最初の200行です。
সে সময় এক ডক্টর ছিল যার অস্বাভাবিক এক ক্ষমতা ছিল সে জীবজন্তুর সাথে কথা বলতে পারত।
ডক্টর ডলিটলের এই ক্ষমতার কথা চারদিক ছড়াচ্ছিল
এমনকি ইংল্যান্ডের মহারানী পর্যন্তও পৌছেগিয়েছিল।
মহারানী খুশি হয়ে তাকে এক আশ্রয়স্থল উপহার দিল
সেখানে জীবজন্তুর জন্য দরজা সব সময় খোলা।
পশুপাখির সাথে তার বেশ দিন কাটতে লাগল, কিন্তু তার মন আটকে গেল একটা মেয়ের দিকে।
লিলি এক সাহসী দুর্দান্ত মেয়ে।
তারা পুরো দুনিয়া ভ্রমণ করে বেরাচ্ছিল।
আর বন্দি জীবজন্তুদেরকে মুক্ত করে দিত।
তাদের এক শক্তপোক্ত দল হয়ে গেল।
খুব তাড়াতাড়ি তারা একটা ফ্যামিলির মতো হয়ে গেল
লিলির সাথে ডলিটল বেশ সুখীই ছিল।
যতক্ষন না সে একা ভ্রমণের জন্য বের হল
লিলি সমুদ্রে মারা গেল।
এই শোকে তিনি তার আশ্রয়স্থল তালাবদ্ধ করে দিলেন
এবং নিজেকে পুরোপুরি লুকিয়ে নিলেন সব কিছু থেকে
আমার থেকে এবং যেসব পশুপাখিদের সে বাচাতো সব কিছুর থেকেই
আমারা সবাই চিন্তিত, তাকে বাচাবে কে এখন?
হঠাৎ এক সকালে, অসম্ভাব্য ভাবে ডলিটলের খোজ মিলে
এক বিশেষ ছেলের মাধ্যমে।
সেই সময় যখন মানুষ পশুপাখি ব্যাবহার করত, সম্পত্তি, খাবার এবং খেলাধুলার কাজে।
এই ছেলেটার চিন্তাভাবনা ছিল ভিন্ন রকমের।
এই দিকে, এই দিকে মনোযোগী হউ।
- জুনিয়র উড়াবে, তুমি গুলি করবে, ঠিক আছে? - আচ্ছা। ভাল পরিকল্পনা, বাবা।
- প্রস্তত হউ, বন্দুক কাধে রাখ। - আমার কি করতেই হবে, আংকেল?
ভালভাবে দেখ বাছা
ধর একটাকে। গুলি কর! গুলি কর!
গুলি কর! গুলি কর!
- কিভাবে করব, আমি পারব না। - আরে গুলি কর! গুলি কর!
তুমি লক্ষ ঠিক রাখতে পারছ না।
ওহ, দেখ! সে অন্যকিছুতে গুলি করেছে!
ওহ, না। আমাদের তাকে সাহায্য করা উচিত।
অসুস্থ পশুকে এভাবে ফেলে আসা তোমার ঠিক হবেনা।
নাও এটা।
ছোকরাট খুবই দুর্বল চিত্তের।
পলিকে ফলো কর।
ডক্টর জন এবিং লিলি ডলিটলের বাড়ি।
আমরা সকল পশুপাখির চিকিৎসা করি--
ফলো পলি।
গোপন রাস্তা।
পলি, কোথায় গেলে?
ভাল কুকুর। বড়, সাদা--
না এটা ভাল না।
আমার যতদুর মনে হয় এখানে মানুষ শুধু আমি একা।
ও নিয়ে ভেবনা।
এটা এখনো ছিড়েনি, আমাদের এই জাল থেকে বের হওয়া অনেক মুশকিল প্রায় অসম্ভব।
আমার সত্যি মনে হয় একটা ছেলে আটাকা পড়েছে।
আমাকে দেখতে দাও, না, আমি দেখতে চাই না। ওটা সরাও এখান থেকে!
গভীর শ্বাস নাও, ডক, ড্যাব-ড্যাব তোমার সাথে আছে।
ভয় পেয় না জন, এটা একটা ছোট ছোকরা
এটাই সুযোগ।
এটা একটা খারাপ স্বপ্ন!
এক্সকিউজ মি, এই যে,
তুমি উপরে ওখানে কি করছ?
আমি বাকিংহাম প্যালেস থেকে এসেছি এক জরুরী কাজে।
তুমি কি বলতে পার যে এটাই জন ডলিটলের বাড়ি?
কে তুমি?
তুমি আমাকে লেডি রোজ ডাকতে পার। আর তুমি..?
স্টাব্বিন্স।
তুমি... আমাকে নিচে নামতে সাহায্য করবে?
এটা তো ডলিটলের নিয়মের বাইরে।
মানুষ কেন ঠিক ভাবে কোন নিয়ম মানে না?
তুমি মানুষকে যতই কাছে আসতে দেবে তারা তোমাকে ততই কষ্ট দিবে।
তো এদের থেকে দূরেই থাক। এটাই। ঠিক আছে না, ডক্টর?
ব্যাস, অনেক হয়েছে, যে যার কাজে লাগো, আমাদের অনেক কাজ পরে আছে।
জন, নিজেকে সামলাও।
তুমি মানুষদেরকে অলহেলা করতে পার না তারা, মানুষ বলে...
যদি তার সাহায্যের প্রয়োজন হয়?
মারার ভান ধর।
এগুলো কি! চি-চি তুমি কি দরজাটা খুলবে?
তুমিই একজন যার হাত আছে এখানে।
আমার মনে হয় দাবা খেলার জন্য আজকে সেরা দিন।
চি-চি আমরা এটার জন্য প্রশিক্ষণ নিয়েছিলাম।
সাহসী হউ আর তাদের থেকে মুক্ত হউ।
- ভয় পেয় না একদম, - আরেহ, আমি কি ভয় পাই নাকি, হুম?
নাহ তুনি তো সাহসী বাহাদুর।
তুমি এখানে আগে থেকেই থাক?
মহারানীর কাছে এখানকার কথা শুনেছিলাম। এটা খুবই শুনশান জায়গা।
আমি সব কিছুর জন্যই প্রস্তুত।
চমৎকার! এখানে গরিলা দরজা খোলে দেয়।
ঠিক যেমনটা মহারানী বলেছিল।
এক মিনিট!
আমার সাথে এক আহত কাঠবিড়ালি।
কখনই তোমাকে যেতে দেয়া উচিত ছিল না আমার।
হ্যালো?
ওহ, দেখ এটা!
এমন মনে হচ্ছে যেন শুকনো একটা ডাল?
সড় এখান থেকে! এটা আমার লুকানোর জায়গা।
নেই এখানে।
আপনি ঠিক আছে ওখানে?
হ্যা। আমি ঠিক আছি৷ যাও।
- ডক্টর ডলিটল। - হ্যা, তো?
মহারানী আপনাকে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব বাকিংহাম প্যালেসে যাওয়ার আদেশ দিয়েছেন।
যাও এখান থেকে।
আপনার জানা উচিত। তিনি খুবই অসুস্থ।
আপনি বুঝতে পারছেন তো আমি কি বলছি?
তুমি বুঝতে পেরেছ তো আমি কি বলেছি?
যাও। যাও এখান থেকে! চলে যাও।
আমার কারোর জন্য যায় আসেনা, কোন কিছুর জন্য না, কোথাও না, কারোর জন্যও না।
পাখিটা বের হওয়ার রাস্তা দেখিয়ে দিবে।
বেশ, সব ঠিকঠাক এখন। চল খাবারের সময় হয়ে গেছে এখন।
- গন্ধটা বেশ তো, ডক। - ধন্যবাদ।
হেই ডক, এবার আমাদের জন্যও একটু রেখ।
দুঃখিত, ডক, মনে হচ্ছে আমি এখন বাচ্চাদের দেখেও ভয় পাই।
ভয় পাওয়ার কিছু নেই, চলো খেয়ে নেই।
আজ এক স্পেশাল রেসিপি ফুলকপির স্যুপ।
তুমি বিশ্বাস করবে না জালের মধ্যে এটা আটকে ছিল।
মহারানী বিশেষ ভাবে আপনাকেই ডেকেছেন, স্যার।
তোমার কানে কি সমস্যা আছে? আমি এই কাজ ছেড়ে দিয়েছি বলছি না?
কোন কাজ?
মানুষদের সাহায্য।
আগুন্তুক সাবধান!
- ভয় পাবেন না, আমি ঠিক আছি। - বেশ, কিন্তু আমি নই!
বাড়িটা কি মাছের বাজার মনে করছ নাকি তোমরা?
- এটা আপনার? - আমার কোন কিচ্ছু নেই।
ইয়োশির সমস্যা ছিল এজন্য সে আমার কাছে এসেছিল।
সে সবসময় ঠান্ডা থাকে।
আমার সাথে এক আহত কাঠবিড়ালি।
আমি জানি না কি করব।
সে আহত কিভাবে হয়েছে?
- আমি গুলি করেছিলাম! - কিহ? আমি শুনতে পারিনি আবার বল?
আমি গুলি করেছি, কিন্তু ইচ্ছাকৃত ছিল না।
অবশ্যই! ভুলে গুলি লেগেছে ইচ্চাকৃতভাবে না।
মানুষ কখনই পরিবর্তন হবেনা।
ও বেশীই আঘাত পেয়েছে।
দয়া করে কোনভাবে সাহায্য করেন।
ধর এটা। আর এটাও।
আমি মৃত্যু নিয়ে কোন চিন্তা করিনা।
কি?
তার শ্বাস চলছে এখনো।
ড্যাব-ড্যাব, জিপ, লাইট অন কর, আর অপারেশনের প্রস্তুতি নাও।
আপনি এক কাঠবিড়ালি নিয়ে পড়লেন?
অন্যদিকে ইংল্যান্ডের মহারানীর জীবন ঝুকিতে জেনেও?
আমাকে তোমার বুঝতে সময় লাগবে, বুঝেছ?
ফেলে দিও না।
আমাদের একটা কোড আছে, সবাই জলদি আস, কোড বল জলদি সবাই।
ডক্টর ফিরে এসেছে!
আর একটু থাক, ছোট্ট বন্ধু।
- আমি অনেক ভালভাবে করছি এটা। - ডক্টরের সব জিনিসপত্রের খেয়াল রাখ।
ভয় পেও না, আমরা তোমাকে কিচ্ছু হতে দিব না, প্যাল।
চলো সবাই মিলে কাঠবিড়ালিটাকে বাচাই, ঠিক আছে?
ঠিক আছে।
যখন তুমি জেগে উঠবে, তখন দেখবে সব কিছু ঠিক হয়ে গেছে।
যদি আমি মারা যাই আমি তোমার ঘরে ভূত হয়ে ঘুরে বেরাব।
জীবাণূমুক্ত রাখতে হবে ওগুলো, প্রত্যেকটা জিনিসের প্রতি খেয়াল রেখ--
রোগীর অবস্থা স্থিতিশীল।
তারা মানুষের ভাষা বুঝতে পারে, ডক্টরও তাদেরকে বুঝতে পারে।
তাদের ভাষা বুঝতে পারে।
তার শ্বাস চলছে, হ্রদস্পন্দন হচ্ছে।
ড্যাব-ড্যাব, চিমটেটা দিবে?
এই নাও।
এটা এক শাকের টুকরো, চিমটেটা দিন ডক্টর।
- দুঃখিত, এই যে। - এখনো ওটাই।
- এটা চিমটে? - এটা গাজর।
- এটা চিমটে? - এটাও এক ধরনের সবজি।
- বুঝেছি, তাহলে এটা চিমটে। - না, এখনো সেই শাক ডাটা।
চিন্তা করতে হবেনা, আমিই খুজে নিচ্ছি।
একটা মানুষ কিভাবে পশুপাখির সাথে কথা বলতে পারে?
চি-চি, ঘাম মুছো।
তোমার হয়ে গেলে আমারটাও মুছে দিও।
আচ্ছা, দুঃখিত।
আমার এখানে থাকার ইচ্ছে হচ্ছে ডলিটলের সহায়ক হিসেবে।
মহারানী এই জায়গাটা পশুপাখির দেখাশুনার জন্য দিয়েছিল।
যদি সে মারা যায়...
এই জায়গাটা রাজস্ব-কোষাগারে চলে যাবে,
আর এটা যাওয়ার পথেই।
একেবারে?
এই তো।
এই তো পেরেছ, ডক।
ওখানে, চি-চি। একদম ঠিক জায়গায়।
কেভিনের উপর নজর রেখ, নজর রাখতে হবে আমাদের।
জ্ঞান ফেরার পর উদ্ভট কিছু হতে পারে।
প্রতিশোধ!
আচ্ছা, আচ্ছা, অনেক হয়েছে।
এখন তোমার মহারানীর সাহায্য করতে যাওয়া উচিত।
এমন কিছু কাজ আছে যা আমি করিনা :
মানুষের সাহায্য, আর ঘরের বাহিরে যাওয়া--
- আর গোসল, - অনুশীলন।
আর কারো চিন্তা নিয়ে না ভাবা
এবার জাগো, জন! যদি মহারানী মারা যায়, এই জায়গা রাজ-কোষাগারে চলে যাবে।
আমাদেরকে বাড়ি থেকে বের করে দিবে।
তুমি তোমার মাথা না পাখনা দিয়ে ভাব, পলি। বাড়ি সারাজীবনের জন্য দেয়া হয়েছিল।
আর আমার দিকে দেখ আমি এখনো বেচে আছি।
যত দিন রানী বেচে থাকবে, জন। তুমি না।
দেখেছ এটা, চা টা আমার গায়ে লাগেনা পাখনা বেয়ে পেছনে চলে গেছে।
আমি জানতাম আমার উচিত হয়নি বানরগুলো দিয়েই চিরকুট টা পড়ানো।
এল্লিয়ট, এলসি, তোমাদের সব বন্ধ।
এর থেকেও খারাপ হতে পারে।
আমাদেরকে এখান থেকে বের করে দিতে পারে নয়তো কেউ আমাদের শিকার করে আটকেও ফেলতে পারে।
- কি?! - না, না। লম্বা শ্বাস নাও, চি-চি।
মহারানী মারা গেলে আমাদেরকও বের করে দিবে?
- আমারা আটকা থাকব, শিকার হব। - সবাই শান্ত হউ।
বেচারার কি অবস্থা করে ফেলেছ দেখেছ!
চিন্তার কিছু নেই। আমার রিজেন্ট পার্ক চিড়িয়াখানায় যোগাযোগ আছে।
সবাই তোমাদের ব্যাগ গোছাও!
যদি তুমি মহারানীর সাহায্য না কর তাহলে আমরা সবাই চলে যাব!
- বেশি বুঝনা! - আমি গুনা শুরু করব না কিন্তু
আমি গুনবও না কিন্তু, গেলে যাও।
- এক। - তিন।
দুই...
No comments yet. Be the first to leave one.