最初の200行です。
জানি আমি, কিন্তু আসবে বলেছি তো।
কখন আসবে মা?
অনেক রাত হয়ে যাচ্ছে।
চুইংগাম বাহিরে ফেলো। লক্ষী মেয়ে!
ট্রেন এসে গেছে!
আমার পিছনে দাঁড়াও অ্যালি।
নিয়ে যাও তোমরা। নিয়ে যাও।
আপনার পার্স দিন। পার্স দিন।
- আংটিটা দিন! - কি?
- কথা বলবেন না। - শান্ত থাকুন।
- অ্যালি ওদের দিকে তাকায়ো না। - ভালোই ভালোই দিয়ে দিন।
এটাই কনি উপদ্বীপে যাওয়ার শেষ ট্রেন।
পরবর্তী স্টপেজ ১ নম্বর এভিনিউ।
না!
মা! মা!
মা! মা! মা!
মা! মা!
মা!
বাবা!
অনুবাদ অংশগ্রহণে: জয়ানন্দ ঘোষ আবরার সাজিদ
সম্পাদনায়: ⌛ জয়ানন্দ ঘোষ ⏳
হ্যালো?
পনের মিনিটে আসছি।
- কেমন আছো মা? - তোমাকে সুন্দর লাগছে।
- কেমন আছো লেস? - দেখা হয়ে ভালো লাগলো।
ফোন দিয়ে ঘুম থেকে উঠানোর জন্য ধন্যবাদ, রাজকন্যা।
মুখ থেকে মদের বিশ্রী গন্ধ আসতেছে!
টাই পড়তে পারো না?
পারি।
সবকিছু ভালোমতোই হলো। মাইকেল নিশ্চয় পছন্দ করতো...
যে আমরা এখনো শ্রদ্ধাভরে কাজটি করি।
তোমার প্রোর্টেট সম্পর্কে চিত্রকলার শিক্ষক কি বলেছে তা টাইলারকে বলেছো?
মা!
ওকে বলো!
উনি বলেছেন তরুন জেমসের হুইসলারের মতো আমি প্রতিকৃতি অঙকন করতে পারি। [ আমেরিকায় জন্ম নেওয়া বিখ্যাত চিত্রশিল্পী। মানুষের প্রতিকৃতি অঙকনে তিনি ওস্তাদ ছিলেন ]
ওহ,যুবক জেমস হুইসলার!
হুইসলার তার অর্ধেক জীবন অকর্মণ্য ছিলো।
তবুও উনি ইউরোপের অন্যতম বিখ্যাত চিত্রশিল্পী।
সে তোমার বোনকে স্টেইনহার্ডের গ্রীষ্মকালীন চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে বলেছেন।
- এটা আসলেই সম্মানজনক। - চমৎকার!
দুর্দান্ত!
"আমার ভাই আর তার প্রিয় সিগারেট" শিরোনামে আমি একটা চিত্রাঙ্কনের চেষ্টা করছি।
আসলে ছোটবেলা থেকেই আমি ওখানে পড়তে চাইতাম..
টাইলার?
চিনির বয়মটা দিতে পারবে?
তার এখনো সময় আছে, বাবা।
এখনো কয়েক সেকেন্ড বাকি আছে...
ক্যারোলাইন এসবে মানিয়ে নিতে পারবে যদি না তোমার সাথে থেকে বিগড়ে যায়।
ক্যারোলাইন,তোমার কোনো সমস্যা আছে?
আমি ঠিক আছি।
- প্রসঙ্গ বদলাবে না। - কিসের প্রসঙ্গ?
এক্সকিউজ মি?
কি প্রসঙ্গে আমরা কথা বলছিলাম?
এখন তোমার হিরোগিরি দেখানোর সময় নয়, টাইলার।
সত্যি বলতে, এখনই সঠিক সময়।
- আচ্ছা, আমি চলে যাচ্ছি। - টাইলার?
ক্যারোলাইন, আমার সাথে কোথাও ঘুরতে যেতে চাও?
- সমস্যা নেই, মায়ের সাথে থাকবো। - আচ্ছা, আমি চলে যাচ্ছি।
চিনি।
কিছু খেয়ে নাও।
গান্ধিজী বলেছেন, জীবনে যা কিছু করবে সবই অর্থহীন মনে হবে।
কিন্তু তুমি সেটা করতে পেরেছো সেটাই গুরুত্বপূর্ণ।
প্রথম অংশের সাথে আমি সহমত।
মাইকেল,তুই জানিস আমি কিসের অপেক্ষায় আছি।
২২ বছর বয়সে, গান্ধীজির তিনজন বাচ্চা ছিলো।
মোজার্ট ৩০ টা সুর আবিষ্কার করেছিলেন। মোজার্ট ১৯'শতকের বিখ্যাত সুরকার ছিলেন!
আর বাডি হোলি মারা গিয়েছিলেন! বাডি হোলি আমেরিকান বংশদ্ভুত গায়ক ছিলেন যে ৩০ বছর বয়সে মারা যান!
তুই একবার বলেছিলি...
অন্যের জীবনে আমাদের প্রভাব কখনোই মুছে যায় না।
সবার জন্য কী এটা সত্যি?
নাকি ফালতু সাহিত্যিক কথাবার্তা?
আমি তোর গার্লফ্রেন্ডকে টুথব্রাশ বিক্রি করেছি।
- কাকে? কী? - তোর গার্লফ্রেন্ডকে।
সর্বদা লাস্যময়ী ভুলোমনা স্বর্ণকেশী মেয়েটা।
গতকাল ওই মেয়ের সাথে ছিলি?
- হ্যা। - ওকে টুথব্রাশ বিক্রি করেছি।
বিনিময়ে তিন বাক পেয়েছি।
- কনগ্রাচুলেশন! - হ্যা,আরো অর্ডার আছে।
কেননা ওই বিক্রি আমাকে নতুন ব্যাবসা শুরু করার জন্য অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে।
S.L.U.T.
ভ্রমণের সময় মহিলাদের ব্যাবহৃত ব্যাগ।
মহিলাদের রাত্রিকালীন ভ্রমণের ব্যাগ। তুই চিনিস?
এই ব্যাগে আমরা টয়লেট্রিজ পণ্য, মেকাপ সামগ্রী, ফোন চার্জার, এমনকি ক্যাব নাম্বার...
মাত্র ১৯.৯৫ ডলারের বিনিময়ে বিক্রি করবো। আমরা এরজন্য টেলিভিশন বিজ্ঞাপনও বানাতে পারি।
তোর কি মনে হয় মহিলারা আসলেই টাকার বিনিময়ে এসব কিনতে যাবে?
ওহ আচ্ছা, তুমি কী ভাবছো? যাই হোক, নিন্দুক হওয়া খারাপ না।
তবে এটা ভেবে দেখো...
ইতিহাসের কোনও এক পর্যায়ে এমনভাবেই আলোর বাল্ব নিয়ে দুজন ব্যক্তির মধ্যে তর্কাতর্কি হয়েছিল।
একজন খ্যাতি ও সাফল্যের দিকে এগিয়ে গেছে।
অন্যজন সম্ভবত মিকি ডি রেস্তোরাঁয় বা অন্যকোথাও কাজ করতে গিয়েছিল।
সম্প্রতি ঘটে যাওয়া জঙ্গি হামলায়...
তোমরা কি মনে করো ধর্মনীতির কোনো ভূমিকা আছে?
যখন আমরা জঙ্গিবাদের মূল কারণ নিয়ে কথা বলি..
এটা কি নৈতিক প্রশ্ন নয়? নীতিশাস্ত্র সম্বন্ধীয় নয়।
- কীভাবে? - নৈতিকতা দ্বারা মানুষের চরিত্রের ধারণা পাওয়া যায়।
আর ধর্মনীতি?
কোনো একটি গোষ্ঠীর কাছ থেকে তাদের প্রত্যাশিত আচার-আচরণ।
আর সবশেষে,ব্যাক্তির চরিত্র সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ?
- অবশ্যই। - দুর্দান্ত যুক্তি।
অতীতের জ্ঞান থেকে আমরা শিক্ষা নিয়ে কী উপকৃত হতে পারি?
ভাস্কর্যটাকে ধূমপানমুক্ত রাখলে ভালো হয় না?
হ্যা, টাইলার। ভাস্কর্যটাকে কী আমরা ধূমপানমুক্ত রাখতে পারি না?
- তুমি ছেড়ে দেওয়ার প্রতিজ্ঞা করেছিলে। - জানি আমি।
বাবা আমার কথা শুনতে চায় না কেন? তোমার কি মনে হয়?
- বাবা তোমাকে ভালোবাসে। - তো?
তুমিও কাউকে ভালোবাসতে পারো। যার সাথে সময় ভালো কাটবে।
- হ্যা, বুঝেছি। - মা সারা আন্টি পছন্দ করেন।
কিন্তু গতবছর ক্রিসমাসের সময়...
সে তাদের রুমে একা একসাথে থাকতে দেয়নি।
কারণ সে বলেছিল সেখানে বড়দিনের হত্যাকারী থাকতে পারে।
এজন্যই সারা আন্টি মদ খেয়েছিলো। তুমি মদ খাও না তো?
আমার বয়স মাত্র ১১ বছর!
তো,সবাই কেন তোমাকে সবসময় এড়িয়ে চলে?
মাইকেল মদ খেতো।
কারণ মাইকেলের বয়স ছিল ২১ বছর।
২১ বছরে বয়সে, মদ খাওয়া নতুন আর উত্তেজক ব্যাপার। সবাই তা-ই করে থাকে।
সারা অ্যান্টি মদ খেয়েছিল কারণ তিনি ভেবেছিলেন তার বয়স ২১ বছর হয়ে গেছে।
তোমারও তো ২১ বছর চলছে।
আচ্ছা।
এই,তোর এই বছরের জন্মদিনে আটলান্টিক শহরে কি পরিকল্পনা করেছিস?
- আসলেই? - হ্যা,আমরা স্যুট বানাবো।
টুথব্রাশের মেয়েটাকে দাওয়াত দিস।
আমি ওর থেকে বরং টুথব্রাশের সাথে থাকতে বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করবো।
আজ তোর দিন মামা। চল বাইরে ঘুরে আসি।
এই বিশেষ তাকগুলো ওইসব লেখকদের জন্য...
যারা একসাথে শুয়েছিল অথবা হয়তো মরে গেছে নাহয় জেলে গেছে।
ফালতু জিনিস?
ফালতু!
এজন্যই তোর সঙ্গ মেয়েরা উপভোগ করে।
না,সত্যি বলছি। মেয়েরা এসব সাহিত্যিক কথাবার্তা অনেক পছন্দ করে।
ওহ! পরশু আমি মেগানের সাথে গিয়েছিলাম।
ও আজ রাতে ডন হিলসের মদের দোকানে পরিবেষকের কাজ করবে,ভাই। আমাদেরকে দেখা করে যেতে বলেছে।
ও প্রায় আমার হাত-পা ধরতে গিয়েছিল। হ্যা জানি,আজাইরা ব্যাপার!
হেই!
- হেই! - আরে কিছুই হয়নি।
কি?
দেখ,বিগত কিছুদিন তুই পুরাই অদৃশ্য হয়ে গিয়েছিলি।
কোথাও ঘুরতেও যাস নাই।
তোর এই একা একা থাকার অভ্যাসে আমি হাঁপিয়ে উঠেছি।
তোর এই সমস্যার সমাধান করার জন্য আমি এখানে এসেছি।
কি?
তোর বুঝা উচিত যে,তোর সাথে মদ খেতে গেলেই আমার একা থাকার অভ্যাস পরিবর্তন হয়ে যাবেনা।
দেখ,একবার।
- আচ্ছা,একবার। - শেষ কবে মদ খেয়েছিস?
কথোপকথন!
মেগান! মেগান! বাহ! তোমাকে দুর্দান্ত লাগছে!
বেশি কথা বলো না।
আচ্ছা। দুইটা বিয়ার?
ও কি পাগল নাকি?
ও পাগল নয়। তোর সাথে থাকলে সবাই এমন আচরণই করবে!
- ওহ! - এক্সকিউজ মি!
ওহ!
- হ্যালো, এক্সকিউজ মি! হাই। - আমাদের ছবি তুলে দিতে পারবেন?
হ্যা, অবশ্যই। তুলে দিচ্ছি।
- ঘুরিয়ে নিন... - ওইভাবে তুলুন।
চমৎকার!
ফটো সেভ করে নিন।
তোমরা ড্রিংক করবে?
- মোজিতো! - মোজিতো!
না না, আমি বলছি না যে কোন শহর সমস্যাবিহীন হয়...
কিন্তু এই শহর আমার কাছে দুনিয়ার শ্রেষ্ঠ শহর।
এই রাস্তাটাকে অনেক ভালোবাসি আমি!
এই শহরের প্রত্যেকটা অলি-গলিকে ভালোবাসি। তোমরা কোথা থেকে এসেছো?
- মিয়ামি। - মিয়ামি।
দারুন! দুজনে একসাথে মিয়ামি বলেছো!
না, এই শহর শ্রেষ্ঠ শহর। বার্সেলোনা, রিও শহরে...
- এই শহরের মতো কিছুই নেই। -এখন আমরা কি করবো? ঠান্ডা লাগতেছে।
- হোটেল বার। - মাইকেল!
হ্যা।
- কোট পড়া উচিত ছিলো। - মাইকেল!
- এখানে গরম লাগছে। - গাড়ির উপর থেকে হাত সড়াও!
সমস্যা কি মাদারচোদ?
- তোমাকে জড়িয়ে ধরলে গরম লাগবে। - বাইনচোদ!
এসব কি হচ্ছে?
- গাড়িতে ফিরে আসো। - হ্যা?
- কি? - দূরে গিয়ে মর!
- কোথায় থেকে এসেছিস? - কুইন্স থেকে,মাদারচোদ।
মুখ বন্ধ করে রাখ, ইয়াঙ্ক।
ইংল্যান্ডেই ফিরে যাচ্ছিস না কেন?
এই,তুমি আমার সাথে হোটেলে যেতে চাও?
- আমার এত শখের গিটার! - আজ খাইছি তোরে!
উহ!
- টাইলার.. - গন্ডগোল হয়েছে।
- আমার যেতে হবে। - টাইলার!
- চল যাই... - লরেন কোথায় যাচ্ছিস?
- এদিকে আয়! - ওদিকে যাইস না।
- আমাকে ছাড়! - লরেন!
- ছাড় আমাকে! - হায় ইশ্বর!
আমাকে ছাড়!
এখনই ছেড়ে দে!
ওকে ধরে রাখ!
মনে হয় শেষ হয়ে গেছে।
- এখনো ততোটা রক্তক্ষরণ হচ্ছে না। - আপনি এখন যেতে পারেন ম্যাম।
নিউইয়র্ক শহরকে ঘৃণা করি!
অফিসার, ওরা দুজন আমাদের সাথে। ওরা শুধুমাত্র ঝগড়া থামাতে গিয়েছিল।
লিও, ওদেরকে ছেড়ে দাও।
কার্লি, এদিকে আসো।
- কোনো ছুরিকাঘাতের ঘটনা ঘটেছে? - না।
ওদেরকে ছেড়ে দাও।
স্যার আপনাদের ছেড়ে দিচ্ছে। আপনারা অনেক ভাগ্যবান।
No comments yet. Be the first to leave one.