最初の200行です。
মা…
মা…
আমার নাম পার্বতী।
বয়স ২৪।
এটাকে মিথ্যা হিসেবে ধরে নিন।
আমি একজন বিমানবালা।
আমাকে সবসময় হাসিখুশি থাকতে হয়।
কিন্তু...
বাইরের জগতে যা দেখা যায়, তা সর্বদা সত্যি হয় না।
আমি এভাবে বেঁচে থাকতে থাকতে হাঁপিয়ে উঠেছি।
আমি সেই অনুভূতি লুকানোর চেষ্টা করি।
কিন্তু এখন...
আমি আর পারবো না।
আর সম্ভব নয়!
এই মিথ্যা গুলো আলাদা এক জগতের সৃষ্টি করেছে।
সেই বাস্তবতা যাকে আমি মোকাবেলা করতে পারবো না।
আমার বাবা-মা আমাকে অনেক ভালোবাসেন।
মনে হয় এ দুনিয়াতে শুধুমাত্র তারাই আমাকে ভালোবাসে।
আমি তাদেরকে হতাশ করতে যাচ্ছি।
কিন্তু...
আমি তাদেরকে সেই অবস্থায় কখনোই দেখতে পারব না।
আমি মারা গেলে তারা সম্পূর্ণ ভেঙে পড়বেন।
আর এই কথা জানার পর...
আমি শান্তিতে মরতেও পারব না।
আমার মরে যাওয়া উচিত নয়।
আমার বেঁচে থাকা উচিত।
তাদের জন্য বাঁচতে হবে।
যা-ই হোক না কেন,আমাকে বাঁচতে হবে।
[আপনি যেই নাম্বারে ফোন করেছেন, তা এই মুহূর্তে ব্যস্ত আছে।]
হ্যালো, পার্বতী!
হ্যালো, পার্বতী!
হ্যালো… হ্যালো…
কুদি ইয়েধামাইথে এপিসোড–০৩ 'Parvarthy's Blind Date'
অনুবাদে ও সম্পাদনায়: ⌛ জয়ানন্দ ঘোষ ⏳
পরে ফোন দিচ্ছি, তিলক।
এমনিতেই মিটিংয়ে দেরি করে এসেছি।
ম্যাম, বরুণের বাবা সুন্দারাম স্টেশনে কল করেছিল।
তাকে কী বলব?
তাকে স্টেশনে নিয়ে আসার জন্য দু'জন কনস্টেবলকে পাঠাও।
আচ্ছা, ম্যাম।
বলুন!
তোমরা বেতনের জন্য না-কি ঘুষের টাকার জন্য কাজ করো?
ঘড়ি কী জন্য রেখেছো?
যা বলছিলাম...
বেতনের মূল্য দিতে শিখুন।
চারদিন হয়ে গেছে এসিপি খুন হয়েছে।
এখনো পর্যন্ত কোনো প্রমাণ নেই।
মিডিয়ার সামনে কথা বলার সাহস তোমাদের আছে?
অর্জুনের কেসে অভিযুক্ত সবাইকে আমরা জিজ্ঞাসাবাদ করেছি।
কিন্তু কোনো কাজ হয়নি।
কোনো ব্যক্তিগত কারণ?
বন্ধু কিংবা পরিবার?
কাজ চলছে,স্যার।
কিন্তু, এখনো কোনো প্রমাণ পাইনি।
ফরেনসিক?
কোনো মিল নেই, স্যার।
ঘটনাস্থলে শুধুমাত্র অর্জুন স্যারের ডিএনএ পাওয়া গেছে।
খুনের হাতিয়ারও একদম পরিষ্কার।
পুনঃপরীক্ষার জন্য আমি এগুলো কলকাতায় পাঠাতে চাই।
কেন?
স্যার, মানে…
কী যুক্তিতে পাঠাবে?
নতুন ডিএনএ জোড়া লাগানোর জন্য?
বসো।
কাল সকাল পর্যন্ত সবাইকে সময় দিচ্ছি।
কোনো নামজাদা নৃশংস গুন্ডা হয়নি...
খুন হয়েছে একজন সৎ পুলিশ অফিসার!
সবাই গিয়ে কাজে লেগে পড়ো।
মুলতুবি ঘোষণা করা হলো।
আরেকটা কথা...
কেস যদি সিবিআই এর হাতে চলে যায়...
তাহলে তোমাদের কেউ কেউ নিশ্চিত বরখাস্ত হতে পারো।
মনে রেখো।
- জি, স্যার। - জি, স্যার।
- স্যার! - স্যার।
ধন্যবাদ।
ছবির লোকটা কি তুমি?
কাজ এখনো শেষ হয়নি।
জরিমানা দিয়ে বাইক নিয়ে যা।
ভাই, একটা বড় ডেইরি মিল্ক আর এক প্যাকেট সিগারেট।
মাইলস।
৩৫০ টাকা।
ভাংতি।
- হ্যালো ,আমার জন্য মাইলস...? - হ্যালো, স্যার নিয়ে আসতেছি।
ভাই,আমি হলুদ গেটের পাশে দাঁড়িয়ে আছি।
ওখানেই থাকুন, আমি আসছি।
আচ্ছা!
ভাই…
- সাই-বাবার মন্দিরে যাওয়ার রাস্তাটা কোনদিকে? - জানি না, ভাই।
এখানকার কেউই জানে না মনে হচ্ছে।
ভাই, 'রিপ-ইট' থেকে এসেছেন?
- স্যার,আপনার চকলেট। - আচ্ছা।
- কত হয়েছে? - ৫০ টাকা।
এই নিন।
ধন্যবাদ, স্যার।
- একটা মোবাইল দোকানের সামনে, স্যার। - আচ্ছা, আমি আসতেছি।
সিগারেটের প্যাকেটের দাম কত?
৩০০ টাকা, স্যার।
ধরুন।
ধন্যবাদ।
- কাঠবাদামগুলো ওখানে রাখ। - আচ্ছা, স্যার।
- ছোট কাপগুলো দে। - আচ্ছা।
তাড়াতাড়ি কর।
ব্রো, আমিরপেটের ডাবল অর্ডার রেডি?
মাত্রই তো আসলে। এত তাড়া কীসের?
অপেক্ষা করো।
তাড়া দিও না।
সরি!
হুহ!
এই, এটা আমার!
কী করছো তুমি?
এইযে ধরো।
নাও তোমার ডাবল অর্ডার। বিল দিচ্ছি দাঁড়াও।
স্যার।
প্লিজ, ফাইভ স্টার রেটিং দিয়েন।
ধন্যবাদ, স্যার।
‘আকাশ চমকাচ্ছে’
‘মেঘ ছড়াচ্ছে’
কাট! কাট!
এদিকে আসেন।
ওভার এক্টিং করছেন কেন? ন্যাচারাল রাখেন।
- এদিকে আসুন! - অডিশন!
- অভিনব! - হুম?
অডিশন দিতে এসেছে।
- কার রোলে? - গুনা।
- সোয়েথা, গুনার ক্যারেক্টরের ডায়লগ আছে? - হ্যাঁ।
ব্রো, লাইনগুলো পড়ে নাও। পরের পালা তোমার।
- অবশ্যই। - ঠিক আছে।
আপনি রেডি?
আবার করা যাক।
রেডি?
এবার ঠিকমতো করবেন।
রেডি, স্যার।
‘আকাশ চমকাচ্ছে’
'মেঘ ছড়াচ্ছে।'
হাই।
আসো।
নাম কী?
আদি, স্যার।
- আগে কোনো সিনেমায় কাজ করেছো? - এখনো না, স্যার।
হুম?
শুরু করা যাক?
জি, স্যার।
লাইনগুলো ভালোমতো পড়েছো?
হুম।
হুম।
- আমাকে রোল সম্পর্কে ধারণা দাও। - গুনা একজন কয়েদি।
আর নাগেন্দ্র প্রসাদ হলেন পুলিশ অফিসার।
তাদের মাঝে কথোপকথন চলবে। আমি ঠিক বলেছি?
গুনার ডায়লগ তুমি বলবে।
পুলিশ অফিসারের ডায়লগ আমি বলছি।
রেডি, স্যার।
ভালোভাবে ডায়লগগুলো বলে যাও।
আচ্ছা, স্যার!
শান্ত হন!
অ্যাকশন!
‘কেমন আছেন নাগেন্দ্র প্রসাদ?’
'শুনলাম আপনি অবসর নিচ্ছেন।'
‘কেমন আছো, গুনা?’
'ধরে নাও আজ তোমার শেষ দিন।’
'সময় নষ্ট না করে কী বলতে চাও বলো।'
'ভেবেছিলাম সময়ের পরিক্রমায় হয়তো বদলে গেছেন।'
'সেই একই রাগ-বিদ্বেষ।'
'এই কারণেই এখানে এসেছি।'
'এটাই বলতে চেয়েছিলে?'
'কয়েকজন জাজ ও ইন্সপেক্টরের খুনের কারণে আজ আমি মৃত্যুর দ্বারপ্রান্তে।'
‘মৃত্যুর আগে একবার আপনার সাথে দেখা করে বলতে চেয়েছিলাম, আমি কোনো ভুল করিনি।'
‘সাতবছর আগেও একই কথা বলেছিলে।'
'আজও সেটাই বলছো।'
'তুমি কী ভাবো তাতে আমার কিছুই যায় আসে না!'
'অনেক কাজ আছে। যেতে হবে আমাকে।'
স্যার,আপনি সেই গুনাকে দোষারোপ করছেন যে কোনো অপরাধই করেনি।
তুমি কীভাবে জানলে? কেউ তোমাকে স্ক্রিপ্ট শুনিয়েছে?
না, স্যার।
শুধুমাত্র অনুমান করেছি।
আমি ঠিক বলেছি?
তোমার ডায়লগ বলো।
‘আপনার মুখ থেকে শুধু একবারের জন্য শুনতে চাই, নাগেন্দ্র প্রসাদ।'
'কী শুনতে চাও?'
'শুধু একবার বলুন যে আমি নির্দোষ!'
'শুধু একবার বলুন যে আমি কোনো অপরাধ করিনি।'
‘তাহলে আমি শান্তিতে মরতে পারবো!'
'গুনা, তুমি দু'দুটো খুন করেছো।'
‘এই সত্য কোনোদিন পরিবর্তন হবে না।'
'আমি আপনাকে সাহায্য করার চেষ্টা করেছিলাম, স্যার।'
‘কী’
'এই নিদারূণ যন্ত্রণা থেকে আমি আগামীকাল মুক্তি পাব।'
'কিন্তু, আপনি বেঁচে থাকবেন।'
'আমার মৃত্যু যন্ত্রণা আপনার হৃদয়কে ভারাক্রান্ত করে তুলবে।'
'তখন আপনি শান্তি পাবেন?'
‘হুহ!'
কাট!
অভিনবকে তোমার নাম্বার দিয়ে যেও।
ডিরেক্টর সাহেব তোমার ভিডিয়ো দেখে পছন্দ করলে ফোন দিবো।
তাকে আগামীকাল নাম্বার দিয়েছি, স্যার।
কী?
দিয়ে যাব, স্যার।
হুম।
ধন্যবাদ, স্যার। আবার দেখা হবে!
পরেরজনকে পাঠাও।
No comments yet. Be the first to leave one.