Collateral

Collateral

Scarica il sottotitolo Bengali

Informazioni sulla release

Collateral (2004) BluRay Bengali
Un commento di Shaheed_Kabir
[সাবটাইটেল নংঃ- ৪০] আমরা প্রতিদিন রাস্তায় চলাফেরা করি, কতো ধরণের মানুষের সাথে গাড়িতে পরিচয় হয়। কারো সাথে কথা বলি আবার কারো সাথে বলি না। যদি কোনো গাড়িতে আপনার একটি লোকের সাথে পরিচয় এবং বন্ধুত্ব হয়ে যায়। তখন তো আপনি মনে মনে মোটামুটি খুশিই হবেন। তবে পরে যদি

Tag

BluRay
Pubblicato il: 2015-12-15
Download: 90
Sottotitoli per non udenti: No

Anteprima dei sottotitoli in Bengali

Le prime 200 righe.

বা

বাং

লা

বাংলা

সাব

টাই

টেল

বাংলা সাবটাইটেল

subtitle by

- আপানি ঠিক আছেন? - হ্যাঁ, আমি ভালো আছি, ভায়া।

এটা নিয়ে একদম চিন্তা করবেন না।

আপনি ঠিক আছেন তো?

লস এঞ্জেলেসে আসাটা উপভোগ্য হোক।

আমি যেভাবে বললাম, ঐভাবেই করতে হবে। না, না। অন্য রকম হলে হবে না।

- সে সেটা করেছিলো। - হুম ঠিক আছে।

তুমি কি আমাকে বলতে পারবে সবকিছু কেনো সব সময় শুধু তোমাকে ঘিরেই ঘটে যায়?

সবকিছু সবসময় শুধু আমাকে ঘিরে ঘটে না।

সে সব সময় আমার সাথে অন্য রকম কিছু করতে চেষ্টা করে,

- আর তুমিও সেটা ভালো করেই জানতে। - "অন্য রকম।" তুমি জানো কি?

- আমি দুঃখিত, আমি আসলে এটা আদৌ এভাবে দেখতে পাইনি। - ওহ্‌, একদম বাজে কথা।

তুমি কি আসলে দেখেও না দেখার ভান করতে চাচ্ছো? সত্যিই চমৎকার।

তুমি আসলে আমাকে দিয়ে কি করাতে চাচ্ছো? আমি তাঁর সাথে কাজ করি, বুঝতে চেষ্টা করো।

আর তুমি জানো কি? তুমি নিজেই তোমার সমস্যার সমাধান করতে পুরোপুরি সক্ষম আছো।

তুমি কি একটা জিনিস জানো? শেষবার আমি চেক করেছি, তুমি আমার সাথে বিছানায় খুব সুখী ছিলে।

আর তুমি এখন আবার তাকে খুশী করার চেষ্টা করতেছো, আমি পরামর্শ দেই...

দুই ডলারের আবারো মামলা।

তুমি কবে এই কাজ ছাড়বে?

কি কারণে এই কাজ ছাড়বো? এতো সহজভাবে আর কে পয়সা দেবে?

এতো সহজ ভাবে যদি ট্যাক্সি লাইনে উপার্জনের চিন্তা করি তাহলে এটা ছাড়তে হবে। আচ্ছা যাই তাহলে।

ভাই, আমি এয়ারপোর্টে যাবার শাটল কোথা থেকে ধরতে পারবো?

- পিছন দিক থেকে। - ধন্যবাদ।

সেটা ছিলো সেই সোনালী রঙের লেক্সাস গাড়িতে।

তারা কি এখনো ভ্যানু পরিবর্তনের জন্য বলছে?

সে পারেনি কারণ দেশে এখন সর্বোচ্চ তাপমাত্রা চলছে।

- কোথায় যাবো? - ডাউনটাউন। ৩১২ উত্তর স্প্রিং রাস্তা।

ডাউনটাউন।

দেখো, ট্রান্সক্রিপশন সকাল ৭টার দিকেই হয়ে যাবে, ঠিক আছে?

আচ্ছা দাঁড়াও। তুমি সেপুলভেডা থেকে স্লাউসন হয়ে লা ব্রেইয়া যাও।

লা ব্রেইয়া থেকে সিক্সথ ইনটু ডাউনটাউন।

তাতে কি হলো? তুমি সারা রাত জাগবে।

আমিও তোমার সাথে সারা রাত জাগবো, তাই চোখের জল জমিয়ে রাখো।

আমি ১০৫ উত্তরের চেয়ে ১১০ বরং জলদি যেতে পারবো।

কি?

আমি বলেছি, ১০৫ এর চেয়ে ১১০ টার্ন নিলে দ্রুত পৌঁছাতে পারবো।

১০০ টার্নে অনেক পার্কিং লটের ঝামেলা থাকে।

কিন্তু লা ব্রেইয়ার আগে সান্তা মনিকায় সাধারনত জ্যাম থাকে।

১১০ উত্তরে,

পাসাডেনার দিকে তুমি গাড়ি অনেক আস্তে চালাবে তাতে আমি ফেঁসে যাবো।

হ্যাঁ, অনেকে এমন করে, কিন্তু আমি গ্রান্ডের দিকে টার্ন নিয়ে চলবো, আর তারপর আমি...

আচ্ছা, সারফেস রোড দিয়ে আপনি যেতে চান, আমরা সেই পথেই যাবো।

- আমরা কি বাঁজি ধরবো? - কেনো নয়?

কিন্তু তুমি ভুল হলে কি হবে?

আমার মনে হয় না আমি ভুল করবো, কিন্তু যদি করি, এই রাইড বিনামূল্যে দিবো।

ঠিক আছে, তুমি নিজেই একটা শর্ত দিলে।

আচ্ছা তাহলে, বলে ফেলো।

- কি বলবো? - চালিয়ে যাও।

ওহ্, আমি ভাগ্যবাতি জ্বালিয়ে দিয়েছি।

তুমি ভাগ্যবাতি জ্বালিয়ে দাওনি. তুমি শুধু এই ক্ষেত্রে সঠিক ছিলে।

আমি ভুল ছিলাম।

ম্যাক্স।

আরো একটু জোরে গানটা বাজাবে?

- আপনি ক্লাসিক গান পছন্দ করেন। - হ্যাঁ তাই। আমি হাই স্কুলে এই ধরনের গান গাইতাম।

- আমাকে বুঝতে দিন। উডউইন্ডস। - না। স্ট্রিং।

ওটা বাজানোর মতো অতো লম্বা দম আমার কখনো ছিলো না।

আপনি সেলফোনে যেমন লম্বা দম নিয়ে কথা বলছিলেন তখন তাই মনে হয়েছিলো।

ওটা আলাদা ব্যাপার।

জানো কি, তুমি যদি শুধু আমার কথা শুনতে,

আমরা এখন কঠিন ট্রাফিক জ্যামের মধ্যে পরে যেতাম।

তুমি নিজেকে অতিরিক্ত ৫ ডলার পাওয়ার যোগ্য করেছো।

হ্যাঁ, আচ্ছা, আপনি ঐ ৫ ডলার নিজের কাছে রেখে দেন। আর নিজের জন্য বিশেষ কিছু কিনে নেন। মজা করেন।

সত্যি, এটা তেমন কিছু না...বিশাল কোনো ব্যাপার না। এখানে বিশাল কিছুই নেই।

আচ্ছা, কয়জন ক্যাব ড্রাইভারকে চেনো

যারা যাত্রীর টাকা সঞ্চয় করাতে চেয়ে তর্ক করে?

মাত্র দু'জনকে চিনতাম। অন্য জনকে আমি নিজেই খুন করেছি।

আমি আবার প্রতিযোগীতা পছন্দ করি না।

তোমার এই কাজ করে কি অনেক গর্ব হয়?

কি, এই কাজ? ওহ্‌, এটা... এটা আসলে...না, এটা শুধু পার্ট-টাইম

শুধু করার জন্যই করা। বিল মেটানোর জন্য।

কিন্তু আমি আমার কাজে সেরা হবো। কিন্তু সেটা অন্য কিছু।

- সেটা কি? - শুধু সেটার চেষ্টা চলছে।

যেমন?

আমাকে বলো।

লিমো কোম্পানী বানাতে চাই। বিশাল লিমো কোম্পানী।

এটা এক বড় দ্বীপ পরিচালনার মতো। অসাধারণ, জোশ একটা অভিজ্ঞতা।

আপনি যখন এয়ারপোর্টে পৌঁছে যাবেন, আমার লিমো গাড়ি থেকে আপনার নামতেই মন চাইবে না।

তাই কষ্ট করে এই পার্ট-টাইম কাজ করে যাচ্ছি,

স্টাফের জন্য, ভালো ক্লায়েন্ট তালিকা পেতে। বুঝেন তো, ব্যাপারটা এমনই হয়।

আইনজীবির কাজ কেমন লাগে আপনার?

- আরে খাইছে, তুমি কি মনোবিদ? - হালকা-পাতলা বুঝি আর কি।

আপনার এই কালো স্যুট দেখে আন্দাজ করলাম।

মার্জিত, খুব চটকদার না। ঠিক বিজ্ঞাপনের নিয়মে না।

এই টপ ড্রয়ার ব্রিফকেসের উপর আপনি বেঁচে আছেন।

আর এই পার্স। সব পরিস্কার।

যাই হোক, একজন মানুষ আমার গাড়িতে বসা মাত্রই আমি তাঁর সম্পর্কে ধারণা করে ফেলি।

আপনি? ডিফেন্স আইনজীবি।

আচ্ছা, না, ঠিক অমন না। ডিফেন্সে না। আমি একজন প্রসেকিউটর।

- বড় মামলা? - হ্যাঁ।

- বেশ জলদি চলে এলাম। - অবশ্যই।

কিন্তু আপনি আমার প্রশ্নের উত্তর দিলেন না।

আপনার কাজ কি আপনি পছন্দ করেন?

হ্যাঁ।

কিন্তু আজ করছেন না।

না, আমি পছন্দ করি, আমি অপেক্ষা করতে পারছি না।

আমি আদালত কক্ষে দাঁড়িয়ে থাকতে ভালোবাসি।

কিন্তু আবার একি সময়ে আমার অন্য রকম লাগে,

একেবারে প্রথম দিনের আগের রাতের মতো ঘাবরে যাই।

ঘাবরে যান? সেটা কেমন?

আমার মনে হতে থাকে আমি হেরে যাবো। আমার মনে হতে থাকে মামলাটা খুব বাজে হবে,

আমার হয়তো কাগজ-পত্র ঠিক নেই, আমার হয়তো প্রস্তুতি ঠিক নেই,

মানুষ বুঝে ফেলবে আমি কোনো কাজ করতে জানি না,

আর আমি এতো গুলো বছর ধরে শুধু হেঁয়ালি করেই যাচ্ছি।

আমি বিচার বিভাগের প্রতিনিধিত্ব করছি,

এবং আমার দেয়া বিবৃতি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময়ে মুখ থুবড়ে পরবে,

এবং জুরি আমাকে নিয়ে উপহাস করতে থাকবে।

আর তারপর আমি কাঁদি। আমি একেবারে ভেঙ্গে পরি না।

কিছু মানুষ এই সময়ে ভেঙ্গেই পরে। কিন্তু আমি অনেক শক্ত মনের।

আর তারপর আমি নিজেকে সামলে নেই, আমি আমার বিবৃতি পুনরায় লিখে ফেলি,

সারা রাত আমার এই সব ভাবনা আর প্রস্তুতিতেই কেটে যায়।

এটাই হলো আমার রুটিন।

সকাল বেলা উঠে আবার ঠিক হয়ে যায়।

তোমার কোথাও থেকে ঘুরে আসা উচিত।

আমি তো এখনই ঘোরাঘুরির মধ্যে আছি।

না, না, কোনো গাড়িতে বসে না। আমি বলতে চাচ্ছি, তোমার মাথাটাকে বিশ্রাম দিতে হবে।

নিজেকে আরো উপরে তোলার জন্য। নিজের আরো শান্তির জন্য। তুমি জানো...

তুমি নিজেই বা কখন বিশ্রাম নাও?

আমি সব সময় ছুটি কাটানোর মেজাজেই আছি।

- কতো বার বিশ্রাম নাও? - দিনে দশবারের মতো।

আমার প্রিয় জায়গা।

মালদ্বিপ আইল্যান্ড।

এটা আমার একেবারেই ব্যক্তিগত জায়গা।

এটাই আমাকে চরম অনুভুতি এনে দেয়, আমার মাত্র পাঁচ মিনিট সময় লাগে,

আর এই সময়ের মধ্যে আমি ওখান থেকে ঘুরে আসি।

আর খুব মনোযোগ দিয়ে ওখানকার সব সৌন্দর্য উপভোগ করি।

- এই যে। এটা নাও। - ওহ্‌, না। আমি এটা করতে পারবো না।

আরে নাও। রাখো এটা, কারণ আমার চেয়ে বরং তোমার এটা বেশী দরকার।

আর এটা তোমাকে সাহায্য করবে। আমি তোমাকে নিশ্চয়তা দিচ্ছি।

ধন্যবাদ, ম্যাক্স।

ব্যাপার না কোনো।

হেই।

আমি জানি না,

যদি তোমার কখনো কোনো ফরচুন ৫০০ কোম্পানীর তদন্ত করার দরকার হয় অথবা

ক্যাবে বসে বকবক করতে ইচ্ছা হয়।

হেই।

ওহ্‌, আহা, আহা। হেই, হ্যাঁ। চলে আসুন, জনাব, আমি দুঃখিত।

আমি আপনার কথা শুনতে পাইনি, ভায়া। চলে আসুন। আমি আপনাকে নিবো।

- কোথায় যাবেন? - ১০৩৯ দক্ষিণ ইউনিয়ন স্ট্রিট।

আচ্ছা।

- কতোক্ষনের ভিতরে তুমি ওখানে যেতে পারবে? - সাত মিনিট।

সাত। আট নয়? ছয় নয়?

দুই মিনিটে ১১০ নর্মান্ডি পৌঁছে যাবো।

নর্মান্ডি থেকে ভেনিস তিন মিনিট।

ইউনিয়ন ওভার এক মিনিট। বাড়তি এক মিনিট "বাজে কোনো ঘটনার জন্য" ধরা।

- ঠিক আছে, যদি আমি তোমাকে সময় দেই? - আপনার নিজে থেকেই নেমে যেতে হবে।

তুমি যদি ভুল বলে থাকো তাহলে আমি কি পাবো? একটা ফ্রি রাইড?

আমাকে মাফ করবেন। আমি একজনকে আজকের ফ্রি রাইডের প্রস্তাব দিয়ে ফেলেছি।

- কাকে দিলে? - কোনো মেয়েকে।

তাঁর সাথে কি ডেট আছে নাকি?

- লস এঞ্জেলেসে প্রথম বার এলেন? - না।

সত্যি বলতে, আমি যখন এখানে আসি, আমার এখানে একদম থাকতে ইচ্ছা করে না।

একেবারেই বাইরের কেউ মনে হয়, বিচ্ছিন্ন। তুমি জানো।

- এটাই আমার অনুভুতি। তোমার এই জায়গা ভালো লাগে? - এখানেই আমার বাড়ি।

সতেরো মিলিয়ন মানুষ। এটা এমন এক অদ্ভুত জায়গা,

এটা বিশ্বের পঞ্চম বৃহত্তম অর্থনীতির হতে যাচ্ছে, এবং কেউ কাউকে ভালো করে চেনে না।

আমি এক লোকের কথা শুনেছি, ট্রেনে মরে পরে ছিলো।

ছয় ঘন্টা ধরে ওখানেই পরে ছিলো,

কেউ একটু ভুলে খেয়াল করেও দেখেনি।

মানুষ তাঁর পাশ থেকেই আসছে যাচ্ছে।

কারো কিছু আসে যায় না।

এতো পরিস্কার ক্যাব আমি আগে কখনো দেখিনি।

- প্রতিদিন চালাও? - হ্যাঁ, আমি দিনে গাড়ি চালাই না।

- এর কারণ তোমার কি রাত পছন্দ? - হ্যাঁ, মানুষ আরো স্বচ্ছন্দ বোধ করে।

চাপ কম, ট্রাফিক কম, ভালো টিপস।

- আরো অনেক কিছু পাওয়া যায় নাকি? - ওহ্‌, না। এটা সেই ধরনের কোনো ভালো কাজ না।

আমি এই কাজ বেশী দিন করবোও না। কিছু করতে হয় তাই করছি, বুঝেনই তো।

ভালো কিছু কাজে ঢোকার আগে পর্যন্ত অস্থায়ী ভাবে করে যাচ্ছি আর কি।

এটা শুধুই অস্থায়ী কাজ।

- কতোদিন ধরে তুমি গাড়ি চালাও? - বারো বছর।

সত্যি?

তাহলে কি অন্য কিছু করার পরিকল্পনা আছে?

আসলে কি, আমি এই বিষয়ে বলতে চাই না। ছোট্ট একটা ব্যবসায়িক পরিকল্পনা।

- কিছু মনে করবেন না। আমি শুধু... - ব্যাপার না কোনো।

তুমি কথা কম বলে কাজ বেশী করতে আগ্রহী।

সত্যি চমৎকার।

- সাত মিনিট। ভাই, তুমি দেখালে বটে। - আমি ভাগ্যবাতি জ্বালিয়ে দিয়েছি।

হ্যাঁ, অবশ্যই। তুমি সম্ভবত ভাগ্যবাতি জ্বালানোর সময়সূচী খুব ভালো করে জানো।

শোনো, আমি কিছু চুক্তি স্বাক্ষর করতে শহরে এসেছি, হয়তো সারা রাত লেগে যাবে।

আমার আরো পাঁচটা জায়গায় যেতে হবে। স্বাক্ষর সংগ্রহ করতে, কিছু বন্ধুর সাথে দেখা করতে,

আর সকাল ৬টার দিকে ফিরে যাবো। তুমি কি আমার সাথে থাকতে আগ্রহী?

এই গাড়ি এভাবে ভাড়া করা যাবে না, ভায়া। এটা নিয়মের বাইরে হয়ে যায়।

- নিয়ম? - হ্যাঁ।

আমি তো অতিরিক্ত টাকা দিয়েই রাখতে চাচ্ছি। তুমি একবার ভাড়া খেটে কতো পাও?

- কতো পাও? - ৩৫০, ৪০০।

হ্যাঁ? আচ্ছা, আমি তোমাকে তার বদলে ৬০০ দেবো।

- ভাই, আমি জানি না। - তুমি যদি আমার সাথে থাকো

আমি তোমাকে অতিরিক্ত আরো ১০০ ডলার দেবো।

ওহ্‌, না, ভায়া। আমি থাকতে পারবো না।

- আমি এটা পারবো না। - হ্যাঁ, তুমি পারবে।

- ভাইরে, কি যে করি। ভাই। - হ্যাঁ, তুমি করবে।

ছয় শত...

চরম। আমাদের একটা চুক্তি হয়ে গেলো। এখন, এখানে এই নাও ৩০০।

Commenti

No comments yet. Be the first to leave one.

Keep it about this subtitle — sync, quality, typos.500 characters left