最初の200行です。
- সাবটাইটেল পরিবেশনায় - “অনুবাদে অনুরণন”
- অনুবাদ অংশগ্রহণে - ফ্ল্যামি তুহিন সৈয়দ ফাহমিদুল ইসলাম আল মাকসুদ নূরুল্লাহ মাশহুর হাসান শুভ মিঃ এক্স তাইয়েবা তানজিমা অথৈ মাকসুদুর রহমান রফিকুল রনি
- অনুবাদ অংশগ্রহণে - হামিদ উদ্দিন আবুবাকার তানজীদ আহমেদ সাজিবুল হক শুভ্র শাহ্ মঈন উদ্দীন রাকিব হোসেইন আরমান আল মাহমুদ আতিক আরাফাত তালুকদার মোঃ আসাদুজ্জামান প্রামাণিক</font
- সাবটাইটেল সম্পাদনায় - সৈয়দ ফাহমিদুল ইসলাম আরমান আল মাহমুদ
কাহিনী খতম।
আর ফ্রি ওয়াই-ফাই নেই।
কি-জুং।
হুম?
উপরতলার আন্টির ওয়াই-ফাই পাসওয়ার্ডটা কী?
পাসওয়ার্ড?
১২৩৪৫৬৭৮৯ ট্রাই করেছিস?
লাগেনি।
তাহলে উল্টো দিক থেকে ট্রাই কর।
করেছি।
তারমানে হোয়াটসঅ্যাপ করতে পারছিস না?
না।
এই, কিম কি-তেক!
ঘুমানোর ভান কোরো না তো। কী ভাবছ?
ফোনগুলো বন্ধ আর ওয়াই-ফাইও নেই।
কী করবে?
"বিজয়ী মহিলা চ্যাম্পিয়নস কাপ"
- কি-উ। - হ্যাঁ, বাবা।
হাতটা উপরে তুলে ওয়াই-ফাই খুঁজতে থাক।
রুমের প্রত্যেকটা কোণায় আস্তেধীরে খোঁজ।
শালার তেলাপোকা।
ইয়েস! পেয়ে গেছি!
সত্যিই সিগনাল পেয়েছিস?
হ্যাঁ, এখানে দেখ।
কফি কিংডম 2G।
নতুন কফিশপ খুলেছে?
আমি পাচ্ছি না কেন?
এখানে উপরে আয়।
বাবুরা...
পেয়েছিস? হ্যাঁ, পেয়েছি।
হোয়াটসঅ্যাপ চেক কর তো।
পিজ্জা জেনারেশন (দোকানের নাম) বলেছিল ওরা আমার সাথে যোগাযোগ করবে।
দাঁড়াও...
হ্যাঁ, এসেছে। পিজ্জা জেনারেশন থেকে।
ওরে! এটা দেখো।
মেয়েটার মতো জলদি করতে পারলে আজকেই কাজ শেষ করতে পারব।
তাহলে আজই টাকাটা পাবো।
- আমাদেরও দাঁড়াতে হবে? - বোঝাই যাচ্ছে মেয়েটা প্রফেশনাল।
কী হচ্ছে? পোকামাকড় তাড়ানোর ধোঁয়া দিচ্ছে?
- ওরা এখনও এইসব করে? - হয়তো।
- জানলাটা বন্ধ করে দে। - না থাক। ধোঁয়াটা মাগনাতে পেয়ে যাবো।
পোকামাকড়গুলো মরবে।
ঠিক। আজকাল পোকামাকড় খুব জ্বালাচ্ছে।
উফ! গন্ধটা!
বলেছিলাম না জানালাটা বন্ধ করতে!
এখন বন্ধ করে দেবো?
সমস্যা কোথায়?
এইযে স্যাম্পল, দেখুন।
এটাকে ভাজ বলে?
ভাজের লাইনটা এখানে কেন?
আর এই অংশটা বাইরে কেন?
এটাও ভাজ করেননি।
চার ভাগের একভাগ বক্সেরই এমন অবস্থা।
মানে প্রতি ৪টার মধ্যে ১টা বক্স বাদ।
তো তুমি ১০% পারিশ্রমিক কেটে নিবে?
কাজের মান দেখে কি মনে হচ্ছে না অনেক কম কাটা হয়েছে?
এমনিতেই পারিশ্রমিক অনেক কম। কীভাবে এমন করতে পারো।
এইযে শুনেন...
এগুলো ছোটখাটো ভুল না।
একটা উল্টাপাল্টা লোকের হাতে পড়লে ব্র্যান্ডের নাম কতটা খারাপ হবে, বুঝতে পারছেন?
ব্র্যান্ড? একটা বক্স ফোল্ডার দেওয়ার মুরোদ নেই আর হয়েছে ব্র্যান্ড! - কী বললেন?
ম্যাডাম...
ঐ লোকের জন্য এইসব হয়েছে, তাই না? - কোন লোক?
আপনার পার্ট টাইম লোক। সে কাজ ছেড়ে পালিয়েছে, তাই না?
তাও আবার, যখন একটা বড়সড় অর্ডার এসেছে।
কী করে জানলে?
কোথায় শুনেছ?
আমার বোন ঐ লোককে চেনে।
মালটা কেমন যেন। রিপোর্টও ভালো না।
তো, ম্যাডাম...
১০% কেটেছেন তাতে সমস্যা নেই।
এর বদলে...
এর বদলে?
নতুন কোনো পার্ট টাইমারের কথা ভেবেছেন?
আপু, আমাদের লোক লাগবে।
এখন যে আছে ওকে বের করে দিন।
কাল আমি ইন্টার্ভিউ দিতে পারব। কোন সময়ে আসবো বলুন?
এক মিনিট।
আগে আমাকে ভাবতে দাও।
তো আপাতত, পিজ্জা বক্সের টাকাগুলো দিয়ে দিন।
তো আমরা আজ সবাই একত্রিত হয়েছি।
ফোনের রি-কানেকশন
আর এই অবাধ ওয়াই-ফাইয়ের খুশিতে।
হারামজাদাটাকে দেখ। এখনো রাতের আঁধার নামেনি আকাশে।
ওখানে "প্রস্রাব নিষেধ" পোস্টার লাগাও না কেন? তোমাকে অনেকবার বলেছি।
এদের কোনো পোস্টার থামাতে পারবে না। উল্টে আরও বেশি করবে।
অন্তত লাথি মেরে শালাকে তাড়াতে পারিস।
মুতিস না!
মুতিস না!
মিন-হিউক না?
এইযে কাকা, ওটা টয়লেট না।
হ্যাঁ মিন।
এই শালীর ছেলে!
এই কাকে চোখ দেখাচ্ছিস?
এদিকে আয়, শালা।
হুশে ফিরে আয়, বোকাচোদা!
তোর বন্ধু তো পুরো মাল।
কলেজের ছাত্রদের এক অন্য রকম তেজ থাকে।
আমার ভাইয়ের মতো না।
ও কি বাসায় আসছে?
- ডেকেছিলি? - না।
হ্যালো।
আরে, মিন-হিউক!
আঙ্কেল, কী খবর?
- এই তো চলছে। - হঠাৎ এখানে?
ম্যাসেজ করেছিলাম, দেখিসনি?
স্যরি, খাবার সময় বিরক্ত করলাম।
না, না, আমরা খেতে বসিনি।
- কি-জুং, কেমন আছ? - চলছে কোনোরকমে, ভাইয়া।
হঠাৎ বাসায় এলি যে? বাইরেই দেখা করতে পারতাম।
এর জন্য। এটা দিতে এসেছি। বেশ ভারী।
এখানে রাখো।
কী আছে?
যখন বললাম কি-উর বাসায় যাবো,
দাদু তখন তোমাদের জন্য এটা নিয়ে যেতে বললো।
এটা কি ল্যান্ডস্কেপ টাইপের?
বা এটাকে এবস্ট্রাকট টাইপেরও বলতে পারো।
বাহ্, আপনি তো দেখি সব জানেন...
দাদুর মিলিটারির সময় থেকেই, অদ্ভুত সব পাথর সংগ্রহ করতে পছন্দ করত।
লিভিং রুমে, স্টাডি রুমে..
বাড়ির আনাচে-কানাচেতে পাথরের ছড়াছড়ি।
বলা হয়, এই পাথর সৌভাগ্য বয়ে নিয়ে আসতে পারে।
মিন-হিউক...
পাথরটা বেশ সাংকেতিক।
অবশ্যই। একদম উপযুক্ত উপহার।
ঠিক।
তোমার দাদুকে আমাদের পক্ষ থেকে ধন্যবাদ জানিও।
এরচেয়ে বরং খাবার নিয়ে আনলেই পারতে!
কী নাম? ল্যান্ডস্কেপ স্টোন?
তুইও ঐসব পাথর টাথর সংগ্রহ করিস নাকি?
ঐ পাথরকে ধন্যবাদ জানাই যার কারণে তোর বাপ মায়ের সাথে দেখা করতে পেরেছি। দেখে সুস্থই মনে হলো।
বেশ ভালোই আছে। কিন্তু হাতে কাজ নেই।
কি-জুং কলেজ যাচ্ছে না?
না। হাতে টাকা পয়সা নেই।
কিউট, তাই না?
একে পড়াস?
পার্ক দা-হিয়ে, হাই স্কুল সেকেন্ড ইয়ারে পড়ে।
এখন থেকে আমার জায়গায় তুই ওকে ইংরেজি পড়াবি।
মানে?
ভালো ঘরের ছেলে মেয়েদের পড়া। ভালো বেতন পাবি।
অনেক ভালো মেয়ে।
আমি দেশের বাইরে থাকাকালীন ওর খেয়াল রাখবি।
তোর তো ভার্সিটির অনেক বন্ধুবান্ধব আছে।
আমাকেই কেন বলছিস?
তোর কী মনে হয়?
ভাবতেই ভয় লাগে।
দা-হিয়েকে দেখে ঐ হারামজাদাগুলোর লালা ঝরবে।
কি বিরক্তিকর!
পছন্দ করিস ওকে?
না, সত্যি বলছি।
দা-হিয়ে কলেজে উঠলে, ওকে প্রেমের প্রস্তাব দিব।
ততদিন, তুই ওর খেয়াল রাখবি।
তুই হলে, আমার কোনো চিন্তা নেই।
বিশ্বাস রাখার জন্য ধন্যবাদ।
কিন্তু আমাকে কি কলেজের ছাত্র সেজে থাকতে হবে?
কি-উ, ভালোকরে চিন্তা কর।
এত বছরে, মিলিটারি সার্ভিস সহ
তুই মোট ৪টা বোর্ড পরীক্ষা দিয়েছিস, তাই না?
গ্রামার, ভোকাবুলারি, কম্পোজিশন, কনভারসেশন...
যদি ইংরেজির কথা ওঠে, তুই ঐ কলেজের গাঞ্জাখোরগুলোর চেয়ে...
হাজারগুণ ভালো পড়াতে পারবি।
- হয়তো। - অবশ্যই পারবি।
কিন্তু ওরা কি আমাকে নিবে? আমি তো কলেজে পড়ি না।
আরে তুই ব্যস ছাত্র সেজে থাকবি।
চিন্তা করিস না। আমি সুপারিশ করব, আর...
মেয়ের মা... কীভাবে বুঝাই!
একটু সরল।
অল্পবয়স্ক আর সরল।
সরল?
মানে?
বোঝানো মুশকিল।
যাইহোক আমার ভালো লাগে।
- পড়াবি তাহলে? - হয়তো।
ওহ্, হ্যাঁ..
তোর বোন নাকি গ্রাফিক্সে খুব ভালো।
ভালো ফটোশপ পারে?
"স্টুডেন্ট সার্টিফিকেট"
ওরে, এই প্রতিভা নিয়ে বসে আছিস, কোনো আর্টস কলেজে ভর্তি হচ্ছিস না কেন?
চুপ কর।
- আপু, এখানে সিগারেট খাওয়া যাবে না। - ও আচ্ছা। ঐটা দে তো।
এবার, লাল থাপ্পা...
অক্সফোর্ডে দলিলপত্র জালের কোনো কোর্স নেই।
নাহলে আমাদের কি-জুংই ক্লাসে ফার্স্ট হতো।
ওর হাতের কাজ দারুণ, তাই না?
ছেলেটা ইন্টারভিউ দিতে যাচ্ছে। ওর মনোবল বাড়াও।
বাবু...
আমি তোকে নিয়ে অনেক গর্বিত।
বাবা..
আমি মনে করি না এটা জাল বা অপরাধ কিছু।
পরের বছর আমি এই ভার্সিটিতে পড়ব।
তো সব ভেবে রেখেছিস?
একটু আগেই কাগজপত্র সব প্রিন্ট দিয়েছি।
কে?
ম্যাম? গুড আফটারনুন।
আমি মিন-হিউকের সুপারিশে এসেছি...
ও আচ্ছা, ভিতরে আসুন।
No comments yet. Be the first to leave one.