে নে, নয়তো ঠান্ডা হয়ে যাবে।
হেই! ওখানে যাস না... তোর জন্য এতক্ষণ সিট রেখেছি!
আরে না! তোর জন্য এখানে এসেছি! এসব কী বলছিস তুই?
আমি দু'মিনিটের মাঝে ফিরে আসছি।
তুই আসলেই আবাল!
শেফালী!
শেফালী!
যতক্ষণ পর্যন্ত না সম্পর্কে কোনো মেয়ে আসে!
মেয়েদের কারণে বড় বড় সম্পর্ক নষ্ট হয়ে যায়...
বন্ধুত্ব কী আর এমন জিনিস?
যাইহোক, আমার জন্য জিলাপি এনেছে...
আমাদের মতো ইন্দোরিদের জন্য, সত্যিকারের ভালোবাসার প্রমাণ এটাই!
সত্যিকারের ভালোবাসা অনিরাপদ যৌনমিলনের মতো...
খুবই ঝুঁকিপূর্ণ!
গুটিকয়েক ভাগ্যবান যুবক-যুবতী বাদে,
ভালোবাসাকে গুরুত্ব দেওয়া প্রতিটা রোমিও জুলিয়েট...
দিনশেষে মারা খায়!
ঠিক আমার মতো!
তারপর কিছু প্রেমিক-প্রেমিকা দূরে সরে যায়...
আর বাকি কিছু প্রেম নামক মহামারী রোগ থেকে পালিয়ে বেড়ায়!
কয়েকজন তো নিজের জান বিসর্জন দিয়ে ফেলে!
তারপর আছে আমার মতো...
কিছু চুতিয়া..
যারা তখনও বুঝতে পারে না...
আসলে তাদের সাথে হয়েছে কী!
তারা!
- প্রথমে... - আসতে পারি, স্যার?
আগে হেসে খেলেই জীবন কাটাচ্ছিলাম।
কিন্তু কথা হলো, যৌবনের মায়ায়...
অন্যের জন্য নিজের জীবন নষ্ট করার...
নাম-ই হলো ভালোবাসা!
তারা!
অণ্ডথলি?
ভাই, আমাদের কেন বায়োলজি প্র্যাকটিক্যাল করায় না?
পদার্থবিজ্ঞান কিংবা রসায়ন ক্লাসে তো ঠিকই ঘনঘন ল্যাবে নিয়ে যায়।
যত্তসব বালের ক্লাস! বাল!
ভাই, এসব প্র্যাকটিক্যাল নিজে নিজে করতে হয়!
আমার জন্য প্লিজ খুঁজে দে..
চুপ থাক, চুতিয়া!
ভাই,
এভাবে তাকিয়প থাকলে যদি মেয়ে পটতো, তাহলে প্রতিটা আবালের গার্লফ্রেন্ড থাকতো!
বোর্ডে মনোযোগ দে, চুতিয়া!
বোর্ডে মনোযোগ দেওয়ার কী আছে? ওখানে যা আছে, এখানেও তা আছে!
হ্যালো? কী ব্যাপার?
আসো, আমার কোলে এসে বসো!
- গর্দভ! - তারা, দুঃখিত! না!
তুমি ভুল বুঝছো, আমি বাইরে তাকিয়ে ছিলাম।
- আমি... - গর্দভ!
চুপ থাক!
তোর দ্বারা কোনো আশা নেই, বাইনচোদ!
এখানে দু'ঘন্টা দাঁড়িয়ে থাকবে!
নির্লজ্জ কোথাকার!
অপদার্থ!
ভাগ শালা!
মাথামোটা!
কী বলতে চাচ্ছো তুমি?
মাথামোটা!
আমাকে একটা কথা বল...
সারাজীবন এভাবেই তাকিয়ে থাকবি, না-কি এবার কিছু করার চেষ্টা করবি?
মানে চোখে চোখে আর কতদিন মজা নিবি?
এবার তো চেতনাদন্ড কাজে লাগা!
এমন না যে আমি কখনো চেষ্টা করিনি...
তিনবার চেষ্টা করেছি!
তাড়াতাড়ি কর! নয়তো সে চলে যাবে!
কিন্তু আমার তো বের হচ্ছে, দেখ!
তারার কথা বলছি, আবাল!
আমার টিউশন ক্লাস আছে, আমাকে এখন যেতে হবে।
- আমাকে যেতে হবে। - আর কিছুক্ষণ থাকো!
না, প্লিজ! আমি চলে যাচ্ছি।
যদি সে আমাকে প্রত্যাখ্যান করে?
নিজের হাতে জীবন বরবাদ করা প্রেমিক কখনো মেয়েদের প্রত্যাখ্যান ভয় পায় না!
যা, আগে গিয়ে তাকে জিজ্ঞেস করে! বাকিটা পরে দেখা যাবে।
- যা! - ছি!
নোংরা কোথাকার!
তোর দ্বারা কোনো আশা নেই, গর্দভ! তুই হলি গরিবের আর.মাধবান!
সহজ ব্যাপার..
কপালে না থাকা জিনিসের পেছনে ছুটলে,
নিশ্চিত মারা খাবি!
কী বুঝাতে চাচ্ছিস?
মানে, ইশ্বর তোকে সঙ্কেত দিচ্ছে! তার কথা শোনা উচিত তোর!
কীসের সঙ্কেত?
তারা তোর জন্য নয়, চুতিয়া!
তার পিছনে আর ঘুরিস না!
নাহলে হাতে অণ্ডকোষ ধরিয়ে দিবে!
তোর সঙ্কেত নিয়ে তুই দূরে সর, ঠিক আছে?
ওহ! অনুষ্ঠানের দিন কী হয়েছিলো ভুলে গেছিস?
- ভয় পাচ্ছি, ভাই! - কেন?
- শুভসন্ধ্যা, স্যার! - শুভসন্ধ্যা, স্যার!
সে আমাকে প্রত্যাখ্যান করলে, মনে অনেক কষ্ট পাবো।
শোন চুতিয়া, দু'বছর যাবৎ মেয়ের পিছনে ঘুরছিস।
অন্য কেউ হলে এতোদিনে বাচ্চা পয়দা করে ফেলতো!
আর তুই এখনো কথা-ই বলতে পারলি না!
চিঠি লিখে এনেছি, ভাই!
চিঠি লিখে এনে কী বাল ছিঁড়বি?
হেই!
No comments yet. Be the first to leave one.