La llorona (The Weeping Woman)

La llorona (The Weeping Woman)

Scarica il sottotitolo Bengali

Informazioni sulla release

La Llorona WEBRip Bsub By Joyanonda Ghosh
La Llorona 480p Bsub By Joyanonda Ghosh
La Llorona 720p Bsub By Joyanonda Ghosh
লা ল্লরোনা ৪৮০পি,৭২০পি ওয়েবরিপ বিসাব বাই জয়ানন্দ ঘোষ
Un commento di Joyanonda_Ghosh
🏷️মাতৃভাষায় উপভোগ করুন ২০১৯ সালের বহুল এওয়ার্ডজয়ী (২৩ টি এওয়ার্ড, ৪৪ নমিনেশন) স্প্যানিশ ভাষার হরর থ্রিলার সিনেমা "La Llorona" 📺রানটাইমঃ ০১ঃ৩২ঃ২৮ 🔗মুভি লিংকঃ দেশীয় সকল সাইটে মুভিটির ওয়েবরিপ প্রিন্ট পাবেন। সাবটাইটেলটি ভালো লাগলে আশা করি গুড রেটিং এবং ভালোমন

Tag

webrip
web
BRip
Pubblicato il: 2021-07-16
Download: 28
Sottotitoli per non udenti: No

Anteprima dei sottotitoli in Bengali

Le prime 200 righe.

আমাদের সাথে যোগ দাও।

আমাদের কথা শুনো, আমাদের জন্য কথা বলো।

তোমার পা,তোমার হাত... আমাদের পা,আমাদের হাত...

আমাদের সাহায্য করো, আমাদের সাথে যোগ দাও।

আমাদের সাথে যোগ দিয়ে একসাথে চলো, আমাদের কথা শুনো,সাহায্য করো।

আমাদের কথা শুনো...

আমাদের অনুভব করে একসাথে চলো, আমদেরও তোমার সাথে নিয়ে চলো!

অনুবাদ অংশগ্রহণেঃ ♦️ জয়ানন্দ ঘোষ ♦️ এ আর আকিব ♦️

সম্পাদনায়: ⌛ জয়ানন্দ ঘোষ ⏳

একটাও এওয়ার্ড নেই!

শ্যাম বর্ণের পোষাক কিন্তু একদম কালো নয়।

ঔজ্বল্যহীন কিন্তু চকচকে নয়।

দাগহীন সাদা রংয়ের শার্ট।

টাই ডাবল উয়াইন্ডসর পদ্ধতিতে বাধা থাকবে।

তোমাকে অবশ্যই নিখুঁত হতে হবে।

মনে রাখবে, তুমি আর কেউ নও, তুমি একজন হিরো!

কোনো কিছু না ভেবেই মাথা নোয়াতে হবে।

জেনারেলের পতন ঘটলে, আমরা সবাই সমস্যায় পড়বো।

আর এই বয়সে এসব সমস্যা, সত্যিই আমাদের জন্য করুণ।

দিন যত যাচ্ছে, তুমি ততোই ভীতু হয়ে যাচ্ছো।

দেখা হয়ে ভালো লাগলো।

সবকিছুর জন্য ধন্যবাদ।

এখানে আসার জন্য ধন্যবাদ।

আমার সাথে শুবে? - না,অনেক গরম পড়েছে।

সবাই দাদা'র নামে খারাপ কথা বলে কেন?

তোমার বন্ধুরা বলেছে? - না,ইন্টারনেট থেকে পেয়েছি।

পরম ইশ্বরের নামে... এক এবং অদ্বিতীয় ইশ্বরের নামে...

পরলোকগত আমার পূর্ব পুরুষগণ...

এই আগুনের শিখা বলিদান হিসেবে গ্রহণ করুন।

জনাব এনরিকের জন্য প্রার্থনা করছি...

তার পরিবারের সকলের জন্য মন থেকে প্রার্থনা করছি।

এই আগুনের শিখা ইশ্বরের কাছে সমর্পণ করছি যাতে সকল দুষ্ট শক্তি দূরীভূত হয়।

এবং সবকিছু ভালোমতো যায়।

আমাদের প্রিয়জনের জন্য নিরাপত্তা প্রার্থনা করছি।

এই আগুনের শিখা সমর্পণ করে মন থেকে প্রার্থনা করছি।

লেতোনা!

জনাব এনরিক,আমি ভ্যালেরিনা।

লেতোনা!

ভ্যালেরিনা,উনার বন্দুক নিয়ে নাও।

জনাব! - বন্দুকটা দিন।

তুমিও ওই মহিলার কান্না শুনতে পেয়েছ!

তুমিও কান্না শুনতে পেয়েছ!

বন্দুকটা দিন।

স্যার,ও ভ্যালেরিনা। ওকে ছেড়ে দিন!

পুরো বাড়ি তল্লাশি করো।

নিশ্চয় শয়তানটা কোথাও লুকিয়ে আছে!

হ্যা,কিন্তু তাকে ছেড়ে দিন। - আদেশ দিচ্ছি!

কেউ মহিলার কান্না শুনতে পেয়েছ?

তোমরা নিশ্চিত?

এটা দুঃস্বপ্ন ছাড়া কিছুই নয়!

আমি মহিলার পায়ের আওয়াজ স্পষ্ট শুনেছি।

ওটা ল্লরোনা ছিলো।

উনি দূর থেকে শুনতে পেয়েছেন নাকি কাছে থেকে শুনতে পেয়েছেন?

কাছ থেকে শুনতে পারছেন।

তারপর সে দূরে চলে যায়!

চুপ থাকো!

তারা কী বলতেছে? - কিছু না।

উনার বয়স হয়েছে, এজন্যই এমন হচ্ছে।

বন্দুকটা দাও।

তোমার নিরাপত্তার জন্য এটা আমার কাছে রাখতেছি।

কাঠমিস্ত্রী কে ডেকে দরজাটা ঠিক করতে হবে।

তোমার বাবার অবস্থা দিনদিন অবনতি হচ্ছে, কাল রাতের ঘটনায় আমি সত্যিই অবাক!

এখন মনে হচ্ছে সে সত্যিই পাগল হয়ে গেছে!

মানসিক চাপের কারণে সে অ্যালজাইমার রোগে ভুগতেছে।

সে সুস্থ হয়ে যাবে, আশা রাখো মা!

কাল আমি মারা যেতে পারতাম!

উনি খুব শীঘ্রই সুস্থ হয়ে যাবেন।

কারম্যান ম্যাডাম, সবাই চলে যেতে চাচ্ছে।

ভ্যালেরিনা, আমাদের কতোটা খারাপ সময় যাচ্ছে তা সবাইকে বুঝাও।

বাবার অবস্থার দিনদিন অবনতি হচ্ছে, মায়ের এখন তোমাদের সাহায্য প্রয়োজন।

তাকে একা ফেলে চলে যেতে পারো না।

আমার পিতামাতা তোমাদেরকে আশ্রয় দিয়েছে, আহার দিয়েছে, পরিবার দিয়েছে!

এমনকি তারা তোমাদের টরটিলা এনে খাওয়াতো।

এখানের মতো আদরযত্ন অন্য কোথাও পাবে না।

আমাদের খারাপ সময় যাচ্ছে, আবার ভেবে দেখো তোমরা।

সবাই ভয় পেয়েছে।

ধন্যবাদ সবাইকে।

লেতোনা,দেরি হয়ে গেছে। তাড়াতাড়ি গাড়ি বের করো।

আমি প্রস্তুত,ম্যাডাম।

মিস কারম্যান,চলে যাওয়ার আগে সকলের পাওনা পরিশোধ করে যান।

তুমি অন্য কোথাও কাজ পাবে না।

জনাব এনরিক রেডি হয়েছেন?

সেনাবাহিনীর পায়ের শব্দ পেয়ে গেরিলারা পালিয়ে গিয়েছিল।

আমি খেয়াল করিনি।

যখন আগুন দেখলাম, তখন বাচ্চাদের নিয়ে আমি দৌড়াতে শুরু করি।

সহিংসতা হঠাৎ করেই শুরু হয়েছিল।

প্রথমে তারা ফসলে আগুন দেয়...তারপর একে একে বসতবাড়ি, কাপড়, গবাদি পশুর গায়ে আগুন দেয়।

তারা পুরুষদের কাছ থেকে মহিলা এবং বাচ্চাদের আলাদা করে ফেলেছিল।

আমরা মহিলারা ধর্ষিত হই!

তারপর গণহত্যা শুরু হয়।

নীরবতা বজায় রাখুন।

আমরা কয়েকজন পালিয়ে পাহাড় যাই।

সেখানে গুহায় লুকিয়ে ছিলাম...

যখন আমাদের খোঁজে হেলিকপ্টার আসে...

তাদের কাছে কোনো ত্রাণ ছিলো না।

ওরা আমাকে গ্রেফতার করে সৈন্যদের ঘাঁটিতে নিয়ে যায়।

সৈন্যরা আমাদের সাথে যা ইচ্ছে তা-ই করতো!

শুধু আমি-ই নই,আরো অনেক ভুক্তভোগী ছিলো।

আমরা কিছুই করিনি,আমাদের তুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল।

এসব ঘটনা আমার লজ্জা করছে না।

আশা করি সবাইকে শাস্তির আওতায় আনা হবে।

এতটুকুই মান্যবর বিচারক।

ধন্যবাদ, প্রত্যক্ষদর্শী ৮২।

দুইমাসের মধ্যে বিচারকার্য সম্পন্ন হবে।

জেনারেল মন্টেভেরে স্বীকার করেছেন যে তার শাসনামলে...

গেরিলারা এমন অপকর্ম ঘটিয়েছিল।

সবাই বিদ্রোহে অংশ নিয়েছিল।

প্রতিবাদীর ভাষ্যমতে, নাগরিককে হত্যা করা হয়নি, শুধুমাত্র সশস্ত্র গেরিলাদের হত্যা করা হয়েছিল।

জেনারেল বলেছেন গণহত্যার কথা ভুয়া।

কিন্তু ভুক্তভোগীর ভাষ্যমতে তিনি গণহত্যার স্বীকার হয়েছিলেন।

ম্যাডাম,আপনার চা।

১৯৮২-১৯৮৩ সালের গণহত্যায়...

সশস্ত্র বাহিনী ৩০০০ লোককে হত্যা করেছিল।

যা মায়ান ইক্সিল জাতির ৩৩% জনসংখ্যা!

প্রসিকিউশনের ভাষ্যমতে, সেনাবাহিনী ইক্সিল জাতিকে ধ্বংস করতে চেয়েছিল।

কেননা তারা ইক্সিলদের জমি কব্জা করে তেলের খনি দখল করতে চেয়েছিল।

চলো যাই?

কিছু সাক্ষাৎকারে জেনারেল বলেছেন...

ইক্সিলরা গেরিলাদের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত, যেমনটা একটা মাছ পানির সাথে জড়িয়ে থাকে!

মাছ থেকে মুক্তি পেতে চাইলে, অবশ্যই পানি সড়িয়ে নিতে হবে!

জাতীয়ভাবে, লাতিন আমেরিকার শাসকদের মাঝে তিনি অন্যতম নির্দয় শাসক।

মিস.মন্টেভেরে, প্লিজ!

জেনারেল মন্টেভেরে...

কোনো গণহত্যার সাথে জড়িত নয়।

তিনি সেনাবাহিনীকে এমন কোনো আদেশ দেননি।

ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীকে হটানোর আদেশ..

তিনি কখনোই দেননি।

সত্যি বলতে,কোনো গণহত্যার ঘটনা ঘটেনি!

জেনারেল মন্টেভেরে এখন কথা বলবেন।

মান্যবর বিচারক...

জানি এই বিচারকার্য...

অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

আর গুতেমালার জাতি সম্মান প্রাপ্য।

কিন্তু আপনি জানেন...

জাতীয় ঐক্য বজায় রাখা আমার প্রধান উদ্দেশ্য ছিলো।

খুনী!

নীরবতা বজায় রাখুন!

আমি নির্দোষ।

জানি না কেন শুধু শুধু আমার উপর দোষ চাপানো হচ্ছে।

পাবলিক প্রসিকিউশন ইতিমধ্যে উপর্যুক্ত প্রমাণ এবং স্বাক্ষী দুটোই আদালতে পেশ করেছে।

তাছাড়া সৈন্যদের তথ্যমতে...

মায়া ইক্সিলরা জাতির শত্রু।

গণহত্যার শিকার ৩৮% ভুক্তভোগী ছিলো বাচ্চা যাদের বয়স ১২ বছরের নিচে!

তাদের বয়ে বেড়ানো এত বছরের যন্ত্রণা ভাষায় প্রকাশ করা যাবে না।

গণহত্যার ফলে ভুক্তভোগীরা অপূরণীয় ক্ষতির শিকার হয়েছেন।

পুরো গুতেলমালা জাতি-ই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

সত্য আমাদের মনের যন্ত্রণা উপশমে সাহায্য করে।

তা বিবেচনা করে...

তাছাড়া জেনারেল মন্টেভেরে যেহেতু গণহত্যার ব্যাপারে জানতেন...

উনার নির্দেশে গণহত্যা হয়েছিল...

কিন্তু উনি থামানোর চেষ্টা করেননি...

তাই আমরা তাকে...

দোষ স্বীকার করে নেওয়ার অনুরোধ করছি।

সড়ে যান।

তাকে হাসপাতালে নিয়ে যান।

হাসপাতালে!

সিগারেট খেতে পারবেন না। রেখে দিন, স্যার।

একটা বিষয়ে নিশ্চিত...

স্বয়ং ইশ্বর আমার সেবা করার জন্য পরী পাঠিয়েছেন!

ধন্যবাদ।

বাবা তোমাকে কিছু বলেছে?

তোমার কি মনে হয় বাবা এসব করেছে?

বাবাকে বিশ্বাস না করে তুই ওইসব পতিতা দের বিশ্বাস করিস?

কারা পতিতা?

আদালতে মিথ্যা স্বাক্ষ্য দেওয়া ভারতীয়রা!

মিথ্যা বলার জন্য তাদেরকে নিশ্চয় টাকা দেওয়া হয়েছে।

থামো মা।

এভাবে বলো না।

ঘটনা চোখের সামনে ঘটলেই কেবলমাত্র এভাবে বলা সম্ভব!

তোর বাবা বলেছিল যে তারা নিজেরাই ঘাঁটিতে এসেছিল।

কেউ কেউ তো গর্ভবতী ছিলো!

দয়ালু জেনারেল তখন তাদের সেখানে কাজে নিয়োগ দেন।

কিন্তু সৈন্যরা তাদেরকে বেশ্যার মতো ব্যাবহার করা শুরু করে।

আমার মনে আছে,ছোটবেলায় বাবা যখন ঘাঁটিতে যেতো তুমি প্রতিদিন ঝগড়া করতে।

সেখানে তার কেউ আছে ভেবে তুমি একা একা কান্না করতে।

হ্যা।

সে জেনারেল হলেও পুরুষ মানুষ তো!

উপুর্যুপরি, তারাই সৈন্যদের উপর মিথ্যা কামুক মায়া সৃষ্টি করতো।

আমি তা বুঝাইনি,পুরো পরিস্থিতিকে বুঝিয়েছি।

তুই কার পক্ষে?

তুই তার কথা বিশ্বাস করিস না? - তুমি ঝামেলা পাকিয়ো না।

তুই কবে থেকে তার বিপক্ষে চলে গেলি?

তুই কার পক্ষে কথা বলছিস?

তুই পল্টি খাচ্ছিস কেন? - আমি জানতে চাই।

তুমি এসব জানতে কিনা আমি সেটাই জানতে চাই।

দেশের অগ্রগতিতে আমাদের সকলের অবদান রাখা উচিত।

যা ঘটে গেছে তা ভুলে যা।

অতীত মনে করতে গেলে, হৃদয়ে শুধু কষ্টই পাবি!

তুই কী ভাবছিস আমি জানি, এখন এসব ব্যাপারে ভাবিস না।

সামরিক হাসপাতালে...

জেনারেল মন্টেভেরে কে এক সপ্তাহের জন্য সাময়িক পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।

সাংবিধানিক আদালত তার বিরুদ্ধে আনা সকল অভিযোগ নাকচ করেছে।

বেসরকারি প্রতিনিধিরা এমন সিদ্ধান্তকে সাধুবাদ জানিয়েছেন।

যেহেতু গণহত্যার এখনো নির্দিষ্ট কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি!

জেনারেল মন্টেভেরে আজ বিকেলে হাসাপাতাল থেকে ছাড়া পাবেন।

বৈদেশিক সংস্থাগুলো এমন সিদ্ধান্তে ঘোর বিরোধিতা করছে...

তাদের মতে সরকার এই বিচারকার্যে দুর্নীতি এবং কারচুপির আশ্রয় নিয়েছে।

তার মেয়ের সাথে আমাকে পাঁচ মিনিট কথা বলতে দিন।

এখন নয়,পরবর্তী সময়। তাকে এ ব্যাপারে জড়াবেন না!

আপনি সাক্ষাৎকারের কথা দিয়েছিলেন।

Commenti

No comments yet. Be the first to leave one.

Keep it about this subtitle — sync, quality, typos.500 characters left