Le prime 200 righe.
অ
অন
অনু
অনুব
অনুবা
অনুবাদ
অনুবাদক
অনুবাদক :
অনুবাদক :-
অনুবাদক :- আ
অনুবাদক :- আল
অনুবাদক :- আলা
অনুবাদক :- আলাউ
অনুবাদক :- আলাউদ্দ
অনুবাদক :- আলাউদ্দী
অনুবাদক :- আলাউদ্দীন
অনুবাদক :- আলাউদ্দীন র
অনুবাদক :- আলাউদ্দীন রা
অনুবাদক :- আলাউদ্দীন রাস
অনুবাদক :- আলাউদ্দীন রাসে
অনুবাদক :- আলাউদ্দীন রাসেল
অনুবাদক :- আলাউদ্দীন রাসেল।
হ্যাঁ, মিঃ বার্নিশ, সব টিকেট বিক্রি হয়ে গেছে।
এটা এই শতাব্দীর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কার।
আর সবাই এটা দেখতে চায়।
সাংবাদিকরা কিছুক্ষণের মধ্যে সেখানে পৌঁছে যাবে।
মিঃ বার্নিস, আজকের দিনটা আপনার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
আমি কথা দিচ্ছি, আপনি হতাশ হবেন না।
শান্ত হও!
জরুরি অবস্থা!
খাঁচাটা খুলেছে কে?
ওখানে, পিছনে যাও।
ওই তো সে! ধরো ওকে।
ঠিক আছে, আস্তে আস্তে আসো।
হুট করে কিছু করে বসোনা।
হচ্ছেটা কি?
ওহ!
মিঃ বার্নিসকে এই খবরটা কে জানাবে?
অনুবাদ ও সম্পাদনায়... "মোঃ আলাউদ্দীন রাসেল"।
হুহ?
তোমার ডানপাশে!
- ওই, বাস্কেটবল খেলবি? - পরে খেলব!
দুই নাম্বারটাতে বেশি মসলা দিয়েছি।
আসলে আমি পেইলিন এর সাথে ঘুরতে যাব। আচ্ছা যাওয়ার চেষ্টা করব।
তুমি আসলে অনেক মজা হতো।
ঈঁ! আমি কাজে চলে যাচ্ছি। ঈঁ?
তুই জেগে আছিস?
আমি যাচ্ছি, আজকের দিনটা সবার ভালো কাটুক।
ওই!
নিজেকে তুই কি মনে করিস? বিখ্যাত কেউ একজন?
তুই কোথায় যাচ্ছিস?
- আমার কিছু কাজ আছে। - কাজ?
কিসের কাজ? এখন গ্রীষ্মের ছুটি চলছে।
হয় ব্যস্ত থাকো নাহয় ছুটি কাটাও। এটাই আমি বলি।
- সাবধানে যাস। - অবশ্যই!
- সন্ধ্যার আগে ফিরে আসবি। - চেষ্টা করবো।
- কোন ছেলের সাথে মিশবি না। - মানে? অবশ্যই ছেলেদের সাথে মিশবো না।
তোর টাকা লাগবে?
আম্মু, নানু! আমার টাকা লাগবে না।
গেলাম!
আচ্ছা, গেলাম।
সে সারাদিন কি করে বেড়ায় বলে তোমার মনে হয়?
ওহ, মাফ করবেন।
পিছনে যান।
- দয়া করে আমাকে একটু জায়গা দিবেন? - হেই!
ওরে, ওরে!
ওহ, লক্ষ্মীগুলা! বিকাশে হবে?
মাফ করবেন, নগদ দিতে হবে।
আমরা কয়েক ঘন্টা পরই ফিরে আসব।
হেই, গুলুমুলু!
তুমি আমার আম্মু নও!
তো জিন, শুক্রবারে শুজে যাচ্ছ?
না! নতুন স্কুলে ভর্তি হওয়ার জন্য আমি বেইজিং যাব।
আসলে আমি মেডিকেলে ভর্তি হওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছি।
- অস্থির! - ডাক্তারি পড়বি?
ব্যাপারটা কিন্তু সেই!
জানি!
ওয়াক! গন্ধটা কিসের?
ওকে দেখে মনে হচ্ছে, ও ময়লার স্তূপে ঘুমিয়েছিল।
সেলফি!
সে ডানদিক দিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে।
সে বামদিক দিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে। সে গোল দেয়ার জন্য লাফ দিয়েছে।
ওয়াহ!
হেই, ঈঁ!
আমার সাথে একটু খেলে যাও।
সরি, পেঙ! আমার হাতে সময় নেই।
তুমি অন্য বাচ্চাদেরকে বলছ না কেন?
অন্য বাচ্চাগুলা খুবই ছোট।
কয়েকটা আছে খুবই জেদী।
আরে, ঈঁ! তুমি তো এখন আমার সাথে খেলোই না।
পেঙ, আমি সারাদিন অনেক ব্যস্ত ছিলাম।
হেই, তোমার ভাই তোমার সাথে খেলবে।
আমি তোমাকে আগামীকাল নিয়ে যাব অনুষ্ঠান শুরু হবে ৮টায়।
এখন রাখলাম!
সবসময়ের মতো, সে কারো সাথে ডেটিং-এ যাচ্ছে।
ঈঁ, দাঁড়া! দেখো একবার!
এইতো!
তিন, দুই, এক!
থামবে এবং আয়নায় নিজেকে দেখবে।
এই ঈঁ, তুমি নিজেও জানো যে, আমি এখান থেকেই তোমার উপস্থিতি টের পাচ্ছি।
তুমি কথাও বলতে পারো?
যাইহোক, কিছু লোশন বাকি রেখেছ নাকি পুরা বোতলটাই শেষ করে ফেলেছ?
কেন? তোমার লাগবে নাকি?
মনে হয় না এতে কোন কাজ হবে।
খুবই হাস্যকর!
কোর্টে গিয়ে একটু গা গরম করতে চাও?
সে কথা ভুলে যাও, পেঙ!
আমরা চাইনা যে, জিনের চুলের স্টাইল নষ্ট হয়ে যাক।
আমার নতুন জুতাগুলা দেখ।
এগুলা পড়ে বাস্কেটবল খেলা যাবে না।
অন্যসময় খেলব, ঠিক আছে?
সবসময়ই এই কথা বলো তুমি।
৪৮টা লাইক! ওরে মাম্মা!
ভুলেও না!
আমি জানি তুমি কি ভাবছ। তাই বলার কোন দরকার নেই।
সে এখন একদমই বাড়িতে থাকে না।
আম্মা...
আমি এটাই বলব। আর একটা কথাও বলব না।
তাহলে, এভাবেই চলবে? আমরা তাকে এভাবে ছেড়ে দিবো?
আমি ঈঁকে ছেড়ে দেইনি।
দেখো, আমরা দুজনেই জানি, সে কি অবস্থার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে।
সে তার বাবাকে মিস করছে।
আমরা সবাই সেটা করি।
আমরা যদি ধৈর্য ধরে তাকে তার মতো চলতে দেই, তাহলে হয়তো...
ঈঁ, তুই এসেছিস?
আমরা তোর জন্য অপেক্ষা করছিলাম।
আমি আসার সময় খেয়ে নিয়েছি। আমার এখন ক্ষুদা নেই।
হয় বাড়িতে খাবি নাহয় কর্মস্থলে। কিন্তু রাস্তাঘাটে কিছু খাবিনা।
এটাই আমি বলতে চাচ্ছিলাম।
আচ্ছা, ঈঁ! আজ রাতে আমরা সবাই একসাথে বসে রাতের খাবার খেলে কেমন হয়?
আর একসাথে!
তোর কিছু খাওয়া উচিত!
না খেয়ে তোর মায়ের মতো হাড্ডিসার হয়ে যাস না।
- ওটা কোন ব্যাপার না, নানু! - ঈঁ, দাঁড়া!
রাতের খাবারের পর আমাদেরকে ভায়োলিন বাজিয়ে শুনাবি?
- মনে আছে, যখন তুই... - আমি পারব না।
পারবি না? কেন?
কারণ আমি...
আমি ওটা বিক্রি করে দিয়েছি।
আমি...
কিছু মনে করোনা।
কি যে করি!
আমি ওখানে যাবোই
একদিন না একদিন!
না, না, না!
হুহ?
দাঁড়াও! মনে হচ্ছে ওখানে কিছু একটা দেখেছি।
ওখানে কিছুই নেই, অন্যদিকে যাও।
ওহ...
আম্মু, নানু, আমি যাচ্ছি।
এক্সকিউজ মি!
ওটা ধুম করে কোথা থেকে যেনো আসলো।
তারপর আবার গায়েব হয়ে গেলো।
ওটা কোনদিকে গিয়েছে দেখেছেন?
আমি তো আপনাকে বললামই ওটা গায়েব হয়ে গিয়েছিল।
আচ্ছা, ওটা আসলে কি ছিল?
আচ্ছা আপনার ট্রাকের ক্ষতিপূরণ দিয়ে দিচ্ছি।
তোমার মুখ বন্ধ রাখার জন্য সামান্য মালকড়ি দেয়া হলো।
ঘুষ আরকি!
নানু, ভয় পেয়ে গিয়েছিলাম।
ওহ! তাহলে তোর ক্ষুদা পেয়েছে?
হ্যাঁ, অনেকক্ষণ ধরে কিছু খাইনি।
ঠান্ডা হতে দে! তা নাহলে মুখ পুড়ে যাবে।
আমি তোর মাকে বারবার এটাই বলছি যে,
- তোর বিশ্রাম নেয়া উচিত। - অও, অও!
বাড়িতে থেকে আমাদের সাথে আরো বেশি সময় কাটানো উচিত তোর।
মিসেস লুই আজকে আমাকে ডেকে বললো তুই নাকি তার কম্পিউটার ঠিক করেছিস।
আর ব্লক ৪ এর মিসেস ইয়ুন বলেছে যে,
তুই নাকি তার পোষা কুকুর এর পায়ের নখ কেটেছিস।
যদিও তোর উচ্চাকাঙ্ক্ষা দেখে ভালোই লাগে।
কেউই চাইবে না যে, তার একমাত্র নাতনীটা নিষ্কর্মা হোক।
কিন্তু এত ব্যাস্ততা!
কিসের জন্য এত ব্যাস্ততা তোর?
আমার মনে হয়, আমি ব্যাস্ত থাকতেই ভালবাসি।
ঈঁ...
নানু, আমরা এটা নিয়ে পড়ে কথা বলব, ঠিক আছে?
তোমাকে এত চিন্তা করতে হবেনা।
তোর নানুর কথা শোনা উচিত।
এই যে, ছেলে...
অথবা মেয়েও হতে পারো।
তুমি কি ক্ষুদার্থ?
ওরে!
অবশ্যই তুমি একটা ছেলে।
ওরে!
জানিনা তুমি কোথা থেকে এসেছ, কিন্তু আমি নিশ্চিত এই জায়গটা তোমার জন্য নয়।
তুমি এখানেই থাকো, বুঝেছ? কিছু লোক তোমাকে খুঁজে বেড়াচ্ছে।
কি করা যায়...
না, না! শান্ত হও!
দয়া করে কেঁদো না।
দাঁড়াও!
আমার বাবা এটা আমার জন্য বাজাতেন। তখন আমার মন ভালো হয়ে যেত।
এখন ভালো লাগছে, তাইনা?
উহ...
হুম?
নাহ!
শুভ রাত্রি, ঘুমকাতুরে!
দাঁড়াও, তুমি এই জায়গাটা চেনো?
হুহ?
ওখানেই কি তোমার বাড়ি?
হুম?
No comments yet. Be the first to leave one.