最初の200行です。
আদি...
আদি, চোখ খোল।
আদি...
আদি!
উঠেছিস নায়ক?
কেমন লাগছে?
বাসা থেকে খাবার এনেছি।
সব ঠিকঠাক?
হুমম।
কেন করলে এটা?
আমরা কী করেছি?
কেন বাঁচালে আমাকে?
কারণ আমাদের কোনো কাজ নেই।
আমি বাঁচতে চাই না ভাই।
এখানের কেউই চায় না যে তুই মারা যাস।
যাই হোক, মরতে চাচ্ছিস কেন?
আর কী ভাই?
ছোট্ট একটা বাচ্চা মারা গিয়েছে আমার জন্য।
আরেকটা বাচ্চা হাসপাতালে মৃত্যুর সাথে লড়ছে।
কিছুই হয়নি এমনটা ভাববো কিভাবে?
পাগলের মত বকিস না তো।
তুই ওই বাচ্চাদের উপর দিয়ে গাড়ি চালাসনি।
আমি সতর্ক থাকলে কোনো এক্সিডেন্ট হতো না।
এর মানে এই না যে তুই আত্মহত্যা করবি।
শোন আদি, নিজেকে খুন করার অধিকার নেই কারোর।
যেই লোকটা বাচ্চাদের উপর দিয়ে গাড়ি চালিয়েছে, সে ফিরেও তাকায়নি।
তুই তাদের হাসপাতালে নিয়ে এসেছিস।
ভুলে গিয়েছিস কী হয়েছে?
অন্যের ভুলের কারণে নিজেকে দোষ দেওয়া বন্ধ কর।
কেমন লাগছে সেটা বল।
তোর জন্যই আমরা এখানে।
ঠিক আছে।
চাপ নিস না। রেস্ট নে।
শরৎ আর মুরালি আসবে খানিক বাদে।
সাবধানে থাকিস।
ভাই...
হ্যাঁ, আদি?
এটা তো মনে হচ্ছে অনেক দামী হাসপাতাল।
বিলের কী হবে?
ওটা নিয়ে চিন্তা করিস না।
যখন সুপারস্টার হবি, একবারে দিয়ে দিস।
ঠিক আছে?
ধন্যবাদ ভাই।
আরে রেস্ট নে ব্যাটা।
কুদি ইয়েধামাইথে এপিসোড–০৫ 'The Face-Off'
ফারুক ভাইয়ের এক্সিডেন্ট হয়েছে।
ভাই, আমার জন্য একটা কাজ করবে?
ভাই, তুমি কোথাও যাবে না। সোজা বাড়ি যাও!
আচ্ছা, শুধুমাত্র তুই জেদ করছিস বলেই আমি বাড়ি চলে যাচ্ছি।
ঘটনাস্থলেই মারা গিয়েছে!
হ্যালো।
আদি।
হ্যালো?
ভাই...
কী হয়েছে আদি?
এত সকালে ফোন করলি।
আদি! হ্যালো?
কিছু না ভাই। ভুলে কল গিয়েছে।
ঠিক আছে।
বিকেলে দেখা হবে।
'অস্কার পাওয়ার মতো অভিনয় করতে পারবি?'
'তুই অভিনয় করার মুডে নেই… আর চাচ্ছিস আমি তোর জন্য অপেক্ষা করি।'
'মি. কাট-আউট সাহেব... সময় কখনো কারো জন্যে অপেক্ষা করে না।'
'জীবন কখনো দ্বিতীয়বার সুযোগ দেবে না।'
দুইদিনে টাকা দিতে চেয়েছিলি।
আমার ৬ হাজার দিয়ে দিলে আর সমস্যা নেই।
৪ দিনে দিয়ে দেব।
হ্যালো।
- ম্যাম, একটা আপডেট আছে। - হুমম।
অর্জুন স্যারের মিটিং...
১২টায় এগিয়ে আনা হয়েছে, তাই তো?
হ্যাঁ। আপনি কিভাবে জানলেন ম্যাম?
আমি জানি তিলক। এখন কোথায় আছো তুমি?
স্টেশনে, ম্যাম।
থাকো। আমি আসছি।
ব্রিফিংয়ে যেও না।
- ম্যাম, কমিশনার ক্ষেপে যাবেন। - যা বলেছি করো, তিলক।
হাতে খুব জরুরী একটা কেস আছে।
আচ্ছা, ম্যাম।
ধন্যবাদ।
অনুবাদে ও সম্পাদনায়: ⌛ জয়ানন্দ ঘোষ ⏳
- আরেহ! এতক্ষণ ধরে দাঁড়িয়ে আছি। - এই যে আপনার চা।
অপেক্ষা করতে হবে স্যার। এই অর্ডার আগে এসেছে।
আরেকটা।
একটা লেবুর জুস ভাই।
লেবুর জুস আসছে।
আচ্ছা ভাই।
একটু দাঁড়ান স্যার।
আদিকে এমন মনমরা লাগছে কেন?
দেখে!
- বেশী করে ভাজবেন। - আরেকটা অর্ডার।
আচ্ছা ভাই।
পার্বতী...
হুমম। ধন্যবাদ।
এই! দাঁড়াও! দাঁড়াও!
এসআইয়ের সাথে কথা বলো। যাও।
ছবির ওটা আমিই, স্যার।
হুমম। ঠিক আছে।
যাও।
এই! থামো! থামো!
হেলমেট কোথায়?
আরসি দেখাও।
ডেইরী মিল্ক, তাই তো? ঠিক আছে, আমি আনব স্যার।
ইন্স্যুরেন্স আছে?
হেলমেট ছাড়া কিভাবে বের হও?
ফাইন দাও।
ভাই, একটা বড় ডেইরী মিল্ক।
এই যে। ৫০ টাকা।
- ভাই, সাই-বাবার মন্দিরে যাওয়ার রাস্তাটা কোনদিকে? - জানি না, ভাই।
এখানকার কেউই জানে না মনে হচ্ছে।
- স্যার, চকলেট। - ঠিক আছে।
- একটা মোবাইল দোকানের সামনে আছি, স্যার। - আচ্ছা, আমি আসছি।
সিগারেটের প্যাকেটের দাম কত?
৩০০ টাকা। ধন্যবাদ স্যার।
ডার্ক চকলেট আছে কয় লিটার?
৫ লিটার, স্যার।
আচ্ছা।
কাঠবাদামগুলা ওখানে রাখ।
আচ্ছা স্যার।
ছোট কাপগুলো দে।
আচ্ছা, স্যার।
তাড়াতাড়ি কর।
ভাই, আমার অর্ডার।
মাত্রই তো আসলে। এত তাড়া কীসের?
অপেক্ষা করো।
তাড়া দিও না।
এই! এটা আমার। এটা ধরো না!
‘আকাশ চমকাচ্ছে’
‘মেঘ ছড়াচ্ছে’
কাট! কাট!
এদিকে আসেন।
ওভার এক্টিং করছেন কেন?
- ন্যাচারাল রাখেন। - হাই, অডিশনের জন্য এসেছি।
- অভিনব! - হ্যাঁ?
অডিশন দিতে এসেছে।
- কার রোলে? - গুনা।
- সোয়েথা, গুনার ক্যারেক্টরের ডায়লগ আছে? - হ্যাঁ।
ঠিক আছে?
রেডি তো?
শুরু করো।
রেডি স্যার।
‘আকাশ চমকাচ্ছে’
'মেঘ ছড়াচ্ছে।'
বসো। কী নাম?
আদি, স্যার।
আগে কোনো সিনেমায় কাজ করেছো?
এখনো না।
হুম।
শুরু করি?
রেডি, স্যার।
কাহিনী বলো।
একজন অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ অফিসার আর দণ্ডিত অপরাধীর কারাগারের কথোপকথন।
- শুরু করা যাক। - হুম।
অ্যাকশন!
"কেমন আছেন, নাগেন্দ্র প্রসাদ?"
"শুনলাম আপনি অবসর নিচ্ছেন।"
"কেমন আছো, গুনা?"
"ধরে নাও আজ তোমার শেষ দিন "
"সময় নষ্ট না করে কী বলতে চাও বলো।"
"ভেবেছিলাম সময়ের পরিক্রমায় হয়তো বদলে গেছেন। কিন্তু কোনো পরিবর্তনই দেখছি না।"
"সেই একই রাগ-বিদ্বেষ। এই কারণেই এখানে এসেছি।"
"এটাই বলতে চেয়েছিলে?"
"কয়েকজন জাজ ও ইন্সপেক্টরের খুনের কারণে আজ আমি মৃত্যুর দ্বারপ্রান্তে।"
"মৃত্যুর আগে একবার আপনার সাথে দেখা করে বলতে চেয়েছিলাম, আমি কোনো ভুল করিনি।"
"সাতবছর আগেও একই কথা বলেছিলে।"
"আজও সেটাই বলছো।"
"তুমি কী ভাবো তাতে আমার কিছুই যায় আসে না!"
"অনেক কাজ আছে। যেতে হবে আমাকে।"
"এখানে শুধু আমরা দুইজনই আছি।"
কাট!
ঠিক আছে তাহলে। দেখা হবে।
হ্যালো!
চলে যাচ্ছেন নাকি?
পরেরজনকে পাঠাও।
বরুণের বাবা ফোন করেছিল।
গর্ভবতী? ওয়ান নাইট স্ট্যান্ড?
সো বিল পরিশোধ করেছিল।
আমরা ওর গাড়িতে আমার বাসায় গিয়েছিলাম।
আমি সকালে উঠার আগে সে চলে গিয়েছিল।
আচ্ছা।
আপনার কাছে আর কোনো তথ্য আছে?
না, স্যার।
তিলক! আমার কেবিনে আসো।
অভিযোগ লিখতেছি, ম্যাডাম।
বাকিটা রাইটার লিখবে।
আচ্ছা, ম্যাডাম।
অভিযোগ লিখিয়ে চলে যান।
আপনার বয়ফ্রেন্ডকে খুঁজে পেলে আমরা জানাব।
- ধর্মাইয়া? - ম্যাডাম!
- মূর্তি সাহেব আসলে দেখা করতে বলবে। - আচ্ছা, ম্যাডাম।
- কিডন্যাপকৃত বাচ্চা সহ চার বাচ্চার তথ্য এখানে আছে। - আচ্ছা, ম্যাডাম।
অন্য তিন বাচ্চার সাথে আমি কথা বলতে চাই।
আচ্ছা।
তাদেরকে কথা বলতে রাজি করাও।
অবশ্যই, ম্যাডাম।
তারা আসতে না পারলে, আমরা তাদের কাছে যাব।
আচ্ছা, ম্যাডাম।
'তারা বাচ্চাকে হত্যার আগে অচেতন করে ফেলেছিল!'
'এই কেসেও! লরেজপাম!'
হ্যাঁ, দুর্গা।
No comments yet. Be the first to leave one.